• সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
সংবিধান সংশোধন কমিটিতে এলে স্থায়ী কমিটিতে আনুপাতিক সভাপতি পদ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সংবিধান সংশোধন কমিটিতে এলে স্থায়ী কমিটিতে আনুপাতিক সভাপতি পদ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন ও সংবিধান সংশোধন কমিটিতে বিরোধী দল অংশ নিলে তাদের আসনের আনুপাতিক হারে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির পদ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। এর আগে বিরোধীদলীয় উপনেতা সংসদীয় কমিটিতে আনুপাতিক হারে সভাপতি পদ না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তার বক্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিরোধী দল বাইরে রাজনীতি না করে সংসদে এসে আলোচনা করুক। তিনি বলেন, ‘আপনারা (বিরোধী দল) বাইরে রাজনীতি না করে সংসদে আসুন, এখানেই কথা বলি। সংবিধান সংশোধন কমিটিতে আপনারা অংশগ্রহণ করলে আমরা ধরে নেব যে, আপনারা জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে সহযোগিতার জন্য আসছেন। কিন্তু আপনারা সহযোগিতায় আসবেন না, আবার এখনই পাক্কা হিস্যা চাইবেন—এই দুটি বিষয় সাংঘর্ষিক।’ বিরোধী দলের আনুপাতিক হারে কমিটির সভাপতি পদ পাওয়ার দাবির বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংবিধান বা সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির কোথাও বিরোধীদলীয় সদস্যদের আসনের অনুপাতে সভাপতি পদ দেওয়ার কথা বলা নেই। অতীতের সংসদেও এমন কোনো নজির নেই। তবে রাজনৈতিক সমঝোতা ও বিদ্যমান প্রথা অনুযায়ী বিরোধী দলের সদস্যদের সংখ্যার অনুপাতে ২৬ শতাংশ কমিটিতে তাদের রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি। তার ভাষ্য, কার্যপ্রণালি বিধিতে বাধা না থাকলেও এটিকে বিরোধী দল তাদের ‘অধিকার’ হিসেবে দাবি করতে পারে না। সংসদে সরকারের দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় স্বৈরাচারের আশঙ্কা তৈরি হতে পারে—বিরোধীদলীয় উপনেতার এমন বক্তব্যের জবাবও দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ২০০১ সালের সংসদে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন সরকারের দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছিল। তখনও তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বিলুপ্ত করা হয়নি। একইভাবে ১৯৭৯ সালের সংসদে জিয়াউর রহমানের সময়ও বিএনপির দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছিল। তার দাবি, বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করলে গণতান্ত্রিক ও সংসদীয় পদ্ধতি আরও সুদৃঢ় হয়। সংসদীয় কমিটি গঠনের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, স্থায়ী কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত ৩৯টি এবং সংসদীয় আরও প্রায় ১১টি কমিটি রয়েছে। তিনি বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ একটি রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল, যেখানে সরকার ও বিরোধী পক্ষ উভয়েই স্বাক্ষর করেছে। সেই সনদ অনুযায়ী আনুপাতিক হারে বিরোধী দলকে কমিটির সভাপতি পদ দেওয়া হবে। তবে পদাধিকারবলে স্পিকার যে কমিটির সভাপতি, সেটি এর আওতামুক্ত থাকবে। বিরোধী দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন এবং সংবিধান সংশোধন হলে কমিটিগুলো পুনর্গঠন করে অনুপাত অনুযায়ী বিরোধী দলকে সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত কমিটিতে বিরোধী দলের জন্য পাঁচটি আসন রাখা হয়েছে। বিরোধী দল সংস্কার চায়, সরকার সংবিধান সংশোধন চায়—দুটির উদ্দেশ্য একই। তাই বিরোধী দলের উচিত ওই কমিটিতে অংশ নেওয়া।

দুই দেশের জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় ভারত সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী: হাইকমিশনার

দুই দেশের জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় ভারত সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী: হাইকমিশনার

ভারতের সঙ্গে মর্যাদা ও বোঝাপড়ার ভিত্তিতে সম্পর্ক জোরদার করতে চায় বাংলাদেশ

ভারতের সঙ্গে মর্যাদা ও বোঝাপড়ার ভিত্তিতে সম্পর্ক জোরদার করতে চায় বাংলাদেশ

জ্বালানি সংকট কাটাতে ৫ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

জ্বালানি সংকট কাটাতে ৫ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

দীর্ঘ সংগ্রামের পর দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি: প্রধানমন্ত্রী

দীর্ঘ সংগ্রামের পর দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শিগগিরই সাক্ষাতের আশা ডোনাল্ড ট্রাম্পের

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শিগগিরই সাক্ষাতের আশা ডোনাল্ড ট্রাম্পের

মবের অপসংস্কৃতি শক্তভাবে মোকাবিলা করব: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মবের অপসংস্কৃতি শক্তভাবে মোকাবিলা করব: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সাড়ে পাঁচ মাস পর দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস
সাড়ে পাঁচ মাস পর দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস
সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ মাস পর দেশে ফিরেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাকে বহনকারী ফ্লাইটটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এ সময় তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাসও সঙ্গে ছিলেন। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গত ১১ মার্চ ইফতারে পানি পান করার সময় হঠাৎ জ্ঞান হারান মির্জা আব্বাস। পরে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় ওই দিন গভীর রাতে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১৫ মার্চ শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসা শেষে পরবর্তী সময়ে মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা নেন তিনি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মির্জা আব্বাস।

