• সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
নির্বাচন ও গণভোট বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ
নির্বাচন ও গণভোট বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট—দুটিই বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ইউরোপীয় এক্সটারনাল অ্যাকশন সার্ভিসের (ইইএএস) এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক পাওলা পাম্পালোনি প্রধান উপদেষ্টা সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন। ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও বাংলাদেশের মধ্যে সমন্বিত অংশীদারিত্ব চুক্তি (কমপ্রিহেনসিভ পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট) নিয়ে আলোচনা শিগগিরই চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাবে বলে জানিয়েছেন ইইউ। সাক্ষাতে বাংলাদেশ-ইইউ সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনায় সমন্বিত অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা কাঠামো চুক্তি (পিসিএ) নিয়ে চলমান আলোচনা, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট, অবৈধ অভিবাসন রোধ এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। পাওলা পাম্পালোনি বলেন, দীর্ঘ ২০ বছর সাধারণ অংশীদারিত্ব চুক্তির আওতায় সম্পর্ক পরিচালনার পর ২০২৪ সালের নভেম্বরে সমন্বিত অংশীদারিত্ব চুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে অধ্যাপক ইউনূস যে ‘অসাধারণ ও ব্যাপক’ সংস্কারমূলক কাজ করেছেন, তার জন্য তাকে অভিনন্দন জানান পাওলা। ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার হিসেবে এসব সংস্কারকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন তিনি। ইইউ কর্মকর্তা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সংস্কারের যে উচ্চাকাঙ্ক্ষা দেখা গেছে, তা ইউরোপীয় ইউনিয়ন গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেছে এবং প্রশংসা করেছে। তিনি পিসিএ চুক্তিতে অগ্রগতিকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এই চুক্তি দুই পক্ষের সম্পর্ককে আরও গভীর করবে এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগে বড় সুযোগ তৈরি করবে। জবাবে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস গত ১৭ মাসে অন্তর্বর্তী সরকারকে ইইউর ধারাবাহিক সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, পিসিএ বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি চুক্তি, যা বাংলাদেশ-ইইউ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে। পাওলা পাম্পালোনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে ইইউ সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এরই প্রতিফলন হিসেবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ইইউ একটি উচ্চপর্যায়ের বড় নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশন পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি জানান, ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশনের প্রধান চলতি সপ্তাহেই বাংলাদেশে আসবেন এবং রাজনৈতিক নেতাদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করবেন। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণ করতে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, স্বৈরশাসনের কারণে গত ১৬ বছর মানুষ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে ভোট দিতে পারেনি। এবার মানুষ উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দেবে। পাওলা পাম্পালোনি শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, সফল গণতান্ত্রিক রূপান্তরের পর বাংলাদেশ-ইইউ সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে, যা ঢাকা ও বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনৈতিক জোটের মধ্যে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো জুলাই সনদে সমর্থন দিয়েছে এবং গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে তারা প্রচার চালাবে বলে তার বিশ্বাস। আমি মনে করি না কোনো দল ‘না’ ভোটের পক্ষে যাবে। সাক্ষাতে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী, এসডিজি বিষয়ক সমন্বয়ক ও সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদ এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার উপস্থিত ছিলেন।

‘নিজ দেশের নাগরিক হত্যা, তাদের গণকবর—সভ্য রাষ্ট্রে কল্পনাও করা যায় না’

‘নিজ দেশের নাগরিক হত্যা, তাদের গণকবর—সভ্য রাষ্ট্রে কল্পনাও করা যায় না’

রাজধানীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে গুলি করে হত্যা

রাজধানীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে গুলি করে হত্যা

২১ পদের মধ্যে ১৬টিতেই ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ 

২১ পদের মধ্যে ১৬টিতেই ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ 

সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ড আজ, শৈত্যপ্রবাহ ছড়িয়ে পড়েছে সারা দেশে

সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ড আজ, শৈত্যপ্রবাহ ছড়িয়ে পড়েছে সারা দেশে

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ডের তালিকায় বাংলাদেশ, গুনতে হবে সর্বোচ্চ সাড়ে ১৮ লাখ টাকা

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ডের তালিকায় বাংলাদেশ, গুনতে হবে সর্বোচ্চ সাড়ে ১৮ লাখ টাকা

১০ দিন পর কারামুক্ত হলেন জুলাইযোদ্ধা সুরভী

১০ দিন পর কারামুক্ত হলেন জুলাইযোদ্ধা সুরভী
জকসুতে শিবির সমর্থিত প্যানেলের নিরঙ্কুশ জয়
জকসুতে শিবির সমর্থিত প্যানেলের নিরঙ্কুশ জয়
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের ভিপি, জিএস, এজিএস প্রার্থীরা নিরঙ্কুশ জয়লাভ করেছেন। বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাত ১১টা ৩০ মিনিটে কেন্দ্রীয় সংসদের ৩৮ কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড . কানিজ ফাতিমা কাকলী । ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে শিবির সমর্থিত অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের ভিপি রিয়াজুল ইসলাম ৫ হাজার ৫৬৪ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম ছাত্রদল সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভিক জবিয়ান’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী এ কেএম রাকিব পেয়েছেন ৪ হাজার ৬৮৮ ভোট। তাদের দুজনের মধ্যে ভোটের ব্যবধান ৮৮০। সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে শিবির সমর্থিত অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের আব্দুল আলিম আরিফ পেয়েছেন ৫ হাজার ৪৭০ ভোট। তার নিকটতম ছাত্রদল সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ নির্ভিক জবিয়ান প্যানেলের জিএস প্রার্থী খাদিজাতুল কুবরা পেয়েছেন ২ হাজার ২০৩ ভোট। ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের জিএস প্রার্থী থেকে ৩ হাজার ২৬৭ ভোট বেশি পেয়েছেন শিবির সমর্থিত ভিপি প্রার্থী। অপরতিকে এজিএস পদে শিবির সমর্থিত অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের মাসুদ রানা পেয়েছেন ৫ হাজার ০০২ ভোট। তার নিকটতম ছাত্রদল সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ নির্ভিক জবিয়ান প্যানেলের এজিএস প্রার্থী বিএম আতিকুর তানজিল পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৬৮ ভোট।

