• সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
সীমান্ত দিয়ে দেশে ঢুকছে অস্ত্র, নির্বাচন ঘিরে ‘শঙ্কা’
সীমান্ত দিয়ে দেশে ঢুকছে অস্ত্র, নির্বাচন ঘিরে ‘শঙ্কা’
নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ। এর মধ্যে সীমান্ত দিয়ে ঢুকছে অস্ত্র; এসব আগ্নেয়াস্ত্র চক্রের মাধ্যমে হাতবদল হয়ে চট্টগ্রাম, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অপরাধীদের হাতে চলে যাচ্ছে। স্টার নিউজের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে সীমান্ত দিয়ে অস্ত্র চোরাচালানের নানা তথ্য। ’২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র এবং সীমান্ত পেরিয়ে আসা অস্ত্র নির্বাচনী সহিংসতায় ব্যবহার হতে পারে বলে শঙ্কা নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের। তারা বলছেন, চোরাচালানের রুট বন্ধ না হলে নির্বাচন ঘিরে দেখা দিতে পারে নিরাপত্তাহীনতা। শরীফ ওসমান হাদি হত্যা, মুসাব্বির হত্যাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অন্তত এক ডজন খুনের ঘটনা বিশ্লেষণে দেখা যায়, এসব হত্যাকাণ্ডে ব্যবহার হয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র। খুনের পেছনে কখনও রাজনৈতিক বিরোধ, আধিপত্য বিস্তার কিংবা দখল-বাণিজ্য; কারণ ভিন্ন হলেও অস্ত্র এক। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উদ্ধার করা অস্ত্রের মধ্যে অধিকাংশই বিদেশি পিস্তল ও রিভলভার। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিভিন্ন সোর্সের মাধ্যমে জানা যায়, দেশে বেশিরভাগ অস্ত্র ঢুকছে সীমান্ত দিয়ে। ঠিক কতগুলো রুট দিয়ে আসছে এসব অস্ত্র- তার সঠিক হিসাব না থাকলেও মূল চ্যানেল রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, জয়পুরহাট, দিনাজপুর, নওগাঁ, যশোর, কুষ্টিয়া, সিলেট ও সুন্দরবন। তবে সবচেয়ে বেশি অস্ত্র ঢোকার তথ্য আসে মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে। মিয়ানমার-বাংলাদেশের স্থলসীমানা মূলত নাফ নদী, পাহাড় ও জঙ্গলবেষ্টিত। এসব সীমানার বেশ কয়েকটি পয়েন্ট অরক্ষিত। সীমান্তের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে কাজ করতে গিয়ে বিভিন্ন সোর্স থেকে নানা তথ্য পাওয়া যায়। তথ্যানুযায়ী, টেকনাফ থেকে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি পর্যন্ত নজরদারি থাকলেও দেশে ঢুকছে অস্ত্রের চালান। মিয়ানমার সীমান্ত এলাকার বিভিন্ন পয়েন্ট ঘুরে দেখা গেছে, সীমান্তে বিজিবির নিরবচ্ছিন্ন টহল জোরদার রয়েছে; দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে নদীপথ- সবখানেই তাদের নজরদারি। সীমান্ত এলাকার মোড়ে মোড়ে রয়েছে বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরাপত্তা বেষ্টনী; লক্ষ্য একটাই, নিরাপত্তা ও চোরাচালান প্রতিরোধ। নাম-পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে একজন সোর্স বলেন, ‘অস্ত্র ঢুকছে ঈদগড়, বাইশফাঁড়ি, নাইক্ষ্যংছড়ি, ফুলছড়ি, সোনাইছড়ি, বালুছড়ি সীমান্ত দিয়ে। জি-৩, জি-৪ এবং চায়না অস্ত্র মিয়ানমারের বার্মা থেকে রোহিঙ্গাদের হাতে আসে; পরে বিভিন্ন জায়গায় তারা পাচার করে। এসব অস্ত্র ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাঙ্গুনিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় হাতবদল হয়।’ শুধু একজন নয়, আরও কয়েকজন সোর্সের সঙ্গে কথা বলে স্টার নিউজের অনুসন্ধানী দল। তাদেরই একজন অস্ত্র চোরাচালান নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেন। ওই তথ্যের সূত্র ধরে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে গহীন অরণ্যে দেখা হয় চক্রের দুই সদস্যের সঙ্গে। তারা জানান, ‘মিয়ানমার সীমান্তের বেশ কয়েকটি পয়েন্ট দিয়ে ঢুকছে অস্ত্র। সীমান্তে কড়াকড়ি থাকায়, আরও গোপনে কাজ করছে চক্রগুলো। চীন, ভারত, থাইল্যান্ড এবং মিয়ানমারের তৈরি অস্ত্র দেশে ঢুকছে।’ চক্রের সদস্যদের দাবি, ‘মিয়ানমারে আমাদের লোক আছে। আমরা তাদের থেকে নিয়ে আসি। এসব অস্ত্র কক্সবাজার হয়ে চট্টগ্রাম ও ঢাকা যায়।’ মামলা কাঁধে নিয়ে অস্ত্র চোরাচালানে চক্রের সাথে কাজ করছেন অনেকেই। তবে সুযোগ পেলে ফিরতে চান স্বাভাবিক জীবনে। চক্রের দুই সদস্য বলেন, ‘বিজিবি, পুলিশের ভয় নিয়ে পাহাড়ে থেকেই কাজ করছি। এগুলো আমাদের থেকে নিয়ে যায়; এসব কাজে আর মনে সায় দেয় না। সুযোগ পেলে স্বাভাবিক জীবনে ফিরবো।’ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন সংস্থা, সীমান্ত পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা একাধিক প্রতিষ্ঠান ও বিশ্লেষকদের সাথেও যোগাযোগ করা হয়। তারাও অস্ত্র চোরাচালান, রুট ও গ্রুপ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেন। বিভিন্ন সোর্স থেকে পাওয়া তথ্যের সাথে মিল পাওয়া যায় চক্রের সদস্যদের বক্তব্যে। মাঠ পর্যায়ের অনুসন্ধান বলছে, ভারতের পাশাপাশি মিয়ানমার সীমান্তও হয়ে উঠেছে অস্ত্র চোরাচালানের নীরব করিডোর। বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের ২৭১ কিলোমিটারের ১৪টি রুট দিয়ে অস্ত্র ঢুকছে বাংলাদেশে; এসব রুটের বেশিরভাগই অরক্ষিত। অস্ত্র চোরাচালানে জড়িত প্রায় ডজন খানেক গ্রুপ; যাদের অধিকাংশই রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর। বিজিবি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি এড়িয়ে প্রাণঘাতী এসব অস্ত্র ঢুকছে দেশে। ছড়িয়ে পড়ছে গ্রাম থেকে শহরে; বিশেষ করে ‘নির্বাচনের মাঠে’। যা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বিজিবি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্রের মজুতও চলছে। কক্সবাজারের এমন একটি চক্রকেও খুঁজে বের করা হয়। চক্রের এক সদস্যের দাবি, ‘ডাকাতি, দখল-বাণিজ্য ও নির্বাচনের আগে প্রভাব বিস্তারে ব্যবহার হচ্ছে এসব অবৈধ অস্ত্র।’ বিজিবির তথ্য বলছে, গত বছরের প্রথম নয় মাসে দেশের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা থেকে দেশি-বিদেশি মিলে এক হাজার ২০০-এর বেশি আগ্নেয়াস্ত্র জব্দ করে সংস্থাটি। সম্প্রতি মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় বিজিবি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানেও জব্দ হচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র। অস্ত্র চোরাচালান বন্ধে বিজিবি কী পদক্ষেপ নিচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম বলেন, ‘এটা একটি জটিল সীমান্ত। এই মুহূর্তে সেখানে কোনো সরকারি বাহিনী নেই। একটি নন-স্টেট অ্যাক্টর সেখানে কাজ করছে। যাদের সাথে আমাদের যোগাযোগ ও বিনিময়ের সমস্যা আছে। এ কারণে কন্টিনিউয়াস (প্রতিনিয়ত) যোগাযোগ করতে পারি না। চোরাচালান রোধে এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ।’ নিরাপত্তা বিশ্লেষক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অবঃ) ড. মোহাম্মাদ মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘ভারত ও মিয়ানমার বর্ডারে প্রায় ৩৬টি সন্ত্রাসী গ্রুপ কাজ করছে। যদি সেইভাবে নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা না যায়, তাহলে সামনের নির্বাচনে আমরা একটা বিশৃঙ্খল বা অস্ত্রবাজি দেখতে পারি।’