সপ্তাহখানেকের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে: রিজভী

সপ্তাহখানেকের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে: রিজভী

জিয়া থেকে তারেক: ৪৮ বছরে বিএনপির নেতৃত্বের পালাবদল, সামনে যত চ্যালেঞ্জ

জিয়া থেকে তারেক: ৪৮ বছরে বিএনপির নেতৃত্বের পালাবদল, সামনে যত চ্যালেঞ্জ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হাসনাতের বক্তব্য নিয়ে ক্ষোভ, পরে দুঃখ প্রকাশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হাসনাতের বক্তব্য নিয়ে ক্ষোভ, পরে দুঃখ প্রকাশ

ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১১০০

ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১১০০

ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১১৬৩

ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১১৬৩

ডেঙ্গুতে একদিনে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৮৩৯

ডেঙ্গুতে একদিনে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৮৩৯
মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে চীনের প্রভাব, মিসরে শি জিনপিংকে উষ্ণ অভ্যর্থনা
মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে চীনের প্রভাব, মিসরে শি জিনপিংকে উষ্ণ অভ্যর্থনা
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে সংঘাত ও অস্থিরতার মধ্যেই মিসর সফরে গেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। বুধবার রাজধানী কায়রোতে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানান মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি। আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে মার্কিন মিত্রদের মধ্যে যখন নতুন করে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, ঠিক তখন শি জিনপিংয়ের মিসর সফর কায়রো-বেইজিংয়ের ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতার বিষয়টি সামনে এনেছে। মিসরের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত ফুটেজে দেখা যায়, কায়রোর আল-ইত্তিহাদিয়া প্রাসাদে সামরিক কুচকাওয়াজের মধ্য দিয়ে চীনা প্রেসিডেন্টকে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা জানানো হয়। গত এক দশকের মধ্যে এটিই শি জিনপিংয়ের প্রথম মিসর সফর। যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অংশীদার মিসর। ওয়াশিংটনের কাছ থেকে দেশটি বছরে প্রায় ১৩০ কোটি ডলার সামরিক সহায়তা পেয়ে থাকে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীনের সঙ্গেও অর্থনৈতিক ও সামরিক সহযোগিতা বাড়িয়েছে কায়রো। ২০১৪ সালে সিসির চীন সফরের সময় দুই দেশ কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তি সই করে। এরপর থেকে দুই দেশের সম্পর্ক বিভিন্ন ক্ষেত্রে আরও বিস্তৃত হয়েছে। মিসরের সাবেক কূটনীতিক আইমান জায়নেলদিন বলেন, মিত্রতার পরিধি বাড়ানোর মিসরের চেষ্টা এবং এশিয়ার বাইরে প্রভাব বাড়ানোর চীনের আগ্রহ—দুই দেশের লক্ষ্য এখন অনেকটা একই জায়গায় এসে মিলেছে। সামরিক সহযোগিতা ও বিনিয়োগ শি জিনপিংয়ের সফরকে কেন্দ্র করে কায়রোর বিভিন্ন সড়ক চীনা ও মিসরের পতাকায় সাজানো হয়েছে। পাশাপাশি দুই দেশের সম্পর্ক এবং চীনের আধুনিক অস্ত্রব্যবস্থা নিয়ে মিসরের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রচার করা হচ্ছে। গত মাসে মিসর ও চীনের যৌথ সামরিক মহড়া ‘ইগলস অব সিভিলাইজেশন’-এ দুই দেশের ক্রমবর্ধমান প্রতিরক্ষা সহযোগিতার চিত্রও স্পষ্ট হয়। ওই মহড়ায় চীনের তৈরি জে-১৬ যুদ্ধবিমান এবং ফ্রান্সের তৈরি রাফালে যুদ্ধবিমান অংশ নেয়। মধ্যপ্রাচ্যে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব আরও বাড়াতে আগ্রহী চীন। অন্যদিকে সুয়েজ খালের নিয়ন্ত্রণ, বড় জনসংখ্যা এবং আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের সংযোগস্থলে অবস্থানের কারণে মিসর বেইজিংয়ের কাছে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হয়ে উঠেছে। মিসরের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে চীন থেকে দেশটির আমদানি ১০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৪ শতাংশের বেশি। রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের (রুসি) গবেষক এইচ এ হেলিয়ার বলেন, চীনের কাছে মিসর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশটির বড় অভ্যন্তরীণ বাজার বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করেছে। একই সঙ্গে আফ্রিকার সঙ্গে যোগাযোগ এবং ফিলিস্তিন সংকটসহ আঞ্চলিক রাজনীতিতে মিসরের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো মিসরে বিভিন্ন খাতে বিপুল বিনিয়োগ করেছে। কন্টেইনার বন্দর, গ্রিন হাইড্রোজেন প্রকল্প, লোহার পাইপ, গাড়ির টায়ার ও স্যাটেলাইট উৎপাদনসহ নানা খাতে চীনা বিনিয়োগ রয়েছে। এ ছাড়া কায়রোর পূর্বদিকে নির্মাণাধীন মিসরের নতুন প্রশাসনিক রাজধানীর ব্যবসায়িক এলাকা তৈরিতেও চায়না স্টেট কনস্ট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সব মিলিয়ে, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে ভূরাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হওয়ার সময় শি জিনপিংয়ের মিসর সফর চীন-মিসর সম্পর্কের ক্রমবর্ধমান গুরুত্বের পাশাপাশি অঞ্চলটিতে বেইজিংয়ের প্রভাব বিস্তারের আকাঙ্ক্ষাকেও সামনে এনেছে। সূত্র: রয়টার্স

বাংলাদেশিদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী ভিসায় সুখবর

বাংলাদেশিদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী ভিসায় সুখবর

অন্তহীন যুদ্ধ থামিয়ে শান্তির পথে আসুন: পুতিনকে মোদি

অন্তহীন যুদ্ধ থামিয়ে শান্তির পথে আসুন: পুতিনকে মোদি

মার্কিন হামলার জবাবে ইরানের পাল্টা হামলা শুরু

মার্কিন হামলার জবাবে ইরানের পাল্টা হামলা শুরু

নেপালে আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩৪, নিখোঁজ ২,৪৯৮

নেপালে আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩৪, নিখোঁজ ২,৪৯৮

নেপালে প্রাণহানি বেড়ে ৬৩৩, এখনো নিখোঁজ ২ হাজারেরও বেশি মানুষ

নেপালে প্রাণহানি বেড়ে ৬৩৩, এখনো নিখোঁজ ২ হাজারেরও বেশি মানুষ

সৌদি, তুরস্কের পর কুয়েতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর পাকিস্তানের

সৌদি, তুরস্কের পর কুয়েতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর পাকিস্তানের
জামালপুরে বাস-ইজিবাইক সংঘর্ষ, নিহত ৪
জামালপুরে বাস-ইজিবাইক সংঘর্ষ, নিহত ৪
জামালপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কের লাহিরীকান্দা এলাকায় ‘রাজিব’ পরিবহনের একটি বাসের চাপায় ইজিবাইকের তিন যাত্রী ও বাসের এক যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বাসটি রাস্তার পাশের খাদে পড়ে গিয়ে আরও অন্তত ২০ যাত্রী আহত হয়েছেন। আহতদের জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জামালপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কের লাহিরীকান্দা ঈদগাহ মাঠ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জামালপুর থেকে ঢাকাগামী রাজিব পরিবহনের একটি বাস বিপরীত দিক থেকে আসা যাত্রীবোঝাই একটি ইজিবাইককে চাপা দেয়। এতে ইজিবাইকের তিন যাত্রী ঘটনাস্থলেই নিহত হন। পরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে বাসের অন্তত ২০ যাত্রী আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হয়। জামালপুর ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন অফিসার রবিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর বাসের আরও এক যাত্রী মারা যান। তিনি জানান, আহতদের জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে কিছু সময় যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে উদ্ধার তৎপরতার মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়।

লাখ টাকায় সন্তান বিক্রি করে বাবার আইফোন কেনা, সেই শিশুপুত্র উদ্ধার

লাখ টাকায় সন্তান বিক্রি করে বাবার আইফোন কেনা, সেই শিশুপুত্র উদ্ধার

মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার শ্রমিক যাবে, কোনো টাকাই লাগবে না: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার শ্রমিক যাবে, কোনো টাকাই লাগবে না: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