বিএনপিকে ভোট দিতে চায় ৭০ শতাংশ মানুষ : ইএএসডির জরিপ

বিএনপিকে ভোট দিতে চায় ৭০ শতাংশ মানুষ : ইএএসডির জরিপ

কক্সবাজার যাচ্ছেন তারেক রহমান, করবেন শহীদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারত

কক্সবাজার যাচ্ছেন তারেক রহমান, করবেন শহীদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারত

বিচার দাবিতে আজ থেকে ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচি

বিচার দাবিতে আজ থেকে ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচি

ডেঙ্গুতে একদিনে ২ মৃত্যু, হাসপাতালে ৭০৫

ডেঙ্গুতে একদিনে ২ মৃত্যু, হাসপাতালে ৭০৫

ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৩৯

ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৩৯

ডেঙ্গুতে আরো ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৯৫

ডেঙ্গুতে আরো ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৯৫
বিক্ষোভে উত্তাল ইরান, ১০ দিনে নিহত ৩৬
বিক্ষোভে উত্তাল ইরান, ১০ দিনে নিহত ৩৬
ইরানে লাগাতার ১০ দিন ধরে চলা সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৩৬ জনে দাঁড়িয়েছে। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস নিউজ এজেন্সি (হারানা) তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে ৪ জনের বয়স ১৮ বছরের নিচে। এছাড়া গত ১০ দিনে সহিংসতা ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ নষ্টের অভিযোগে দেশজুড়ে ২ হাজার ৭৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ইরানের মোট ৩১টি প্রদেশের মধ্যে ২৭টিতেই এই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে, যার মধ্যে ৯২টি শহরের ২৮৫টি স্থানে বিক্ষোভকারীরা অবস্থান নিয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে ইরান সরকার এখন পর্যন্ত হতাহত ও গ্রেপ্তারের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো দাপ্তরিক তথ্য প্রকাশ করেনি। এই আন্দোলনের সূত্রপাত হয়েছিল গত ২৮ ডিসেম্বর, যখন স্থানীয় মুদ্রা ইরানি রিয়ালের মান কমে যাওয়া এবং অসহনীয় মূল্যস্ফীতির প্রতিবাদে রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন শহরের ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট ডাকেন। পরের দিন ২৯ ডিসেম্বর সাধারণ মানুষ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই আন্দোলনে যোগ দিলে তা সরকারবিরোধী গণবিক্ষোভে রূপ নেয়। বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর অবস্থানের কারণে পরিস্থিতি সহিংস হয়ে ওঠে, যার ফলে এখন পর্যন্ত ৬০ জন আহত হয়েছেন। হারানার দেওয়া তথ্যমতে, বিক্ষোভের তীব্রতা কমার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না এবং সাধারণ মানুষ জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধির বিরুদ্ধে রাজপথে অনড় অবস্থানে রয়েছেন। এদিকে ইরানের এই অভ্যন্তরীণ সংকটে নতুন মাত্রা যোগ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি। গত ২ জানুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে হুঁশিয়ারি দেন যে, ইরান সরকার যদি নিষ্ঠুর পন্থা অবলম্বন করে তবে যুক্তরাষ্ট্র সেখানে যেকোনো সময় সামরিক অভিযান চালাতে পারে। এই হুমকির পর কিছুটা সতর্ক অবস্থান নিলেও ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি শত্রুদের কাছে নতিস্বীকার না করার অঙ্গীকার করেছেন। অন্যদিকে দেশটির বিচারমন্ত্রী গোলাম হোসেনইন মোহসেনি বিক্ষোভকারীদের ‘দাঙ্গাবাজ’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে জনগণকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি জানান যে, সরকার অভিযোগ শুনতে আগ্রহী কিন্তু অরাজকতা বরদাশত করা হবে না। সূত্র: বিবিসি

আমি এখনো প্রেসিডেন্ট, অপহরণ করা হয়েছে— মার্কিন আদালতে বললেন মাদুরো

আমি এখনো প্রেসিডেন্ট, অপহরণ করা হয়েছে— মার্কিন আদালতে বললেন মাদুরো

ভেনেজুয়েলায় মার্কিন বাহিনীর মুহুর্মুহু হামলা, জরুরি অবস্থা জারি 

ভেনেজুয়েলায় মার্কিন বাহিনীর মুহুর্মুহু হামলা, জরুরি অবস্থা জারি 

ভেনেজুয়েলার ভূখণ্ডে মার্কিন হামলা, বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল কারাকাস

ভেনেজুয়েলার ভূখণ্ডে মার্কিন হামলা, বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল কারাকাস

