• সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
৫ আগস্ট গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার বিজয়ের দিন: প্রধানমন্ত্রী
৫ আগস্ট গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার বিজয়ের দিন: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, স্বাধীনতাপ্রিয় ও গণতন্ত্রকামী মানুষের জন্য ৫ আগস্ট আনন্দ, বিজয় এবং গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার দিন। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের বীর ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময়ের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, গণঅভ্যুত্থানের মুখে তৎকালীন সরকার দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয় এবং দিনটি এখন জাতীয়ভাবে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে উদযাপিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে চলা ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও ভিন্নমতের মানুষ গুম, খুন, অপহরণ, হামলা, মামলা এবং নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কারাবাসের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, গণতন্ত্রকামী মানুষের কণ্ঠ রোধে দেশে গোপন বন্দিশালা বা ‘আয়নাঘর’ গড়ে তোলা হয়েছিল। সেখানে বহু মানুষকে দীর্ঘদিন আটক রাখা হয় এবং অনেকেই নিখোঁজ হন। সাবেক সংসদ সদস্য ইলিয়াস আলী ও কমিশনার চৌধুরী আলমের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন তিনি। পোস্টে তারেক রহমান বলেন, বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশনসহ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করে জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল এবং নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করা হয়েছিল। পাশাপাশি অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও ব্যাংকিং খাত ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ রাজপথে নেমে আসেন। আন্দোলন দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে বহু মানুষ নিহত ও আহত হন। শহীদ আবু সাঈদ, ওয়াসিম আকরাম ও মুগ্ধসহ আন্দোলনে নিহতদের সাহসিকতার কথা স্মরণ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, ওই গণঅভ্যুত্থানে হাজারো মানুষ শহীদ হয়েছেন এবং অন্তত ৩০ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। অনেকেই স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ব ও দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন। তিনি বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগ বৃথা যায়নি। জনগণের সম্মিলিত আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদী শাসনের পতন ঘটেছে এবং এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে এক নজিরবিহীন ঘটনা। পোস্টে সব শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি ন্যায়ভিত্তিক, স্বনির্ভর, গণতান্ত্রিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার মধ্য দিয়েই শহীদদের প্রতি জাতির ঋণ পরিশোধ করতে হবে। তিনি জাতীয় ঐক্য অটুট রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, গণতন্ত্রে মতপার্থক্য থাকবে, তবে তা যেন বিভেদ বা শত্রুতায় রূপ না নেয়। একই সঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশে আর কখনো স্বৈরাচার, ফ্যাসিবাদ, চরমপন্থা কিংবা উগ্রবাদের উত্থান হতে দেওয়া হবে না। পোস্টের শেষাংশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘১৯৭১ সাল ছিল স্বাধীনতা অর্জনের যুদ্ধ, আর ২০২৪ সাল ছিল দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার যুদ্ধ। ১৯৭১ সালের শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের বাংলাদেশ যেমন কখনো ভোলেনি, তেমনি ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের শহীদদেরও বাংলাদেশ কখনো ভুলবে না।’

এখন দেশ পুনর্গঠন ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সজাগ থাকার সময়: প্রধানমন্ত্রী

এখন দেশ পুনর্গঠন ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সজাগ থাকার সময়: প্রধানমন্ত্রী

সমঝোতার ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সমঝোতার ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কারফিউ ভেঙে রাজপথে কোটি ছাত্র-জনতা, ৫ আগস্ট বদলে যায় বাংলাদেশ

কারফিউ ভেঙে রাজপথে কোটি ছাত্র-জনতা, ৫ আগস্ট বদলে যায় বাংলাদেশ

গুমের শাস্তি যাবজ্জীবন ও অর্থদণ্ড, ভুক্তভোগী পাবে ক্ষতিপূরণ

গুমের শাস্তি যাবজ্জীবন ও অর্থদণ্ড, ভুক্তভোগী পাবে ক্ষতিপূরণ

ভারত থেকে শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে, দিল্লিকে ঢাকার আহ্বান

ভারত থেকে শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে, দিল্লিকে ঢাকার আহ্বান