ফেব্রুয়ারি: বাঙালির আবেগ, পরিচয় ও চেতনার মাস

ফেব্রুয়ারি: বাঙালির আবেগ, পরিচয় ও চেতনার মাস

‘জুলাই যোদ্ধা’ গেজেট থেকে বাতিল আরও ১২ জন

‘জুলাই যোদ্ধা’ গেজেট থেকে বাতিল আরও ১২ জন

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিরক্ষা ব্যয়: অগ্রাধিকার, বাস্তবতা ও প্রশ্ন

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিরক্ষা ব্যয়: অগ্রাধিকার, বাস্তবতা ও প্রশ্ন

সারাদেশে ৩৭ হাজারের বেশি বিজিবি সদস্য মোতায়েন থাকবে

সারাদেশে ৩৭ হাজারের বেশি বিজিবি সদস্য মোতায়েন থাকবে

শেরপুরে জামায়াত নেতা নিহতের ঘটনায় মামলা, আসামি ৭৩৪

শেরপুরে জামায়াত নেতা নিহতের ঘটনায় মামলা, আসামি ৭৩৪

অপরিবর্তিত থাকতে পারে রাত ও দিনের তাপমাত্রা

অপরিবর্তিত থাকতে পারে রাত ও দিনের তাপমাত্রা
সাইবার হামলায় শিকার জামায়াত আমির, আপত্তিকর পোস্ট
সাইবার হামলায় শিকার জামায়াত আমির, আপত্তিকর পোস্ট
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ দলের কয়েকজন শীর্ষ নেতার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টে সম্প্রতি সাইবার হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে দলটি। এ ঘটনায় আমীরে জামায়াতের নামে সাময়িকভাবে একটি ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর পোস্ট প্রকাশিত হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। বিবৃতিতে বলা হয়, অত্যন্ত সমন্বিত পদ্ধতিতে পরিচালিত সাইবার হামলার মাধ্যমে হামলাকারীরা অল্প সময়ের জন্য আমীরে জামায়াতের অফিসিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ নেয়। তবে দ্রুত পদক্ষেপের মাধ্যমে দলের সাইবার টিম স্বল্প সময়ের মধ্যেই অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করে এবং অন্যান্য প্ল্যাটফর্মের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়। অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ওই স্বল্প সময়ের মধ্যে আমীরে জামায়াতের নামে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত পোস্ট প্রকাশিত হয়, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর। তিনি স্পষ্ট করে জানান, ওই পোস্ট ডা. শফিকুর রহমানের কোনো বক্তব্য, মতামত বা অবস্থানকে প্রতিফলিত করে না। বিবৃতিতে তিনি মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, মিথ্যা তথ্য প্রচার, পরিচয় জালিয়াতি এবং বিকৃত কনটেন্ট তৈরি ও প্রচার আইনগতভাবে দণ্ডনীয় এবং নৈতিকভাবে নিন্দনীয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ড গণতান্ত্রিক পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। এ সময় সাধারণ জনগণ, গণমাধ্যমকর্মী এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের উদ্দেশে তিনি অনুরোধ জানান, ভুয়া খবর ও জাল উদ্ধৃতির বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে এবং যাচাই ছাড়া কোনো তথ্য বা কনটেন্ট শেয়ার না করতে। পাশাপাশি সন্দেহজনক বা বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট দেখলে তা সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মে রিপোর্ট করার আহ্বান জানান। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জামায়াতের কেন্দ্রীয় ক্যাম্পেইন টিম ডিজিটাল নিরাপত্তা, স্বচ্ছতা এবং জনসাধারণের সঙ্গে যোগাযোগের বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রয়োজন হলে এ বিষয়ে পরবর্তীতে আরও তথ্য জানানো হবে বলেও উল্লেখ করা হয়।

