• সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় স্বাধীনতা অর্জন: ড. ইউনূস
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় স্বাধীনতা অর্জন: ড. ইউনূস
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে সবাইকে একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক সমাজ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায়ই আমরা মহান স্বাধীনতা অর্জন করেছি। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) ‘ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে এসব কথা বলেন তিনি। বাণীতে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের স্বাধিকার ও স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, ঐতিহাসিক ছয় দফা আন্দোলন, পরবর্তীকালে এগারো দফা এবং ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে জাতি স্বাধীনতা অর্জন করে। প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, তৎকালীন স্বৈরাচারী শাসন ও দমন–পীড়নের বিরুদ্ধে ১৯৬৯ সালের জানুয়ারি মাসজুড়ে দেশজুড়ে আন্দোলন তীব্র হয়ে ওঠে। ছাত্র-জনতাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ২৪ জানুয়ারি সেই আন্দোলন ব্যাপক গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। সংগ্রামী মানুষ সান্ধ্য আইন ভেঙে মিছিল বের করলে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন ঢাকার নবকুমার ইনস্টিটিউটের নবম শ্রেণির ছাত্র মতিউর রহমান মল্লিকসহ আরও অনেকে। তিনি বলেন, এসব শহীদের আত্মত্যাগ পরবর্তী সব গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও সংগ্রামে, এমনকি জুলাই গণঅভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন আন্দোলনে, দেশের তরুণ সমাজকে সাহস ও প্রেরণা জুগিয়েছে। বাণীর শেষাংশে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের সব শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

জামায়াতের সঙ্গে ‘বন্ধুত্ব চায়’ যুক্তরাষ্ট্র: ওয়াশিংটন পোস্ট

জামায়াতের সঙ্গে ‘বন্ধুত্ব চায়’ যুক্তরাষ্ট্র: ওয়াশিংটন পোস্ট

ঝামেলা করলে জনবিস্ফোরণ হবে, র‍্যাব কর্মকর্তা হত্যা মামলার প্রধান আসামির হুঁশিয়ারি

ঝামেলা করলে জনবিস্ফোরণ হবে, র‍্যাব কর্মকর্তা হত্যা মামলার প্রধান আসামির হুঁশিয়ারি

৮ ইউএনওর বদলির আদেশ বাতিল

৮ ইউএনওর বদলির আদেশ বাতিল

হাইকোর্টের রায় স্থগিত, কুমিল্লা-২ আসনে ইসির সীমানা অনুযায়ী নির্বাচন

হাইকোর্টের রায় স্থগিত, কুমিল্লা-২ আসনে ইসির সীমানা অনুযায়ী নির্বাচন

চানখারপুলে ৬ হত্যা মামলার রায় ২৬ জানুয়ারি

চানখারপুলে ৬ হত্যা মামলার রায় ২৬ জানুয়ারি

পুলিশ পেশাদারিত্বের পরিচয় দিলে এটি হবে সবচেয়ে নিরপেক্ষ নির্বাচন

পুলিশ পেশাদারিত্বের পরিচয় দিলে এটি হবে সবচেয়ে নিরপেক্ষ নির্বাচন
প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনের পথে বাংলাদেশ
প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনের পথে বাংলাদেশ
প্রতিযোগিতামূলক জাতীয় নির্বাচনের দিকে এগোচ্ছে বাংলাদেশ। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে এবারের নির্বাচনী মাঠে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে উঠেছে বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১০–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের মধ্যে। তবে প্রচারের শুরু থেকেই দুপক্ষের মধ্যে রাজনৈতিক সৌজন্যের পরিবর্তে তীব্র বক্তব্য ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগই বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নির্বাচনী প্রচারের প্রথম দুই দিনেই শীর্ষ নেতাদের বক্তব্যে ইঙ্গিত মিলছে, সামনের দিনগুলোতে এই বাগ্‌যুদ্ধ আরও তীব্র হতে পারে। ২২ জানুয়ারি প্রচার শুরুর পর থেকেই বিএনপি ও জামায়াতের নেতারা একে অপরকে লক্ষ্য করে আক্রমণাত্মক অবস্থান নিচ্ছেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণ–অভ্যুত্থানের পর পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতায় বিশ্লেষকেরা আগে থেকেই ধারণা করেছিলেন, আসন্ন নির্বাচন ঘিরে এই দুই শক্তির মধ্যে মুখোমুখি প্রতিদ্বন্দ্বিতা তৈরি হবে। বর্তমান পরিস্থিতি সেই ধারণাকেই বাস্তব রূপ দিচ্ছে। বিএনপি জামায়াতের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকা, ধর্মের রাজনৈতিক ব্যবহার এবং ভোট কারচুপির আশঙ্কার অভিযোগ তুলছে। অন্যদিকে জামায়াত বিএনপির বিরুদ্ধে দুর্নীতি, দখল ও চাঁদাবাজি এবং ‘নব্য ফ্যাসিবাদী’ চরিত্রের অভিযোগ সামনে আনছে। গত দুই দিনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় আটটি জনসভায় বক্তব্য দেন। তিনি জামায়াতের নাম উল্লেখ না করেই স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির সমালোচনা করেন এবং ধর্মের অপব্যবহারের বিরোধিতা করেন। একই সঙ্গে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পোস্টাল ব্যালট ও এনআইডি ব্যবহার করে ভোট চুরির আশঙ্কার কথাও তুলে ধরেন। তারেক রহমান তাঁর বক্তব্যে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের শাসনামলের গুম, খুন, ভোটাধিকার হরণ ও অর্থপাচারের সমালোচনা করলেও মূল জোর দেন ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায়। তিনি ‘ফ্যামিলি কার্ড’, ‘কৃষক কার্ড’, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কর্মসূচির মতো প্রতিশ্রুতি দেন। জনসভায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথোপকথনও তাঁর প্রচারের একটি উল্লেখযোগ্য দিক হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ঢাকাসহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় পাঁচটি জনসভায় বক্তব্য দেন। তাঁর বক্তব্যে ‘ইনসাফ প্রতিষ্ঠা’, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ এবং আধিপত্যবাদবিরোধী রাজনীতির ওপর জোর দেওয়া হয়। জামায়াত বিএনপির ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচিকে ‘খয়রাতি অনুদান’ বলে সমালোচনা করে এবং এটিকে চাঁদাবাজি ও লুটপাটের আশঙ্কার সঙ্গে যুক্ত করে। নির্বাচনী বক্তব্যে দুই পক্ষই ‘বিদেশি আধিপত্য’ ইস্যু সামনে আনছে। বিএনপি জামায়াতকে লক্ষ্য করে পাকিস্তানকেন্দ্রিক প্রভাবের ইঙ্গিত দিচ্ছে, আর জামায়াত বিএনপির বিরুদ্ধে ভারতের আধিপত্যবাদ চাপানোর অভিযোগ তুলছে। ফলে এবারের নির্বাচনে ‘জাতীয়তাবাদ বনাম আধিপত্যবাদবিরোধী রাজনীতি’ একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, রাজনৈতিক তর্ক ও সমালোচনা স্বাভাবিক হলেও তা যেন সংঘাতে রূপ না নেয়—এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাঁদের মতে, দেশের জন্য সবচেয়ে বড় প্রয়োজন একটি শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে এবারের নির্বাচনী লড়াই এখন মূলত বিএনপি ও জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোটের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। ফলে এই নির্বাচন কেবল ক্ষমতার লড়াই নয়, বরং দুই ভিন্ন রাজনৈতিক দর্শনের মুখোমুখি প্রতিযোগিতা হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