চট্টগ্রামে তীব্র গ্যাস সংকট, বিপর্যস্ত জনজীবন ও শিল্প উৎপাদন

চট্টগ্রামে তীব্র গ্যাস সংকট, বিপর্যস্ত জনজীবন ও শিল্প উৎপাদন
‘জুলাই যোদ্ধাদের গায়ে হাত দেবেন না, এটা হবে চরম নিমকহারামি’
‘জুলাই যোদ্ধাদের গায়ে হাত দেবেন না, এটা হবে চরম নিমকহারামি’
সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জুলাই যোদ্ধাদের গায়ে হাত দেবেন না। যে জুলাই যোদ্ধাদের কারণে আজকে আপনি সরকার, সেই জুলাই যোদ্ধাদের চোখগুলা কেড়ে নেবেন না, হাত-পা ভাঙবেন না, এক ফোঁটা রক্ত ঝরাবেন না। যদি ঝরান, এটি হবে অবশ্যই চরম নিমকহারামি। যাদের রক্ত, সাহসিকতা, সংগ্রাম, ত্যাগ আজকে বাংলাদেশকে এই পর্যায়ে এনে দিয়েছে, এটা ভুলবেন না, ভুলার চেষ্টা করবেন না। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর সিরডাপ আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘আজাদী সংগ্রামের পটভূমিতে জুলাই বিপ্লব ২০২৪’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন ও প্রকাশনা উৎসবে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ব্যাংককের হাসপাতালে যাদেরকে দেখে আসলাম, এখনো কারো কারো সারা বডি অবশ হয়ে পড়ে আছে। সেখানকার ডাক্তাররা অলরেডি সার্টিফাই করে দিয়েছে, জীবনে তিনি উঠে আর বসতে পারবেন না। সেই লোকগুলোর কথা কেউ ভাববে না। ক্ষমতা আমাদেরকে এরকম অন্ধ বানায় ফেলবে, দুনিয়ার স্বার্থ সবকিছু ভুলিয়ে দেবে, সব সত্য অবলীলায় শেষ হয়ে যাবে, এটা চরম বিশ্বাসঘাতকতা হবে। তিনি আরও বলেন, সাহসী কাজ যারা হাতে নিয়েছিলেন, তার প্রথম পর্ব যারা আজকে উন্মোচন করার ব্যবস্থা আমাদেরকে করে দিয়েছেন, এর সঙ্গে সম্পৃক্ত সবাইকে অন্তরের অন্তস্তল থেকে ধন্যবাদ জানাই। আমি আবার অনুরোধ করব, আপনার আমার পছন্দ হোক না হোক, যার যেখানে যে অবদান এটা যেন আড়াল না হয়। এটা যেন আপনাদের কলমে ইতিহাসের পাতায় উঠে আসে। একটি ক্রেডিবল ইতিহাস তৈরি হোক। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ৭১ সালে একজন ইনোসেন্ট মানুষ যদি মারা যায়, সেটার জন্য গোটা জাতি আমরা কষ্ট পাই, দুঃখ বোধ করি। কিন্তু আফসোস, ৫৫টা বছর চলে গেল, না মুক্তিযোদ্ধাদের একটি সঠিক তালিকা তৈরি হলো, না শহীদদের একটি তালিকা তৈরি হলো। মুক্তিযোদ্ধাদের যেটা আছে সঠিক হোক, বেঠিক কিছুটা আছে। শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের কোনো তালিকা নাই। ৬৫৬ জন নাকি ভাতা পায়, আমি শুনেছি। আশ্চর্য ব্যাপার, আমরা বলে বলছি এত লাখ, এত লাখ, তাহলে এত লাখটা রেকর্ড হচ্ছে না কেন? এটা তো সরকারের দায়িত্ব। এতগুলো সরকার আসলো গেল, সবাই দাবি করেন যে আমরা মুক্তিযুদ্ধের স্টেকহোল্ডার। আপনারা মুক্তিযুদ্ধের স্টেকহোল্ডার, আপনাদেরকে সম্মান করি। এই গুরুত্বপূর্ণ কাজটা করছেন না কেন? এটা করেন। ইতিহাসটা উঠে আসুক, ওই ফ্যামিলিগুলা গ্লোরিফাই হোক, শহীদের আত্মা শান্তি পাক। ৭১-এর মতো ২৪ যেন হারিয়ে না যায়, এজন্য এই উদ্যোগ আবারও মোবারক। আমি সরকারকে অনুরোধ করব, এটি তো সরকারি উদ্যোগ নয়, সরকারের দায়িত্ব আছে। আপনারা উদ্যোগ নেন, সঠিক ইতিহাস রচনা করেন। তিনি বলেন, ২৪-এর পরিবর্তনের আগে আমাদের কণ্ঠে, রাজনীতিবিদদের কণ্ঠে যে সুর ছিল, ৫ তারিখের পর থেকে আস্তে আস্তে বদলে যাচ্ছে। ১২ ফেব্রুয়ারির পরে ব্যাপকভাবে বদলে গেছে। আগে যে সমস্ত কথা বলেছেন, অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন, অনেকে এটা এখন বেমালুম ভুলে গেছে। তার ঠিক বিপরীতে গিয়ে এখন তারা ন্যারেটিভ দাঁড় করাচ্ছেন, বয়ান তৈরি করছেন। তিনি বলেন, জনগণের অভিপ্রায় একটি ডেমোক্রেটিক সোসাইটিতে সর্বোচ্চ মর্যাদা পায়। সেই অভিপ্রায়ের ভিত্তিতে গণভোট হলো, গণরায় হলো, ৭০ ভাগ মানুষ ভোট দিল। এখন সরকারি দল মানবে না। হ্যা, মানবেন, অবশ্যই মানবেন। ইনশাআল্লাহ মানবেন। ইনশাআল্লাহ মানতে হবে। তিনি আরও বলেন, এতগুলো খুন হলো, গুম হলো, পঙ্গু হলো, নির্যাতন হলো, মিথ্যা মামলা হলো, তার বিচার এখন স্তব্ধ হয়ে পড়েছে। আগের সরকারের সময় যেটুকু গতি ছিল, এটাও এখন খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। জুলাই স্মৃতি জাদুঘর তুলে দেওয়ার জন্য সংসদে আমরা দাবি উত্থাপন করলাম। প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে বললেন যে, ৫ আগস্ট এই বছরে এটা ওপেন করা হবে। আজকে তো ৪ আগস্ট, এখন পর্যন্ত তো কোনো আলামত দেখছি না। ৫ আগস্ট ওপেন হলে তো কিছু আলামত ইতোমধ্যে হতো, কিছু দাওয়াত, কিছু আহ্বান পেতাম। আমরা স্বাভাবিকভাবে আশা করি, এটা কি হচ্ছে? এগুলো তাহলে কি জুলাইকে ভুলিয়ে দেওয়ার একটি নিরন্তর উল্টো সংগ্রাম শুরু হয়েছে? যদি সেরকম কোনো সংগ্রাম হয়ে থাকে, আমরা মহান আল্লাহর উপর ভরসা করে বলছি, দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে এই সমস্ত কিছু ইনশাআল্লাহ তছনছ করে দেওয়া হবে। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জীবন তো একটাই। সেই জীবন স্বার্থপর কাপুরুষের জীবন না হয়, এই জীবন হোক জাতির জন্য উৎসর্গ। এখানে কোনো বৃদ্ধ আর যৌবনের কোনো ব্যাপার নাই। এই ইস্যুতে একাকার ইনশাআল্লাহ। তিনি বলেন, এই ইস্যু ভুলিয়ে দেওয়ার জন্য আমাদেরকে অনেক লোভ, লোভের প্রস্তাব, বিভিন্ন কিছু দেওয়া হচ্ছে। আমাদের সোজা সাপ্টা কথা, জনগণ যে রায় দিয়েছে, এটাই মানতে হবে। আমাদের আলাদা কোনো রায় নাই। এর বাইরে আমরা যাবো না, যাওয়ার কোনো সুযোগ নাই। আমরা জাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করতে চাই না। কেউ করে করুক, আমরা করবো না। তিনি বলেন, আমরা জাতিকে কথা দিচ্ছি, আপনাদের প্রয়োজনে আমাদের যেটুকু সামর্থ্য আছে সবটুকু উজাড় করে আমরা করে দেব। আমরা এখানে কোনো ক্ষান্ত দেব না, কোনো কম্প্রোমাইজ করব না। দেশের বৃহত্তর স্বার্থে যে–কোনো সময়, দেশের স্বার্থে যে–কোনো বিষয়ে আমরা ঐক্যবদ্ধ হতে রাজি আছি। কিন্তু জনগণের একটি সিঙ্গেল অধিকারকে বিসর্জন দিয়ে এটা হবে না। কোনো আধিপত্যবাদের কাছে মাথা নত করবো না। মাথা সমুন্নত থাকবে। সেটা দরকার হয় ফাঁসির তক্তায় যাব, আয়নাঘরে যাব, আল্লাহ যেটা নির্ধারণ করেছেন সেখানে যাব। তিনি বলেন, আমাদের এক ছোট ভাই বলেছে, ওরে জিজ্ঞেস করা হয়েছে যে যদি আঘাত আসে কী করবেন? বলে, জেলে যাবো, না হয় কবরে যাবো। আমি বললাম, তৃতীয় আরেকটা বলো নাই কেন? বলা উচিত ছিল, জেলে যাবো অথবা আয়নাঘরে যাবো অথবা কবরে যাবো।

