• সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১১৬৩
ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১১৬৩
দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ১৬৩ জন। যা চলতি বছরে সর্বোচ্চ আক্রান্ত। একই সময়ে ডেঙ্গুতে আরও চার জনের মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট ৯৭ জনের মৃত্যু হলো। এর মধ্যে শুধু আগস্ট মাসেই মারা গেছেন ৪৩ জন। এ ছাড়া জুলাইয়ে ৩৬ জন, জুনে ১৩ জন, মে মাসে একজন এবং জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দুজন করে ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে জানানো হয়, শনিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১ হাজার ১৬৩ জন ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৫ হাজার ৮৪৬ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড় পেয়েছেন ১ হাজার ১৭ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩৩ হাজার ২০৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিভাগে, ৪৬৪ জন। এ ছাড়া খুলনা বিভাগে ২৮৩ জন, বরিশালে ১৩২, চট্টগ্রামে ১২০, ময়মনসিংহে ৬৯ এবং রাজশাহীতে ৮৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

বিমানবন্দরে বিমানবাহিনীর পিকআপ দুর্ঘটনায় নিহত ৩

বিমানবন্দরে বিমানবাহিনীর পিকআপ দুর্ঘটনায় নিহত ৩

নবম পে-স্কেলের অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর

নবম পে-স্কেলের অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর

হাজিরা খাতায় আগাম স্বাক্ষর, ভূমি অফিসে গিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিমন্ত্রী

হাজিরা খাতায় আগাম স্বাক্ষর, ভূমি অফিসে গিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিমন্ত্রী

‘হিটুর ফাঁসি কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত আমার মনে শান্তি নেই’

‘হিটুর ফাঁসি কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত আমার মনে শান্তি নেই’

চোরাচালান, মাদক ও সীমান্ত হত্যা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিন: বিজিবিকে রাষ্ট্রপতি

চোরাচালান, মাদক ও সীমান্ত হত্যা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিন: বিজিবিকে রাষ্ট্রপতি