চাঁদাবাজদের সম্মানী পেশায় ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা জামায়াত আমিরের

চাঁদাবাজদের সম্মানী পেশায় ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা জামায়াত আমিরের

‘ভারতের সঙ্গে বিএনপির চুক্তি নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে’

‘ভারতের সঙ্গে বিএনপির চুক্তি নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে’

বিজয় ছিনিয়ে আনতে যুবকদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান জামায়াত আমিরের

বিজয় ছিনিয়ে আনতে যুবকদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান জামায়াত আমিরের

ডেঙ্গুতে একদিনে ২ মৃত্যু, হাসপাতালে ৭০৫

ডেঙ্গুতে একদিনে ২ মৃত্যু, হাসপাতালে ৭০৫

ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৩৯

ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৩৯

ডেঙ্গুতে আরো ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৯৫

ডেঙ্গুতে আরো ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৯৫
কানাডাকে গিলে খাবে চীন, বললেন ট্রাম্প
কানাডাকে গিলে খাবে চীন, বললেন ট্রাম্প
ডেনমার্কের স্বায়ত্ত্বশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র গোল্ডেন ডোম আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা স্থাপন করতে চাইলেও কানাডা এর বিরোধীতা করছে বলে অভিযোগ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, কানাডা যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তার বদলে চীনের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক গভীর করছে। কিন্তু এ বন্ধুদের আড়ালে চীন তাদের গিলে খাবে। স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি লিখেছেন, “গ্রিনল্যান্ডে গোল্ডেন স্থাপনের বিরুদ্ধে কানাডা। যদিও এ গোল্ডেন ডোম কানাডাকেও সুরক্ষা দেবে। আমাদের এক্ষেত্রে সহায়তা না করে তারা চীনের সঙ্গে ব্যবসা করার পক্ষে ভোট দিয়েছে। যারা কানাডাকে এক বছরের মধ্যে গিলে খাবে।” দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার পরই কানাডার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি প্রায়ই দেশটির নেতৃবৃন্দের সমালোচনা করেন। চীনের সঙ্গে কয়েকদিন আগে বাণিজ্য চুক্তি করে কানাডা। এতে দুই দেশের কিছু পণ্য আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে শুল্ক একেবারেই কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নে বেইজিং সফরে গিয়ে চুক্তি করেন। এরপরই ট্রাম্প মন্তব্য করলেন কানাডাকে চীন ব্যবসার আড়ালে গিলে খাবে। কানাডা সবচেয়ে বেশি ব্যবসা করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে। এরপরই রয়েছে চীন। যদিও মাঝে সম্পর্ক খারাপ ছিল। কিন্তু দুই দেশ আবারও বাণিজ্যিক সম্পর্ক পুনর্স্থাপনের চেষ্টা করছে। গত সপ্তাহে বিশ্ব অর্থনৈতিক সম্মেলনে ট্রাম্প বলেছিলেন, আর্কটিক অঞ্চলের গ্রিনল্যান্ডে যদি তারা গোল্ডেন ডোম স্থাপন করেন তাহলে স্বাভাবিকভাবে কানাডা এর সুবিধা ভোগ করবে এবং সুরক্ষিত থাকবে। তিনি ওই সময় দাবি করেন, কানাডা বিনামূল্যে যুক্তরাষ্ট্রের সুবিধা পায় এবং তাদের জন্যই কানাডা টিকে আছে। তিনি বলেন, “আমরা গোল্ডেন ডোম স্থাপন করব, যেটি স্বাভাবিকভাবে কানাডাকে রক্ষা করবে। কানাডা আমাদের কাছ থেকে অনেক কিছু বিনামূল্যে পায়। তাদের আমাদের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা উচিত।” “কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের কারণে বেঁচে আছে।” দেশটির প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি আরও বলেন, “পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রকে নিয়ে কিছু বলার আগে এটি মনে রাখবেন মার্ক।” কিন্তু ট্রাম্পের এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে কানাডিয়ান প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বেঁচে নেই। কানাডা সফলতা পাচ্ছে কারণ আমরা কানাডিয়ান।” সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ইরান

যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ইরান

ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা সব দেশের ওপর ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা ট্রাম্পের

ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা সব দেশের ওপর ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা ট্রাম্পের

রাশিয়া ও চীনকে ঠেকাতে গ্রিনল্যান্ডের ‘মালিকানা’ দরকার: ট্রাম্প

রাশিয়া ও চীনকে ঠেকাতে গ্রিনল্যান্ডের ‘মালিকানা’ দরকার: ট্রাম্প

ইরানকে আবারও হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প

ইরানকে আবারও হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প

ইরানে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ভবনে আগুন, বিক্ষোভে উত্তাল বিভিন্ন শহর

ইরানে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ভবনে আগুন, বিক্ষোভে উত্তাল বিভিন্ন শহর

বিক্ষোভে উত্তাল ইরান, ১০ দিনে নিহত ৩৬

বিক্ষোভে উত্তাল ইরান, ১০ দিনে নিহত ৩৬
কুড়িগ্রাম থেকে ভোলা ৬০০ কিমি পদযাত্রায় মাসফিকুল হাসান টনি
কুড়িগ্রাম থেকে ভোলা ৬০০ কিমি পদযাত্রায় মাসফিকুল হাসান টনি
নদীর অবনতি, জলবায়ু পরিবর্তন ও জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রতিবাদে কুড়িগ্রাম থেকে ভোলা পর্যন্ত ৬০০ কিলোমিটার দীর্ঘ একক ‘ক্রস-কান্ট্রি হাইকিং’ শুরু করেছেন পরিবেশকর্মী ও অভিযাত্রী মাসফিকুল হাসান টনি। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ৭টায় কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারীর ব্রহ্মপুত্র নদ অববাহিকার সীমান্ত চর ইটালুকান্দা থেকে এই পদযাত্রার সূচনা হয়। পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক নাগরিক সংগঠন ‘ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)’ এবং ‘বাংলা মাউন্টেনিয়ারিং অ্যান্ড ট্রেকিং ক্লাব (BMTC)’–এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অভিযানের শিরোনাম— “নদীতে প্রাণের কান্না: বৈশ্বিক উষ্ণতার বিরুদ্ধে দাঁড়াও”। আয়োজকদের জানানো হয়েছে, এই পদযাত্রায় মাসফিকুল হাসান টনি কুড়িগ্রামের ব্রহ্মপুত্র অববাহিকা থেকে শুরু করে ৬০০ কিলোমিটারের বেশি পথ হেঁটে ভোলা জেলার চরফ্যাশনের চর কুকরি-মুকরিতে গিয়ে যাত্রা শেষ করবেন। পদযাত্রার পুরো পথজুড়ে নদীভাঙন, নদীদূষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের ক্ষতিকর দিকগুলো তুলে ধরা হবে। আয়োজকদের মতে, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে বাংলাদেশের নদীব্যবস্থা ও নদীঘেঁষা জনপদ আজ মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে। অথচ নদী রক্ষায় কার্যকর উদ্যোগের ঘাটতি রয়েছে। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যতম প্রধান কারণ জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর পরিকল্পনার বিরুদ্ধেই এই পদযাত্রার মাধ্যমে প্রতিবাদ জানানো হচ্ছে। পদযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)-এর সদস্য সচিব শরীফ জামিল, বাংলা মাউন্টেনিয়ারিং অ্যান্ড ট্রেকিং ক্লাবের সভাপতি ও এভারেস্টজয়ী ইকরামুল হাসান শাকিল, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মীর মোহাম্মদ আলী, ধরা জামালপুরের আহবায়ক মো. মাহবুবুর রহমান মহব্বতসহ স্থানীয় পরিবেশকর্মী, সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীরা। বক্তারা বলেন, নদীমাতৃক বাংলাদেশের অস্তিত্ব আজ নানা সংকটে পড়েছে। উজানের পানি আগ্রাসন, অভ্যন্তরীণ নদী ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা এবং জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর উন্নয়ন নীতি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। মাসফিকুল হাসান টনির এই দীর্ঘ পদযাত্রা নীতিনির্ধারকদের দৃষ্টি আকর্ষণ এবং সাধারণ মানুষকে সচেতন করার একটি সাহসী উদ্যোগ। তাঁরা আরও বলেন, জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে এই কর্মসূচি রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের কাছে পরিবেশ ও জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার গুরুত্ব নতুন করে সামনে আনবে।

