• সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
গণভোটে ‘না’ জয়ী হলে কী হবে? জুলাই সনদের ভবিষ্যৎ কোন পথে?
গণভোটে ‘না’ জয়ী হলে কী হবে? জুলাই সনদের ভবিষ্যৎ কোন পথে?
আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের দিনই বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে একটি গুরুত্বপূর্ণ গণভোট। অর্থাৎ ভোটাররা একই দিনে দুটি সিদ্ধান্ত দেবেন—একটি সরকার গঠনের জন্য, আরেকটি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক কাঠামোর ভবিষ্যৎ নির্ধারণের জন্য। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এই গণভোটের বিষয়বস্তু এবং এর ফলাফলের বাস্তব প্রভাব এখনো অনেক ভোটারের কাছেই স্পষ্ট নয়। বিশেষ করে একটি প্রশ্ন ঘুরে ফিরে আসছে—গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে কি জুলাই সনদ পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হবে? আর ‘না’ জয়ী হলে কী হবে? জুলাই জাতীয় সনদ এসেছে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে গঠিত ১১টি সংস্কার কমিশনের সুপারিশ থেকে। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন মোট ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবে সম্মত হয়। এগুলো দুই ভাগে বিভক্ত—সংবিধান সংশোধনসাপেক্ষ ৪৭টি প্রস্তাব এবং আইন, অধ্যাদেশ ও নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে বাস্তবায়নযোগ্য ৩৭টি প্রস্তাব। কিন্তু গণভোটটি হচ্ছে মূলত সাংবিধানিক গণভোট। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী আলী রীয়াজের ভাষায়, এবারের গণভোটে কেবল সংবিধান সংশ্লিষ্ট ৩০টি প্রস্তাব জনগণের সামনে তোলা হচ্ছে। এখানেই বিভ্রান্তির সূচনা। কারণ রাজনৈতিক বক্তব্যে “জুলাই সনদ বাস্তবায়ন” বলা হলেও, বাস্তবে ব্যালটে পুরো সনদের সব প্রস্তাব নেই। আইনজ্ঞ মনজিল মোরশেদ এই দ্বৈততার দিকটি তুলে ধরে বলেছেন, একদিকে জুলাই সনদের কথা বলা হচ্ছে, অন্যদিকে ব্যালটে রাখা হচ্ছে মাত্র চারটি বিষয়—যার বাইরে থাকা সংস্কারগুলো ভোটাররা সরাসরি অনুমোদন বা প্রত্যাখ্যান করার সুযোগ পাচ্ছেন না। ফলে ‘হ্যাঁ’ ভোট মানেই পুরো সনদের নিশ্চয়তা—এমন ধারণা তৈরি হওয়া বাস্তবসম্মত নয়। ব্যালটের চারটি প্রশ্ন গণভোটের ব্যালটে যে চারটি বিষয়ের ওপর ভোট হবে, তার মধ্যে প্রথম তিনটি সরাসরি সাংবিধানিক কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত—তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা, দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, মৌলিক অধিকার সম্প্রসারণ ইত্যাদি। চতুর্থ প্রশ্নটি তুলনামূলকভাবে ভিন্ন প্রকৃতির—এতে বলা হয়েছে, জুলাই সনদে বর্ণিত অন্যান্য সংস্কার রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাস্তবায়ন করা হবে। এই চতুর্থ অংশটি আইনগত বাধ্যবাধকতার চেয়ে বেশি নৈতিক ও রাজনৈতিক অঙ্গীকারের জায়গা তৈরি করে। অর্থাৎ এখানে জনগণ কোনো নির্দিষ্ট সংস্কার অনুমোদন করছেন না, বরং রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর আস্থা রাখছেন। ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে কী হবে? ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে সংবিধান সংশ্লিষ্ট সংস্কারগুলোর পক্ষে জনগণের সরাসরি সম্মতি পাওয়া যাবে। প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজের মতে, এতে জুলাই সনদের সাংবিধানিক অংশ একটি শক্ত ভিত্তি পাবে এবং পরবর্তী সংসদের জন্য তা বাস্তবায়ন করা রাজনৈতিকভাবে কঠিন হবে না। জামায়াতে ইসলামীর অবস্থানও প্রায় একই—তাদের মতে, সংবিধানই হলো মৌলিক সংস্কার; এটি হলে বাকি সংস্কারগুলো স্বাভাবিকভাবেই অর্থবহ হয়ে উঠবে। এক্ষেত্রে একটি কন্সটিটিউশনাল কাউন্সিল গঠনের মাধ্যমে প্রস্তাবগুলো চূড়ান্ত করার পরিকল্পনার কথাও এসেছে। অর্থাৎ ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে জুলাই সনদের অন্তত সাংবিধানিক অংশ বাস্তবায়নের পথ সুগম হবে। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—এটি পূর্ণাঙ্গ জুলাই সনদের নিশ্চয়তা নয়। সংবিধানের বাইরে থাকা সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন নির্ভর করবে রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও পরবর্তী সরকারের অগ্রাধিকারের ওপর। ‘না’ জয়ী হলে কী হবে? গণভোটে ‘না’ জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে সরকারিভাবে খুব বেশি আলোচনা নেই—এটাই সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক প্রশ্ন। রাজনৈতিক তত্ত্বে গণভোটকে অনেক সময় ক্ষমতা পুনর্গঠনের কৌশল হিসেবে দেখা হয়, বিশেষ করে যখন ‘না’ ফলাফলের জন্য কোনো সুস্পষ্ট রোডম্যাপ থাকে না। আলী রীয়াজ স্বীকার করেছেন, ‘না’ জয়ী হলে সংবিধান সংশ্লিষ্ট সংস্কারগুলো বাস্তবায়নের বাধ্যবাধকতা দুর্বল হয়ে যাবে এবং সেগুলো তখন নির্বাচনে বিজয়ী রাজনৈতিক দলের ইচ্ছার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বে। অর্থাৎ জনগণের সরাসরি সম্মতি না থাকলে, জুলাই সনদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো রাজনৈতিক দরকষাকষির বিষয় হয়ে উঠবে। বাংলাদেশের অতীত অভিজ্ঞতাও এখানে প্রাসঙ্গিক। ১৯৭৭ ও ১৯৮৫ সালের গণভোটে অস্বাভাবিকভাবে উচ্চ ‘হ্যাঁ’ ভোট গণতান্ত্রিক বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছিল। ফলে এবার যদি ‘না’ জয়ী হয় এবং সরকার তা গ্রহণ করতে প্রস্তুত না থাকে, তাহলে পুরো প্রক্রিয়াই একটি ‘managed legitimacy exercise’ হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করবে। রাজনৈতিক অবস্থান ও অনিশ্চয়তা জামায়াত ও এনসিপি স্পষ্টভাবে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে। বিএনপি আনুষ্ঠানিকভাবে জুলাই সনদের প্রতি অঙ্গীকারাবদ্ধ হলেও তাদের অবস্থানে একটি কৌশলগত অস্পষ্টতা দেখা যায়—যেখানে দলীয় সিদ্ধান্ত ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে হলেও আইনি বাধ্যবাধকতার চেয়ে নৈতিক অঙ্গীকারের কথা দলের পক্ষ থেকে বেশি বলা হচ্ছে। যদিও বিএনপি প্রধান তারেক রহমান সরাসরি ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে ভোট দেয়ার জন্য সবাইকে অনুরোধ করেছেন। তবুও তৃণমূলে বিএনপির নেতাকর্মীদের অবস্থান ভিন্ন দেখা যাচ্ছে। অন্যদিকে কিছু দল ‘না’-এর পক্ষে সরাসরি অবস্থান নিয়েছে, যা দেখায় যে এই গণভোটে বাস্তব রাজনৈতিক বিভাজন আছে। এই গণভোট কেবল একটি নীতিগত প্রশ্ন নয়; এটি বাংলাদেশের গণতন্ত্র, সাংবিধানিক ভবিষ্যৎ এবং রাজনৈতিক আস্থার ওপর একটি বড় পরীক্ষা। ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে সরকার জুলাই সনদের সাংবিধানিক অংশ বাস্তবায়নের জন্য শক্ত রাজনৈতিক বৈধতা পাবে, কিন্তু তাতেও পুরো সনদের নিশ্চয়তা মিলবে না। আর ‘না’ জয়ী হলে সেই বৈধতার ভিত্তিই নড়বড়ে হয়ে যাবে এবং সরকারকে প্রমাণ করতে হবে—গণভোট তাদের কাছে কেবল অনুমোদন আদায়ের হাতিয়ার নয়, বরং জনগণের রায় মেনে নেওয়ার একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। শেষ পর্যন্ত গণভোটের প্রকৃত মূল্য নির্ধারিত হবে ফলাফলের সংখ্যায় নয়, বরং প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, প্রতিযোগিতামূলক চরিত্র এবং যে কোনো ফলাফল রাজনৈতিকভাবে গ্রহণ করার সদিচ্ছার মাধ্যমে। গণতন্ত্রের শক্তি এখানেই।