রাজধানীর তিন ক্যাম্পাসে ছাত্রদল-ছাত্রশিবির সংঘর্ষ

রাজধানীর তিন ক্যাম্পাসে ছাত্রদল-ছাত্রশিবির সংঘর্ষ

সরকারের ৫ মাসেই জনদুর্ভোগ বেড়েছে, ক্ষোভ বাড়ছে: গোলাম পরওয়ার

সরকারের ৫ মাসেই জনদুর্ভোগ বেড়েছে, ক্ষোভ বাড়ছে: গোলাম পরওয়ার

বিরোধী দল শেখ হাসিনার ভাষায় কথা বলছে: মির্জা ফখরুল

বিরোধী দল শেখ হাসিনার ভাষায় কথা বলছে: মির্জা ফখরুল

বগুড়ায় ১৯ মাসে এইচআইভি শনাক্ত ৯৩, আক্রান্তদের ৮৭ শতাংশ পুরুষ

বগুড়ায় ১৯ মাসে এইচআইভি শনাক্ত ৯৩, আক্রান্তদের ৮৭ শতাংশ পুরুষ

বেসরকারি হাসপাতালেও কম খরচে ডেঙ্গু পরীক্ষা করতে হবে

বেসরকারি হাসপাতালেও কম খরচে ডেঙ্গু পরীক্ষা করতে হবে

হামের উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যু ৭৪৫

হামের উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যু ৭৪৫
দিল্লিতে হাসিনার গণমাধ্যমে ভাষণ নিয়ে যা বলছে ভারত
দিল্লিতে হাসিনার গণমাধ্যমে ভাষণ নিয়ে যা বলছে ভারত
বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গণমাধ্যমে ভার্চ্যুয়াল অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের সঙ্গে ভারত সরকারের কোনও সম্পৃক্ততা নেই বলে জানিয়েছে নয়াদিল্লি। মঙ্গলবার দিল্লিতে নিয়মিত সাপ্তাহিক সংবাদ ব্রিফিংয়ে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এই তথ্য জানিয়ে দিয়েছেন। ব্রিফিংয়ে জোর দিয়ে রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, এটি একটি ‘বেসরকারি গণমাধ্যম সংস্থার’ আয়োজিত অনুষ্ঠান এবং সেখানে কোনো ধরনের মতামত ব্যক্ত করা হলে তার দায় ভারতের নয় কিংবা ভারত তা সমর্থন করে না। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই মুখপাত্র বলেন, নয়াদিল্লিতে দক্ষিণ এশিয়ার সাংবাদিকদের সংগঠন ফরেইন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব (এফসিসি) অব সাউথ এশিয়ার আয়োজিত অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার ভাষণ দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে বাংলাদেশের যে উদ্বেগ রয়েছে, সেই অনুষ্ঠানের সঙ্গে ভারত সরকারের কোনও ভূমিকা নেই। এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‌‌‌‌‘‘আপনি যে মতবিনিময় সভার বিষয়টি উল্লেখ করছেন, সেটি একটি বেসরকারি গণমাধ্যম সংস্থা আয়োজন করছে। এতে সরকারের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই। এমনকি এই ফোরামে যে মতামতই ব্যক্ত করা হোক না কেন, ভারত সরকার তার কোনোটিই সমর্থন করে না।’’ গত বছর ঢাকা ছাড়ার পর থেকে ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনা সেখানে একটি ভার্চ্যুয়াল অনুষ্ঠানে ভাষণ দেবেন; এমন খবর প্রকাশের পর ভারতের কাছে নিজেদের গভীর উদ্বেগের কথা জানিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। ঢাকা বলছে, এ ধরনের আয়োজন দু’দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সাম্প্রতিক ইতিবাচক গতিধারায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। সোমবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে ঢাকায় ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর বৈঠকে বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ঢাকা বলছে, এ ধরনের আয়োজন দু’দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সাম্প্রতিক ইতিবাচক গতিধারায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। অন্য এক প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল বলেছেন, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব গ্রহণের পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারতে দ্বিপাক্ষিক সফরের জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘‘পরবর্তী ব্রিকস (বিআরআইসিএস) শীর্ষ সম্মেলনের বিষয়ে বলতে গেলে, বিমসটেকের বর্তমান সভাপতি হিসেবে পৃথকভাবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে দিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে যোগ দেওয়ার জন্য ভারতের পক্ষ থেকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।’’ ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ব্রিকসের আউটরিচ সেশনে অতিথি আমন্ত্রণের যে প্রচলিত নিয়ম রয়েছে, সেই অনুযায়ী এই চিঠি দেওয়া হয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য আঞ্চলিক জোটের প্রধানদেরও একইভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এর আগে, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছিল, ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণপত্র প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গ্রহণ করেছেন এবং এটি বিবেচনার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআইকে বলেন, ‘‘আমরা আমন্ত্রণপত্রটি পেয়েছি এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য তা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীই সিদ্ধান্ত দেবেন।’’ ওই কর্মকর্তা বলেন, বিমসটেকের বর্তমান সভাপতি হিসেবে ব্রিকস সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এটি অত্যন্ত সময়োপযোগী। কারণ ২০২৭ সালে বিমসটেক তার প্রতিষ্ঠার ৩০ বছর পূরণ করবে এবং সে বছর ঢাকায় বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলন আয়োজনের কথা রয়েছে। আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সূত্র: এএনআই।