জশনে জুলুসে চট্টগ্রামে মানুষের ঢল, ভোর থেকেই নগরমুখী জনস্রোত

জশনে জুলুসে চট্টগ্রামে মানুষের ঢল, ভোর থেকেই নগরমুখী জনস্রোত
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
এপ্রিল মাস, শনিবারের এক ভোরে আকারা ইতেহ মধ্য লন্ডনের হোলবর্ন টিউব স্টেশনে হেঁটে হেঁটে আসার সময় নিজের ফোন ঘাঁটছিলেন। মুহূর্ত কয়েক পরই ইলেকট্রিক বাইকে আসা এক ছিনতাইকারী তাঁর হাত থেকে ফোন ছিনিয়ে নেয়। নিজের ফোন উদ্ধারে ছিনতাইকারীর পেছনে ছুট লাগিয়েছিলেন আকারা। কিন্তু ধরতে ব্যর্থ হন। আকারা একা এ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাননি; বরং এ বছর এখন পর্যন্ত ইংল্যান্ড ও ওয়ালসে প্রায় ‘৭৮ হাজার’ ফোন ছিনতাই হয়েছে। গত বছরের তুলনায় যা অনেক বেশি। এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে বিচার হওয়ার হার খুবই কম। পুলিশের বক্তব্য, তারা দায়ী অপরাধীদের খোঁজ করে। কিন্তু তারা যেভাবে গায়েব হয়ে যায় বা এত ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন করে যে তাদের গ্রেপ্তার করা কঠিন হয়ে যায়। এ ধরনের অপরাধের শিকার ব্যক্তিরা তাঁদের দুর্দশার কথা বিবিসিকে বলেছেন। বলেছেন, ফোন হারিয়ে গেলে এমন অনেক ছবি ও তথ্য হারিয়ে যায়, যেগুলো আর কখনো ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। সঙ্গে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি তো আছেই। তাঁদের মধ্যে আকারার মতো অনেকে আরও একটি কারণে নিদারুণ হতাশায় ডুবে যান। আকারা তাঁর ফোনটি কোথা থেকে কোথায় যাচ্ছে, তা অনলাইনে অনুসরণ করতে পারছেন; কিন্তু সেটি ফেরত আনার ক্ষমতা তাঁর নেই। ফোন ছিনতাই হওয়ার এক ঘণ্টা বা তার কিছু পরে বাড়িতে ফিরে আকারা তাঁর আইফোন ১৩ হারিয়ে গেছে (লস্ট মুড) অপশনটি চালু করেন। এটা করা হলে চোর ওই ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। এরপর আকারা তাঁর ল্যাপটপের সাহায্যে ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ ফিচার চালু করেন। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আকারা তাঁর ফোনটি কোথায় আছে, সেটা দেখতে পারেন। ল্যাপটপের স্ক্রিনে লন্ডনের বিভিন্ন জায়গায় নিজের ফোন ঘুরে বেড়াতে দেখেন আকারা। ফোন উদ্ধারের আশায় ল্যাপটপে দেখানো দুই জায়গায় নিজেই গিয়েছিলেন আকারা। তিনি বলেন, ‘এটা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। উত্তেজনায়, রাগে আমি এটা করেছিলাম।’ আকারা অবশ্য কারও সঙ্গে কথা বলেননি। তবে বুঝতে পারছিলেন, তাঁকে কেউ অনুসরণ করছে। তিনি বাড়ি চলে যান। আকারা বলেন, ‘আমি খুবই ক্ষুব্ধ ছিলাম। ফোনটা দামি। ওই ফোন কিনতে আমি কঠোর পরিশ্রম করে অর্থ উপার্জন করি এবং কেউ একজন সব ঘেঁটে দিল।’ আকারার ফোনটি যখন চুরি যায়, তখন রাস্তায় তিনি পুলিশ দেখতে পেয়ে তাদের সবকিছু খুলে বলেছিলেন। যদিও তাঁর মনে হয়েছে, পুলিশ কর্মকর্তারা জানতেন, ফোন চুরি করতে চোররা ওই এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। পুলিশ তাকে অনলাইনে অভিযোগ করার পরামর্শ দেয় এবং তিনি সেটা করেন। কয়েক দিন পর ই–মেইল পাঠিয়ে পুলিশ আকারাকে জানায়, তাঁর ফোন চুরির মামলাটির তদন্তকাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বলেছে, ‘সম্ভবত আমরা দোষীদের শনাক্ত করতে পারব না।’ যেখান থেকে ফোন চুরি হয়েছিল, সেখানকার ছবি ও কিছু তথ্য আকারা পুলিশকে দিয়েছিলেন। পুলিশ সেটা গ্রহণ করেছে। কিন্তু ফোন উদ্ধারে আর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ফোন চুরির ঠিক এক মাস পর, মে মাসে আকারা তাঁর ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ আবার দেখেন। তখন সেটির অবস্থান দেখাচ্ছিল শেনজেন, চীন। আকারা এবার সব আশা ছেড়ে দেন। চুরি যাওয়া অনেক ফোনের শেষ গন্তব্য হয় শেনজেন। সেখানে যদি ফোনটি খোলা এবং নতুন করে ব্যবহার করা না যায়, তাঁরা সেটির যন্ত্রাংশ খুলে ফেলে এবং আলাদা আলাদা করে বিক্রি করে। ১ কোটি ৭৬ লাখ মানুষের শহর শেনজেন, বিশাল বড় একটি প্রযুক্তিনগরী। শেনজেনকে তাই চীনের সিলিকন ভ্যালি বলা হয়।

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