লাখ টাকায় সন্তান বিক্রি করে বাবার আইফোন কেনা, সেই শিশুপুত্র উদ্ধার

লাখ টাকায় সন্তান বিক্রি করে বাবার আইফোন কেনা, সেই শিশুপুত্র উদ্ধার
জিয়া থেকে তারেক: ৪৮ বছরে বিএনপির নেতৃত্বের পালাবদল, সামনে যত চ্যালেঞ্জ
জিয়া থেকে তারেক: ৪৮ বছরে বিএনপির নেতৃত্বের পালাবদল, সামনে যত চ্যালেঞ্জ
প্রতিষ্ঠার ৪৮ বছর পূর্ণ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে যাত্রা শুরু করা দলটি দীর্ঘ রাজনৈতিক পথপরিক্রমায় কখনো রাষ্ট্রক্ষমতায়, কখনো প্রধান বিরোধী দলের ভূমিকায় থেকেছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে দলটির নেতৃত্বে এসেছেন জিয়াউর রহমান, তাঁর স্ত্রী খালেদা জিয়া এবং বর্তমানে তাঁদের ছেলে তারেক রহমান। দীর্ঘদিন বিরোধী রাজনীতিতে থাকার পর তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি আবার রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছে। এবার দলটির সামনে শুধু সরকার পরিচালনার চ্যালেঞ্জই নয়, সংগঠনকে নিয়ন্ত্রণে রাখা, দলীয় শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা, জনগণের আস্থা ধরে রাখা এবং রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠনের মতো নতুন পরীক্ষাও রয়েছে। জিয়াউর রহমানের হাতে বিএনপির জন্ম ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল প্রতিষ্ঠা করেন জিয়াউর রহমান। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও আত্মনির্ভরতার ধারণাকে সামনে রেখে দলটির প্রতিষ্ঠাকালীন কর্মসূচিতে ছিল ১৯ দফা। বিভিন্ন রাজনৈতিক মত ও পথের মানুষকে একটি প্ল্যাটফর্মে নিয়ে অল্প সময়ের মধ্যেই বিএনপিকে দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত করেন জিয়াউর রহমান। তবে ১৯৮১ সালের ৩০ মে তাঁর নিহত হওয়ার পর দলটি নেতৃত্বের সংকটে পড়ে। পরে দলের নেতৃত্বে উঠে আসেন তাঁর সহধর্মিণী খালেদা জিয়া। খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিস্তার ১৯৮২ সালে বিএনপিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেন খালেদা জিয়া। ১৯৮৩ সালে দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান এবং ১৯৮৪ সালের ১০ মে কাউন্সিলের মাধ্যমে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন তিনি। এরপর দীর্ঘ সময় দলের নেতৃত্বে ছিলেন খালেদা জিয়া। তাঁর নেতৃত্বে বিএনপি এরশাদবিরোধী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করলে খালেদা জিয়া দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন। পরবর্তী সময়ে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনেও বিএনপি সরকার গঠন করে। ফলে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দলটি একদিকে যেমন দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের অভিজ্ঞতা অর্জন করে, অন্যদিকে রাষ্ট্র পরিচালনারও দীর্ঘ অভিজ্ঞতা পায়। চার দশকের বেশি সময় ধরে বিএনপির রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন খালেদা জিয়া। তাঁর নেতৃত্বেই জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত দলটি একটি বড় গণভিত্তিক ও নির্বাচনী শক্তিতে পরিণত হয়। রাজনীতিতে তারেক রহমানের উত্থান বিএনপির মিডিয়া সেল সূত্রে জানা যায়, এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় থেকেই মায়ের সঙ্গে রাজপথের রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন তারেক রহমান। ১৯৮৮ সালে বিএনপির বগুড়ার গাবতলী উপজেলা ইউনিটের সাধারণ সদস্য হিসেবে দলে যোগ দেন তিনি। ১৯৯১ সালের নির্বাচনের আগে খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেশের বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেন তারেক রহমান। ১৯৯৩ সালে বগুড়া জেলা ইউনিটে সম্মেলনের আয়োজন করেন তিনি। ওই সম্মেলনে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচন করা হয়। পরবর্তী সময়ে তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠন শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেন তারেক রহমান। ২০০২ সালে বিএনপির স্থায়ী কমিটি তাঁকে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব পদে মনোনীত করে। ২০০৫ সালে দেশব্যাপী তৃণমূল সম্মেলন আয়োজন করে বিভিন্ন উপজেলা ইউনিটের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি। ২০০৭ সালে ওয়ান-ইলেভেনের সময় গ্রেপ্তার হওয়ার পর চিকিৎসার জন্য বিদেশে যান তারেক রহমান। ২০০৯ সালে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। ২০১৮ সালে খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পর তাঁকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়। দীর্ঘ ১৭ বছর পর ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। ২০২৬ সালে খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর দলের চেয়ারপারসনের পদ শূন্য হলে স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্তে তারেক রহমান চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেন। এর মধ্য দিয়ে জিয়া পরিবারের তৃতীয় প্রজন্মের নেতৃত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপির সর্বোচ্চ পর্যায়ে আসে। নেতৃত্বের তিন পর্ব বিএনপির ৪৮ বছরের ইতিহাসকে মোটাদাগে তিনটি নেতৃত্বপর্বে ভাগ করা যায়। জিয়াউর রহমানের সময়—দলের প্রতিষ্ঠা ও রাজনৈতিক ভিত্তি নির্মাণ। খালেদা জিয়ার সময়—বিএনপিকে গণভিত্তিক ও নির্বাচনী শক্তিতে পরিণত করা এবং একাধিকবার রাষ্ট্রক্ষমতায় যাওয়া। তারেক রহমানের সময়—দীর্ঘ বিরোধী রাজনীতি পেরিয়ে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় দলকে পরিচালনা এবং সরকার পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়া। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, তৃতীয় প্রজন্মের নেতৃত্বে বিএনপি কতটা নিজেদের সংগঠনকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় কতটা কার্যকর হতে পারে। সরকার ও দলের মধ্যে ভারসাম্য ক্ষমতায় থাকা রাজনৈতিক দলের জন্য অন্যতম বড় পরীক্ষা হলো সরকার ও দলের মধ্যে ভারসাম্য রাখা। বিরোধী দলে থাকার সময়ের রাজনৈতিক কর্মকৌশল সরকার পরিচালনার ক্ষেত্রে একইভাবে কার্যকর হয় না। সরকারের সিদ্ধান্তের দায় যেমন সরকারের ওপর পড়ে, তেমনি দলীয় নেতাকর্মীদের কর্মকাণ্ডের প্রভাবও দলের ভাবমূর্তিতে পড়ে। স্থানীয় পর্যায়ে দলীয় প্রভাব বিস্তার, সরকারি প্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারের অভিযোগ কিংবা দলীয় পরিচয়ে সুবিধা নেওয়ার প্রবণতা তৈরি হলে সরকারের গ্রহণযোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই প্রশাসন ও দলীয় সংগঠনকে পৃথক রেখে রাজনৈতিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা তারেক রহমানের নেতৃত্বের অন্যতম বড় পরীক্ষা। তৃণমূলে গ্রুপিং ও নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিন বিরোধী রাজনীতিতে থাকা নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষমতায় আসার পর পদ-পদবি, মনোনয়ন, প্রভাব ও সুযোগ-সুবিধাকে কেন্দ্র করে নতুন প্রতিযোগিতা তৈরি হতে পারে। একই এলাকায় একাধিক নেতা নিজেদের অনুসারী তৈরি করলে সাংগঠনিক বিভক্তি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর প্রভাব স্থানীয় সরকার নির্বাচন, জাতীয় নির্বাচন এবং দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমেও পড়তে পারে। তাই তৃণমূল নেতৃত্ব নির্বাচনে যোগ্যতা, জনপ্রিয়তা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতাকে গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি গ্রুপিং নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে। পুরোনো ও নতুন নেতৃত্বের সমন্বয় বিএনপির আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ পুরোনো ও নতুন নেতৃত্বের মধ্যে সমন্বয় করা। দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে থাকা নেতাদের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের নেতাকর্মীরাও এখন দলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে প্রজন্মের পরিবর্তনের সঙ্গে সাংগঠনিক কর্মকৌশলেও পরিবর্তন আসছে। ফলে দলের প্রতিষ্ঠাকালীন আদর্শ ও দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ধরে রেখে নতুন প্রজন্মের প্রত্যাশার সঙ্গে সংগঠনকে মানিয়ে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দলীয় শৃঙ্খলা ও জবাবদিহি ক্ষমতায় থাকলে দলের নেতাকর্মীদের কর্মকাণ্ডের পরিধি বাড়ে। কোনো নেতার ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ড কিংবা অনিয়মের অভিযোগও শেষ পর্যন্ত পুরো দলের ভাবমূর্তিতে প্রভাব ফেলতে পারে। এ কারণে কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত দলীয় সিদ্ধান্ত মানা, সাংগঠনিক কাঠামোর প্রতি আনুগত্য এবং অনিয়মের অভিযোগ উঠলে তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার সক্ষমতা দেখানো বিএনপির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। দলীয় জবাবদিহি দুর্বল হলে শুধু সাংগঠনিক শৃঙ্খলাই নয়, সরকারের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। রাষ্ট্র পুনর্গঠন ও জনসম্পৃক্ততা বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর মতে, বর্তমান সময়ে দলটির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো দেশকে নতুন করে পুনর্গঠন করা। তিনি বলেন, রাজনৈতিক শূন্যতার সময়ে জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন ধারার সূচনা করেছিলেন। বিএনপির রাজনৈতিক দর্শনের মূল ভিত্তি জিয়াউর রহমানের চিন্তা ও আদর্শ। নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, দীর্ঘ সময়ে দেশের অর্থনীতি, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা ও সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নির্বাচন ব্যবস্থা, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাকেও দুর্বল করা হয়েছে। এখন এসব প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীন, কার্যকর ও জনবান্ধব করে গড়ে তুলতে হবে। তাঁর মতে, অর্থনীতি পুনর্গঠনের পাশাপাশি বিদ্যুৎ, পানি ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খাতে সক্ষমতা বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রেও কাজ করতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে অপসংস্কৃতি ও মৌলবাদী চিন্তার বিরুদ্ধে সচেতন করে একটি সুস্থ, মুক্ত ও অসাম্প্রদায়িক সাংস্কৃতিক পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। তবে রাষ্ট্র পুনর্গঠনের পাশাপাশি জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ধরে রাখাও বিএনপির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বিরোধী দলে থাকার সময় যে জনসম্পৃক্ততা দলটির রাজনৈতিক শক্তির অন্যতম ভিত্তি ছিল, ক্ষমতায় যাওয়ার পর সেটি ধরে রাখা সহজ হবে না। দ্রব্যমূল্য, কর্মসংস্থান, আইনশৃঙ্খলা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় উন্নয়ন নিয়ে মানুষের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থতা হলে তার প্রভাব সরকারের পাশাপাশি দলের জনপ্রিয়তার ওপরও পড়তে পারে। সামনে নতুন পরীক্ষা বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী তাই শুধু অতীত স্মরণের উপলক্ষ্য নয়। জিয়াউর রহমানের হাতে প্রতিষ্ঠিত দলটি খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দীর্ঘ সময় রাষ্ট্রক্ষমতা ও বিরোধী রাজনীতির অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। এখন তৃতীয় প্রজন্মের নেতৃত্বে তারেক রহমানের সামনে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা। দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের পর ক্ষমতার কেন্দ্রে ফিরে বিএনপির সামনে মূল পরীক্ষা হবে—সরকার ও দলের মধ্যে ভারসাম্য রাখা, তৃণমূলের দ্বন্দ্ব নিয়ন্ত্রণ, পুরোনো ও নতুন নেতৃত্বের সমন্বয়, দলীয় শৃঙ্খলা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন করে জনগণের আস্থা ধরে রাখা। ৪৮ বছরের নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা পেরিয়ে বিএনপি এখন যে নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে, সেখানে তারেক রহমানের নেতৃত্বের সবচেয়ে বড় মূল্যায়ন হবে—দলকে নিয়ন্ত্রণে রেখে কীভাবে একটি কার্যকর, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব সরকার পরিচালনা করা যায়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হাসনাতের বক্তব্য নিয়ে ক্ষোভ, পরে দুঃখ প্রকাশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হাসনাতের বক্তব্য নিয়ে ক্ষোভ, পরে দুঃখ প্রকাশ