তসলিমার নিরাপত্তার দায়িত্ব আমার, বললেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

তসলিমার নিরাপত্তার দায়িত্ব আমার, বললেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

সেউতা অভিবাসন সংকট নিয়ে ইইউর জরুরি বৈঠক

সেউতা অভিবাসন সংকট নিয়ে ইইউর জরুরি বৈঠক

দেশ ছাড়তে প্রস্তুতি নিন, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নাগরিকদের জরুরি নির্দেশনা

দেশ ছাড়তে প্রস্তুতি নিন, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নাগরিকদের জরুরি নির্দেশনা

এল নিনোর ভয়াবহ প্রভাব নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কবার্তা

এল নিনোর ভয়াবহ প্রভাব নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কবার্তা

বেলুচিস্তানে কয়লা খনিতে বিস্ফোরণে ৩৪ জন নিহত, ৮ নিখোঁজ

বেলুচিস্তানে কয়লা খনিতে বিস্ফোরণে ৩৪ জন নিহত, ৮ নিখোঁজ

নেপালে ধর্মীয় সহিংসতায় নিহত ৩, প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহর বার্তা

নেপালে ধর্মীয় সহিংসতায় নিহত ৩, প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহর বার্তা
তিস্তা-দুধকুমার অববাহিকায় ৭২ ঘণ্টার বন্যা শঙ্কা, ঝুঁকিতে ৫ জেলা
তিস্তা-দুধকুমার অববাহিকায় ৭২ ঘণ্টার বন্যা শঙ্কা, ঝুঁকিতে ৫ জেলা
আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তিস্তা ও দুধকুমার নদীর অববাহিকায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। একই সঙ্গে দেশের আরও কয়েকটি নদী অববাহিকার নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কার কথাও জানিয়েছে সংস্থাটি। রোববার (২ আগস্ট) প্রকাশিত বন্যা সতর্কবার্তায় বলা হয়, বর্তমানে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সতর্কবার্তা অনুযায়ী, আগামী তিন দিনে তিস্তা ও দুধকুমার অববাহিকাভুক্ত লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলায় বন্যার ঝুঁকি রয়েছে। এ ছাড়া সুরমা-কুশিয়ারা অববাহিকার সিলেট ও সুনামগঞ্জ, ধরলা অববাহিকার লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম, এবং সোমেশ্বরী-ভুগাই-কংস অববাহিকার শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণা জেলার নিম্নাঞ্চল আগামী ৭২ ঘণ্টায় নদ-নদীর পানি সতর্কসীমা বা বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছানোর কারণে সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দাদের নদ-নদীর পানির পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

