টুই মাধ্যমিকের ছাত্রী। বছর খানেক আগে তার এক কাজিন তাদের বাড়িতে বাইক নিয়ে বেড়াতে এসেছিল। তখন টুই সেই কাজিনের বাইকে চড়েছিল। তারপর থেকে সে বাইক ও আর বাইকের গতির প্রেমে পড়ে। কিন্তু কাজিন তো আবার বাইক নিয়ে শহরে চলে যায়। তারপর থেকে মনে মনে টুইয়ের খুব ইচ্ছে, আহা সারাদিন যদি বাইকে বসে চুল উড়িয়ে সাই সাই করে ঘুরে বেড়াতে পারতাম কতই না মজা হতো।
টুই ইদানীং স্কুলে যাওয়া এবং আসার সময় প্রাই লক্ষ্য করে একটা ছেলে উচ্চশব্দে সেই গতি নিয়ে সাই করে রাস্তা দিয়ে বাইক চালিয়ে যায়। অনেক দিন ধরেই ছেলেটার বাইকের গতিবিধি টুই লক্ষ্য করতো আর মনে মনে ভাবতো, এই বাইকের পেছনে যদি আমি বসা থাকতাম কতই না ভালো হতো। ঘটনা ক্রমে একদিন টুই সেই বাইকের সামনে পরে। একটুর জন্য এক্সসিডেন্ট হয় না। ওই দিন টুইয়ের পরিচয় বাইকার ফারুকের সাথে। একদিন ফারুক টুইকে বলে তার বাইকের পেছনে উঠতে সে তাকে বাসার কাছাকাছি পৌঁছে দেবে। টুই এক লাফে বাইকে উঠে বসে। ফারুক দেয় টান। একটানে বাসার কাছাকাছি। কিন্তু টুই বাইক থেকে নামে না বলে আরো তুই তিনবার চক্কর দিতে। এভাবে টুই একদিন বাইকার ফারুক ও তার বাইকের গতির প্রেমে পরে যায়। ফারুক একেকদিন একেকটি বাইক নিয়ে আসতো। টুইকে বলে তার কালেকশনে অনেক বাইক আছে। কিন্তু একদিন টুই সত্য জানতে পারে। আসলে ফারুক হলো বাইকের দোকানের মেকানিক। কাস্টমার যখন বাইক ঠিক করতে দেয় তখন সে ট্রাইল এর কথা বলে পুরো এলাকা চষে বেড়ায়। কি আপনারা ভাবছেন টুই এই কারণে ফারুকের সাথে ব্রেকাপ করে দেবে? না, টুই এসব কিছুই করে না। সে ফারুককে বলে আমি ভালোবেসেছি তোমাকে তোমার বাইকের গতিকে, তুমি কি করো না করো এসব নিয়ে আমার কোনো মাথা বেথা নাই। বরং টুই ফারুককে বোঝানোর চেষ্টা করে, তার বাবার অনেক টাকা মায়ের অনেক গহনা আছে। সে এইসব চুরি করে ফারুককে নিয়ে শহরে পালিয়ে যাবে। ফারুক এই টাকা দিয়ে ব্যবসা করবে আর তাদের ছোট একটা সুখের সংসার হবে। আর এভাবেই এগিয়ে যায় নাটকের গল্প।
মেহেদী রনির পরিচালনায় মাধ্যমিকের বাধ্য মেয়ে শিরোনামের নাটকটিতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন খায়রুল বাসার ও কেয়া পায়েল। একক এই নাটকটি ঈদের তৃতীয় দিন সন্ধ্যা ৭টায় আরটিভির পর্দায় প্রচারিত হবে।