ইব্রাহিমি মসজিদ বন্ধ করে দিলো ইসরায়েল, ফিলিস্তিনিদের ওপর কারফিউ

ইব্রাহিমি মসজিদ বন্ধ করে দিলো ইসরায়েল, ফিলিস্তিনিদের ওপর কারফিউ

লিবিয়া উপকূলে ২৬ বাংলাদেশিকে নিয়ে নৌকাডুবি, ৪ জনের মৃত্যু

লিবিয়া উপকূলে ২৬ বাংলাদেশিকে নিয়ে নৌকাডুবি, ৪ জনের মৃত্যু

হরমুজ প্রণালী থেকে তেলবাহী ট্যাংকার আটক করেছে ইরান

হরমুজ প্রণালী থেকে তেলবাহী ট্যাংকার আটক করেছে ইরান
যশোরে বরফকল মালিককে মাথায় গুলি করে হত্যা
যশোরে বরফকল মালিককে মাথায় গুলি করে হত্যা
যশোরের মণিরামপুরে প্রকাশ্য দিবালোকে মাথায় গুলি করে রানা প্রতাপ (৪৫) নামের একজনকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার কপালিয়া বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। রানা প্রতাপ পার্শ্ববর্তী কেশবপুর উপজেলার আড়ুয়া গ্রামের স্কুলশিক্ষক তুষার কান্তি বৈরাগীর ছেলে। কপালিয়া বাজারে তার বরফকল রয়েছে। মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আক্তার ফারুক মিন্টু বলেন, দুই বছর ধরে কপালিয়া বাজারে বরফকল পরিচালনা করে আসছিলেন রানা। সোমবার (৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় কয়েকজন দুর্বৃত্ত তাকে বরফকল থেকে ডেকে বাজারে অবস্থিত ক্লিনিকের পাশের গলির মুখে নিয়ে যায়। এরপর তারা তাকে সেখানে গুলি করে হত্যা করে। স্থানীয় রিপন হোসেন নামে একজন জানান, দুর্বৃত্তরা একটি মোটরসাইকেলে এসে রানাকে বরফকল থেকে ডেকে পাশে একটি গলিতে নিয়ে যায়। এরপর কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তারা রানার মাথায় কয়েক রাউন্ড গুলি করে মণিরামপুরের দিকে আসার রাস্তা দিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে রানার মরদেহের পাশে সাতটি গুলির খোসা পড়ে ছিল। স্থানীয় একটি সূত্র জানায়, নিহত রানা প্রতাপের নামে যশোরের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা ছিল। তিনি চরমপন্থি দলের সঙ্গেও জড়িত ছিলেন। এ ছাড়া, নড়াইল থেকে প্রকাশিত দৈনিক বিডি খবরের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ছিলেন তিনি। পত্রিকাটির বার্তা সম্পাদক আবুল কাশেম বলেন, নিহত রানা প্রতাপ আমাদের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ছিলেন। একসময়ে তার নামে মামলা থাকলেও সবগুলো থেকেই তিনি খালাস পেয়েছেন। কি কারণে এ হত্যাকাণ্ড সে বিষয়ে কিছু জানাতে পারেননি তিনি। কেশবপুর উপজেলার সুফলাকাটি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আড়ুয়া গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, নিহত রানা প্রতাপ চরমপন্থি গ্রুপের সদস্য ছিলেন। কপালিয়া তার একটি বরফকল আছে। ওই এলাকায় তিনি খুন হয়েছেন। নানা দ্বন্দ্বে তিনি জড়িত ছিলেন। কপালিয়া এলাকায় তার অবাধ বিচরণ ছিল, তিনি নিজ এলাকায় থাকতেন না। এ বিষয়ে মণিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রজিউল্লাহ খান বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। কে বা কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