‘ভোটের মাধ্যমে আপনারা দেখিয়ে দেন, বগুড়া বিএনপির ঘাঁটি’

‘ভোটের মাধ্যমে আপনারা দেখিয়ে দেন, বগুড়া বিএনপির ঘাঁটি’

বিএনপি-জামায়াতের ভোট কত শতাংশ, জানাল জরিপ সংস্থা

বিএনপি-জামায়াতের ভোট কত শতাংশ, জানাল জরিপ সংস্থা

আমরা রাজনীতি করি মানুষের কল্যাণ ও শান্তির জন্য: মির্জা ফখরুল

আমরা রাজনীতি করি মানুষের কল্যাণ ও শান্তির জন্য: মির্জা ফখরুল

ডেঙ্গুতে একদিনে ২ মৃত্যু, হাসপাতালে ৭০৫

ডেঙ্গুতে একদিনে ২ মৃত্যু, হাসপাতালে ৭০৫

ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৩৯

ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৩৯

ডেঙ্গুতে আরো ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৯৫

ডেঙ্গুতে আরো ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৯৫
ইরানের রেভোল্যুশনারি গার্ডকে ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ আখ্যা দিলো ইইউ
ইরানের রেভোল্যুশনারি গার্ডকে ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ আখ্যা দিলো ইইউ
ইরানের সেনাবাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-কে ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে ইউরোপের ২৭টি দেশের জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। গতকাল বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ইইউ’র পররাষ্ট্র বিভাগের প্রধান কাজা কালাস। ইরানের সাম্প্রতিক সরকারবিরোধী আন্দোলনে বিক্ষোভকারীদের নির্বিচারে হত্যা ও তাদের ওপর ব্যাপক দমন-পীড়ন চালানোর ঘটনায় তেহরানের প্রতি শাস্তিমূলক পদক্ষেপ হিসেবে এ পদক্ষেপ নিচ্ছে ইইউ। গতকাল বৃহস্পতিবার এ ইস্যুতে বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে ইইউ’র সদস্যরাষ্ট্রগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক ছিল। সেই বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে আইআরজিসিকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে আখ্যায়িত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে— উল্লেখ করে কাজা কালাস বলেন, “কোনো প্রকার দমন-পীড়নকে ছাড় দেওয়া ইইউ’র নীতিবিরুদ্ধ। যে সরকার নিজের ক্ষমতা ধরে রাখতে নিজেদের হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করে, সেই সরকার আসলে নিজের অজান্তে নিজের কবর খোঁড়ে।” গত সপ্তাহে ফ্রান্স এবং ইতালি এ সংক্রান্ত প্রস্তাবে সমর্থন দিয়েছে বলে জানা গেছে। নেদারল্যান্ডসের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ভ্যান উইল ইইউ’র বৃহস্পতিবারের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। এ প্রসঙ্গে এএফপিকে তিনি বলেন, “সম্প্রতি ইরানে আমরা যে রক্তপাত আমরা দেখলাম, তার প্রতিবাদ হিসেবে আমরা এ পদক্ষেপ নিয়েছি। আন্দোলন দমনের নামে যে নিষ্ঠুরতা তেহরান দেখিয়েছে, তা সহ্যের অতীত।” ইরানের চিরশত্রু ইসরায়েল এ পদক্ষেপের জন্য ইইউ-কে স্বাগত জানিয়েছে। ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদেওন সা’র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, ‘ইউরোপের এ পদক্ষেপ ঐতিহাসিক।” ইসরায়েলের সরকারের অপর এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বলেছেন, ইইউ’র এ নিষেধাজ্ঞার ফরে আইআরজিসি সদস্যদের বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করানো সহজ হবে। এদিকে ইইউ-এর এই পদক্ষেপের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এ-কে ‘গুরুতর কৌশলগত ভুল সিদ্ধান্ত’ বলে উল্লেখ করে বলেছেন, “মধ্যপ্রাচ্যে একটি সর্বাত্মক যুদ্ধপরিস্থিতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে এবং সম্ভাব্য সেই বিপর্যয় এড়াতে যখন অনেক রাষ্ট্র কাজ করছে— সে সময় ইউরোপ সম্ভাব্য সেই বিপর্যয়ের আগুনে হাওয়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৃহস্পতিবারের বৈঠকে তারা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা আন্তর্জাতিক কূটনীতির বর্তমান প্রেক্ষিতে একটি গুরুতর ভুল সিদ্ধান্ত।” ১৯৭৯ সালে ইসলামি বিপ্লবের পর আইআরজিসি গঠন করা হয়েছিল। সেনাবাহিনীর অভিজাত শাখা হিসেবে পরিচিতি পেলেও দেশটির নিয়মিত সেনাবাহিনীর চেয়ে আইআরজিসির মর্যাদা অনেক বেশি। ইরানের অর্থনীতি, সামরিক বিভাগ এবং দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র ও পরমাণু প্রকল্পে আইআরজিসির গভীর প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণ আছে। সূত্র : এএফপি

পশ্চিমবঙ্গে নিপাহ্ ভাইরাস: সংক্রমণ কি আদৌ ছড়িয়েছে?

পশ্চিমবঙ্গে নিপাহ্ ভাইরাস: সংক্রমণ কি আদৌ ছড়িয়েছে?