কুশিয়ারা নদীর পানি স্থিতিশীল, দুই দিন অপরিবর্তিত থাকতে পারে বন্যা

কুশিয়ারা নদীর পানি স্থিতিশীল, দুই দিন অপরিবর্তিত থাকতে পারে বন্যা

বান্দরবানে মোটরসাইকেল খাদে পড়ে দুই পর্যটকের মৃত্যু

বান্দরবানে মোটরসাইকেল খাদে পড়ে দুই পর্যটকের মৃত্যু

আফালের সঙ্গে সুনামগঞ্জবাসীর আজন্ম লড়াই

আফালের সঙ্গে সুনামগঞ্জবাসীর আজন্ম লড়াই
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
এপ্রিল মাস, শনিবারের এক ভোরে আকারা ইতেহ মধ্য লন্ডনের হোলবর্ন টিউব স্টেশনে হেঁটে হেঁটে আসার সময় নিজের ফোন ঘাঁটছিলেন। মুহূর্ত কয়েক পরই ইলেকট্রিক বাইকে আসা এক ছিনতাইকারী তাঁর হাত থেকে ফোন ছিনিয়ে নেয়। নিজের ফোন উদ্ধারে ছিনতাইকারীর পেছনে ছুট লাগিয়েছিলেন আকারা। কিন্তু ধরতে ব্যর্থ হন। আকারা একা এ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাননি; বরং এ বছর এখন পর্যন্ত ইংল্যান্ড ও ওয়ালসে প্রায় ‘৭৮ হাজার’ ফোন ছিনতাই হয়েছে। গত বছরের তুলনায় যা অনেক বেশি। এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে বিচার হওয়ার হার খুবই কম। পুলিশের বক্তব্য, তারা দায়ী অপরাধীদের খোঁজ করে। কিন্তু তারা যেভাবে গায়েব হয়ে যায় বা এত ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন করে যে তাদের গ্রেপ্তার করা কঠিন হয়ে যায়। এ ধরনের অপরাধের শিকার ব্যক্তিরা তাঁদের দুর্দশার কথা বিবিসিকে বলেছেন। বলেছেন, ফোন হারিয়ে গেলে এমন অনেক ছবি ও তথ্য হারিয়ে যায়, যেগুলো আর কখনো ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। সঙ্গে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি তো আছেই। তাঁদের মধ্যে আকারার মতো অনেকে আরও একটি কারণে নিদারুণ হতাশায় ডুবে যান। আকারা তাঁর ফোনটি কোথা থেকে কোথায় যাচ্ছে, তা অনলাইনে অনুসরণ করতে পারছেন; কিন্তু সেটি ফেরত আনার ক্ষমতা তাঁর নেই। ফোন ছিনতাই হওয়ার এক ঘণ্টা বা তার কিছু পরে বাড়িতে ফিরে আকারা তাঁর আইফোন ১৩ হারিয়ে গেছে (লস্ট মুড) অপশনটি চালু করেন। এটা করা হলে চোর ওই ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। এরপর আকারা তাঁর ল্যাপটপের সাহায্যে ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ ফিচার চালু করেন। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আকারা তাঁর ফোনটি কোথায় আছে, সেটা দেখতে পারেন। ল্যাপটপের স্ক্রিনে লন্ডনের বিভিন্ন জায়গায় নিজের ফোন ঘুরে বেড়াতে দেখেন আকারা। ফোন উদ্ধারের আশায় ল্যাপটপে দেখানো দুই জায়গায় নিজেই গিয়েছিলেন আকারা। তিনি বলেন, ‘এটা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। উত্তেজনায়, রাগে আমি এটা করেছিলাম।’ আকারা অবশ্য কারও সঙ্গে কথা বলেননি। তবে বুঝতে পারছিলেন, তাঁকে কেউ অনুসরণ করছে। তিনি বাড়ি চলে যান। আকারা বলেন, ‘আমি খুবই ক্ষুব্ধ ছিলাম। ফোনটা দামি। ওই ফোন কিনতে আমি কঠোর পরিশ্রম করে অর্থ উপার্জন করি এবং কেউ একজন সব ঘেঁটে দিল।’ আকারার ফোনটি যখন চুরি যায়, তখন রাস্তায় তিনি পুলিশ দেখতে পেয়ে তাদের সবকিছু খুলে বলেছিলেন। যদিও তাঁর মনে হয়েছে, পুলিশ কর্মকর্তারা জানতেন, ফোন চুরি করতে চোররা ওই এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। পুলিশ তাকে অনলাইনে অভিযোগ করার পরামর্শ দেয় এবং তিনি সেটা করেন। কয়েক দিন পর ই–মেইল পাঠিয়ে পুলিশ আকারাকে জানায়, তাঁর ফোন চুরির মামলাটির তদন্তকাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বলেছে, ‘সম্ভবত আমরা দোষীদের শনাক্ত করতে পারব না।’ যেখান থেকে ফোন চুরি হয়েছিল, সেখানকার ছবি ও কিছু তথ্য আকারা পুলিশকে দিয়েছিলেন। পুলিশ সেটা গ্রহণ করেছে। কিন্তু ফোন উদ্ধারে আর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ফোন চুরির ঠিক এক মাস পর, মে মাসে আকারা তাঁর ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ আবার দেখেন। তখন সেটির অবস্থান দেখাচ্ছিল শেনজেন, চীন। আকারা এবার সব আশা ছেড়ে দেন। চুরি যাওয়া অনেক ফোনের শেষ গন্তব্য হয় শেনজেন। সেখানে যদি ফোনটি খোলা এবং নতুন করে ব্যবহার করা না যায়, তাঁরা সেটির যন্ত্রাংশ খুলে ফেলে এবং আলাদা আলাদা করে বিক্রি করে। ১ কোটি ৭৬ লাখ মানুষের শহর শেনজেন, বিশাল বড় একটি প্রযুক্তিনগরী। শেনজেনকে তাই চীনের সিলিকন ভ্যালি বলা হয়।

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
অক্টোবরে ১৬ দিনে ব্যয় ৬ হাজার কোটি টাকা। তহবিল সংগ্রহে ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে কমলা। কমলার পক্ষে ভোটের জন্য অর্থ সংগ্রহ ১৮০ কোটি ডলার। ট্রাম্পের ২০২২ সাল থেকে এ পর্যন্ত সংগ্রহ ১০০ কোটি। ডেমোক্রেটিক পার্টির সমাবেশে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ক্লার্কস্টন এলাকায়। ছবি: এএফপি অপতথ্যের ছড়াছড়ি বিগত কয়েক নির্বাচন থেকে দেখছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভোটাররা। এবার অর্থকড়ির ছড়াছড়িও দেখছেন তাঁরা। সর্বশেষ ১৬ দিনে মার্কিন নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী কমলা হ্যারিস, রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা ব্যয় করছেন আধা বিলিয়ন অর্থাৎ ৫০ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৬ হাজার কোটি টাকা (১২০ টাকা প্রতি ডলার)। অর্থাৎ প্রতিদিন ব্যয় হয়েছে ৩৭৫ কোটি টাকা। নিউইয়র্ক টাইমসের গতকাল শুক্রবারের এক খবরে বলা হয়েছে, ভোটারদের তথ্য পেতে এবং বিজ্ঞাপনের জন্য এই অর্থ ব্যয় করছেন তাঁরা। ট্রাম্প ও হ্যারিসের প্রচার শিবির এই ১৬ দিনে ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আর এই দুই নেতার পক্ষে অন্যরা ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম অনুসারে নির্বাচনী প্রচারের ব্যয়ের হিসাব দিতে হয় নির্বাচন কমিশনে। সেই হিসাব সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। কমলা হ্যারিস ১ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত ব্যয় করেছেন ১৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। নথি সূত্রে জানা গেছে, দিন দিন তাঁর এই খরচ বেড়েছে। কারণ, গত আগস্টে পুরো মাসে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় করেছেন ১৩ কোটি ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, অক্টোবরের শুরুতে কমলা হ্যারিসের প্রচার শিবিরের তহবিলে জমা পড়েছে ১৮ কোটি ২৬ লাখ ডলার। তিনি এবং প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মিলে তাঁদের দল ডেমোক্রেটিক পার্টির হয়ে তুলেছেন ১৮০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহে পিছিয়ে আছেন ট্রাম্প। অক্টোবরে তাঁর প্রচার তহবিলে জমা পড়েছে ৯ কোটি ২১ লাখ ডলার। এ ছাড়া পুরো নির্বাচনী প্রচারেও অর্থ সংগ্রহ হয়েছে কম। ২০২২ সালে তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন। এর পর থেকে চলতি অক্টোবর পর্যন্ত তিনি অর্থ সংগ্রহ করতে পেরেছেন ১০০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহ কম হওয়ায় খরচও কম করতে পেরেছেন ট্রাম্প। অক্টোবরের প্রথম ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ১০ কোটি ডলার। এর মধ্যে বিজ্ঞাপনে তিনি ব্যয় করেছেন ৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, জুন, জুলাই ও আগস্টের চেয়ে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় বাড়িয়েছেন। তবে তাঁর হাতে আর বেশি অর্থ নেই ব্যয় করার মতো। তিনি বাকি সময়টায় ৩ কোটি ৬২ লাখ ডলার ব্যয় করতে পারবেন। তবে এ তুলনায় কমলা হ্যারিসের হাতে অনেক বেশি অর্থ আছে। হিসাব অনুসারে, কমলার হাতে ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার আছে নির্বাচনের প্রচারে ব্যয় করার জন্য। নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, ডেমোক্রেটিক পার্টির তহবিলে কারা টাকা দিচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে কিছু মানুষের নাম জানা যাচ্ছে। তবে সিংহভাগ অর্থ কোথা থেকে আসছে, সেটা জানা যাচ্ছে না। কমলা হ্যারিসের প্রচারে যারা সহযোগী হিসেবে কাজ করছে, সেই সুপার পিএসির তহবিল এসেছে ৪ কোটি ডলার। এই অর্থ কোথা থেকে এসেছে, সেটা জানা যাচ্ছে না।  ট্রাম্পের পাশে ইলন মাস্ক ট্রাম্পের প্রচারের শুরু থেকেই আছেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধনকুবের ইলন মাস্ক। আর্থিক এই খরার মধ্যে তিনি ট্রাম্পের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ট্রাম্পের জন্য গত ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার। ট্রাম্পের জন্য তিনি বরাদ্দ রেখেছেন ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের হিসাব বলছে, আর্থিক খরা কাটাতে অতিরিক্ত ৪ কোটি ৩৬ লাখ ডলার ব্যয় করছেন তিনি।