অটোরিকশাচালককে প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা, এগিয়ে এলেন না কেউ

অটোরিকশাচালককে প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা, এগিয়ে এলেন না কেউ

মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে টেকনাফে কিশোরী নিহত

মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে টেকনাফে কিশোরী নিহত

মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে টেকনাফে শিশু গুলিবিদ্ধ

মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে টেকনাফে শিশু গুলিবিদ্ধ
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
এপ্রিল মাস, শনিবারের এক ভোরে আকারা ইতেহ মধ্য লন্ডনের হোলবর্ন টিউব স্টেশনে হেঁটে হেঁটে আসার সময় নিজের ফোন ঘাঁটছিলেন। মুহূর্ত কয়েক পরই ইলেকট্রিক বাইকে আসা এক ছিনতাইকারী তাঁর হাত থেকে ফোন ছিনিয়ে নেয়। নিজের ফোন উদ্ধারে ছিনতাইকারীর পেছনে ছুট লাগিয়েছিলেন আকারা। কিন্তু ধরতে ব্যর্থ হন। আকারা একা এ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাননি; বরং এ বছর এখন পর্যন্ত ইংল্যান্ড ও ওয়ালসে প্রায় ‘৭৮ হাজার’ ফোন ছিনতাই হয়েছে। গত বছরের তুলনায় যা অনেক বেশি। এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে বিচার হওয়ার হার খুবই কম। পুলিশের বক্তব্য, তারা দায়ী অপরাধীদের খোঁজ করে। কিন্তু তারা যেভাবে গায়েব হয়ে যায় বা এত ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন করে যে তাদের গ্রেপ্তার করা কঠিন হয়ে যায়। এ ধরনের অপরাধের শিকার ব্যক্তিরা তাঁদের দুর্দশার কথা বিবিসিকে বলেছেন। বলেছেন, ফোন হারিয়ে গেলে এমন অনেক ছবি ও তথ্য হারিয়ে যায়, যেগুলো আর কখনো ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। সঙ্গে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি তো আছেই। তাঁদের মধ্যে আকারার মতো অনেকে আরও একটি কারণে নিদারুণ হতাশায় ডুবে যান। আকারা তাঁর ফোনটি কোথা থেকে কোথায় যাচ্ছে, তা অনলাইনে অনুসরণ করতে পারছেন; কিন্তু সেটি ফেরত আনার ক্ষমতা তাঁর নেই। ফোন ছিনতাই হওয়ার এক ঘণ্টা বা তার কিছু পরে বাড়িতে ফিরে আকারা তাঁর আইফোন ১৩ হারিয়ে গেছে (লস্ট মুড) অপশনটি চালু করেন। এটা করা হলে চোর ওই ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। এরপর আকারা তাঁর ল্যাপটপের সাহায্যে ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ ফিচার চালু করেন। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আকারা তাঁর ফোনটি কোথায় আছে, সেটা দেখতে পারেন। ল্যাপটপের স্ক্রিনে লন্ডনের বিভিন্ন জায়গায় নিজের ফোন ঘুরে বেড়াতে দেখেন আকারা। ফোন উদ্ধারের আশায় ল্যাপটপে দেখানো দুই জায়গায় নিজেই গিয়েছিলেন আকারা। তিনি বলেন, ‘এটা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। উত্তেজনায়, রাগে আমি এটা করেছিলাম।’ আকারা অবশ্য কারও সঙ্গে কথা বলেননি। তবে বুঝতে পারছিলেন, তাঁকে কেউ অনুসরণ করছে। তিনি বাড়ি চলে যান। আকারা বলেন, ‘আমি খুবই ক্ষুব্ধ ছিলাম। ফোনটা দামি। ওই ফোন কিনতে আমি কঠোর পরিশ্রম করে অর্থ উপার্জন করি এবং কেউ একজন সব ঘেঁটে দিল।’ আকারার ফোনটি যখন চুরি যায়, তখন রাস্তায় তিনি পুলিশ দেখতে পেয়ে তাদের সবকিছু খুলে বলেছিলেন। যদিও তাঁর মনে হয়েছে, পুলিশ কর্মকর্তারা জানতেন, ফোন চুরি করতে চোররা ওই এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। পুলিশ তাকে অনলাইনে অভিযোগ করার পরামর্শ দেয় এবং তিনি সেটা করেন। কয়েক দিন পর ই–মেইল পাঠিয়ে পুলিশ আকারাকে জানায়, তাঁর ফোন চুরির মামলাটির তদন্তকাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বলেছে, ‘সম্ভবত আমরা দোষীদের শনাক্ত করতে পারব না।’ যেখান থেকে ফোন চুরি হয়েছিল, সেখানকার ছবি ও কিছু তথ্য আকারা পুলিশকে দিয়েছিলেন। পুলিশ সেটা গ্রহণ করেছে। কিন্তু ফোন উদ্ধারে আর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ফোন চুরির ঠিক এক মাস পর, মে মাসে আকারা তাঁর ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ আবার দেখেন। তখন সেটির অবস্থান দেখাচ্ছিল শেনজেন, চীন। আকারা এবার সব আশা ছেড়ে দেন। চুরি যাওয়া অনেক ফোনের শেষ গন্তব্য হয় শেনজেন। সেখানে যদি ফোনটি খোলা এবং নতুন করে ব্যবহার করা না যায়, তাঁরা সেটির যন্ত্রাংশ খুলে ফেলে এবং আলাদা আলাদা করে বিক্রি করে। ১ কোটি ৭৬ লাখ মানুষের শহর শেনজেন, বিশাল বড় একটি প্রযুক্তিনগরী। শেনজেনকে তাই চীনের সিলিকন ভ্যালি বলা হয়।