জুলাই পরবর্তী ৬০০ সহিংসতার মধ্যে ৫৫০টিতে বিএনপি সম্পৃক্ত: টিআইবি

জুলাই পরবর্তী ৬০০ সহিংসতার মধ্যে ৫৫০টিতে বিএনপি সম্পৃক্ত: টিআইবি

ঢাকা উত্তর সিটির প্রশাসক এজাজের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা

ঢাকা উত্তর সিটির প্রশাসক এজাজের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা

সীমান্ত দিয়ে দেশে ঢুকছে অস্ত্র, নির্বাচন ঘিরে ‘শঙ্কা’

সীমান্ত দিয়ে দেশে ঢুকছে অস্ত্র, নির্বাচন ঘিরে ‘শঙ্কা’

ফেব্রুয়ারি: বাঙালির আবেগ, পরিচয় ও চেতনার মাস

ফেব্রুয়ারি: বাঙালির আবেগ, পরিচয় ও চেতনার মাস

‘জুলাই যোদ্ধা’ গেজেট থেকে বাতিল আরও ১২ জন

‘জুলাই যোদ্ধা’ গেজেট থেকে বাতিল আরও ১২ জন

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিরক্ষা ব্যয়: অগ্রাধিকার, বাস্তবতা ও প্রশ্ন