অক্টোবরে ১৬ দিনে ব্যয় ৬ হাজার কোটি টাকা। তহবিল সংগ্রহে ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে কমলা। কমলার পক্ষে ভোটের জন্য অর্থ সংগ্রহ ১৮০ কোটি ডলার। ট্রাম্পের ২০২২ সাল থেকে এ পর্যন্ত সংগ্রহ ১০০ কোটি। ডেমোক্রেটিক পার্টির সমাবেশে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ক্লার্কস্টন এলাকায়। ছবি: এএফপি অপতথ্যের ছড়াছড়ি বিগত কয়েক নির্বাচন থেকে দেখছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভোটাররা। এবার অর্থকড়ির ছড়াছড়িও দেখছেন তাঁরা। সর্বশেষ ১৬ দিনে মার্কিন নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী কমলা হ্যারিস, রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা ব্যয় করছেন আধা বিলিয়ন অর্থাৎ ৫০ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৬ হাজার কোটি টাকা (১২০ টাকা প্রতি ডলার)। অর্থাৎ প্রতিদিন ব্যয় হয়েছে ৩৭৫ কোটি টাকা। নিউইয়র্ক টাইমসের গতকাল শুক্রবারের এক খবরে বলা হয়েছে, ভোটারদের তথ্য পেতে এবং বিজ্ঞাপনের জন্য এই অর্থ ব্যয় করছেন তাঁরা। ট্রাম্প ও হ্যারিসের প্রচার শিবির এই ১৬ দিনে ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আর এই দুই নেতার পক্ষে অন্যরা ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম অনুসারে নির্বাচনী প্রচারের ব্যয়ের হিসাব দিতে হয় নির্বাচন কমিশনে। সেই হিসাব সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। কমলা হ্যারিস ১ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত ব্যয় করেছেন ১৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। নথি সূত্রে জানা গেছে, দিন দিন তাঁর এই খরচ বেড়েছে। কারণ, গত আগস্টে পুরো মাসে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় করেছেন ১৩ কোটি ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, অক্টোবরের শুরুতে কমলা হ্যারিসের প্রচার শিবিরের তহবিলে জমা পড়েছে ১৮ কোটি ২৬ লাখ ডলার। তিনি এবং প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মিলে তাঁদের দল ডেমোক্রেটিক পার্টির হয়ে তুলেছেন ১৮০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহে পিছিয়ে আছেন ট্রাম্প। অক্টোবরে তাঁর প্রচার তহবিলে জমা পড়েছে ৯ কোটি ২১ লাখ ডলার। এ ছাড়া পুরো নির্বাচনী প্রচারেও অর্থ সংগ্রহ হয়েছে কম। ২০২২ সালে তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন। এর পর থেকে চলতি অক্টোবর পর্যন্ত তিনি অর্থ সংগ্রহ করতে পেরেছেন ১০০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহ কম হওয়ায় খরচও কম করতে পেরেছেন ট্রাম্প। অক্টোবরের প্রথম ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ১০ কোটি ডলার। এর মধ্যে বিজ্ঞাপনে তিনি ব্যয় করেছেন ৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, জুন, জুলাই ও আগস্টের চেয়ে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় বাড়িয়েছেন। তবে তাঁর হাতে আর বেশি অর্থ নেই ব্যয় করার মতো। তিনি বাকি সময়টায় ৩ কোটি ৬২ লাখ ডলার ব্যয় করতে পারবেন। তবে এ তুলনায় কমলা হ্যারিসের হাতে অনেক বেশি অর্থ আছে। হিসাব অনুসারে, কমলার হাতে ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার আছে নির্বাচনের প্রচারে ব্যয় করার জন্য। নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, ডেমোক্রেটিক পার্টির তহবিলে কারা টাকা দিচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে কিছু মানুষের নাম জানা যাচ্ছে। তবে সিংহভাগ অর্থ কোথা থেকে আসছে, সেটা জানা যাচ্ছে না। কমলা হ্যারিসের প্রচারে যারা সহযোগী হিসেবে কাজ করছে, সেই সুপার পিএসির তহবিল এসেছে ৪ কোটি ডলার। এই অর্থ কোথা থেকে এসেছে, সেটা জানা যাচ্ছে না।  ট্রাম্পের পাশে ইলন মাস্ক ট্রাম্পের প্রচারের শুরু থেকেই আছেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধনকুবের ইলন মাস্ক। আর্থিক এই খরার মধ্যে তিনি ট্রাম্পের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ট্রাম্পের জন্য গত ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার। ট্রাম্পের জন্য তিনি বরাদ্দ রেখেছেন ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের হিসাব বলছে, আর্থিক খরা কাটাতে অতিরিক্ত ৪ কোটি ৩৬ লাখ ডলার ব্যয় করছেন তিনি।