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

১৫ বছরের কমবয়সী ও দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্তরা হজে যেতে পারবে না

১৫ বছরের কমবয়সী ও দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্তরা হজে যেতে পারবে না

মিজানুর রহমান আজহারীর তাফসির মাহফিল স্থগিত

মিজানুর রহমান আজহারীর তাফসির মাহফিল স্থগিত

সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজের ইন্তেকাল

সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজের ইন্তেকাল
৪ হাজার কোটি রুপির সিনেমা, কেমন হলো প্রথম পর্বের ট্রেলার?
৪ হাজার কোটি রুপির সিনেমা, কেমন হলো প্রথম পর্বের ট্রেলার?
শুটিংয়ের ব্যস্ততার মাঝেও বন্যাদুর্গতদের পাশে সালমান খান
শুটিংয়ের ব্যস্ততার মাঝেও বন্যাদুর্গতদের পাশে সালমান খান
বাংলাদেশে থাকতে পেরে, গাইতে পেরে আমি গর্বিত : রুনা লায়লা
বাংলাদেশে থাকতে পেরে, গাইতে পেরে আমি গর্বিত : রুনা লায়লা
এক মাসে ১২ হাজার কোটি টাকা আয়, রেকর্ড গড়ল এই অ্যানিমেটেড ছবি
এক মাসে ১২ হাজার কোটি টাকা আয়, রেকর্ড গড়ল এই অ্যানিমেটেড ছবি
কান ধরে উঠবস, কেন এই পদক্ষেপ সোনাক্ষীর?
কান ধরে উঠবস, কেন এই পদক্ষেপ সোনাক্ষীর?
আপনারা কি নিজেদের ঈশ্বর মনে করছেন : ক্ষুব্ধ অরিজিৎ
আপনারা কি নিজেদের ঈশ্বর মনে করছেন : ক্ষুব্ধ অরিজিৎ
ব্রাজিলকে নিয়ে নিশ্চিন্তে হিমি, সংশয়ে পড়শী
ব্রাজিলকে নিয়ে নিশ্চিন্তে হিমি, সংশয়ে পড়শী
নজর কাড়লেন অলংকার, চমকে দিলেন সিঁথি
নজর কাড়লেন অলংকার, চমকে দিলেন সিঁথি
অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে ব্যাটারদের চ্যালেঞ্জ দেখছেন শান্ত
অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে ব্যাটারদের চ্যালেঞ্জ দেখছেন শান্ত
টেস্ট সিরিজ খেলতে চলতি মাসেই অস্ট্রেলিয়া সফরে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আসন্ন এই সিরিজ খেলতে আগামীকাল দেশ ছাড়বে স্কোয়াডের একাংশ। তার আগে আজ বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মলনে এই সিরিজ নিয়ে কথা বলেছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। অস্ট্রেলিয়া সিরিজের আগে চোট বেশ ভোগাচ্ছে বাংলাদেশকে। এ প্রসঙ্গে শান্ত বলেন, 'চোটের বিষয়টা কারোরই নিয়ন্ত্রণে নেই। যেকোনো সময় যে কারও চোট হতে পারে। যে দলটা আমাদের অস্ট্রেলিয়াতে যাচ্ছে এই দলের ওপর পুরোপুরি বিশ্বাস আছে যে এই দলটা নিয়ে আমরা ভালো ক্রিকেট খেলতে পারব।' 'কোন প্লেয়ার থাকলে ভালো হত, কোন প্লেয়ার থাকলে বেটার হত এগুলো বলা আমার মনে হয় না যৌক্তিক হবে। আমার মনে হয়, কত ভালো ক্রিকেট খেলতে পারি দল নিয়ে, কতটা বিশ্বাস রাখতে পারি এটা বেশি জরুরি।'-যোগ করেন তিনি। চোটের সমস্যা সবচেয়ে বেশি পেস বিভাগে। এ প্রসঙ্গে শান্ত বলেন, 'হাসান, মুশফিকদের নিয়ে গড়া পেস আক্রমণের থেকে অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে প্রত্যাশা থাকবে যে তারা ২০ উইকেট এনে দেবে। সাথে দুইজন অভিজ্ঞ স্পিনারও আছে। তারাও সাহায্য করবে পেসারদের। স্কোয়াডে যে পেসাররা আছে সবাই সামর্থ্যবান। তারা যদি তাদের সেরা বোলিংটা সেদিন করতে পারে অবশ্যই ২০ উইকেট নেওয়া সম্ভব।' টেস্ট ক্রিকেটে আগ্রাসী খেলা নিয়ে টাইগার অধিনায়ক বলেন, 'আমরা গত কয়েক বছরে টেস্ট যেভাবে খেলছি চেষ্টা করব সেভাবেই খেলার। ভিন্ন কন্ডিশন, যত দ্রুত মানিয়ে নিতে পারি। এই টেস্ট দল ভালো জায়গায় আছে। এখান থেকে যেন আমরা নিচের দিকে না যাই। এর চেয়ে কত ভালো দিকে যেতে পারি এটাই মূল লক্ষ্য থাকবে।' অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশন নিয়ে শান্ত বললেন, 'কন্ডিশন আসলে এত দূর থেকে আইডিয়া করা কঠিন। শেষ কবে গিয়েছি আমার মনে নেই, ২৩ বছর আগে। কন্ডিশন সেখানে যাওয়ার পরেই মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করব। টেস্ট দল ব্যাটিংয়ের দিক থেকে অভিজ্ঞ। বোলিংটাও ভালো হচ্ছে। যদি কন্ডিশনেও মানিয়ে নিতে পারি আশা করি আমরা ভালো করতে পারব।' 'আমি যখনই এই দল নিয়ে ম্যাচ খেলি চেষ্টা করি কতটা ভালো ক্রিকেট খেলতে পারি। ফল নিয়ে না ভেবে প্রসেসটা কী, কোথায় ঘাটতি আছে, সেখানেই আমাদের মেইন ফোকাস থাকে। হোমে খেলি বা বাইরে খেলি। এই সিরিজেও নতুন কিছু থাকবে না। টার্গেট থাকবে কত ভালো ক্রিকেট খেলতে পারি।'