ভারতে বিমান বিধ্বস্ত, মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার নিহত

ভারতে বিমান বিধ্বস্ত, মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার নিহত

কানাডাকে গিলে খাবে চীন, বললেন ট্রাম্প

কানাডাকে গিলে খাবে চীন, বললেন ট্রাম্প

যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ইরান

যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ইরান

ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা সব দেশের ওপর ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা ট্রাম্পের

ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা সব দেশের ওপর ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা ট্রাম্পের

রাশিয়া ও চীনকে ঠেকাতে গ্রিনল্যান্ডের ‘মালিকানা’ দরকার: ট্রাম্প

রাশিয়া ও চীনকে ঠেকাতে গ্রিনল্যান্ডের ‘মালিকানা’ দরকার: ট্রাম্প
নওগাঁয় ডাম্পট্রাকের চাপায় ভ্যানের ৫ যাত্রী নিহত
নওগাঁয় ডাম্পট্রাকের চাপায় ভ্যানের ৫ যাত্রী নিহত
নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলায় ডাম্পট্রাকের চাপায় একটি ভ্যানের পাঁচ যাত্রী নিহত হয়েছেন। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ভোর সাড়ে চারটার দিকে উপজেলার পাঁচকাঠি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি। দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. খুরশিদুল ইসলাম।  নিহতরা হলেন- উপজেলার এনায়েতপুর ইউনিয়নের নুরপুর গ্রামের মাংরা উরাওয়ের ছেলে সঞ্চু উরাও (৪৮), জুটুয়া পাহানের ছেলে বিপুল পাহান (২২), খোকা পাহানের ছেলে বীরেন (৫০), মৃত নরেন পাহানের ছেলে উজ্জ্বল পাহান (২৪) ও অনিল পাহানের ছেলে বিপ্লব (২২)। আহত সামন্ত একই গ্রামের রমেসের ছেলে। মহাদেবপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার আবুল কাসেম বলেন, ড্রাম ট্রাকটি মহাদেবপুর থেকে পত্নীতলার দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এক ভ্যানকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজন নিহত হন। তিনজনকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ইমরুল কায়েস বলেন, ভোর সাড়ে ৪টার দিকে একটি সড়ক দুর্ঘটনা হয়। হাসপাতালে গুরুতর আহত অবস্থায় তিনজনকে ভোর ৫টার দিকে নিয়ে আসা হয়। এ ঘটনায় মোট ৫ জন মারা গেছেন। এ বিষয়ে মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. খুরশিদুল ইসলাম। বলেন, দুর্ঘটনার পর চারজনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। আহত অবস্থায় আরও একজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে পথিমধ্যে তাঁর মৃত্যু হয়।

শেরপুরে বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহত

শেরপুরে বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহত

কক্সবাজারে পাহাড়ে কাজ করতে গিয়ে ৬ কৃষক অপহৃত

কক্সবাজারে পাহাড়ে কাজ করতে গিয়ে ৬ কৃষক অপহৃত

ভোলায় বাস-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ৪

ভোলায় বাস-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ৪
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
এপ্রিল মাস, শনিবারের এক ভোরে আকারা ইতেহ মধ্য লন্ডনের হোলবর্ন টিউব স্টেশনে হেঁটে হেঁটে আসার সময় নিজের ফোন ঘাঁটছিলেন। মুহূর্ত কয়েক পরই ইলেকট্রিক বাইকে আসা এক ছিনতাইকারী তাঁর হাত থেকে ফোন ছিনিয়ে নেয়। নিজের ফোন উদ্ধারে ছিনতাইকারীর পেছনে ছুট লাগিয়েছিলেন আকারা। কিন্তু ধরতে ব্যর্থ হন। আকারা একা এ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাননি; বরং এ বছর এখন পর্যন্ত ইংল্যান্ড ও ওয়ালসে প্রায় ‘৭৮ হাজার’ ফোন ছিনতাই হয়েছে। গত বছরের তুলনায় যা অনেক বেশি। এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে বিচার হওয়ার হার খুবই কম। পুলিশের বক্তব্য, তারা দায়ী অপরাধীদের খোঁজ করে। কিন্তু তারা যেভাবে গায়েব হয়ে যায় বা এত ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন করে যে তাদের গ্রেপ্তার করা কঠিন হয়ে যায়। এ ধরনের অপরাধের শিকার ব্যক্তিরা তাঁদের দুর্দশার কথা বিবিসিকে বলেছেন। বলেছেন, ফোন হারিয়ে গেলে এমন অনেক ছবি ও তথ্য হারিয়ে যায়, যেগুলো আর কখনো ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। সঙ্গে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি তো আছেই। তাঁদের মধ্যে আকারার মতো অনেকে আরও একটি কারণে নিদারুণ হতাশায় ডুবে যান। আকারা তাঁর ফোনটি কোথা থেকে কোথায় যাচ্ছে, তা অনলাইনে অনুসরণ করতে পারছেন; কিন্তু সেটি ফেরত আনার ক্ষমতা তাঁর নেই। ফোন ছিনতাই হওয়ার এক ঘণ্টা বা তার কিছু পরে বাড়িতে ফিরে আকারা তাঁর আইফোন ১৩ হারিয়ে গেছে (লস্ট মুড) অপশনটি চালু করেন। এটা করা হলে চোর ওই ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। এরপর আকারা তাঁর ল্যাপটপের সাহায্যে ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ ফিচার চালু করেন। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আকারা তাঁর ফোনটি কোথায় আছে, সেটা দেখতে পারেন। ল্যাপটপের স্ক্রিনে লন্ডনের বিভিন্ন জায়গায় নিজের ফোন ঘুরে বেড়াতে দেখেন আকারা। ফোন উদ্ধারের আশায় ল্যাপটপে দেখানো দুই জায়গায় নিজেই গিয়েছিলেন আকারা। তিনি বলেন, ‘এটা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। উত্তেজনায়, রাগে আমি এটা করেছিলাম।’ আকারা অবশ্য কারও সঙ্গে কথা বলেননি। তবে বুঝতে পারছিলেন, তাঁকে কেউ অনুসরণ করছে। তিনি বাড়ি চলে যান। আকারা বলেন, ‘আমি খুবই ক্ষুব্ধ ছিলাম। ফোনটা দামি। ওই ফোন কিনতে আমি কঠোর পরিশ্রম করে অর্থ উপার্জন করি এবং কেউ একজন সব ঘেঁটে দিল।’ আকারার ফোনটি যখন চুরি যায়, তখন রাস্তায় তিনি পুলিশ দেখতে পেয়ে তাদের সবকিছু খুলে বলেছিলেন। যদিও তাঁর মনে হয়েছে, পুলিশ কর্মকর্তারা জানতেন, ফোন চুরি করতে চোররা ওই এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। পুলিশ তাকে অনলাইনে অভিযোগ করার পরামর্শ দেয় এবং তিনি সেটা করেন। কয়েক দিন পর ই–মেইল পাঠিয়ে পুলিশ আকারাকে জানায়, তাঁর ফোন চুরির মামলাটির তদন্তকাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বলেছে, ‘সম্ভবত আমরা দোষীদের শনাক্ত করতে পারব না।’ যেখান থেকে ফোন চুরি হয়েছিল, সেখানকার ছবি ও কিছু তথ্য আকারা পুলিশকে দিয়েছিলেন। পুলিশ সেটা গ্রহণ করেছে। কিন্তু ফোন উদ্ধারে আর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ফোন চুরির ঠিক এক মাস পর, মে মাসে আকারা তাঁর ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ আবার দেখেন। তখন সেটির অবস্থান দেখাচ্ছিল শেনজেন, চীন। আকারা এবার সব আশা ছেড়ে দেন। চুরি যাওয়া অনেক ফোনের শেষ গন্তব্য হয় শেনজেন। সেখানে যদি ফোনটি খোলা এবং নতুন করে ব্যবহার করা না যায়, তাঁরা সেটির যন্ত্রাংশ খুলে ফেলে এবং আলাদা আলাদা করে বিক্রি করে। ১ কোটি ৭৬ লাখ মানুষের শহর শেনজেন, বিশাল বড় একটি প্রযুক্তিনগরী। শেনজেনকে তাই চীনের সিলিকন ভ্যালি বলা হয়।