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

ঈদে মিলাদুন্নবীতে কী আমল করবেন, কোরআন-হাদিসে যা বলা হয়েছে

ঈদে মিলাদুন্নবীতে কী আমল করবেন, কোরআন-হাদিসে যা বলা হয়েছে

নবীজি (স.)-এর জন্মের আগে আরব কেমন ছিল?

নবীজি (স.)-এর জন্মের আগে আরব কেমন ছিল?

কেন মহানবী (সা.) ‘রাহমাতুল্লিল আলামিন’

কেন মহানবী (সা.) ‘রাহমাতুল্লিল আলামিন’
একবারের জন্যও বলিনি, অভিনয় করে পাপ করেছি: পপি
একবারের জন্যও বলিনি, অভিনয় করে পাপ করেছি: পপি
শিল্প কোনো পাপ নয়, শিল্প একটি পরিচয় ও সংস্কৃতি: প্রভা
শিল্প কোনো পাপ নয়, শিল্প একটি পরিচয় ও সংস্কৃতি: প্রভা
শাকিব খান নয়, ব্যবসায়ীকে বিয়ে করেছেন মিষ্টি জান্নাত
শাকিব খান নয়, ব্যবসায়ীকে বিয়ে করেছেন মিষ্টি জান্নাত
আমেরিকায় ফোবানার সম্মেলনে পারফর্ম করবেন জায়েদ খান
আমেরিকায় ফোবানার সম্মেলনে পারফর্ম করবেন জায়েদ খান
নেপাল থেকে ফিরলেন আটকে পড়া খরাজ, জানালেন অভিজ্ঞতা
নেপাল থেকে ফিরলেন আটকে পড়া খরাজ, জানালেন অভিজ্ঞতা
মৃণাল সেন রূপে চঞ্চল, সেই সিনেমা এবার আসছে অন্তর্জালে
মৃণাল সেন রূপে চঞ্চল, সেই সিনেমা এবার আসছে অন্তর্জালে
সাদা শাড়িতেও মোহময়ী মিম
সাদা শাড়িতেও মোহময়ী মিম
হোটেল কক্ষ নোংরা করার অভিযোগ, যা বললেন জেমসের ম্যানেজার
হোটেল কক্ষ নোংরা করার অভিযোগ, যা বললেন জেমসের ম্যানেজার
শেষ ১০ ম্যাচে আমাদের সেরা খেলোয়াড় ছিল হামজা: শেফিল্ড কোচ
শেষ ১০ ম্যাচে আমাদের সেরা খেলোয়াড় ছিল হামজা: শেফিল্ড কোচ
লেস্টার সিটির সঙ্গে দীর্ঘ দুই দশকের সম্পর্কের ইতি টেনে শেফিল্ড ইউনাইটেডে স্থায়ীভাবে যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরী। ২৮ বছর বয়সী এই ফুটবলারকে এক বছরের চুক্তিতে দলে নিয়েছে ইংলিশ ক্লাবটি। তবে ট্রান্সফার ফি প্রকাশ করা হয়নি। শেফিল্ডে অবশ্য হামজার এটি প্রথম অধ্যায় নয়। ২০২৪-২৫ মৌসুমের দ্বিতীয়ার্ধে ধারে ক্লাবটির হয়ে খেলেছিলেন তিনি। সে সময় ১৬টি লিগ ম্যাচে মাঠে নামার পাশাপাশি সান্ডারল্যান্ডের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নশিপ প্লে-অফ ফাইনালেও খেলেন হামজা। সেই সময়ে তার পারফরম্যান্সই শেফিল্ডকে তাকে স্থায়ীভাবে দলে ফেরানোর ব্যাপারে আগ্রহী করে তোলে। বিশেষ করে ধারে থাকার শেষ ১০ ম্যাচে হামজার পারফরম্যান্সে মুগ্ধ হয়েছিলেন কোচ ক্রিস ওয়াইল্ডার। প্লে-অফের সেমিফাইনাল ও ফাইনালও ছিল ওই সময়ের অন্তর্ভুক্ত। হামজার বহুমুখী দক্ষতাকেও গুরুত্ব দিয়েছেন শেফিল্ড কোচ। মিডফিল্ডে খেলার পাশাপাশি প্রয়োজনে রাইট-ব্যাক হিসেবেও খেলতে পারেন তিনি। দলের ওই পজিশনে প্রতিযোগিতা বাড়াতেই হামজাকে ফেরানোর প্রয়োজনীয়তা দেখেছিলেন ওয়াইল্ডার। হামজাকে নিয়ে ওয়াইল্ডার বলেন, ‘আমরা সবাই জানি, হামজা ওই ভূমিকায় খেলতে পারে এবং এর বাইরেও আরও অনেক কিছু দিতে পারে। এখানে তার প্রথম স্পেলের শেষ ১০ ম্যাচে সে সম্ভবত আমাদের সেরা খেলোয়াড় ছিল।’ ওয়াইল্ডারের সঙ্গে হামজার সম্পর্কও বেশ পুরোনো। ২০২২-২৩ মৌসুমে ওয়াটফোর্ডে ধারে খেলার সময় এই কোচের অধীনেই ছিলেন হামজা। পরে শেফিল্ডেও একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ হয় দুজনের। পুরোনো সেই বোঝাপড়া ও হামজার পারফরম্যান্সই হয়তো শেফিল্ডে তার স্থায়ী প্রত্যাবর্তনের সিদ্ধান্তকে আরও সহজ করেছে।