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিরক্ষা ব্যয়: অগ্রাধিকার, বাস্তবতা ও প্রশ্ন
টুপি-ঘোমটা কি সত্যিই ভোট বাড়ায়?
টুপি-ঘোমটা কি সত্যিই ভোট বাড়ায়?
নির্বাচন এলেই বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি চেনা দৃশ্য ফিরে আসে—প্রার্থীদের পোশাকে হঠাৎ পরিবর্তন। যাঁদের দৈনন্দিন জীবনে টুপি-পাঞ্জাবি বা ঘোমটা খুব একটা দেখা যায় না, ভোটের মৌসুমে তাঁদের অনেককেই দেখা যায় ধর্মীয় লেবাসে জনসংযোগ করতে। মসজিদ, মাজার, শোকসভা কিংবা ধর্মীয় জমায়েত হয়ে ওঠে নির্বাচনী প্রচারের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। প্রশ্ন হলো, এই পোশাক কি নিছক ব্যক্তিগত পছন্দ, নাকি ভোটের অঙ্কে কষা একটি রাজনৈতিক কৌশল? ধর্ম ও রাজনীতি: পুরোনো সম্পর্ক, নতুন মাত্রা বাংলাদেশের রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার নতুন কিছু নয়। ভাষা আন্দোলন-পরবর্তী সময় থেকে শুরু করে স্বাধীনতার আগ-পরে—ধর্ম কখনো প্রকাশ্যে, কখনো প্রচ্ছন্নভাবে রাজনীতির অংশ হয়ে এসেছে। ১৯৭০ সালের নির্বাচনী স্লোগান, ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে মাজার জিয়ারত, ধর্মীয় স্লোগান কিংবা পোশাক—সবই তার উদাহরণ। তবে গণ-অভ্যুত্থানের পর ‘নতুন বন্দোবস্ত’-এর যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, অনেকের মতে এবারের নির্বাচনী জনসংযোগে তার প্রতিফলন নেই। বরং আগের তুলনায় ধর্মীয় প্রতীক ও লেবাসের ব্যবহার আরও দৃশ্যমান হয়েছে। শুধু ধর্মভিত্তিক দল নয়, উদারপন্থি, বামপন্থি এমনকি স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যেও এই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। লেবাস বদল: বিশ্বাস না কি বার্তা? রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এখানে পোশাক নিজে মূল বিষয় নয়; বিষয় হলো বার্তা। টুপি, পাঞ্জাবি বা ঘোমটা একটি নির্দিষ্ট ভোটার গোষ্ঠীর কাছে ‘পরিচ্ছন্নতা’, ‘নৈতিকতা’ ও ‘ধর্মপরায়ণতা’র প্রতীক হিসেবে কাজ করে। যেসব প্রার্থীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি, দখল বা চাঁদাবাজির অভিযোগ আছে, তাঁদের জন্য ধর্মীয় লেবাস এক ধরনের ‘ইমেজ ক্লিনার’ হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এস এম শামীম রেজার ভাষায়, ধর্মীয় পোশাক অনেক সময় প্রার্থীর বিরুদ্ধে থাকা নেতিবাচক ধারণা আড়াল করার চেষ্টা। অর্থাৎ পোশাক এখানে বিশ্বাসের প্রকাশ নয়, বরং রাজনৈতিক যোগাযোগের একটি কৌশল। ভোটাররা কীভাবে দেখছেন? ভোটারদের প্রতিক্রিয়া অবশ্য একরকম নয়। শহুরে, শিক্ষিত ও সচেতন ভোটারদের বড় একটি অংশ এই পোশাক পরিবর্তনকে ‘ভণ্ডামি’ বা ‘লোক দেখানো’ হিসেবেই দেখছেন। তাঁদের কাছে প্রশ্ন—নির্বাচনের পর এই ধর্মীয় লেবাস কোথায় হারিয়ে যায়? তবে অন্য একটি বাস্তবতাও অস্বীকার করা যায় না। গ্রামাঞ্চল বা অপেক্ষাকৃত কম শিক্ষিত ভোটারদের একটি অংশ ধর্মীয় পরিচয়ের সঙ্গে নিজেকে মিলিয়ে দেখে। সেখানে প্রার্থী যদি ‘আমাদের মতো’ মনে হয়—একই লেবাস, একই ধর্মীয় ভাষা—তাহলে তার প্রতি আস্থা তৈরি হওয়াটা সহজ হয়। এই জায়গাটিতেই ধর্মীয় পোশাক ও স্লোগান কার্যকর হয়ে ওঠে। অজ্ঞতা, আবেগ ও রাজনৈতিক হিসাব বিশ্লেষক মহিউদ্দিন আহমদের মতে, ভোটের রাজনীতিতে ধর্ম ব্যবহারের বড় কারণ হলো ভোটারদের একাংশের অজ্ঞতা ও আবেগপ্রবণতা। ধর্মীয় অনুভূতিকে সহজেই নাড়া দেওয়া যায়, বিশেষ করে যখন ধর্মীয় জ্ঞান গভীর নয়, কিন্তু আবেগ প্রবল। তবে এখানেই একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠে আসে—যদি ধর্মীয় পোশাক ও স্লোগানই ভোট জয়ের মূল চাবিকাঠি হতো, তাহলে ধর্মভিত্তিক দলগুলো কেন বারবার নির্বাচনে প্রান্তিক অবস্থানে থাকে? বাস্তবতা হলো, তারা কখনোই সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট পায়নি। অর্থাৎ ধর্ম একটি সহায়ক উপাদান হতে পারে, কিন্তু একমাত্র নির্ধারক নয়। আইন আছে, প্রয়োগ নেই নির্বাচনী আচরণবিধিতে ধর্ম ব্যবহারের বিষয়ে স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। উপাসনালয়ে প্রচারণা, ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগানো কিংবা প্রার্থনারত ছবি ব্যবহার—সবই নিষিদ্ধ। কিন্তু বাস্তবে এসব বিধির প্রয়োগ খুবই দুর্বল। ফলে ধর্ম ব্যবহার করে ভোট চাওয়ার প্রবণতা কার্যত একটি ‘গ্রে জোনে’ চলতে থাকে। টুপি, পাঞ্জাবি বা ঘোমটা—নিজে নিজে কোনো ভোট নিশ্চিত করে না। কিন্তু বাংলাদেশের সামাজিক বাস্তবতায় এগুলো এখনো একটি শক্তিশালী সাংস্কৃতিক ও আবেগী সংকেত। কিছু ভোটার এতে প্রভাবিত হন, আবার অনেকে একে প্রতারণা হিসেবে দেখেন। তাই বলা যায়, ধর্মীয় লেবাস হয়তো ভোট বাড়ানোর জাদুকাঠি নয়, তবে নির্বাচনী রাজনীতিতে এটি এখনো একটি কার্যকর কৌশল—যত দিন না ভোটাররা ব্যক্তি, নীতি ও কর্মসূচিকে লেবাসের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।