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
অক্টোবরে ১৬ দিনে ব্যয় ৬ হাজার কোটি টাকা। তহবিল সংগ্রহে ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে কমলা। কমলার পক্ষে ভোটের জন্য অর্থ সংগ্রহ ১৮০ কোটি ডলার। ট্রাম্পের ২০২২ সাল থেকে এ পর্যন্ত সংগ্রহ ১০০ কোটি। ডেমোক্রেটিক পার্টির সমাবেশে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ক্লার্কস্টন এলাকায়। ছবি: এএফপি অপতথ্যের ছড়াছড়ি বিগত কয়েক নির্বাচন থেকে দেখছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভোটাররা। এবার অর্থকড়ির ছড়াছড়িও দেখছেন তাঁরা। সর্বশেষ ১৬ দিনে মার্কিন নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী কমলা হ্যারিস, রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা ব্যয় করছেন আধা বিলিয়ন অর্থাৎ ৫০ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৬ হাজার কোটি টাকা (১২০ টাকা প্রতি ডলার)। অর্থাৎ প্রতিদিন ব্যয় হয়েছে ৩৭৫ কোটি টাকা। নিউইয়র্ক টাইমসের গতকাল শুক্রবারের এক খবরে বলা হয়েছে, ভোটারদের তথ্য পেতে এবং বিজ্ঞাপনের জন্য এই অর্থ ব্যয় করছেন তাঁরা। ট্রাম্প ও হ্যারিসের প্রচার শিবির এই ১৬ দিনে ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আর এই দুই নেতার পক্ষে অন্যরা ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম অনুসারে নির্বাচনী প্রচারের ব্যয়ের হিসাব দিতে হয় নির্বাচন কমিশনে। সেই হিসাব সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। কমলা হ্যারিস ১ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত ব্যয় করেছেন ১৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। নথি সূত্রে জানা গেছে, দিন দিন তাঁর এই খরচ বেড়েছে। কারণ, গত আগস্টে পুরো মাসে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় করেছেন ১৩ কোটি ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, অক্টোবরের শুরুতে কমলা হ্যারিসের প্রচার শিবিরের তহবিলে জমা পড়েছে ১৮ কোটি ২৬ লাখ ডলার। তিনি এবং প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মিলে তাঁদের দল ডেমোক্রেটিক পার্টির হয়ে তুলেছেন ১৮০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহে পিছিয়ে আছেন ট্রাম্প। অক্টোবরে তাঁর প্রচার তহবিলে জমা পড়েছে ৯ কোটি ২১ লাখ ডলার। এ ছাড়া পুরো নির্বাচনী প্রচারেও অর্থ সংগ্রহ হয়েছে কম। ২০২২ সালে তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন। এর পর থেকে চলতি অক্টোবর পর্যন্ত তিনি অর্থ সংগ্রহ করতে পেরেছেন ১০০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহ কম হওয়ায় খরচও কম করতে পেরেছেন ট্রাম্প। অক্টোবরের প্রথম ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ১০ কোটি ডলার। এর মধ্যে বিজ্ঞাপনে তিনি ব্যয় করেছেন ৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, জুন, জুলাই ও আগস্টের চেয়ে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় বাড়িয়েছেন। তবে তাঁর হাতে আর বেশি অর্থ নেই ব্যয় করার মতো। তিনি বাকি সময়টায় ৩ কোটি ৬২ লাখ ডলার ব্যয় করতে পারবেন। তবে এ তুলনায় কমলা হ্যারিসের হাতে অনেক বেশি অর্থ আছে। হিসাব অনুসারে, কমলার হাতে ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার আছে নির্বাচনের প্রচারে ব্যয় করার জন্য। নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, ডেমোক্রেটিক পার্টির তহবিলে কারা টাকা দিচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে কিছু মানুষের নাম জানা যাচ্ছে। তবে সিংহভাগ অর্থ কোথা থেকে আসছে, সেটা জানা যাচ্ছে না। কমলা হ্যারিসের প্রচারে যারা সহযোগী হিসেবে কাজ করছে, সেই সুপার পিএসির তহবিল এসেছে ৪ কোটি ডলার। এই অর্থ কোথা থেকে এসেছে, সেটা জানা যাচ্ছে না।  ট্রাম্পের পাশে ইলন মাস্ক ট্রাম্পের প্রচারের শুরু থেকেই আছেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধনকুবের ইলন মাস্ক। আর্থিক এই খরার মধ্যে তিনি ট্রাম্পের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ট্রাম্পের জন্য গত ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার। ট্রাম্পের জন্য তিনি বরাদ্দ রেখেছেন ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের হিসাব বলছে, আর্থিক খরা কাটাতে অতিরিক্ত ৪ কোটি ৩৬ লাখ ডলার ব্যয় করছেন তিনি।