রাউজানে মুখোশ পরিহিত দুর্বৃত্তের গুলিতে যুবদল নেতা খুন

রাউজানে মুখোশ পরিহিত দুর্বৃত্তের গুলিতে যুবদল নেতা খুন

নোয়াখালীতে চর দখল নিয়ে দুই পক্ষের গোলাগুলি, নিহত ৫

নোয়াখালীতে চর দখল নিয়ে দুই পক্ষের গোলাগুলি, নিহত ৫

বিচারকের বাসায় ঢুকে ছুরিকাঘাতে ছেলেকে হত্যা

বিচারকের বাসায় ঢুকে ছুরিকাঘাতে ছেলেকে হত্যা
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
এপ্রিল মাস, শনিবারের এক ভোরে আকারা ইতেহ মধ্য লন্ডনের হোলবর্ন টিউব স্টেশনে হেঁটে হেঁটে আসার সময় নিজের ফোন ঘাঁটছিলেন। মুহূর্ত কয়েক পরই ইলেকট্রিক বাইকে আসা এক ছিনতাইকারী তাঁর হাত থেকে ফোন ছিনিয়ে নেয়। নিজের ফোন উদ্ধারে ছিনতাইকারীর পেছনে ছুট লাগিয়েছিলেন আকারা। কিন্তু ধরতে ব্যর্থ হন। আকারা একা এ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাননি; বরং এ বছর এখন পর্যন্ত ইংল্যান্ড ও ওয়ালসে প্রায় ‘৭৮ হাজার’ ফোন ছিনতাই হয়েছে। গত বছরের তুলনায় যা অনেক বেশি। এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে বিচার হওয়ার হার খুবই কম। পুলিশের বক্তব্য, তারা দায়ী অপরাধীদের খোঁজ করে। কিন্তু তারা যেভাবে গায়েব হয়ে যায় বা এত ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন করে যে তাদের গ্রেপ্তার করা কঠিন হয়ে যায়। এ ধরনের অপরাধের শিকার ব্যক্তিরা তাঁদের দুর্দশার কথা বিবিসিকে বলেছেন। বলেছেন, ফোন হারিয়ে গেলে এমন অনেক ছবি ও তথ্য হারিয়ে যায়, যেগুলো আর কখনো ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। সঙ্গে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি তো আছেই। তাঁদের মধ্যে আকারার মতো অনেকে আরও একটি কারণে নিদারুণ হতাশায় ডুবে যান। আকারা তাঁর ফোনটি কোথা থেকে কোথায় যাচ্ছে, তা অনলাইনে অনুসরণ করতে পারছেন; কিন্তু সেটি ফেরত আনার ক্ষমতা তাঁর নেই। ফোন ছিনতাই হওয়ার এক ঘণ্টা বা তার কিছু পরে বাড়িতে ফিরে আকারা তাঁর আইফোন ১৩ হারিয়ে গেছে (লস্ট মুড) অপশনটি চালু করেন। এটা করা হলে চোর ওই ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। এরপর আকারা তাঁর ল্যাপটপের সাহায্যে ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ ফিচার চালু করেন। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আকারা তাঁর ফোনটি কোথায় আছে, সেটা দেখতে পারেন। ল্যাপটপের স্ক্রিনে লন্ডনের বিভিন্ন জায়গায় নিজের ফোন ঘুরে বেড়াতে দেখেন আকারা। ফোন উদ্ধারের আশায় ল্যাপটপে দেখানো দুই জায়গায় নিজেই গিয়েছিলেন আকারা। তিনি বলেন, ‘এটা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। উত্তেজনায়, রাগে আমি এটা করেছিলাম।’ আকারা অবশ্য কারও সঙ্গে কথা বলেননি। তবে বুঝতে পারছিলেন, তাঁকে কেউ অনুসরণ করছে। তিনি বাড়ি চলে যান। আকারা বলেন, ‘আমি খুবই ক্ষুব্ধ ছিলাম। ফোনটা দামি। ওই ফোন কিনতে আমি কঠোর পরিশ্রম করে অর্থ উপার্জন করি এবং কেউ একজন সব ঘেঁটে দিল।’ আকারার ফোনটি যখন চুরি যায়, তখন রাস্তায় তিনি পুলিশ দেখতে পেয়ে তাদের সবকিছু খুলে বলেছিলেন। যদিও তাঁর মনে হয়েছে, পুলিশ কর্মকর্তারা জানতেন, ফোন চুরি করতে চোররা ওই এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। পুলিশ তাকে অনলাইনে অভিযোগ করার পরামর্শ দেয় এবং তিনি সেটা করেন। কয়েক দিন পর ই–মেইল পাঠিয়ে পুলিশ আকারাকে জানায়, তাঁর ফোন চুরির মামলাটির তদন্তকাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বলেছে, ‘সম্ভবত আমরা দোষীদের শনাক্ত করতে পারব না।’ যেখান থেকে ফোন চুরি হয়েছিল, সেখানকার ছবি ও কিছু তথ্য আকারা পুলিশকে দিয়েছিলেন। পুলিশ সেটা গ্রহণ করেছে। কিন্তু ফোন উদ্ধারে আর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ফোন চুরির ঠিক এক মাস পর, মে মাসে আকারা তাঁর ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ আবার দেখেন। তখন সেটির অবস্থান দেখাচ্ছিল শেনজেন, চীন। আকারা এবার সব আশা ছেড়ে দেন। চুরি যাওয়া অনেক ফোনের শেষ গন্তব্য হয় শেনজেন। সেখানে যদি ফোনটি খোলা এবং নতুন করে ব্যবহার করা না যায়, তাঁরা সেটির যন্ত্রাংশ খুলে ফেলে এবং আলাদা আলাদা করে বিক্রি করে। ১ কোটি ৭৬ লাখ মানুষের শহর শেনজেন, বিশাল বড় একটি প্রযুক্তিনগরী। শেনজেনকে তাই চীনের সিলিকন ভ্যালি বলা হয়।

