
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তেহরান। এসব নিষেধাজ্ঞাকে ‘অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ’ এবং ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) এক বিবৃতিতে ইরানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, নতুন নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে মূলত সাধারণ ইরানিদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এর ফলে দেশটির জনগণের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়বে বলেও অভিযোগ করেছে তেহরান।
এদিকে নতুন নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, অন্য কোনো দেশ ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে সহায়তা করলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যাপক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ধরনের ব্যবস্থা নজিরবিহীন হতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি।
ইরানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, দেশের স্বাধীনতা, জাতীয় অখণ্ডতা ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় ইরান দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা এসব অবস্থান দুর্বল করতে পারবে না বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের আরও একটি রণতরী
ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় পৌঁছেছে মার্কিন রণতরী ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন ও এর সঙ্গে থাকা অন্যান্য যুদ্ধজাহাজ।
এর আগে দীর্ঘদিন ধরে ওই অঞ্চলে অবস্থান করছিল মার্কিন রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন। দীর্ঘ সময় সমুদ্রে অবস্থানের কারণে এর নাবিক ও ক্রুদের মানসিক চাপ নিয়ে সমালোচনা তৈরি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে আব্রাহাম লিঙ্কনের পরিবর্তে ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার মার্কিন সামরিক বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটনের উপস্থিতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানায়, পূর্বনির্ধারিত মোতায়েনের অংশ হিসেবে জর্জ ওয়াশিংটন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছে কার্যক্রম শুরু করেছে।