কী কারণে ধুঁকছেন শাহিন আফ্রিদি, জানালেন আমির

কী কারণে ধুঁকছেন শাহিন আফ্রিদি, জানালেন আমির

ভিনিসিয়ুসের নতুন ঠিকানা হচ্ছে কি আর্সেনাল?

ভিনিসিয়ুসের নতুন ঠিকানা হচ্ছে কি আর্সেনাল?

বেটিং বিতর্কে আর চুপ থাকতে পারলেন না পিরলো

বেটিং বিতর্কে আর চুপ থাকতে পারলেন না পিরলো

চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী

চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে চাহিদা পূরণে দক্ষতার প্রামাণ দিচ্ছেন ইমরান 

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে চাহিদা পূরণে দক্ষতার প্রামাণ দিচ্ছেন ইমরান 
গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে ডিবিএল গ্রুপের সব পোশাক কারখানা বন্ধ, ঝুঁকিতে ২৫ হাজার শ্রমিকের চাকরি
গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে ডিবিএল গ্রুপের সব পোশাক কারখানা বন্ধ, ঝুঁকিতে ২৫ হাজার শ্রমিকের চাকরি
দীর্ঘদিনের গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে দেশের অন্যতম শীর্ষ পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ডিবিএল গ্রুপ তাদের সব গার্মেন্টস উৎপাদন ইউনিট বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ২৫ হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থান অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। ডিবিএল গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান এম. এ. রহিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, গত কয়েক মাস ধরে কারখানাগুলোতে তীব্র গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট চলছে। ফলে উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চালিয়ে যাওয়া আর সম্ভব হচ্ছে না। তিনি জানান, পরিস্থিতি নিয়ে করণীয় নির্ধারণে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠক চলছে। বৈঠক শেষে কারখানা বন্ধ কতদিন থাকবে এবং কর্মীদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে বিস্তারিত সিদ্ধান্ত জানানো হবে। এই ঘটনা বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্পে চলমান জ্বালানি সংকটের গভীর প্রভাবকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে। দীর্ঘদিন ধরে পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা অভিযোগ করে আসছেন, পর্যাপ্ত গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, রপ্তানি চালান বিলম্বিত হচ্ছে এবং ব্যবসার টেকসই পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়ছে। ১৯৯১ সালে প্রতিষ্ঠিত ডিবিএল গ্রুপ বর্তমানে দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী। পোশাক, বস্ত্র, টেক্সটাইল প্রিন্টিং, ওয়াশিং, গার্মেন্টস অ্যাকসেসরিজ, প্যাকেজিং, সিরামিক টাইলস, ওষুধ, ড্রেজিং, খুচরা ব্যবসা ও ডিজিটাল সেবাসহ বিভিন্ন খাতে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম রয়েছে। এছাড়া, ডিবিএল গ্রুপের তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান মতিন স্পিনিং মিলস পিএলসি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে নিবন্ধিত রয়েছে।