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

মিজানুর রহমান আজহারীর তাফসির মাহফিল স্থগিত

মিজানুর রহমান আজহারীর তাফসির মাহফিল স্থগিত

সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজের ইন্তেকাল

সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজের ইন্তেকাল

ওমরাহ ও হজযাত্রীদের জন্য বড় সুখবর

ওমরাহ ও হজযাত্রীদের জন্য বড় সুখবর
বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই
বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই
অভিনেত্রী মেহজাবীনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
অভিনেত্রী মেহজাবীনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
পুথির সাজে ধরা দিলেন মিম
পুথির সাজে ধরা দিলেন মিম
কাছের মানুষ হারালেন হৃতিকের প্রাক্তন স্ত্রী
কাছের মানুষ হারালেন হৃতিকের প্রাক্তন স্ত্রী
ফিটব্যাক রিসেট-এর তৃতীয় বর্ষ উদযাপন
ফিটব্যাক রিসেট-এর তৃতীয় বর্ষ উদযাপন
রোমিও ব্রাদার্স'র জমজমাট প্রথম পাবলিক কনসার্ট
রোমিও ব্রাদার্স'র জমজমাট প্রথম পাবলিক কনসার্ট
‘নারীকে সম্মান দেওয়ার পরিবর্তে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার হাতিয়ার বানানো হলো’
‘নারীকে সম্মান দেওয়ার পরিবর্তে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার হাতিয়ার বানানো হলো’
ব্যাচেলর পয়েন্টে আর দেখা যাবে না শিমুলকে!
ব্যাচেলর পয়েন্টে আর দেখা যাবে না শিমুলকে!
বিশ্বকাপ ভেন্যু ইস্যুতে শেষ চেষ্টা, আন্তর্জাতিক আদালতে যাবে বাংলাদেশ
বিশ্বকাপ ভেন্যু ইস্যুতে শেষ চেষ্টা, আন্তর্জাতিক আদালতে যাবে বাংলাদেশ
টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচের ভেন্যু নিয়ে আইসিসির সিদ্ধান্ত বদলাতে শেষ পর্যন্ত আইনি পথেই হাঁটছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আইসিসির ডিসপিউট রেজোলিউশন কমিটি (ডিআরসি)-তে আবেদন করেছে বিসিবি। তবে আইসিসির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এই কমিটির কাছে বোর্ড অব ডিরেক্টরসের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল শোনার এখতিয়ার নেই বলেই জানা গেছে। আইসিসি ইতোমধ্যে বিকল্প হিসেবে স্কটল্যান্ডকে প্রস্তুত থাকতে বলেছে। বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বে বোর্ড কার্যত কোণঠাসা হয়ে এই উদ্যোগ নিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ডিআরসির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ইংল্যান্ডের মাইকেল বেলফ। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিসিবির একটি সূত্র জানিয়েছে, ডিআরসিতে আবেদন নাকচ হলে পরবর্তী ও একমাত্র পথ হবে সুইজারল্যান্ডের কোর্ট অব আরবিট্রেশন ফর স্পোর্টস (সিএএস)। এর আগে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে স্পষ্টভাবে জানান, বাংলাদেশ দল ভারত সফর করবে না। এই অবস্থান আরও জোরালো হয়, যখন বিসিসিআইয়ের নির্দেশে মুস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্সের স্কোয়াড থেকে বাদ দেওয়া হয়। আইসিসির সংবিধান ও ডিআরসির কার্যপরিধি অনুযায়ী, আইসিসি বোর্ড অব ডিরেক্টরসের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল শোনার ক্ষমতা ডিআরসির নেই। ডিআরসির ১.৩ ধারায় স্পষ্ট বলা আছে, এই কমিটি আইসিসি বা এর অধিভুক্ত কোনো সংস্থার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল গ্রহণ করবে না। এর মধ্যেই আইসিসি বোর্ড ১৪–২ ভোটে বাংলাদেশের ম্যাচ ভারতে রাখার সিদ্ধান্ত দেয়। স্বাধীন নিরাপত্তা মূল্যায়নে হুমকির মাত্রা ‘কম থেকে মাঝারি’ বলা হলেও আসিফ নজরুল দাবি করেন, এই সিদ্ধান্ত বিসিবির নয়, সরকারের। আইসিসি বোর্ডের একটি সূত্র জানিয়েছে, নিয়ম অনুযায়ী ডিআরসিতে এই মামলার শুনানি হওয়ার সুযোগ নেই, কারণ এটি সরাসরি বোর্ডের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে। জানা গেছে, অনূর্ধ্ব–১৯ বিশ্বকাপ উপলক্ষে নামিবিয়ায় থাকা আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ বর্তমানে দুবাইয়ে অবস্থান করছেন। শনিবারের মধ্যেই বাংলাদেশের বদলি দল নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে। এদিকে আইসিসি বোর্ডের ভেতরে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের ভূমিকা নিয়েও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। আইসিসিকে না জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করার বিষয়টি ভালোভাবে নেয়নি বোর্ড। আইসিসির দৃষ্টিতে ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল গ্রহণযোগ্য নন বলেও সূত্রের দাবি। উল্লেখ্য, ডিআরসি ব্রিটিশ আইনের আওতায় পরিচালিত হয়। ২০১৮ সালে তারা পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের করা ৭ কোটি ডলারের ক্ষতিপূরণ দাবিও খারিজ করেছিল। তখন ডিআরসি জানায়, সংশ্লিষ্ট নথিটি ছিল কেবল ‘লেটার অব ইনটেন্ট’, বাধ্যতামূলক কোনো চুক্তি নয়। ডিআরসি মূলত দেখে, আইসিসি বোর্ড নিয়ম মেনে সিদ্ধান্ত নিয়েছে কি না। এটি কোনো আপিল আদালত নয়। এই কমিটিতে মাইকেল বেলফ ছাড়াও রয়েছেন মাইক হেরন, বিচারপতি উইনস্টন অ্যান্ডারসন, ডিওন ভ্যান জিল, গ্যারি রবার্টস, গুও কাই, অ্যানাবেল বেনেট, জ্যঁ পলসন, পিটার নিকলসন, বিজয় মালহোত্রা ও স্যালি ক্লার্ক। সূত্র: পিটিআই