কাউন্টি ক্রিকেটের আদলে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ টুর্নামেন্ট

কাউন্টি ক্রিকেটের আদলে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ টুর্নামেন্ট

হালান্ড-এমবাপেকে পেছনে ফেলে ইয়ামালের নতুন রেকর্ড

হালান্ড-এমবাপেকে পেছনে ফেলে ইয়ামালের নতুন রেকর্ড

পাকিস্তানকে ১৯৪ রানে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতল ইংল্যান্ড

পাকিস্তানকে ১৯৪ রানে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতল ইংল্যান্ড

ইলন মাস্কের এক্স নিষিদ্ধের প্রস্তাব

ইলন মাস্কের এক্স নিষিদ্ধের প্রস্তাব

চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী

চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা
নবম পে-স্কেলের অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর
নবম পে-স্কেলের অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর
সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধি সংক্রান্ত নবম পে-স্কেলের অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি জানিয়েছেন, নতুন বেতন স্কেলে বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রেখে মূল বেতন পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে ২০তম গ্রেডে সর্বনিম্ন প্রারম্ভিক মূল বেতন ২০ হাজার টাকা এবং ১ম গ্রেডে সর্বোচ্চ নির্ধারিত বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা করা হয়েছে। একইসঙ্গে নতুন বেতনস্কেলের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সশস্ত্র বাহিনীর জন্য ‘যৌথবাহিনী নির্দেশাবলী ২০২৬’ অনুমোদন করা হয়েছে। নতুন বেতনস্কেল ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে। জানা গেছে, সরকারের আর্থিক সক্ষমতা, দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, মূল্যস্ফীতি, জীবনযাত্রার ব্যয়, সরকারি কর্মচারীদের জীবনমান এবং ভারসাম্যপূর্ণ বেতন কাঠামোর প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় নিয়ে নতুন বেতনস্কেল অনুমোদন করা হয়েছে। নতুন কাঠামোতে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ গ্রেডের বেতনের অনুপাত বিদ্যমান ১:১.৯৪৫ থেকে কমিয়ে ১:১.৭৮ করা হয়েছে। এতে ২০তম গ্রেডের মূল বেতন ১৪২ শতাংশ এবং ১ম গ্রেডের নির্ধারিত বেতন ১০০ শতাংশ বাড়বে। বেতনস্কেলের আর্থিক প্রভাব ও মূল্যস্ফীতির বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সরকার একযোগে পুরো বেতনস্কেল বাস্তবায়ন না করে দুই অর্থবছরে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরে পর্যায়ক্রমে এটি বাস্তবায়ন করা হবে। স্বল্প আয়ের কর্মচারীদের অগ্রাধিকার দিয়ে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের আগে বেতনস্কেল বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হয়েছে। ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ১ জুলাই ২০২৭-এর মধ্যে মূল বেতন মোট তিনটি ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। ভাতাগুলো ১ জানুয়ারি ২০২৮ থেকে একযোগে কার্যকর হবে। পর্যায়ক্রমে বেতনস্কেল বাস্তবায়ন করা হলে জাতীয় পর্যায়ে মূল্যস্ফীতির চাপ প্রশমিত করা সম্ভব হবে। নতুন বেতনস্কেলে ‘এক গ্রেড এক পেনশন’ বা ওয়ান র‌্যাঙ্ক ওয়ান পেনশন (ওআরওপি) ব্যবস্থা চালুর প্রতিশ্রুতির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বিপুল আর্থিক সংশ্লেষ এবং অসামরিক কর্মচারীদের ক্ষেত্রে ২০১৯ সালের আগের অবসরগ্রহণকারীদের তথ্য না থাকায় ওআরওপি একবারে বাস্তবায়ন না করে ২০৩০ সালের মধ্যে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর পরিবর্তে বর্তমানে অবসরভোগী পেনশনধারীদের নিট পেনশন স্ল্যাবভিত্তিক উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। মাসিক ৯ হাজার টাকা বা তার কম নিট পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের পেনশন ১০০ শতাংশ বাড়বে। ৯ হাজার ১ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত নিট পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের ৭৫ শতাংশ, ২০ হাজার ১ টাকা থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত ৬৫ শতাংশ, ৩০ হাজার ১ টাকা থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত ৬০ শতাংশ এবং ৪০ হাজার ১ টাকা বা তার বেশি নিট পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের নিট পেনশন ৫৫ শতাংশ বাড়বে। এর ফলে দীর্ঘদিন আগে অবসরে যাওয়া এবং তুলনামূলক কম নিট পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে পেনশন বৃদ্ধির পরিমাণ বেশি হবে। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানের জন্য প্রথমবারের মতো ‘প্রতিবন্ধী সন্তান ভাতা’ চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রতি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানের জন্য মাসে ৩ হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়া হবে। এ ছাড়া ইন্টারনেট ও ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যয় বিবেচনায় মোবাইল ভাতার আওতা বাড়ানো হয়েছে। এত দিন শুধু ৫ম গ্রেডের কর্মচারীরা মোবাইল ভাতা পেতেন। নতুন বেতনস্কেল অনুযায়ী সব গ্রেডের কর্মচারী এই ভাতা পাবেন। নতুন বেতনস্কেল বাস্তবায়নের ফলে প্রায় ২৪ লাখ সামরিক ও অসামরিক কর্মচারী এবং সোয়া ৯ লাখ অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী ও অন্যান্য যোগ্য সুবিধাভোগী উপকৃত হবেন। এ জন্য সরকারের অতিরিক্ত বার্ষিক আর্থিক ব্যয় হবে আনুমানিক ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা। মিডিয়াম টার্ম বাজেট ফ্রেমওয়ার্কের (এমটিবিএফ) আওতায় সংশ্লিষ্ট অর্থবছরগুলোর বাজেটে এ অর্থের সংস্থান রাখা হয়েছে। এদিকে জুডিশিয়াল সার্ভিসের জন্য পৃথক কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস বেতনস্কেল অনুমোদন করা হবে। সেটিও ১ জুলাই ২০২৬ থেকে জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬-এর মতো ধাপে ধাপে কার্যকর হবে। নতুন বেতনস্কেল বাস্তবায়নের জন্য অর্থ বিভাগ প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন, আদেশ ও নির্দেশনা জারি করবে। এতে বেতন নির্ধারণের পদ্ধতি, বিভিন্ন ভাতা, পেনশন এবং অবসর-পরবর্তী অন্যান্য সুবিধার বিস্তারিত বিধান থাকবে।

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে ত্রুটি মাত্র ১.২ শতাংশ: অর্থমন্ত্রী

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে ত্রুটি মাত্র ১.২ শতাংশ: অর্থমন্ত্রী