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
অক্টোবরে ১৬ দিনে ব্যয় ৬ হাজার কোটি টাকা। তহবিল সংগ্রহে ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে কমলা। কমলার পক্ষে ভোটের জন্য অর্থ সংগ্রহ ১৮০ কোটি ডলার। ট্রাম্পের ২০২২ সাল থেকে এ পর্যন্ত সংগ্রহ ১০০ কোটি। ডেমোক্রেটিক পার্টির সমাবেশে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ক্লার্কস্টন এলাকায়। ছবি: এএফপি অপতথ্যের ছড়াছড়ি বিগত কয়েক নির্বাচন থেকে দেখছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভোটাররা। এবার অর্থকড়ির ছড়াছড়িও দেখছেন তাঁরা। সর্বশেষ ১৬ দিনে মার্কিন নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী কমলা হ্যারিস, রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা ব্যয় করছেন আধা বিলিয়ন অর্থাৎ ৫০ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৬ হাজার কোটি টাকা (১২০ টাকা প্রতি ডলার)। অর্থাৎ প্রতিদিন ব্যয় হয়েছে ৩৭৫ কোটি টাকা। নিউইয়র্ক টাইমসের গতকাল শুক্রবারের এক খবরে বলা হয়েছে, ভোটারদের তথ্য পেতে এবং বিজ্ঞাপনের জন্য এই অর্থ ব্যয় করছেন তাঁরা। ট্রাম্প ও হ্যারিসের প্রচার শিবির এই ১৬ দিনে ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আর এই দুই নেতার পক্ষে অন্যরা ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম অনুসারে নির্বাচনী প্রচারের ব্যয়ের হিসাব দিতে হয় নির্বাচন কমিশনে। সেই হিসাব সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। কমলা হ্যারিস ১ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত ব্যয় করেছেন ১৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। নথি সূত্রে জানা গেছে, দিন দিন তাঁর এই খরচ বেড়েছে। কারণ, গত আগস্টে পুরো মাসে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় করেছেন ১৩ কোটি ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, অক্টোবরের শুরুতে কমলা হ্যারিসের প্রচার শিবিরের তহবিলে জমা পড়েছে ১৮ কোটি ২৬ লাখ ডলার। তিনি এবং প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মিলে তাঁদের দল ডেমোক্রেটিক পার্টির হয়ে তুলেছেন ১৮০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহে পিছিয়ে আছেন ট্রাম্প। অক্টোবরে তাঁর প্রচার তহবিলে জমা পড়েছে ৯ কোটি ২১ লাখ ডলার। এ ছাড়া পুরো নির্বাচনী প্রচারেও অর্থ সংগ্রহ হয়েছে কম। ২০২২ সালে তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন। এর পর থেকে চলতি অক্টোবর পর্যন্ত তিনি অর্থ সংগ্রহ করতে পেরেছেন ১০০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহ কম হওয়ায় খরচও কম করতে পেরেছেন ট্রাম্প। অক্টোবরের প্রথম ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ১০ কোটি ডলার। এর মধ্যে বিজ্ঞাপনে তিনি ব্যয় করেছেন ৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, জুন, জুলাই ও আগস্টের চেয়ে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় বাড়িয়েছেন। তবে তাঁর হাতে আর বেশি অর্থ নেই ব্যয় করার মতো। তিনি বাকি সময়টায় ৩ কোটি ৬২ লাখ ডলার ব্যয় করতে পারবেন। তবে এ তুলনায় কমলা হ্যারিসের হাতে অনেক বেশি অর্থ আছে। হিসাব অনুসারে, কমলার হাতে ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার আছে নির্বাচনের প্রচারে ব্যয় করার জন্য। নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, ডেমোক্রেটিক পার্টির তহবিলে কারা টাকা দিচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে কিছু মানুষের নাম জানা যাচ্ছে। তবে সিংহভাগ অর্থ কোথা থেকে আসছে, সেটা জানা যাচ্ছে না। কমলা হ্যারিসের প্রচারে যারা সহযোগী হিসেবে কাজ করছে, সেই সুপার পিএসির তহবিল এসেছে ৪ কোটি ডলার। এই অর্থ কোথা থেকে এসেছে, সেটা জানা যাচ্ছে না।  ট্রাম্পের পাশে ইলন মাস্ক ট্রাম্পের প্রচারের শুরু থেকেই আছেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধনকুবের ইলন মাস্ক। আর্থিক এই খরার মধ্যে তিনি ট্রাম্পের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ট্রাম্পের জন্য গত ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার। ট্রাম্পের জন্য তিনি বরাদ্দ রেখেছেন ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের হিসাব বলছে, আর্থিক খরা কাটাতে অতিরিক্ত ৪ কোটি ৩৬ লাখ ডলার ব্যয় করছেন তিনি।