২২ বছর পর সেমিফাইনালে মরক্কো

২২ বছর পর সেমিফাইনালে মরক্কো

ক্রিকইনফোর খবর সত্য নয়: বুলবুল

ক্রিকইনফোর খবর সত্য নয়: বুলবুল

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: বাংলাদেশকে ভারতেই খেলতে হবে, বিসিবিকে আইসিসির বার্তা

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: বাংলাদেশকে ভারতেই খেলতে হবে, বিসিবিকে আইসিসির বার্তা

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে চাহিদা পূরণে দক্ষতার প্রামাণ দিচ্ছেন ইমরান 

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে চাহিদা পূরণে দক্ষতার প্রামাণ দিচ্ছেন ইমরান 

অ্যানোনিমাস পেজ থেকে রহস্যময় পোস্ট, পেছনে বেটিং চক্র!

অ্যানোনিমাস পেজ থেকে রহস্যময় পোস্ট, পেছনে বেটিং চক্র!

বন্যায় টেলিযোগাযোগ সচল রাখতে দেওয়া হলো জেনারেটর

বন্যায় টেলিযোগাযোগ সচল রাখতে দেওয়া হলো জেনারেটর
মুঠোফোনের আমদানি শুল্ক ৬০% কমল, দাম কত কমবে
মুঠোফোনের আমদানি শুল্ক ৬০% কমল, দাম কত কমবে
মুঠোফোনের মূল্য গ্রাহকের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে আমদানি শুল্ক কমানো হলো। ফোন আমদানিতে আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। মঙ্গলবার এ–সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এতে মুঠোফোন আমদানিতে প্রযোজ্য বিদ্যমান আমদানি শুল্ক ৬০ শতাংশ কমানো হলো। আমদানি শুল্ক কমানোর ফলে মুঠোফোন সংযোজনকারী দেশীয় প্রতিষ্ঠান যাতে বিরূপ প্রতিযোগিতার মুখে না পড়ে, সে জন্য তাদের আমদানি করা উপকরণেও কর কমানো হয়েছে। আরেকটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে মুঠোফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠানের উপকরণ আমদানিতে আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। এর ফলে মুঠোফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠানের উপকরণ আমদানিতে প্রযোজ্য বিদ্যমান আমদানি শুল্ক ৫০ শতাংশ কমানো হলো। কত টাকা খরচ কমল এনবিআরের হিসাব অনুসারে, ৩০ হাজার টাকার অধিক মূল্যের আমদানি হওয়া প্রতিটি পূর্ণাঙ্গ মুঠোফোনের দাম আনুমানিক সাড়ে ৫ হাজার টাকা কমবে। আর ৩০ হাজার টাকার অধিক মূল্যের দেশে সংযোজিত প্রতিটি মুঠোফোনের দাম আনুমানিক ১৫০০ টাকা কমবে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মুঠোফোন আমদানি ও মুঠোফোন সংযোজন শিল্পের উপকরণ আমদানিতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ শুল্ক হ্রাসের ফলে সব ধরনের মুঠোফোনের মূল্য গ্রাহকের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকবে। দেশের নাগরিকদের পক্ষে ডিজিটাল সেবা গ্রহণ সহজ হবে।

চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ৫ টাকা, অস্বস্তিতে ভোক্তারা

চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ৫ টাকা, অস্বস্তিতে ভোক্তারা