জামায়াত আমিরের আইডি হ্যাক নিয়ে যা বললেন তারেক রহমান

জামায়াত আমিরের আইডি হ্যাক নিয়ে যা বললেন তারেক রহমান

বিএনপির কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে নাহিদের রিট

বিএনপির কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে নাহিদের রিট

মুন্সীর আর সুযোগ নেই, আরেক আসনেও নাটকীয়তা

মুন্সীর আর সুযোগ নেই, আরেক আসনেও নাটকীয়তা

ডেঙ্গুতে একদিনে ২ মৃত্যু, হাসপাতালে ৭০৫

ডেঙ্গুতে একদিনে ২ মৃত্যু, হাসপাতালে ৭০৫

ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৩৯

ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৩৯

ডেঙ্গুতে আরো ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৯৫

ডেঙ্গুতে আরো ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৯৫
ইরানের রেভোল্যুশনারি গার্ডকে ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ আখ্যা দিলো ইইউ
ইরানের রেভোল্যুশনারি গার্ডকে ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ আখ্যা দিলো ইইউ
ইরানের সেনাবাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-কে ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে ইউরোপের ২৭টি দেশের জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। গতকাল বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ইইউ’র পররাষ্ট্র বিভাগের প্রধান কাজা কালাস। ইরানের সাম্প্রতিক সরকারবিরোধী আন্দোলনে বিক্ষোভকারীদের নির্বিচারে হত্যা ও তাদের ওপর ব্যাপক দমন-পীড়ন চালানোর ঘটনায় তেহরানের প্রতি শাস্তিমূলক পদক্ষেপ হিসেবে এ পদক্ষেপ নিচ্ছে ইইউ। গতকাল বৃহস্পতিবার এ ইস্যুতে বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে ইইউ’র সদস্যরাষ্ট্রগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক ছিল। সেই বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে আইআরজিসিকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে আখ্যায়িত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে— উল্লেখ করে কাজা কালাস বলেন, “কোনো প্রকার দমন-পীড়নকে ছাড় দেওয়া ইইউ’র নীতিবিরুদ্ধ। যে সরকার নিজের ক্ষমতা ধরে রাখতে নিজেদের হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করে, সেই সরকার আসলে নিজের অজান্তে নিজের কবর খোঁড়ে।” গত সপ্তাহে ফ্রান্স এবং ইতালি এ সংক্রান্ত প্রস্তাবে সমর্থন দিয়েছে বলে জানা গেছে। নেদারল্যান্ডসের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ভ্যান উইল ইইউ’র বৃহস্পতিবারের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। এ প্রসঙ্গে এএফপিকে তিনি বলেন, “সম্প্রতি ইরানে আমরা যে রক্তপাত আমরা দেখলাম, তার প্রতিবাদ হিসেবে আমরা এ পদক্ষেপ নিয়েছি। আন্দোলন দমনের নামে যে নিষ্ঠুরতা তেহরান দেখিয়েছে, তা সহ্যের অতীত।” ইরানের চিরশত্রু ইসরায়েল এ পদক্ষেপের জন্য ইইউ-কে স্বাগত জানিয়েছে। ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদেওন সা’র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, ‘ইউরোপের এ পদক্ষেপ ঐতিহাসিক।” ইসরায়েলের সরকারের অপর এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বলেছেন, ইইউ’র এ নিষেধাজ্ঞার ফরে আইআরজিসি সদস্যদের বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করানো সহজ হবে। এদিকে ইইউ-এর এই পদক্ষেপের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এ-কে ‘গুরুতর কৌশলগত ভুল সিদ্ধান্ত’ বলে উল্লেখ করে বলেছেন, “মধ্যপ্রাচ্যে একটি সর্বাত্মক যুদ্ধপরিস্থিতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে এবং সম্ভাব্য সেই বিপর্যয় এড়াতে যখন অনেক রাষ্ট্র কাজ করছে— সে সময় ইউরোপ সম্ভাব্য সেই বিপর্যয়ের আগুনে হাওয়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৃহস্পতিবারের বৈঠকে তারা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা আন্তর্জাতিক কূটনীতির বর্তমান প্রেক্ষিতে একটি গুরুতর ভুল সিদ্ধান্ত।” ১৯৭৯ সালে ইসলামি বিপ্লবের পর আইআরজিসি গঠন করা হয়েছিল। সেনাবাহিনীর অভিজাত শাখা হিসেবে পরিচিতি পেলেও দেশটির নিয়মিত সেনাবাহিনীর চেয়ে আইআরজিসির মর্যাদা অনেক বেশি। ইরানের অর্থনীতি, সামরিক বিভাগ এবং দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র ও পরমাণু প্রকল্পে আইআরজিসির গভীর প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণ আছে। সূত্র : এএফপি

পশ্চিমবঙ্গে নিপাহ্ ভাইরাস: সংক্রমণ কি আদৌ ছড়িয়েছে?

পশ্চিমবঙ্গে নিপাহ্ ভাইরাস: সংক্রমণ কি আদৌ ছড়িয়েছে?

ভারতে বিমান বিধ্বস্ত, মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার নিহত

ভারতে বিমান বিধ্বস্ত, মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার নিহত

কানাডাকে গিলে খাবে চীন, বললেন ট্রাম্প

কানাডাকে গিলে খাবে চীন, বললেন ট্রাম্প

যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ইরান

যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ইরান

ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা সব দেশের ওপর ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা ট্রাম্পের

ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা সব দেশের ওপর ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা ট্রাম্পের

রাশিয়া ও চীনকে ঠেকাতে গ্রিনল্যান্ডের ‘মালিকানা’ দরকার: ট্রাম্প

রাশিয়া ও চীনকে ঠেকাতে গ্রিনল্যান্ডের ‘মালিকানা’ দরকার: ট্রাম্প
নওগাঁয় ডাম্পট্রাকের চাপায় ভ্যানের ৫ যাত্রী নিহত
নওগাঁয় ডাম্পট্রাকের চাপায় ভ্যানের ৫ যাত্রী নিহত
নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলায় ডাম্পট্রাকের চাপায় একটি ভ্যানের পাঁচ যাত্রী নিহত হয়েছেন। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ভোর সাড়ে চারটার দিকে উপজেলার পাঁচকাঠি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি। দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. খুরশিদুল ইসলাম।  নিহতরা হলেন- উপজেলার এনায়েতপুর ইউনিয়নের নুরপুর গ্রামের মাংরা উরাওয়ের ছেলে সঞ্চু উরাও (৪৮), জুটুয়া পাহানের ছেলে বিপুল পাহান (২২), খোকা পাহানের ছেলে বীরেন (৫০), মৃত নরেন পাহানের ছেলে উজ্জ্বল পাহান (২৪) ও অনিল পাহানের ছেলে বিপ্লব (২২)। আহত সামন্ত একই গ্রামের রমেসের ছেলে। মহাদেবপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার আবুল কাসেম বলেন, ড্রাম ট্রাকটি মহাদেবপুর থেকে পত্নীতলার দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এক ভ্যানকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজন নিহত হন। তিনজনকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ইমরুল কায়েস বলেন, ভোর সাড়ে ৪টার দিকে একটি সড়ক দুর্ঘটনা হয়। হাসপাতালে গুরুতর আহত অবস্থায় তিনজনকে ভোর ৫টার দিকে নিয়ে আসা হয়। এ ঘটনায় মোট ৫ জন মারা গেছেন। এ বিষয়ে মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. খুরশিদুল ইসলাম। বলেন, দুর্ঘটনার পর চারজনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। আহত অবস্থায় আরও একজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে পথিমধ্যে তাঁর মৃত্যু হয়।