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

মিজানুর রহমান আজহারীর তাফসির মাহফিল স্থগিত

মিজানুর রহমান আজহারীর তাফসির মাহফিল স্থগিত

সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজের ইন্তেকাল

সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজের ইন্তেকাল

ওমরাহ ও হজযাত্রীদের জন্য বড় সুখবর

ওমরাহ ও হজযাত্রীদের জন্য বড় সুখবর
বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই
বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই
অভিনেত্রী মেহজাবীনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
অভিনেত্রী মেহজাবীনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
পুথির সাজে ধরা দিলেন মিম
পুথির সাজে ধরা দিলেন মিম
কাছের মানুষ হারালেন হৃতিকের প্রাক্তন স্ত্রী
কাছের মানুষ হারালেন হৃতিকের প্রাক্তন স্ত্রী
ফিটব্যাক রিসেট-এর তৃতীয় বর্ষ উদযাপন
ফিটব্যাক রিসেট-এর তৃতীয় বর্ষ উদযাপন
রোমিও ব্রাদার্স'র জমজমাট প্রথম পাবলিক কনসার্ট
রোমিও ব্রাদার্স'র জমজমাট প্রথম পাবলিক কনসার্ট
‘নারীকে সম্মান দেওয়ার পরিবর্তে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার হাতিয়ার বানানো হলো’
‘নারীকে সম্মান দেওয়ার পরিবর্তে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার হাতিয়ার বানানো হলো’
ব্যাচেলর পয়েন্টে আর দেখা যাবে না শিমুলকে!
ব্যাচেলর পয়েন্টে আর দেখা যাবে না শিমুলকে!
ক্রিকইনফোর খবর সত্য নয়: বুলবুল
ক্রিকইনফোর খবর সত্য নয়: বুলবুল
মাঝরাতে  ইএসপিএনক্রিকইনফোর একটি প্রতিবেদনে বাংলাদেশের ক্রিকেট অনুরাগীদের মাঝে ঝড় ওঠে। প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের দাবি মানছে না আইসিসি। অর্থাৎ বিশ্বকাপ খেলতে হলে বাংলাদেশ দলকে ভারতেই যেতে হবে। না হলে কাটা পড়বে পয়েন্ট। এমনটা নাকি আইসিসির পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে! এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা শুরু হয়। ক্রিকইনফো নিউজ-এর সত্যতা নিয়ে ওঠে প্রশ্ন। বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকালে এই খবরের সত্যতা জানতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কয়েকজন পরিচালক ও বিসিবি সিইও’র সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা সবাই জানান, আইসিসির সঙ্গে এই বিষয় নিয়ে কোনো কথা হয়নি। বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল একটি অনলাইন গণমাধ্যমকে জানান, ‘ক্রিকইনফোর এই খবর সত্য নয়। আইসিসি কখনোই বলেনি যে বিশ্বকাপ খেলতে হলে বাংলাদেশকে ভারতেই যেতে হবে। আমাদের সঙ্গে ব্যক্তিগত পর্যায়ে আইসিসির একাধিক কর্মকর্তার কথা হচ্ছে।’ বুধবার সকালে এক সাক্ষাৎকারে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ইএসপিএনক্রিকইনফোর প্রকাশিত প্রতিবেদনটিকে ভিত্তিহীন ও মিথ্যা বলেও দাবি করেন বিসিবি সভাপতি।  বুলবুল বলেন, ‘আইসিসি আমাদের কাছে জানতে চেয়েছে আমরা কেন ভারতে যাবো না। আমরা তো আমাদের মেইলে উল্লেখ করেছি যে, আমাদের সিকিউরিটি কনসার্ন আছে। আমরা এই কারণে ভারতে যাবো না।’ ‘তারপরও আইসিসি আমাদের কাছে আরেকবার মঙ্গলবার রাতে বিসিবির কী কী নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ আছে, সেগুলোর একটা পূর্ণাঙ্গ বিবরণ চেয়েছে। কী কারণে বিসিবির উদ্বেগ, কেন ভারতের মাটিতে বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা নিরাপদ নন, সেই ব্যাখ্যাটা আইসিসির কাছে দেওয়া হবে। তারপর বলা যাবে, আইসিসি কী সিদ্ধান্ত নেয়।’ ‘কিন্তু হুট করে যেটা বলা হয়েছে, আইসিসি বাংলাদেশকে ভারতেই খেলতে বলেছে না হয় বিশ্বকাপে ওয়াকওভার দিতে হবে, এই খবর একদমই মিথ্যা’- দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলেন বিসিবি সভাপতি।  

