প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে বড় প্রত্যাশা বেইজিংয়ের

ফানাম নিউজ
  ২২ জুন ২০২৬, ২২:৫৩

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরকে সুযোগ হিসেবে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে কৌশলগত যোগাযোগ শক্তিশালী করার প্রত্যাশা করছে বেইজিং। একই সঙ্গে ঐতিহ্যগত বন্ধুত্বকে এগিয়ে নেওয়া, বেল্ট অ্যান্ড রোড (বিআরআই) উদ্যোগের আওতায় উচ্চমানের সহযোগিতা ত্বরান্বিত, সব খাতে পারষ্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা বৃদ্ধি, বহুপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয়ে সমন্বয় জোরদার এবং চীন-বাংলাদেশ ব্যাপক কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারত্বকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার আশাও করছে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের এই মিত্র দেশ।

সোমবার বেইজিংয়ে নিয়মিত এক সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন এসব প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন। চীনের স্টেট কাউন্সিলের প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াংয়ের আমন্ত্রণে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগামী ২৪ থেকে ২৬ জুন চীনে সরকারি সফর শুরু হবে। তার আগে আজ মালয়েশিয়া থেকে চীনের দালিয়ানের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। দালিয়ানে তিনি দুই দিন কর্মব্যস্ত সময় কাটাবেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে যাবেন।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন বলেছেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই তারেক রহমানের প্রথম চীন সফর। সফরকালে চীনের শীর্ষ নেতা তার সঙ্গে বৈঠক ও আলোচনা করবেন। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পাশাপাশি পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় হবে; যা দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ধারণ করবে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উত্তর-পূর্ব চীনের লিয়াওনিং প্রদেশের দালিয়ানে অনুষ্ঠিতব্য সামার দাভোস ফোরাম বা ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) ১৭তম বার্ষিক সভায় যোগ দেবেন।

বেইজিংয়ের এই মুখপাত্র বলেন, চীন ও বাংলাদেশ দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী এবং ব্যাপক কৌশলগত সহযোগী অংশীদার। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই দেশের নেতাদের কৌশলগত দূরদর্শিতার হাত ধরে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক ক্রমাগত এগিয়েছে, রাজনৈতিক পারস্পরিক বিশ্বাস আরও সুদৃঢ় হয়েছে।

তিনি বলেন, দ্বিপাক্ষিক বাস্তবমুখী সহযোগিতার ক্ষেত্রে ফলপ্রসূ অর্জন সম্ভব হয়েছে; যা দুই দেশের জনগণের জন্যই দৃশ্যমান সুফল বয়ে এনেছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়