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
অক্টোবরে ১৬ দিনে ব্যয় ৬ হাজার কোটি টাকা। তহবিল সংগ্রহে ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে কমলা। কমলার পক্ষে ভোটের জন্য অর্থ সংগ্রহ ১৮০ কোটি ডলার। ট্রাম্পের ২০২২ সাল থেকে এ পর্যন্ত সংগ্রহ ১০০ কোটি। ডেমোক্রেটিক পার্টির সমাবেশে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ক্লার্কস্টন এলাকায়। ছবি: এএফপি অপতথ্যের ছড়াছড়ি বিগত কয়েক নির্বাচন থেকে দেখছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভোটাররা। এবার অর্থকড়ির ছড়াছড়িও দেখছেন তাঁরা। সর্বশেষ ১৬ দিনে মার্কিন নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী কমলা হ্যারিস, রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা ব্যয় করছেন আধা বিলিয়ন অর্থাৎ ৫০ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৬ হাজার কোটি টাকা (১২০ টাকা প্রতি ডলার)। অর্থাৎ প্রতিদিন ব্যয় হয়েছে ৩৭৫ কোটি টাকা। নিউইয়র্ক টাইমসের গতকাল শুক্রবারের এক খবরে বলা হয়েছে, ভোটারদের তথ্য পেতে এবং বিজ্ঞাপনের জন্য এই অর্থ ব্যয় করছেন তাঁরা। ট্রাম্প ও হ্যারিসের প্রচার শিবির এই ১৬ দিনে ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আর এই দুই নেতার পক্ষে অন্যরা ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম অনুসারে নির্বাচনী প্রচারের ব্যয়ের হিসাব দিতে হয় নির্বাচন কমিশনে। সেই হিসাব সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। কমলা হ্যারিস ১ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত ব্যয় করেছেন ১৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। নথি সূত্রে জানা গেছে, দিন দিন তাঁর এই খরচ বেড়েছে। কারণ, গত আগস্টে পুরো মাসে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় করেছেন ১৩ কোটি ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, অক্টোবরের শুরুতে কমলা হ্যারিসের প্রচার শিবিরের তহবিলে জমা পড়েছে ১৮ কোটি ২৬ লাখ ডলার। তিনি এবং প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মিলে তাঁদের দল ডেমোক্রেটিক পার্টির হয়ে তুলেছেন ১৮০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহে পিছিয়ে আছেন ট্রাম্প। অক্টোবরে তাঁর প্রচার তহবিলে জমা পড়েছে ৯ কোটি ২১ লাখ ডলার। এ ছাড়া পুরো নির্বাচনী প্রচারেও অর্থ সংগ্রহ হয়েছে কম। ২০২২ সালে তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন। এর পর থেকে চলতি অক্টোবর পর্যন্ত তিনি অর্থ সংগ্রহ করতে পেরেছেন ১০০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহ কম হওয়ায় খরচও কম করতে পেরেছেন ট্রাম্প। অক্টোবরের প্রথম ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ১০ কোটি ডলার। এর মধ্যে বিজ্ঞাপনে তিনি ব্যয় করেছেন ৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, জুন, জুলাই ও আগস্টের চেয়ে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় বাড়িয়েছেন। তবে তাঁর হাতে আর বেশি অর্থ নেই ব্যয় করার মতো। তিনি বাকি সময়টায় ৩ কোটি ৬২ লাখ ডলার ব্যয় করতে পারবেন। তবে এ তুলনায় কমলা হ্যারিসের হাতে অনেক বেশি অর্থ আছে। হিসাব অনুসারে, কমলার হাতে ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার আছে নির্বাচনের প্রচারে ব্যয় করার জন্য। নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, ডেমোক্রেটিক পার্টির তহবিলে কারা টাকা দিচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে কিছু মানুষের নাম জানা যাচ্ছে। তবে সিংহভাগ অর্থ কোথা থেকে আসছে, সেটা জানা যাচ্ছে না। কমলা হ্যারিসের প্রচারে যারা সহযোগী হিসেবে কাজ করছে, সেই সুপার পিএসির তহবিল এসেছে ৪ কোটি ডলার। এই অর্থ কোথা থেকে এসেছে, সেটা জানা যাচ্ছে না।  ট্রাম্পের পাশে ইলন মাস্ক ট্রাম্পের প্রচারের শুরু থেকেই আছেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধনকুবের ইলন মাস্ক। আর্থিক এই খরার মধ্যে তিনি ট্রাম্পের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ট্রাম্পের জন্য গত ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার। ট্রাম্পের জন্য তিনি বরাদ্দ রেখেছেন ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের হিসাব বলছে, আর্থিক খরা কাটাতে অতিরিক্ত ৪ কোটি ৩৬ লাখ ডলার ব্যয় করছেন তিনি।