শেরপুরে বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহত

শেরপুরে বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহত

কক্সবাজারে পাহাড়ে কাজ করতে গিয়ে ৬ কৃষক অপহৃত

কক্সবাজারে পাহাড়ে কাজ করতে গিয়ে ৬ কৃষক অপহৃত

ভোলায় বাস-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ৪

ভোলায় বাস-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ৪
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
এপ্রিল মাস, শনিবারের এক ভোরে আকারা ইতেহ মধ্য লন্ডনের হোলবর্ন টিউব স্টেশনে হেঁটে হেঁটে আসার সময় নিজের ফোন ঘাঁটছিলেন। মুহূর্ত কয়েক পরই ইলেকট্রিক বাইকে আসা এক ছিনতাইকারী তাঁর হাত থেকে ফোন ছিনিয়ে নেয়। নিজের ফোন উদ্ধারে ছিনতাইকারীর পেছনে ছুট লাগিয়েছিলেন আকারা। কিন্তু ধরতে ব্যর্থ হন। আকারা একা এ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাননি; বরং এ বছর এখন পর্যন্ত ইংল্যান্ড ও ওয়ালসে প্রায় ‘৭৮ হাজার’ ফোন ছিনতাই হয়েছে। গত বছরের তুলনায় যা অনেক বেশি। এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে বিচার হওয়ার হার খুবই কম। পুলিশের বক্তব্য, তারা দায়ী অপরাধীদের খোঁজ করে। কিন্তু তারা যেভাবে গায়েব হয়ে যায় বা এত ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন করে যে তাদের গ্রেপ্তার করা কঠিন হয়ে যায়। এ ধরনের অপরাধের শিকার ব্যক্তিরা তাঁদের দুর্দশার কথা বিবিসিকে বলেছেন। বলেছেন, ফোন হারিয়ে গেলে এমন অনেক ছবি ও তথ্য হারিয়ে যায়, যেগুলো আর কখনো ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। সঙ্গে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি তো আছেই। তাঁদের মধ্যে আকারার মতো অনেকে আরও একটি কারণে নিদারুণ হতাশায় ডুবে যান। আকারা তাঁর ফোনটি কোথা থেকে কোথায় যাচ্ছে, তা অনলাইনে অনুসরণ করতে পারছেন; কিন্তু সেটি ফেরত আনার ক্ষমতা তাঁর নেই। ফোন ছিনতাই হওয়ার এক ঘণ্টা বা তার কিছু পরে বাড়িতে ফিরে আকারা তাঁর আইফোন ১৩ হারিয়ে গেছে (লস্ট মুড) অপশনটি চালু করেন। এটা করা হলে চোর ওই ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। এরপর আকারা তাঁর ল্যাপটপের সাহায্যে ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ ফিচার চালু করেন। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আকারা তাঁর ফোনটি কোথায় আছে, সেটা দেখতে পারেন। ল্যাপটপের স্ক্রিনে লন্ডনের বিভিন্ন জায়গায় নিজের ফোন ঘুরে বেড়াতে দেখেন আকারা। ফোন উদ্ধারের আশায় ল্যাপটপে দেখানো দুই জায়গায় নিজেই গিয়েছিলেন আকারা। তিনি বলেন, ‘এটা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। উত্তেজনায়, রাগে আমি এটা করেছিলাম।’ আকারা অবশ্য কারও সঙ্গে কথা বলেননি। তবে বুঝতে পারছিলেন, তাঁকে কেউ অনুসরণ করছে। তিনি বাড়ি চলে যান। আকারা বলেন, ‘আমি খুবই ক্ষুব্ধ ছিলাম। ফোনটা দামি। ওই ফোন কিনতে আমি কঠোর পরিশ্রম করে অর্থ উপার্জন করি এবং কেউ একজন সব ঘেঁটে দিল।’ আকারার ফোনটি যখন চুরি যায়, তখন রাস্তায় তিনি পুলিশ দেখতে পেয়ে তাদের সবকিছু খুলে বলেছিলেন। যদিও তাঁর মনে হয়েছে, পুলিশ কর্মকর্তারা জানতেন, ফোন চুরি করতে চোররা ওই এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। পুলিশ তাকে অনলাইনে অভিযোগ করার পরামর্শ দেয় এবং তিনি সেটা করেন। কয়েক দিন পর ই–মেইল পাঠিয়ে পুলিশ আকারাকে জানায়, তাঁর ফোন চুরির মামলাটির তদন্তকাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বলেছে, ‘সম্ভবত আমরা দোষীদের শনাক্ত করতে পারব না।’ যেখান থেকে ফোন চুরি হয়েছিল, সেখানকার ছবি ও কিছু তথ্য আকারা পুলিশকে দিয়েছিলেন। পুলিশ সেটা গ্রহণ করেছে। কিন্তু ফোন উদ্ধারে আর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ফোন চুরির ঠিক এক মাস পর, মে মাসে আকারা তাঁর ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ আবার দেখেন। তখন সেটির অবস্থান দেখাচ্ছিল শেনজেন, চীন। আকারা এবার সব আশা ছেড়ে দেন। চুরি যাওয়া অনেক ফোনের শেষ গন্তব্য হয় শেনজেন। সেখানে যদি ফোনটি খোলা এবং নতুন করে ব্যবহার করা না যায়, তাঁরা সেটির যন্ত্রাংশ খুলে ফেলে এবং আলাদা আলাদা করে বিক্রি করে। ১ কোটি ৭৬ লাখ মানুষের শহর শেনজেন, বিশাল বড় একটি প্রযুক্তিনগরী। শেনজেনকে তাই চীনের সিলিকন ভ্যালি বলা হয়।