জুলাইয়ে রেমিট্যান্স ৩৫ হাজার কোটি টাকা ছাড়াল, বেড়েছে ১৫.৪ শতাংশ

জুলাইয়ে রেমিট্যান্স ৩৫ হাজার কোটি টাকা ছাড়াল, বেড়েছে ১৫.৪ শতাংশ

আরও বেড়েছে মাছ-মুরগি-ডিমের দাম

আরও বেড়েছে মাছ-মুরগি-ডিমের দাম

সোনার দাম ভরিতে কমলো ৩ হাজার ৩২৪ টাকা

সোনার দাম ভরিতে কমলো ৩ হাজার ৩২৪ টাকা

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা
গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন
গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন
হেপাটাইটিস বি ভাইরাসটি মারাত্মক সংক্রমণ ঘটাতে পারে, যা লিভারের ক্ষতি করে। স্বাভাবিক বা সি-সেকশন ডেলিভারির আগে, ডেলিভারির সময় বা ডেলিভারির পরে উভয় ভাইরাসই মায়ের কাছ থেকে শিশুর মধ্যে ছড়াতে পারে। এটি শুধু রক্তের মাধ্যমেই ছড়ায় না, বরং বীর্য, যোনি স্রাব, লালা এবং অন্যান্য শারীরিক তরলের মাধ্যমেও ছড়ানোর সম্ভাবনা থাকে। টিকা HBV সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে পারে। চিকিৎসকেরা নিয়মিত গর্ভবতী নারীদের হেপাটাইটিস বি এর পরীক্ষা করেন। আপনি যদি সংক্রমিত হন, তবে আপনার শিশুর মধ্যে এটি ছড়ানোর সম্ভাবনা হেপাটাইটিস সি-এর চেয়ে অনেক বেশি। আপনি যদি গত ৬ মাসের মধ্যে হেপাটাইটিস বি-তে অসুস্থ হয়ে থাকেন, যাকে আপনার ডাক্তার তীব্র সংক্রমণ বলতে পারেন, তবে আপনার নবজাতকের এটিতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ৯০%। যদি আপনার সংক্রমণটি আরও বেশি সময় ধরে থাকে, যাকে দীর্ঘস্থায়ী হেপাটাইটিস বি বলা হয়, তবে সেই সম্ভাবনা কমে ১০-২০% হয়ে যায়। প্রসব পরবর্তী যত্ন হেপাটাইটিস বি-এর কোনো নিরাময় নেই। কিন্তু যদি আপনার নবজাতক শিশু ১২ ঘণ্টার মধ্যে হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ এবং হেপাটাইটিস বি ইমিউন গ্লোবুলিন নামক আরেকটি শট পায়, তাহলে তার এই ভাইরাসে আক্রান্ত না হওয়ার সম্ভাবনা ৯০%-এরও বেশি থাকে। শিশুদের সাধারণত প্রথম শটটি দেওয়া হয়। কিন্তু তারা ইমিউন গ্লোবুলিনটি কেবল তখনই পায়, যখন মায়ের HBV থাকে বা থাকার সন্দেহ করা হয়। সর্বোচ্চ সুরক্ষা পাওয়ার জন্য শিশুটির পরবর্তী ৬ মাসের মধ্যে ভ্যাকসিনের বাকি দুটি ডোজও প্রয়োজন হয়। সাধারণত, মায়ের হেপাটাইটিস বি থাকলেও শিশুকে নিরাপদে বুকের দুধ খাওয়াতে পারেন। যদি স্তনবৃন্ত ফেটে যায় বা রক্তপাত হয়, তবে স্তনবৃন্ত সেরে না ওঠা পর্যন্ত সাময়িকভাবে বুকের দুধ খাওয়ানো বন্ধ রাখা উচিত। আপনি যদি নিশ্চিত না হন তবে আপনার ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন। আমেরিকান একাডেমি অফ পেডিয়াট্রিক্স (AAP) সুপারিশ করে যে, সমস্ত শিশুকে জন্মের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিনের প্রথম শট, এরপর ১-২ মাস বয়সে একটি শট এবং ৬ থেকে ১৮ মাস বয়সের মধ্যে তৃতীয় শট দেওয়া উচিত। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, সিডিসি অভিভাবকদের এই টিকার সময়সূচী সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করার সুপারিশ করেছে।

ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী

ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

নামাজের সময়সূচি

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩
*স্থানভেদে সময়ের পার্থক্য হতে পারে
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
চাকরি আবদুল বাকীকে কখনোই টানেনি। অভাবের সংসারে পরিবারের হাল ধরতে কখনো ফ্রিল্যান্সিং, কখনোবা টিউশনি করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের এই শিক্ষার্থী। তাতেও মনের খেদ মিটছিল না। সব সময় উদ্যোগী হয়ে কিছু একটা করতে, উদ্যোক্তা হতে চেয়েছেন তিনি। গত ২১ সেপ্টেম্বর সেই স্বপ্নই পূরণ হয়েছে। তিন বন্ধু ও এক অনুজকে নিয়ে দিয়েছেন ‘আহার মেলা’। খাবারের এই দোকানে তাঁর সহযোগীরা হলেন রাজশাহী কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শাহাদাত হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামি স্টাডিজ বিভাগের আল-মুত্তাকিন, আরবি বিভাগের আমির হামজা ও ফারসি বিভাগের সামিউল ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসমাইল হোসেন সিরাজী একাডেমিক ভবনের উল্টো দিকে গেলেই চোখে পড়বে এই দোকান। আহার মেলায় ভাত, খিচুড়ি, ভর্তা, ডাল, মাছ, মাংস, সবজি ও ডিমের তরকারি পাওয়া যায়। এ ছাড়া ৬০ ও ৭০ টাকার দুটি প্যাকেজ আছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন (শুক্র ও শনিবার) ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দোকান খোলা থাকে। আবদুল বাকী বলেন, ‘যেহেতু ক্লাস-পরীক্ষার সময়ে দোকানটি চালু থাকে, আমাদের অনেকেরও ওই সময় ক্লাস থাকে। যার যেদিন ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সে সেদিন থাকে না। যদি সবারই একসঙ্গে ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সেদিন দোকান বন্ধ রাখতে হয়।’ পারিবারিকভাবে সচ্ছল ছিলেন না বাকী। কলেজজীবন থেকে এ কাজ-ও কাজ করেছেন। দুই বছর আগে বাবা মারা গেলে আর্থিক দৈন্য আরও বেশি জেঁকে বসে। মূলত সে সময়ই ব্যবসার কথা ভাবতে থাকেন। মাকে পরিকল্পনার কথা শোনান। মা রাজি হন, নিজের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকা তুলে দেন ছেলের হাতে। এই মূলধনের ওপরই দাঁড়িয়ে আছে আহার মেলা। আপাতত ব্যবসা গোছানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন এই উদ্যোক্তা। ভবিষ্যতে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় আহারমেলার শাখা চালু করতে চান।

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ ১০ আগস্ট

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ ১০ আগস্ট

মন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি বাদ, ছয় দফা দাবি নিয়ে সচিবালয়ে ৬ শিক্ষার্থী

মন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি বাদ, ছয় দফা দাবি নিয়ে সচিবালয়ে ৬ শিক্ষার্থী

নকল পেলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আইনের আওতায় আনা হবে : শিক্ষামন্ত্রী

নকল পেলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আইনের আওতায় আনা হবে : শিক্ষামন্ত্রী