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

মিজানুর রহমান আজহারীর তাফসির মাহফিল স্থগিত

মিজানুর রহমান আজহারীর তাফসির মাহফিল স্থগিত

সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজের ইন্তেকাল

সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজের ইন্তেকাল

ওমরাহ ও হজযাত্রীদের জন্য বড় সুখবর

ওমরাহ ও হজযাত্রীদের জন্য বড় সুখবর
বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই
বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই
অভিনেত্রী মেহজাবীনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
অভিনেত্রী মেহজাবীনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
পুথির সাজে ধরা দিলেন মিম
পুথির সাজে ধরা দিলেন মিম
কাছের মানুষ হারালেন হৃতিকের প্রাক্তন স্ত্রী
কাছের মানুষ হারালেন হৃতিকের প্রাক্তন স্ত্রী
ফিটব্যাক রিসেট-এর তৃতীয় বর্ষ উদযাপন
ফিটব্যাক রিসেট-এর তৃতীয় বর্ষ উদযাপন
রোমিও ব্রাদার্স'র জমজমাট প্রথম পাবলিক কনসার্ট
রোমিও ব্রাদার্স'র জমজমাট প্রথম পাবলিক কনসার্ট
‘নারীকে সম্মান দেওয়ার পরিবর্তে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার হাতিয়ার বানানো হলো’
‘নারীকে সম্মান দেওয়ার পরিবর্তে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার হাতিয়ার বানানো হলো’
ব্যাচেলর পয়েন্টে আর দেখা যাবে না শিমুলকে!
ব্যাচেলর পয়েন্টে আর দেখা যাবে না শিমুলকে!
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নেই বাংলাদেশ, নেপথ্যে যা যা ঘটেছে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নেই বাংলাদেশ, নেপথ্যে যা যা ঘটেছে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশের বিদায় ছিল কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা আলোচনা, মতবিরোধ ও অনড় অবস্থানের ধারাবাহিক পরিণতি। ভারতে গিয়ে খেলতে না চাওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কঠোর অবস্থানই শেষ পর্যন্ত এই সিদ্ধান্তের দিকে গড়ায়। ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজের এক প্রতিবেদনে এমনটাই তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারত–বাংলাদেশ কূটনৈতিক টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্স দল থেকে পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে ছাড়তে বাধ্য করার ঘটনায় পরিস্থিতি জটিল রূপ নেয়। এরপরই বিসিবি ভারতের মাটিতে খেলতে না চাওয়ার বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শক্ত অবস্থান নেয়। শুরুতে বিসিবির দাবি ছিল, তাদের ম্যাচগুলো সহ-আয়োজক শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তর করা হোক। তবে বিষয়টি দ্রুতই আইসিসির জন্য একটি নীতিগত পরীক্ষায় পরিণত হয়। একদিকে বাংলাদেশকে ক্রিকেটের বৈশ্বিক কাঠামোর বাইরে না রাখা, অন্যদিকে কোনো সদস্য দেশের চাপে শেষ মুহূর্তে সূচি বদলের মতো দৃষ্টান্ত স্থাপন না করা—এই দুইয়ের ভারসাম্য রক্ষা করতে হয় আইসিসিকে। আইসিসি এ সময় বিসিবিকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার সুযোগ দেয়। সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী সঞ্জোগ গুপ্ত নিয়মিতভাবে বিসিবি কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। একাধিক ভিডিও কনফারেন্স বৈঠকের একটিতে উত্তেজনাও ছড়িয়ে পড়ে। বিসিবি চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম সেখানে স্পষ্ট করে জানান, আইসিসির ব্যাখ্যা তিনি মানতে রাজি নন। আইসিসির স্বাধীন নিরাপত্তা মূল্যায়নে বলা হয়, ভারতে বাংলাদেশ দল, কর্মকর্তা ও সমর্থকদের জন্য ‘বিশ্বাসযোগ্য বা যাচাইযোগ্য কোনো নিরাপত্তা হুমকি নেই’। হুমকির মাত্রা ‘মাঝারি থেকে কম’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ফলে বিশ্বকাপ সূচি বলবৎ রাখায় আইসিসি অনড় থাকে। গত ২১ জানুয়ারি আইসিসির বোর্ড সভায় বিষয়টি চূড়ান্ত রূপ পায়। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) ও বিসিবি ছাড়া বাকি সব সদস্য বাংলাদেশের ম্যাচ ভারত থেকে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন। বিসিবিকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা দেওয়া হয় অবস্থান পুনর্বিবেচনার জন্য। কিন্তু সেই সময়ের মধ্যে বিসিবি সিদ্ধান্ত বদলায়নি। বরং নতুন করে আপত্তি তোলে এবং আইসিসির নিরাপত্তা মূল্যায়ন নিয়ে প্রশ্ন তোলে। বিসিবির দাবি ছিল—হুমকির মাত্রা ‘মাঝারি থেকে উচ্চ’। এর মধ্যেও শেষ মুহূর্তে অবস্থান নরম হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে কিছু আলোচনা ছিল। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ফাইনালের সময় এমন ইঙ্গিতও পাওয়া যায়। সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়ায় অংশ না নেওয়া খেলোয়াড়দের অনেকেই বিশ্বকাপ খেলতে আগ্রহী ছিলেন। তবে বিসিবি তাদের দাবিতে অনড় থাকে। ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পর বিসিবি আইসিসিকে চিঠি পাঠালেও তখন সংস্থাটির হাতে বিকল্প ছিল সীমিত। শেষ পর্যন্ত গতকাল (শনিবার) আইসিসির প্রধান নির্বাহী বোর্ড সদস্যদের জানান—২১ জানুয়ারির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। পরে দেওয়া বিবৃতিতে আইসিসি জানায়, এটি একটি ‘কঠিন সিদ্ধান্ত’। সংস্থাটি জানায়, তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে বিসিবির সঙ্গে স্বচ্ছ ও গঠনমূলক আলোচনা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে নিরাপত্তা মূল্যায়ন করা হয়েছে এবং কেন্দ্র ও রাজ্য পর্যায়ের বিস্তারিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা বিসিবির সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া হয়েছে। সব দিক বিবেচনায় নিয়ে আইসিসির সিদ্ধান্ত—প্রকাশিত বিশ্বকাপ সূচিতে পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