একনেকে ৪৬ হাজার কোটি টাকার ২২ প্রকল্প অনুমোদন

একনেকে ৪৬ হাজার কোটি টাকার ২২ প্রকল্প অনুমোদন

ভারত থেকে ৫০ হাজার টন চাল আনা হবে : অর্থ উপদেষ্টা

ভারত থেকে ৫০ হাজার টন চাল আনা হবে : অর্থ উপদেষ্টা

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা
ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী
ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী
শুধু শারীরিক স্বাস্থ্য নয়, মানসিক সুস্থতার ওপরও হরমোনের বড় প্রভাব রয়েছে। হরমোনের মাত্রায় পরিবর্তন হলে উদ্বেগ, বিষণ্নতা, ঘন ঘন মেজাজ খারাপসহ নানা মানসিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। কর্টিসল বা স্ট্রেস হরমোন কর্টিসলের মাত্রা কমে গেলে রক্তের শর্করা ও ইনসুলিনের ভারসাম্য নষ্ট হয়, ফলে সুখের অনুভূতির জন্য জরুরি সেরোটোনিন কমে যায়। একইভাবে ইস্ট্রোজেনের প্রভাবেও মানসিক স্থিরতা কমে যেতে পারে। থাইরয়েড ও অন্যান্য হরমোনজনিত রোগ থাইরয়েড হরমোন শক্তি ও বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে। এর অস্বাভাবিকতা উদ্বেগ, অস্থিরতা ও মেজাজ পরিবর্তনের কারণ হতে পারে। পিসিওএস, পিসিওডি, মেনোপজ বা দীর্ঘমেয়াদি মানসিক চাপও একই প্রভাব ফেলে। ঘুমের সমস্যা হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হলে মেলাটোনিনসহ ঘুম নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন ঠিকভাবে কাজ করে না। ঘুমের ঘাটতি বিষণ্নতা ও রাগ বাড়ায়। সন্তান জন্মের পর পরিবর্তন প্রসবের পর মায়ের ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন হরমোন হঠাৎ কমে যায়। এতে অনেক মায়ের মধ্যে প্রসব-পরবর্তী বিষণ্নতা দেখা দেয়। খাদ্যাভ্যাসের গুরুত্ব হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে খাদ্যতালিকায় রঙিন ফল, শাকসবজি, অ্যাভোকাডো তেল, বাদাম, ডিমের কুসুম এবং প্রো-বায়োটিক খাবার (দই, বাটারমিল্ক, ভাতের ফ্যান) রাখুন। চিনি কমিয়ে তুলসি ও ভেষজ চা পান করলে স্ট্রেস কমে। কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন যদি দীর্ঘদিন ধরে মেজাজ পরিবর্তন, ক্লান্তি, মনোযোগের ঘাটতি, ওজনের অস্বাভাবিক পরিবর্তনসহ মানসিক অস্থিরতা দেখা দেয়, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

রমজানে সুস্থ থাকতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষ পরামর্শ

রমজানে সুস্থ থাকতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষ পরামর্শ

নামাজের সময়সূচি

সোমবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩৩
*স্থানভেদে সময়ের পার্থক্য হতে পারে
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
চাকরি আবদুল বাকীকে কখনোই টানেনি। অভাবের সংসারে পরিবারের হাল ধরতে কখনো ফ্রিল্যান্সিং, কখনোবা টিউশনি করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের এই শিক্ষার্থী। তাতেও মনের খেদ মিটছিল না। সব সময় উদ্যোগী হয়ে কিছু একটা করতে, উদ্যোক্তা হতে চেয়েছেন তিনি। গত ২১ সেপ্টেম্বর সেই স্বপ্নই পূরণ হয়েছে। তিন বন্ধু ও এক অনুজকে নিয়ে দিয়েছেন ‘আহার মেলা’। খাবারের এই দোকানে তাঁর সহযোগীরা হলেন রাজশাহী কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শাহাদাত হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামি স্টাডিজ বিভাগের আল-মুত্তাকিন, আরবি বিভাগের আমির হামজা ও ফারসি বিভাগের সামিউল ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসমাইল হোসেন সিরাজী একাডেমিক ভবনের উল্টো দিকে গেলেই চোখে পড়বে এই দোকান। আহার মেলায় ভাত, খিচুড়ি, ভর্তা, ডাল, মাছ, মাংস, সবজি ও ডিমের তরকারি পাওয়া যায়। এ ছাড়া ৬০ ও ৭০ টাকার দুটি প্যাকেজ আছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন (শুক্র ও শনিবার) ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দোকান খোলা থাকে। আবদুল বাকী বলেন, ‘যেহেতু ক্লাস-পরীক্ষার সময়ে দোকানটি চালু থাকে, আমাদের অনেকেরও ওই সময় ক্লাস থাকে। যার যেদিন ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সে সেদিন থাকে না। যদি সবারই একসঙ্গে ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সেদিন দোকান বন্ধ রাখতে হয়।’ পারিবারিকভাবে সচ্ছল ছিলেন না বাকী। কলেজজীবন থেকে এ কাজ-ও কাজ করেছেন। দুই বছর আগে বাবা মারা গেলে আর্থিক দৈন্য আরও বেশি জেঁকে বসে। মূলত সে সময়ই ব্যবসার কথা ভাবতে থাকেন। মাকে পরিকল্পনার কথা শোনান। মা রাজি হন, নিজের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকা তুলে দেন ছেলের হাতে। এই মূলধনের ওপরই দাঁড়িয়ে আছে আহার মেলা। আপাতত ব্যবসা গোছানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন এই উদ্যোক্তা। ভবিষ্যতে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় আহারমেলার শাখা চালু করতে চান।

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

শিক্ষা শুধু চাকরির জন্য নয়, সৃজনশীল মানুষ গড়ার জন্যও : প্রধান উপদেষ্টা

শিক্ষা শুধু চাকরির জন্য নয়, সৃজনশীল মানুষ গড়ার জন্যও : প্রধান উপদেষ্টা

ডাকসু নির্বাচনের ব্যালট পেপার ছাপানো নিয়ে যা বললেন ঢাবি উপাচার্য

ডাকসু নির্বাচনের ব্যালট পেপার ছাপানো নিয়ে যা বললেন ঢাবি উপাচার্য

রাকসুর পর পেছালো চাকসু নির্বাচনও

রাকসুর পর পেছালো চাকসু নির্বাচনও