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
অক্টোবরে ১৬ দিনে ব্যয় ৬ হাজার কোটি টাকা। তহবিল সংগ্রহে ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে কমলা। কমলার পক্ষে ভোটের জন্য অর্থ সংগ্রহ ১৮০ কোটি ডলার। ট্রাম্পের ২০২২ সাল থেকে এ পর্যন্ত সংগ্রহ ১০০ কোটি। ডেমোক্রেটিক পার্টির সমাবেশে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ক্লার্কস্টন এলাকায়। ছবি: এএফপি অপতথ্যের ছড়াছড়ি বিগত কয়েক নির্বাচন থেকে দেখছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভোটাররা। এবার অর্থকড়ির ছড়াছড়িও দেখছেন তাঁরা। সর্বশেষ ১৬ দিনে মার্কিন নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী কমলা হ্যারিস, রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা ব্যয় করছেন আধা বিলিয়ন অর্থাৎ ৫০ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৬ হাজার কোটি টাকা (১২০ টাকা প্রতি ডলার)। অর্থাৎ প্রতিদিন ব্যয় হয়েছে ৩৭৫ কোটি টাকা। নিউইয়র্ক টাইমসের গতকাল শুক্রবারের এক খবরে বলা হয়েছে, ভোটারদের তথ্য পেতে এবং বিজ্ঞাপনের জন্য এই অর্থ ব্যয় করছেন তাঁরা। ট্রাম্প ও হ্যারিসের প্রচার শিবির এই ১৬ দিনে ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আর এই দুই নেতার পক্ষে অন্যরা ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম অনুসারে নির্বাচনী প্রচারের ব্যয়ের হিসাব দিতে হয় নির্বাচন কমিশনে। সেই হিসাব সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। কমলা হ্যারিস ১ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত ব্যয় করেছেন ১৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। নথি সূত্রে জানা গেছে, দিন দিন তাঁর এই খরচ বেড়েছে। কারণ, গত আগস্টে পুরো মাসে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় করেছেন ১৩ কোটি ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, অক্টোবরের শুরুতে কমলা হ্যারিসের প্রচার শিবিরের তহবিলে জমা পড়েছে ১৮ কোটি ২৬ লাখ ডলার। তিনি এবং প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মিলে তাঁদের দল ডেমোক্রেটিক পার্টির হয়ে তুলেছেন ১৮০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহে পিছিয়ে আছেন ট্রাম্প। অক্টোবরে তাঁর প্রচার তহবিলে জমা পড়েছে ৯ কোটি ২১ লাখ ডলার। এ ছাড়া পুরো নির্বাচনী প্রচারেও অর্থ সংগ্রহ হয়েছে কম। ২০২২ সালে তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন। এর পর থেকে চলতি অক্টোবর পর্যন্ত তিনি অর্থ সংগ্রহ করতে পেরেছেন ১০০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহ কম হওয়ায় খরচও কম করতে পেরেছেন ট্রাম্প। অক্টোবরের প্রথম ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ১০ কোটি ডলার। এর মধ্যে বিজ্ঞাপনে তিনি ব্যয় করেছেন ৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, জুন, জুলাই ও আগস্টের চেয়ে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় বাড়িয়েছেন। তবে তাঁর হাতে আর বেশি অর্থ নেই ব্যয় করার মতো। তিনি বাকি সময়টায় ৩ কোটি ৬২ লাখ ডলার ব্যয় করতে পারবেন। তবে এ তুলনায় কমলা হ্যারিসের হাতে অনেক বেশি অর্থ আছে। হিসাব অনুসারে, কমলার হাতে ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার আছে নির্বাচনের প্রচারে ব্যয় করার জন্য। নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, ডেমোক্রেটিক পার্টির তহবিলে কারা টাকা দিচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে কিছু মানুষের নাম জানা যাচ্ছে। তবে সিংহভাগ অর্থ কোথা থেকে আসছে, সেটা জানা যাচ্ছে না। কমলা হ্যারিসের প্রচারে যারা সহযোগী হিসেবে কাজ করছে, সেই সুপার পিএসির তহবিল এসেছে ৪ কোটি ডলার। এই অর্থ কোথা থেকে এসেছে, সেটা জানা যাচ্ছে না।  ট্রাম্পের পাশে ইলন মাস্ক ট্রাম্পের প্রচারের শুরু থেকেই আছেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধনকুবের ইলন মাস্ক। আর্থিক এই খরার মধ্যে তিনি ট্রাম্পের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ট্রাম্পের জন্য গত ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার। ট্রাম্পের জন্য তিনি বরাদ্দ রেখেছেন ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের হিসাব বলছে, আর্থিক খরা কাটাতে অতিরিক্ত ৪ কোটি ৩৬ লাখ ডলার ব্যয় করছেন তিনি।