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: বাংলাদেশকে ভারতেই খেলতে হবে, বিসিবিকে আইসিসির বার্তা

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: বাংলাদেশকে ভারতেই খেলতে হবে, বিসিবিকে আইসিসির বার্তা

চাপের মুখে মুস্তাফিজকে বাদ দিতে বলল বিসিসিআই

চাপের মুখে মুস্তাফিজকে বাদ দিতে বলল বিসিসিআই

হামজার জোড়া গোলেও নেপালকে হারাতে পারল না বাংলাদেশ

হামজার জোড়া গোলেও নেপালকে হারাতে পারল না বাংলাদেশ

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে চাহিদা পূরণে দক্ষতার প্রামাণ দিচ্ছেন ইমরান 

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে চাহিদা পূরণে দক্ষতার প্রামাণ দিচ্ছেন ইমরান 

অ্যানোনিমাস পেজ থেকে রহস্যময় পোস্ট, পেছনে বেটিং চক্র!

অ্যানোনিমাস পেজ থেকে রহস্যময় পোস্ট, পেছনে বেটিং চক্র!

বন্যায় টেলিযোগাযোগ সচল রাখতে দেওয়া হলো জেনারেটর

বন্যায় টেলিযোগাযোগ সচল রাখতে দেওয়া হলো জেনারেটর
একনেকে ৪৬ হাজার কোটি টাকার ২২ প্রকল্প অনুমোদন
একনেকে ৪৬ হাজার কোটি টাকার ২২ প্রকল্প অনুমোদন
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ২২টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে নতুন প্রকল্প ১৪টি ও সংশোধিত প্রকল্প ৫টি এবং মেয়াদ বৃদ্ধি প্রকল্প ৩টি। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে মোট ব্যয় হবে ৪৬ হাজার ৪১৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ৩০ হাজার ৪৮২ কোটি টাকা, প্রকল্প ঋণ থেকে পাওয়া যাবে এক হাজার ৬৮৯ কোটি টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ১৪ হাজার ২৪৭ কোটি টাকা পাওয়া যাবে। মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা ও একনেক চেয়ারপারসন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বৈঠকে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন, খাদ্য এবং ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার, সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ, স্বরাষ্ট্র এবং কৃষি উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, শিল্প, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম এবং ধর্ম উপদেষ্টা ড. আফম খালিদ হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন। একনেকে অনুমোদিত ২২টি প্রকল্প হচ্ছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের ৩টি প্রকল্প, (১) ‘কর্ণফুলী টানেল (আনোয়ারা) হতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার জাতীয় মহাসড়কের গাছবাড়িয়া পর্যন্ত সংযোগ সড়ক (জেড-১০৪০) উন্নয়ন প্রকল্প (২) দিনাজপুর সড়ক বিভাগাধীন হিলি (স্থলবন্দর)-ডুগডুগি ঘোড়াঘাট জাতীয় মহাসড়ক (এন-৫২১) যথাযথ মানে উন্নীতকরণসহ ৩টি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের বিদ্যমান সরু/জরাজীর্ণ কালভার্ট সমূহ পুনর্নির্মাণ এবং বাজার অংশে রিজিডপেভমেন্ট ও ড্রেন নির্মাণ (১ম সংশোধিত) প্রকল্প (৩) ‘ভূমি অধিগ্রহণ ও ইউটিলিটি স্থানান্তর প্রকল্প : সাপোর্ট টু ঢাকা (কাঁচপুর)-সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক চারলেনে উন্নীতকরণ এবং উভয়পাশে পৃথক সার্ভিস লেন নির্মাণ (১ম সংশোধিত) প্রকল্প। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প নারায়ণগঞ্জস্থ আলীগঞ্জে সরকারি কর্মকর্তা/কর্মচারিদের জন্য ৮টি ১৫ তলা ভবনে ৬৭২টি আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ (২য় সংশোধিত) প্রকল্প। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের ৫টি প্রকল্প, (১) ‘ঢাকা ওয়াসা প্রশিক্ষণ এবং গবেষণা একাডেমি স্থাপন’ প্রকল্প (২) ‘সিলেট সিটি কর্পোরেশনের জলাবদ্ধতা নিরসন, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ ও অবকাঠামো নির্মাণ (২য় সংশোধিত) প্রকল্প (৩) ‘জলবায়ু সহনশীল জীবনমান উন্নয়ন’ প্রকল্প (৪) ‘পটুয়াখালী জেলার গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প (৫) ‘সিলেট বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা ও ইউনিয়ন সড়ক প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণ’ প্রকল্প। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২টি প্রকল্প: (১) ‘মোংলা কমান্ডার ফ্লোটিলা ওয়েন্টের (কমফ্লোট ওয়েস্ট) অবকাঠামো উন্নয়ন (১ম সংশোধিত) প্রকল্প, (২) ‘সাভারে আর্মি ইনস্টিটিউট অফ ফিজিওথেরাপি অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশনের অবকাঠামোগত উন্নয়ন’ প্রকল্প। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প, ‘ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের (ইআরএল) আধুনিকীকরণ ও সম্প্রসারণ’। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প, ‘দুস্থ শিশু প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্র পুর্নিনির্মাণ কোনাবাড়ি, গাজীপুর (১ম সংশোধিত) প্রকল্প’। স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প, ‘ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ অ্যাডভান্সড নার্সিং এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চের (এনআইএএনইআর) শিক্ষা ও গবেষণা সক্ষমতা বৃদ্ধি’ প্রকল্প। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২টি প্রকল্প (১) ‘হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন’ প্রকল্প, (২) ‘বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের উন্নয়ন (৩য় সংশোধিত) প্রকল্প। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ৪টি প্রকল্প- (১) রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার কর্ণফুলী এবং সংযুক্ত নদীসমূহের (কাচালং, রাইখিয়ং ও শলকনদী) টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা প্রকল্প, (২) গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্পের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনর্বাসন প্রকল্প, (৩) সুরমা-কুশিয়ারা নদী অববাহিকার উন্নয়ন এবং বন্যা ও সমন্বিত পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রকল্প (১ম পর্যায়) প্রকল্প, (৪) দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বৃদ্ধি প্রকল্প (উপাদান-১, বাপাউবো অংশ) (প্রস্তাবিত দ্বিতীয় সংশোধন) প্রকল্প। কৃষি মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প- বগুড়া কৃষি অঞ্চলের টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ০১টি প্রকল্প দারুল আরকাম ইসলামী শিক্ষা পরিচালনা ও সুসংহতকরণ (২য় পর্যায়) প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে। এছাড়া সভায় পরিকল্পনা উপদেষ্টার নিজস্ব ক্ষমতাবলে অনুমোদিত ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয় সম্বলিত ১০টি প্রকল্প সর্ম্পকে একনেক সভায় অবহিত করা হয়। সেগুলো হচ্ছে- ১. নোয়াখালী, কুমিল্লা ও ফেনী জেলার ২টি সরকারি ও ২টি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন (২য় সংশোধিত) প্রকল্প, ২. সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের মাধ্যমে দারিদ্র্য দূরীকরণ প্রকল্প, ৩. শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্প (৩য় সংশোধিত), ৪. বাংলাদেশের জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় ক্ষুদ্র দ্বীপপুঞ্জ এবং নদীমাতৃক চরভূমির জন্য অভিযোজন উদ্যোগ (১ সংশোধন) প্রকল্প, ৫. ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্চারামপুর উপজেলার ঢোলভাঙ্গা-নদীর ডান তীর এবং উজানচর ইউনিয়নে লোয়ার তিতাস নদীর ডান তীর প্রতিরক্ষা প্রকল্প, ৬. নোয়াখালী জেলার বামনী নদী অববাহিকার বন্যা ব্যবস্থাপনা এবং নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রকল্প, ৭. র‍্যাব ফোর্সেসের আভিযানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি (১ম সংশোধিত), ৮. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের ক্যাম্পাসের ভবন সমূহের স্থাপনাগত সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধির মাধ্যমে কর্মপরিবেশ উন্নতকরণ (১ম সংশোধনী) প্রকল্প, ৯. ফরিদপুর শহরের টেপাখোলা লেক উন্নয়ন প্রকল্প (২য় সংশোধিত) প্রকল্প, ১০. অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৩ (১ম সংশোধিত)।

ভারত থেকে ৫০ হাজার টন চাল আনা হবে : অর্থ উপদেষ্টা

ভারত থেকে ৫০ হাজার টন চাল আনা হবে : অর্থ উপদেষ্টা

ব্যবসায়ীদের একটু দায়িত্বশীল হতে হবে: অর্থ উপদেষ্টা

ব্যবসায়ীদের একটু দায়িত্বশীল হতে হবে: অর্থ উপদেষ্টা

সবজিতে লেগেছে ‘লকডাউন’

সবজিতে লেগেছে ‘লকডাউন’