মক্কা প্যাক্টে যোগ দেয়া বাংলাদেশের নিজস্ব বিষয়: জামায়াত আমির

মক্কা প্যাক্টে যোগ দেয়া বাংলাদেশের নিজস্ব বিষয়: জামায়াত আমির

‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করেন’, অভিযোগ বিরোধীদলীয় নেতার

‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করেন’, অভিযোগ বিরোধীদলীয় নেতার

ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১১৬৩

ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১১৬৩

ডেঙ্গুতে একদিনে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৮৩৯

ডেঙ্গুতে একদিনে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৮৩৯

হামে আক্রান্ত ৬৫% শিশুই অপুষ্টিতে ভুগছিল

হামে আক্রান্ত ৬৫% শিশুই অপুষ্টিতে ভুগছিল
মার্কিন হামলার জবাবে ইরানের পাল্টা হামলা শুরু
মার্কিন হামলার জবাবে ইরানের পাল্টা হামলা শুরু
মার্কিন হামলার জবাবে জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর কথা জানিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। রোববার (৩০ আগস্ট) ইরানের লারাক দ্বীপে মার্কিন হামলার পর প্রতিশোধের ঘোষণা দিয়েছিল আইআরজিসি। এর কয়েক ঘণ্টা পর জর্ডানে অবস্থিত কিং হুসেইন ও আল আজরাক ঘাঁটিতে হামলা চালানোর দাবি করে ইরানের এই বাহিনী। ইরানের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আগ্রাসনকারীদের শাস্তি’ দেওয়ার অংশ হিসেবে মার্কিন ঘাঁটি দুটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। আইআরজিসির দাবি, হামলায় ঘাঁটিগুলোর প্রযুক্তিগত ও পুনর্গঠন সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একই সঙ্গে শত্রুপক্ষের বিমান উড্ডয়ন স্থাপনাও ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করেছে তারা। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আইআরজিসিকে দমিয়ে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার যেকোনো প্রচেষ্টা প্রতিহত করা হবে। ইরানের বিরুদ্ধে প্রতিটি হামলার আরও কঠোর জবাব দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। এর আগে রোববার ইরানের লারাক দ্বীপে আইআরজিসির দুটি রকেট লঞ্চারে বোমা হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। ওই হামলায় কয়েকজন আইআরজিসি সদস্য ও বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইরান। তবে হতাহতের নির্দিষ্ট সংখ্যা জানায়নি আইআরজিসি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানান, লারাক দ্বীপে থাকা দুটি রকেট লঞ্চার দিয়ে মাইনবাহী দুটি মার্কিন জাহাজে হামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল। এ সময় মার্কিন বাহিনী ওই স্থাপনায় হামলা চালায়। খবর আল-জাজিরার। ওই কর্মকর্তা আরও জানান, মার্কিন বাহিনী এলাকাটি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং হরমুজ প্রণালিতে নৌযানের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে প্রস্তুত রয়েছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এই পাল্টাপাল্টি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

নেপালে আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩৪, নিখোঁজ ২,৪৯৮

নেপালে আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩৪, নিখোঁজ ২,৪৯৮

নেপালে প্রাণহানি বেড়ে ৬৩৩, এখনো নিখোঁজ ২ হাজারেরও বেশি মানুষ

নেপালে প্রাণহানি বেড়ে ৬৩৩, এখনো নিখোঁজ ২ হাজারেরও বেশি মানুষ

সৌদি, তুরস্কের পর কুয়েতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর পাকিস্তানের