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

মিজানুর রহমান আজহারীর তাফসির মাহফিল স্থগিত

মিজানুর রহমান আজহারীর তাফসির মাহফিল স্থগিত

সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজের ইন্তেকাল

সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজের ইন্তেকাল

ওমরাহ ও হজযাত্রীদের জন্য বড় সুখবর

ওমরাহ ও হজযাত্রীদের জন্য বড় সুখবর
বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই
বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই
অভিনেত্রী মেহজাবীনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
অভিনেত্রী মেহজাবীনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
পুথির সাজে ধরা দিলেন মিম
পুথির সাজে ধরা দিলেন মিম
কাছের মানুষ হারালেন হৃতিকের প্রাক্তন স্ত্রী
কাছের মানুষ হারালেন হৃতিকের প্রাক্তন স্ত্রী
ফিটব্যাক রিসেট-এর তৃতীয় বর্ষ উদযাপন
ফিটব্যাক রিসেট-এর তৃতীয় বর্ষ উদযাপন
রোমিও ব্রাদার্স'র জমজমাট প্রথম পাবলিক কনসার্ট
রোমিও ব্রাদার্স'র জমজমাট প্রথম পাবলিক কনসার্ট
‘নারীকে সম্মান দেওয়ার পরিবর্তে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার হাতিয়ার বানানো হলো’
‘নারীকে সম্মান দেওয়ার পরিবর্তে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার হাতিয়ার বানানো হলো’
ব্যাচেলর পয়েন্টে আর দেখা যাবে না শিমুলকে!
ব্যাচেলর পয়েন্টে আর দেখা যাবে না শিমুলকে!
পাকিস্তানের ম্যাচ বয়কট, ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারত কী করবে
পাকিস্তানের ম্যাচ বয়কট, ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারত কী করবে
টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে আজই শ্রীলঙ্কায় রওনা হওয়ার কথা পাকিস্তান দলের। দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে ৭ ফেব্রুয়ারি নামবে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচে। তবে খেলবে না ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় নির্ধারিত ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি। গতকাল রোববার রাতে পাকিস্তান সরকারের অফিশিয়াল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এবারের বিশ্বকাপে পাকিস্তানের সব ম্যাচ শ্রীলঙ্কায়। যে কারণে ভারতের বিপক্ষে না খেলা মানে সেদিন মাঠে যাবে না দলটি। কিন্তু ভারতের গ্রুপ পর্বের একটি বাদে বাকি সব ম্যাচ নিজেদের দেশে। শুধু পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলার জন্যই শ্রীলঙ্কার যাওয়ার কথা তাদের। এখন পাকিস্তান ম্যাচটি খেলবে না জানিয়ে দেওয়ার পর ভারত কী করবে? বার্তা সংস্থা এএনআই প্রশ্নটি করেছিল বিসিসিআইয়ের এক কর্মকর্তাকে। নাম প্রকাশ না করা ওই কর্মকর্তা বলেছেন, ভারত তাদের নির্ধারিত সূচি মেনেই সবকিছু করবে, ‘ভারত ১৫ ফেব্রুয়ারি শ্রীলঙ্কা সফর করবে এবং আইসিসির সব প্রটোকল মেনে চলবে।’ টুর্নামেন্টে অনুশীলন ও সংবাদ সম্মেলনের যে রীতি, সেটিও অনুসরণ করা হবে বলে জানান তিনি, ‘(ভারত) নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী অনুশীলন করবে, সংবাদ সম্মেলন করবে এবং সময়মতো স্টেডিয়ামে পৌঁছাবে। এরপর ম্যাচ রেফারি কর্তৃক খেলাটি বাতিল ঘোষণার জন্য অপেক্ষা করবে।’ ২০২৬ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত ও পাকিস্তান ‘এ’ গ্রুপে আছে। একই গ্রুপের অন্য দলগুলো হচ্ছে নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাষ্ট্র ও নামিবিয়া। দল তিনটিকে ভারতের বিপক্ষে খেলার জন্য ভারতে এবং পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলার জন্য শ্রীলঙ্কায় যাওয়া-আসা করা লাগবে। ভারতের প্রথম ম্যাচ ৭ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে মুম্বাইয়ে। ১২ ফেব্রুয়ারিতে দিল্লিতে নামিবিয়ার বিপক্ষে খেলে পাকিস্তান ম্যাচের জন্য তাদের শ্রীলঙ্কায় যাওয়ার কথা। পাকিস্তান সরকার ভারতের সঙ্গে ম্যাচ বয়কটের পেছনে আনুষ্ঠানিক কোনো কারণ না জানালেও পিসিবি দুই সপ্তাহ ধরে আইসিসির দ্বিমুখী আচরণের সমালোচনা করে আসছে। গত বছর ভারত নিরাপত্তাশঙ্কার কথা বলার পর আইসিসি সেটা আমলে নিলেও এবার বাংলাদেশের ক্ষেত্রে তা না করায় নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির ‘নীতিগত অবস্থান’ নিয়ে প্রশ্ন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি)।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নেই বাংলাদেশ, নেপথ্যে যা যা ঘটেছে

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নেই বাংলাদেশ, নেপথ্যে যা যা ঘটেছে

বিশ্বকাপ ভেন্যু ইস্যুতে শেষ চেষ্টা, আন্তর্জাতিক আদালতে যাবে বাংলাদেশ

বিশ্বকাপ ভেন্যু ইস্যুতে শেষ চেষ্টা, আন্তর্জাতিক আদালতে যাবে বাংলাদেশ

২২ বছর পর সেমিফাইনালে মরক্কো

২২ বছর পর সেমিফাইনালে মরক্কো

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে চাহিদা পূরণে দক্ষতার প্রামাণ দিচ্ছেন ইমরান 

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে চাহিদা পূরণে দক্ষতার প্রামাণ দিচ্ছেন ইমরান 

অ্যানোনিমাস পেজ থেকে রহস্যময় পোস্ট, পেছনে বেটিং চক্র!

অ্যানোনিমাস পেজ থেকে রহস্যময় পোস্ট, পেছনে বেটিং চক্র!
বছরের শুরুতেই প্রবাসী আয় ছাড়াল ২৯৪ কোটি ডলার
বছরের শুরুতেই প্রবাসী আয় ছাড়াল ২৯৪ কোটি ডলার
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে প্রবাসীরা দেশে টাকা পাঠানো বাড়িয়েছেন। জানুয়ারি মাসের প্রথম ২৮ দিনে দেশে এসেছে ২৯৪ কোটি ৩০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫০ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি। গত বছরের জানুয়ারির প্রথম ২৮ দিনে প্রবাসী আয় ছিল ১৯৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত মোট প্রবাসী আয় এসেছে ১ হাজার ৯২১ কোটি ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২২ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরের ওই সময়ে প্রবাসী আয় ছিল ১ হাজার ৫৭৩ কোটি ডলার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত ডিসেম্বরে প্রবাসী আয় এসেছিল ৩২২ কোটি ডলার। এর আগে পাঁচ মাস টানা ৩ বিলিয়ন ডলারের কম রেমিট্যান্স এসেছে। নভেম্বরে প্রবাসী আয় ছিল ২৮৯ কোটি ডলার। জুলাই ও আগস্টে এসেছে যথাক্রমে ২৪৮ ও ২৪২ কোটি ডলার। সেপ্টেম্বরে বেড়ে ২৬৯ কোটি ডলারে দাঁড়ালেও অক্টোবরে কমে আসে ২৫৬ কোটি ডলারে। ২০২৫ সালে মোট প্রবাসী আয় দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ২৮২ কোটি ডলারে, যা বাংলাদেশ ব্যাংকে গচ্ছিত বর্তমান বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের প্রায় সমান। প্রবাসী আয়ের গতি ভালো থাকায় ২০২৫ সালে ডলারের তীব্র সংকট দেখা যায়নি। বাজার স্থিতিশীল রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন সময়ে ব্যাংক থেকে ডলার কিনেছে। এতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে। ২০২৪ সালের আগস্টে রিজার্ভ ছিল প্রায় ২৫ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার, বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২ দশমিক ২৬ বিলিয়ন ডলারে। রিজার্ভ বাড়ায় ডলারের বাজারে চাপ কমেছে। একসময় ব্যাংক খাতে ডলারের দাম ১২৮ টাকা পর্যন্ত উঠলেও বর্তমানে ১২২ থেকে ১২৩ টাকার মধ্যে লেনদেন হচ্ছে।

সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ২০ টাকা বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম

সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ২০ টাকা বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম

চলছে রোজার প্রস্তুতি, ভোগ্যপণ্যের বাজারে দাম কমার সুখবর

চলছে রোজার প্রস্তুতি, ভোগ্যপণ্যের বাজারে দাম কমার সুখবর

সোনার দাম ভরিতে কমলো ১৪ হাজার

সোনার দাম ভরিতে কমলো ১৪ হাজার

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা
ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী
ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী
শুধু শারীরিক স্বাস্থ্য নয়, মানসিক সুস্থতার ওপরও হরমোনের বড় প্রভাব রয়েছে। হরমোনের মাত্রায় পরিবর্তন হলে উদ্বেগ, বিষণ্নতা, ঘন ঘন মেজাজ খারাপসহ নানা মানসিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। কর্টিসল বা স্ট্রেস হরমোন কর্টিসলের মাত্রা কমে গেলে রক্তের শর্করা ও ইনসুলিনের ভারসাম্য নষ্ট হয়, ফলে সুখের অনুভূতির জন্য জরুরি সেরোটোনিন কমে যায়। একইভাবে ইস্ট্রোজেনের প্রভাবেও মানসিক স্থিরতা কমে যেতে পারে। থাইরয়েড ও অন্যান্য হরমোনজনিত রোগ থাইরয়েড হরমোন শক্তি ও বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে। এর অস্বাভাবিকতা উদ্বেগ, অস্থিরতা ও মেজাজ পরিবর্তনের কারণ হতে পারে। পিসিওএস, পিসিওডি, মেনোপজ বা দীর্ঘমেয়াদি মানসিক চাপও একই প্রভাব ফেলে। ঘুমের সমস্যা হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হলে মেলাটোনিনসহ ঘুম নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন ঠিকভাবে কাজ করে না। ঘুমের ঘাটতি বিষণ্নতা ও রাগ বাড়ায়। সন্তান জন্মের পর পরিবর্তন প্রসবের পর মায়ের ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন হরমোন হঠাৎ কমে যায়। এতে অনেক মায়ের মধ্যে প্রসব-পরবর্তী বিষণ্নতা দেখা দেয়। খাদ্যাভ্যাসের গুরুত্ব হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে খাদ্যতালিকায় রঙিন ফল, শাকসবজি, অ্যাভোকাডো তেল, বাদাম, ডিমের কুসুম এবং প্রো-বায়োটিক খাবার (দই, বাটারমিল্ক, ভাতের ফ্যান) রাখুন। চিনি কমিয়ে তুলসি ও ভেষজ চা পান করলে স্ট্রেস কমে। কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন যদি দীর্ঘদিন ধরে মেজাজ পরিবর্তন, ক্লান্তি, মনোযোগের ঘাটতি, ওজনের অস্বাভাবিক পরিবর্তনসহ মানসিক অস্থিরতা দেখা দেয়, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

রমজানে সুস্থ থাকতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষ পরামর্শ

রমজানে সুস্থ থাকতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষ পরামর্শ

নামাজের সময়সূচি

মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২
*স্থানভেদে সময়ের পার্থক্য হতে পারে
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
চাকরি আবদুল বাকীকে কখনোই টানেনি। অভাবের সংসারে পরিবারের হাল ধরতে কখনো ফ্রিল্যান্সিং, কখনোবা টিউশনি করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের এই শিক্ষার্থী। তাতেও মনের খেদ মিটছিল না। সব সময় উদ্যোগী হয়ে কিছু একটা করতে, উদ্যোক্তা হতে চেয়েছেন তিনি। গত ২১ সেপ্টেম্বর সেই স্বপ্নই পূরণ হয়েছে। তিন বন্ধু ও এক অনুজকে নিয়ে দিয়েছেন ‘আহার মেলা’। খাবারের এই দোকানে তাঁর সহযোগীরা হলেন রাজশাহী কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শাহাদাত হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামি স্টাডিজ বিভাগের আল-মুত্তাকিন, আরবি বিভাগের আমির হামজা ও ফারসি বিভাগের সামিউল ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসমাইল হোসেন সিরাজী একাডেমিক ভবনের উল্টো দিকে গেলেই চোখে পড়বে এই দোকান। আহার মেলায় ভাত, খিচুড়ি, ভর্তা, ডাল, মাছ, মাংস, সবজি ও ডিমের তরকারি পাওয়া যায়। এ ছাড়া ৬০ ও ৭০ টাকার দুটি প্যাকেজ আছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন (শুক্র ও শনিবার) ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দোকান খোলা থাকে। আবদুল বাকী বলেন, ‘যেহেতু ক্লাস-পরীক্ষার সময়ে দোকানটি চালু থাকে, আমাদের অনেকেরও ওই সময় ক্লাস থাকে। যার যেদিন ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সে সেদিন থাকে না। যদি সবারই একসঙ্গে ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সেদিন দোকান বন্ধ রাখতে হয়।’ পারিবারিকভাবে সচ্ছল ছিলেন না বাকী। কলেজজীবন থেকে এ কাজ-ও কাজ করেছেন। দুই বছর আগে বাবা মারা গেলে আর্থিক দৈন্য আরও বেশি জেঁকে বসে। মূলত সে সময়ই ব্যবসার কথা ভাবতে থাকেন। মাকে পরিকল্পনার কথা শোনান। মা রাজি হন, নিজের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকা তুলে দেন ছেলের হাতে। এই মূলধনের ওপরই দাঁড়িয়ে আছে আহার মেলা। আপাতত ব্যবসা গোছানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন এই উদ্যোক্তা। ভবিষ্যতে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় আহারমেলার শাখা চালু করতে চান।

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

শিক্ষা শুধু চাকরির জন্য নয়, সৃজনশীল মানুষ গড়ার জন্যও : প্রধান উপদেষ্টা

শিক্ষা শুধু চাকরির জন্য নয়, সৃজনশীল মানুষ গড়ার জন্যও : প্রধান উপদেষ্টা

ডাকসু নির্বাচনের ব্যালট পেপার ছাপানো নিয়ে যা বললেন ঢাবি উপাচার্য

ডাকসু নির্বাচনের ব্যালট পেপার ছাপানো নিয়ে যা বললেন ঢাবি উপাচার্য

রাকসুর পর পেছালো চাকসু নির্বাচনও

রাকসুর পর পেছালো চাকসু নির্বাচনও