ডাবসহ সব ফলের দাম চড়া, চাপে ক্রেতা

ডাবসহ সব ফলের দাম চড়া, চাপে ক্রেতা

বাজারে ইলিশের সরবরাহ আছে, দাম নাগালের বাইরে

বাজারে ইলিশের সরবরাহ আছে, দাম নাগালের বাইরে

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা
গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন
গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন
হেপাটাইটিস বি ভাইরাসটি মারাত্মক সংক্রমণ ঘটাতে পারে, যা লিভারের ক্ষতি করে। স্বাভাবিক বা সি-সেকশন ডেলিভারির আগে, ডেলিভারির সময় বা ডেলিভারির পরে উভয় ভাইরাসই মায়ের কাছ থেকে শিশুর মধ্যে ছড়াতে পারে। এটি শুধু রক্তের মাধ্যমেই ছড়ায় না, বরং বীর্য, যোনি স্রাব, লালা এবং অন্যান্য শারীরিক তরলের মাধ্যমেও ছড়ানোর সম্ভাবনা থাকে। টিকা HBV সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে পারে। চিকিৎসকেরা নিয়মিত গর্ভবতী নারীদের হেপাটাইটিস বি এর পরীক্ষা করেন। আপনি যদি সংক্রমিত হন, তবে আপনার শিশুর মধ্যে এটি ছড়ানোর সম্ভাবনা হেপাটাইটিস সি-এর চেয়ে অনেক বেশি। আপনি যদি গত ৬ মাসের মধ্যে হেপাটাইটিস বি-তে অসুস্থ হয়ে থাকেন, যাকে আপনার ডাক্তার তীব্র সংক্রমণ বলতে পারেন, তবে আপনার নবজাতকের এটিতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ৯০%। যদি আপনার সংক্রমণটি আরও বেশি সময় ধরে থাকে, যাকে দীর্ঘস্থায়ী হেপাটাইটিস বি বলা হয়, তবে সেই সম্ভাবনা কমে ১০-২০% হয়ে যায়। প্রসব পরবর্তী যত্ন হেপাটাইটিস বি-এর কোনো নিরাময় নেই। কিন্তু যদি আপনার নবজাতক শিশু ১২ ঘণ্টার মধ্যে হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ এবং হেপাটাইটিস বি ইমিউন গ্লোবুলিন নামক আরেকটি শট পায়, তাহলে তার এই ভাইরাসে আক্রান্ত না হওয়ার সম্ভাবনা ৯০%-এরও বেশি থাকে। শিশুদের সাধারণত প্রথম শটটি দেওয়া হয়। কিন্তু তারা ইমিউন গ্লোবুলিনটি কেবল তখনই পায়, যখন মায়ের HBV থাকে বা থাকার সন্দেহ করা হয়। সর্বোচ্চ সুরক্ষা পাওয়ার জন্য শিশুটির পরবর্তী ৬ মাসের মধ্যে ভ্যাকসিনের বাকি দুটি ডোজও প্রয়োজন হয়। সাধারণত, মায়ের হেপাটাইটিস বি থাকলেও শিশুকে নিরাপদে বুকের দুধ খাওয়াতে পারেন। যদি স্তনবৃন্ত ফেটে যায় বা রক্তপাত হয়, তবে স্তনবৃন্ত সেরে না ওঠা পর্যন্ত সাময়িকভাবে বুকের দুধ খাওয়ানো বন্ধ রাখা উচিত। আপনি যদি নিশ্চিত না হন তবে আপনার ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন। আমেরিকান একাডেমি অফ পেডিয়াট্রিক্স (AAP) সুপারিশ করে যে, সমস্ত শিশুকে জন্মের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিনের প্রথম শট, এরপর ১-২ মাস বয়সে একটি শট এবং ৬ থেকে ১৮ মাস বয়সের মধ্যে তৃতীয় শট দেওয়া উচিত। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, সিডিসি অভিভাবকদের এই টিকার সময়সূচী সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করার সুপারিশ করেছে।

ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী

ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

নামাজের সময়সূচি

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
*স্থানভেদে সময়ের পার্থক্য হতে পারে
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
চাকরি আবদুল বাকীকে কখনোই টানেনি। অভাবের সংসারে পরিবারের হাল ধরতে কখনো ফ্রিল্যান্সিং, কখনোবা টিউশনি করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের এই শিক্ষার্থী। তাতেও মনের খেদ মিটছিল না। সব সময় উদ্যোগী হয়ে কিছু একটা করতে, উদ্যোক্তা হতে চেয়েছেন তিনি। গত ২১ সেপ্টেম্বর সেই স্বপ্নই পূরণ হয়েছে। তিন বন্ধু ও এক অনুজকে নিয়ে দিয়েছেন ‘আহার মেলা’। খাবারের এই দোকানে তাঁর সহযোগীরা হলেন রাজশাহী কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শাহাদাত হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামি স্টাডিজ বিভাগের আল-মুত্তাকিন, আরবি বিভাগের আমির হামজা ও ফারসি বিভাগের সামিউল ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসমাইল হোসেন সিরাজী একাডেমিক ভবনের উল্টো দিকে গেলেই চোখে পড়বে এই দোকান। আহার মেলায় ভাত, খিচুড়ি, ভর্তা, ডাল, মাছ, মাংস, সবজি ও ডিমের তরকারি পাওয়া যায়। এ ছাড়া ৬০ ও ৭০ টাকার দুটি প্যাকেজ আছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন (শুক্র ও শনিবার) ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দোকান খোলা থাকে। আবদুল বাকী বলেন, ‘যেহেতু ক্লাস-পরীক্ষার সময়ে দোকানটি চালু থাকে, আমাদের অনেকেরও ওই সময় ক্লাস থাকে। যার যেদিন ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সে সেদিন থাকে না। যদি সবারই একসঙ্গে ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সেদিন দোকান বন্ধ রাখতে হয়।’ পারিবারিকভাবে সচ্ছল ছিলেন না বাকী। কলেজজীবন থেকে এ কাজ-ও কাজ করেছেন। দুই বছর আগে বাবা মারা গেলে আর্থিক দৈন্য আরও বেশি জেঁকে বসে। মূলত সে সময়ই ব্যবসার কথা ভাবতে থাকেন। মাকে পরিকল্পনার কথা শোনান। মা রাজি হন, নিজের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকা তুলে দেন ছেলের হাতে। এই মূলধনের ওপরই দাঁড়িয়ে আছে আহার মেলা। আপাতত ব্যবসা গোছানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন এই উদ্যোক্তা। ভবিষ্যতে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় আহারমেলার শাখা চালু করতে চান।

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

এসএসসির ফলে জিপিএ-৫ নয়, মাঝারি ফলেই বেশি শিক্ষার্থী

এসএসসির ফলে জিপিএ-৫ নয়, মাঝারি ফলেই বেশি শিক্ষার্থী

গণিতে ৮৭%, ইংরেজিতে ৮৫% শিক্ষকই ভিন্ন বিষয়ের

গণিতে ৮৭%, ইংরেজিতে ৮৫% শিক্ষকই ভিন্ন বিষয়ের

মন খুলে গান গাওয়া যায়, নাম্বার দেওয়া যায় না: শিক্ষামন্ত্রী

মন খুলে গান গাওয়া যায়, নাম্বার দেওয়া যায় না: শিক্ষামন্ত্রী