বিশ্বকাপ ভেন্যু ইস্যুতে শেষ চেষ্টা, আন্তর্জাতিক আদালতে যাবে বাংলাদেশ

বিশ্বকাপ ভেন্যু ইস্যুতে শেষ চেষ্টা, আন্তর্জাতিক আদালতে যাবে বাংলাদেশ

২২ বছর পর সেমিফাইনালে মরক্কো

২২ বছর পর সেমিফাইনালে মরক্কো

ক্রিকইনফোর খবর সত্য নয়: বুলবুল

ক্রিকইনফোর খবর সত্য নয়: বুলবুল

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে চাহিদা পূরণে দক্ষতার প্রামাণ দিচ্ছেন ইমরান 

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে চাহিদা পূরণে দক্ষতার প্রামাণ দিচ্ছেন ইমরান 

অ্যানোনিমাস পেজ থেকে রহস্যময় পোস্ট, পেছনে বেটিং চক্র!

অ্যানোনিমাস পেজ থেকে রহস্যময় পোস্ট, পেছনে বেটিং চক্র!
বছরের শুরুতেই প্রবাসী আয় ছাড়াল ২৯৪ কোটি ডলার
বছরের শুরুতেই প্রবাসী আয় ছাড়াল ২৯৪ কোটি ডলার
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে প্রবাসীরা দেশে টাকা পাঠানো বাড়িয়েছেন। জানুয়ারি মাসের প্রথম ২৮ দিনে দেশে এসেছে ২৯৪ কোটি ৩০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫০ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি। গত বছরের জানুয়ারির প্রথম ২৮ দিনে প্রবাসী আয় ছিল ১৯৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত মোট প্রবাসী আয় এসেছে ১ হাজার ৯২১ কোটি ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২২ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরের ওই সময়ে প্রবাসী আয় ছিল ১ হাজার ৫৭৩ কোটি ডলার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত ডিসেম্বরে প্রবাসী আয় এসেছিল ৩২২ কোটি ডলার। এর আগে পাঁচ মাস টানা ৩ বিলিয়ন ডলারের কম রেমিট্যান্স এসেছে। নভেম্বরে প্রবাসী আয় ছিল ২৮৯ কোটি ডলার। জুলাই ও আগস্টে এসেছে যথাক্রমে ২৪৮ ও ২৪২ কোটি ডলার। সেপ্টেম্বরে বেড়ে ২৬৯ কোটি ডলারে দাঁড়ালেও অক্টোবরে কমে আসে ২৫৬ কোটি ডলারে। ২০২৫ সালে মোট প্রবাসী আয় দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ২৮২ কোটি ডলারে, যা বাংলাদেশ ব্যাংকে গচ্ছিত বর্তমান বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের প্রায় সমান। প্রবাসী আয়ের গতি ভালো থাকায় ২০২৫ সালে ডলারের তীব্র সংকট দেখা যায়নি। বাজার স্থিতিশীল রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন সময়ে ব্যাংক থেকে ডলার কিনেছে। এতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে। ২০২৪ সালের আগস্টে রিজার্ভ ছিল প্রায় ২৫ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার, বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২ দশমিক ২৬ বিলিয়ন ডলারে। রিজার্ভ বাড়ায় ডলারের বাজারে চাপ কমেছে। একসময় ব্যাংক খাতে ডলারের দাম ১২৮ টাকা পর্যন্ত উঠলেও বর্তমানে ১২২ থেকে ১২৩ টাকার মধ্যে লেনদেন হচ্ছে।

সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ২০ টাকা বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম

সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ২০ টাকা বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম

চলছে রোজার প্রস্তুতি, ভোগ্যপণ্যের বাজারে দাম কমার সুখবর

চলছে রোজার প্রস্তুতি, ভোগ্যপণ্যের বাজারে দাম কমার সুখবর

সোনার দাম ভরিতে কমলো ১৪ হাজার

সোনার দাম ভরিতে কমলো ১৪ হাজার

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা
ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী
ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী
শুধু শারীরিক স্বাস্থ্য নয়, মানসিক সুস্থতার ওপরও হরমোনের বড় প্রভাব রয়েছে। হরমোনের মাত্রায় পরিবর্তন হলে উদ্বেগ, বিষণ্নতা, ঘন ঘন মেজাজ খারাপসহ নানা মানসিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। কর্টিসল বা স্ট্রেস হরমোন কর্টিসলের মাত্রা কমে গেলে রক্তের শর্করা ও ইনসুলিনের ভারসাম্য নষ্ট হয়, ফলে সুখের অনুভূতির জন্য জরুরি সেরোটোনিন কমে যায়। একইভাবে ইস্ট্রোজেনের প্রভাবেও মানসিক স্থিরতা কমে যেতে পারে। থাইরয়েড ও অন্যান্য হরমোনজনিত রোগ থাইরয়েড হরমোন শক্তি ও বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে। এর অস্বাভাবিকতা উদ্বেগ, অস্থিরতা ও মেজাজ পরিবর্তনের কারণ হতে পারে। পিসিওএস, পিসিওডি, মেনোপজ বা দীর্ঘমেয়াদি মানসিক চাপও একই প্রভাব ফেলে। ঘুমের সমস্যা হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হলে মেলাটোনিনসহ ঘুম নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন ঠিকভাবে কাজ করে না। ঘুমের ঘাটতি বিষণ্নতা ও রাগ বাড়ায়। সন্তান জন্মের পর পরিবর্তন প্রসবের পর মায়ের ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন হরমোন হঠাৎ কমে যায়। এতে অনেক মায়ের মধ্যে প্রসব-পরবর্তী বিষণ্নতা দেখা দেয়। খাদ্যাভ্যাসের গুরুত্ব হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে খাদ্যতালিকায় রঙিন ফল, শাকসবজি, অ্যাভোকাডো তেল, বাদাম, ডিমের কুসুম এবং প্রো-বায়োটিক খাবার (দই, বাটারমিল্ক, ভাতের ফ্যান) রাখুন। চিনি কমিয়ে তুলসি ও ভেষজ চা পান করলে স্ট্রেস কমে। কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন যদি দীর্ঘদিন ধরে মেজাজ পরিবর্তন, ক্লান্তি, মনোযোগের ঘাটতি, ওজনের অস্বাভাবিক পরিবর্তনসহ মানসিক অস্থিরতা দেখা দেয়, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

রমজানে সুস্থ থাকতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষ পরামর্শ

রমজানে সুস্থ থাকতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষ পরামর্শ

নামাজের সময়সূচি

রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২
*স্থানভেদে সময়ের পার্থক্য হতে পারে
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
চাকরি আবদুল বাকীকে কখনোই টানেনি। অভাবের সংসারে পরিবারের হাল ধরতে কখনো ফ্রিল্যান্সিং, কখনোবা টিউশনি করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের এই শিক্ষার্থী। তাতেও মনের খেদ মিটছিল না। সব সময় উদ্যোগী হয়ে কিছু একটা করতে, উদ্যোক্তা হতে চেয়েছেন তিনি। গত ২১ সেপ্টেম্বর সেই স্বপ্নই পূরণ হয়েছে। তিন বন্ধু ও এক অনুজকে নিয়ে দিয়েছেন ‘আহার মেলা’। খাবারের এই দোকানে তাঁর সহযোগীরা হলেন রাজশাহী কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শাহাদাত হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামি স্টাডিজ বিভাগের আল-মুত্তাকিন, আরবি বিভাগের আমির হামজা ও ফারসি বিভাগের সামিউল ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসমাইল হোসেন সিরাজী একাডেমিক ভবনের উল্টো দিকে গেলেই চোখে পড়বে এই দোকান। আহার মেলায় ভাত, খিচুড়ি, ভর্তা, ডাল, মাছ, মাংস, সবজি ও ডিমের তরকারি পাওয়া যায়। এ ছাড়া ৬০ ও ৭০ টাকার দুটি প্যাকেজ আছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন (শুক্র ও শনিবার) ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দোকান খোলা থাকে। আবদুল বাকী বলেন, ‘যেহেতু ক্লাস-পরীক্ষার সময়ে দোকানটি চালু থাকে, আমাদের অনেকেরও ওই সময় ক্লাস থাকে। যার যেদিন ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সে সেদিন থাকে না। যদি সবারই একসঙ্গে ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সেদিন দোকান বন্ধ রাখতে হয়।’ পারিবারিকভাবে সচ্ছল ছিলেন না বাকী। কলেজজীবন থেকে এ কাজ-ও কাজ করেছেন। দুই বছর আগে বাবা মারা গেলে আর্থিক দৈন্য আরও বেশি জেঁকে বসে। মূলত সে সময়ই ব্যবসার কথা ভাবতে থাকেন। মাকে পরিকল্পনার কথা শোনান। মা রাজি হন, নিজের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকা তুলে দেন ছেলের হাতে। এই মূলধনের ওপরই দাঁড়িয়ে আছে আহার মেলা। আপাতত ব্যবসা গোছানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন এই উদ্যোক্তা। ভবিষ্যতে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় আহারমেলার শাখা চালু করতে চান।

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

শিক্ষা শুধু চাকরির জন্য নয়, সৃজনশীল মানুষ গড়ার জন্যও : প্রধান উপদেষ্টা

শিক্ষা শুধু চাকরির জন্য নয়, সৃজনশীল মানুষ গড়ার জন্যও : প্রধান উপদেষ্টা

ডাকসু নির্বাচনের ব্যালট পেপার ছাপানো নিয়ে যা বললেন ঢাবি উপাচার্য

ডাকসু নির্বাচনের ব্যালট পেপার ছাপানো নিয়ে যা বললেন ঢাবি উপাচার্য

রাকসুর পর পেছালো চাকসু নির্বাচনও

রাকসুর পর পেছালো চাকসু নির্বাচনও