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা
ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী
ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী
শুধু শারীরিক স্বাস্থ্য নয়, মানসিক সুস্থতার ওপরও হরমোনের বড় প্রভাব রয়েছে। হরমোনের মাত্রায় পরিবর্তন হলে উদ্বেগ, বিষণ্নতা, ঘন ঘন মেজাজ খারাপসহ নানা মানসিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। কর্টিসল বা স্ট্রেস হরমোন কর্টিসলের মাত্রা কমে গেলে রক্তের শর্করা ও ইনসুলিনের ভারসাম্য নষ্ট হয়, ফলে সুখের অনুভূতির জন্য জরুরি সেরোটোনিন কমে যায়। একইভাবে ইস্ট্রোজেনের প্রভাবেও মানসিক স্থিরতা কমে যেতে পারে। থাইরয়েড ও অন্যান্য হরমোনজনিত রোগ থাইরয়েড হরমোন শক্তি ও বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে। এর অস্বাভাবিকতা উদ্বেগ, অস্থিরতা ও মেজাজ পরিবর্তনের কারণ হতে পারে। পিসিওএস, পিসিওডি, মেনোপজ বা দীর্ঘমেয়াদি মানসিক চাপও একই প্রভাব ফেলে। ঘুমের সমস্যা হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হলে মেলাটোনিনসহ ঘুম নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন ঠিকভাবে কাজ করে না। ঘুমের ঘাটতি বিষণ্নতা ও রাগ বাড়ায়। সন্তান জন্মের পর পরিবর্তন প্রসবের পর মায়ের ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন হরমোন হঠাৎ কমে যায়। এতে অনেক মায়ের মধ্যে প্রসব-পরবর্তী বিষণ্নতা দেখা দেয়। খাদ্যাভ্যাসের গুরুত্ব হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে খাদ্যতালিকায় রঙিন ফল, শাকসবজি, অ্যাভোকাডো তেল, বাদাম, ডিমের কুসুম এবং প্রো-বায়োটিক খাবার (দই, বাটারমিল্ক, ভাতের ফ্যান) রাখুন। চিনি কমিয়ে তুলসি ও ভেষজ চা পান করলে স্ট্রেস কমে। কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন যদি দীর্ঘদিন ধরে মেজাজ পরিবর্তন, ক্লান্তি, মনোযোগের ঘাটতি, ওজনের অস্বাভাবিক পরিবর্তনসহ মানসিক অস্থিরতা দেখা দেয়, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

রমজানে সুস্থ থাকতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষ পরামর্শ

রমজানে সুস্থ থাকতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষ পরামর্শ

নামাজের সময়সূচি

বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারি ২০২৬, ২৫ পৌষ ১৪৩২
*স্থানভেদে সময়ের পার্থক্য হতে পারে
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
চাকরি আবদুল বাকীকে কখনোই টানেনি। অভাবের সংসারে পরিবারের হাল ধরতে কখনো ফ্রিল্যান্সিং, কখনোবা টিউশনি করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের এই শিক্ষার্থী। তাতেও মনের খেদ মিটছিল না। সব সময় উদ্যোগী হয়ে কিছু একটা করতে, উদ্যোক্তা হতে চেয়েছেন তিনি। গত ২১ সেপ্টেম্বর সেই স্বপ্নই পূরণ হয়েছে। তিন বন্ধু ও এক অনুজকে নিয়ে দিয়েছেন ‘আহার মেলা’। খাবারের এই দোকানে তাঁর সহযোগীরা হলেন রাজশাহী কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শাহাদাত হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামি স্টাডিজ বিভাগের আল-মুত্তাকিন, আরবি বিভাগের আমির হামজা ও ফারসি বিভাগের সামিউল ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসমাইল হোসেন সিরাজী একাডেমিক ভবনের উল্টো দিকে গেলেই চোখে পড়বে এই দোকান। আহার মেলায় ভাত, খিচুড়ি, ভর্তা, ডাল, মাছ, মাংস, সবজি ও ডিমের তরকারি পাওয়া যায়। এ ছাড়া ৬০ ও ৭০ টাকার দুটি প্যাকেজ আছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন (শুক্র ও শনিবার) ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দোকান খোলা থাকে। আবদুল বাকী বলেন, ‘যেহেতু ক্লাস-পরীক্ষার সময়ে দোকানটি চালু থাকে, আমাদের অনেকেরও ওই সময় ক্লাস থাকে। যার যেদিন ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সে সেদিন থাকে না। যদি সবারই একসঙ্গে ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সেদিন দোকান বন্ধ রাখতে হয়।’ পারিবারিকভাবে সচ্ছল ছিলেন না বাকী। কলেজজীবন থেকে এ কাজ-ও কাজ করেছেন। দুই বছর আগে বাবা মারা গেলে আর্থিক দৈন্য আরও বেশি জেঁকে বসে। মূলত সে সময়ই ব্যবসার কথা ভাবতে থাকেন। মাকে পরিকল্পনার কথা শোনান। মা রাজি হন, নিজের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকা তুলে দেন ছেলের হাতে। এই মূলধনের ওপরই দাঁড়িয়ে আছে আহার মেলা। আপাতত ব্যবসা গোছানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন এই উদ্যোক্তা। ভবিষ্যতে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় আহারমেলার শাখা চালু করতে চান।

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

ডাকসু নির্বাচনের ব্যালট পেপার ছাপানো নিয়ে যা বললেন ঢাবি উপাচার্য

ডাকসু নির্বাচনের ব্যালট পেপার ছাপানো নিয়ে যা বললেন ঢাবি উপাচার্য

রাকসুর পর পেছালো চাকসু নির্বাচনও

রাকসুর পর পেছালো চাকসু নির্বাচনও

যুক্তরাষ্ট্রে আখতারের ওপর হামলার প্রতিবাদ ডাকসুর

যুক্তরাষ্ট্রে আখতারের ওপর হামলার প্রতিবাদ ডাকসুর