সৌদি, তুরস্কের পর কুয়েতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর পাকিস্তানের

বাংলাদেশের মক্কা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা নিয়ে যা বলল ভারত

বাংলাদেশের মক্কা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা নিয়ে যা বলল ভারত

নেপালে বন্যায় নিহতের সংখ্যা ৬০০ ছুঁইছুঁই, এখনো নিখোঁজ প্রায় ২০০০ মানুষ

নেপালে বন্যায় নিহতের সংখ্যা ৬০০ ছুঁইছুঁই, এখনো নিখোঁজ প্রায় ২০০০ মানুষ

নেপালে আকস্মিক বন্যায় নিহত বেড়ে ৯৫, নিখোঁজ ৪০০

নেপালে আকস্মিক বন্যায় নিহত বেড়ে ৯৫, নিখোঁজ ৪০০
জামালপুরে বাস-ইজিবাইক সংঘর্ষ, নিহত ৪
জামালপুরে বাস-ইজিবাইক সংঘর্ষ, নিহত ৪
জামালপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কের লাহিরীকান্দা এলাকায় ‘রাজিব’ পরিবহনের একটি বাসের চাপায় ইজিবাইকের তিন যাত্রী ও বাসের এক যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বাসটি রাস্তার পাশের খাদে পড়ে গিয়ে আরও অন্তত ২০ যাত্রী আহত হয়েছেন। আহতদের জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জামালপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কের লাহিরীকান্দা ঈদগাহ মাঠ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জামালপুর থেকে ঢাকাগামী রাজিব পরিবহনের একটি বাস বিপরীত দিক থেকে আসা যাত্রীবোঝাই একটি ইজিবাইককে চাপা দেয়। এতে ইজিবাইকের তিন যাত্রী ঘটনাস্থলেই নিহত হন। পরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে বাসের অন্তত ২০ যাত্রী আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হয়। জামালপুর ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন অফিসার রবিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর বাসের আরও এক যাত্রী মারা যান। তিনি জানান, আহতদের জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে কিছু সময় যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে উদ্ধার তৎপরতার মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়।

লাখ টাকায় সন্তান বিক্রি করে বাবার আইফোন কেনা, সেই শিশুপুত্র উদ্ধার

লাখ টাকায় সন্তান বিক্রি করে বাবার আইফোন কেনা, সেই শিশুপুত্র উদ্ধার

মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার শ্রমিক যাবে, কোনো টাকাই লাগবে না: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার শ্রমিক যাবে, কোনো টাকাই লাগবে না: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

জশনে জুলুসে চট্টগ্রামে মানুষের ঢল, ভোর থেকেই নগরমুখী জনস্রোত

জশনে জুলুসে চট্টগ্রামে মানুষের ঢল, ভোর থেকেই নগরমুখী জনস্রোত
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
এপ্রিল মাস, শনিবারের এক ভোরে আকারা ইতেহ মধ্য লন্ডনের হোলবর্ন টিউব স্টেশনে হেঁটে হেঁটে আসার সময় নিজের ফোন ঘাঁটছিলেন। মুহূর্ত কয়েক পরই ইলেকট্রিক বাইকে আসা এক ছিনতাইকারী তাঁর হাত থেকে ফোন ছিনিয়ে নেয়। নিজের ফোন উদ্ধারে ছিনতাইকারীর পেছনে ছুট লাগিয়েছিলেন আকারা। কিন্তু ধরতে ব্যর্থ হন। আকারা একা এ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাননি; বরং এ বছর এখন পর্যন্ত ইংল্যান্ড ও ওয়ালসে প্রায় ‘৭৮ হাজার’ ফোন ছিনতাই হয়েছে। গত বছরের তুলনায় যা অনেক বেশি। এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে বিচার হওয়ার হার খুবই কম। পুলিশের বক্তব্য, তারা দায়ী অপরাধীদের খোঁজ করে। কিন্তু তারা যেভাবে গায়েব হয়ে যায় বা এত ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন করে যে তাদের গ্রেপ্তার করা কঠিন হয়ে যায়। এ ধরনের অপরাধের শিকার ব্যক্তিরা তাঁদের দুর্দশার কথা বিবিসিকে বলেছেন। বলেছেন, ফোন হারিয়ে গেলে এমন অনেক ছবি ও তথ্য হারিয়ে যায়, যেগুলো আর কখনো ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। সঙ্গে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি তো আছেই। তাঁদের মধ্যে আকারার মতো অনেকে আরও একটি কারণে নিদারুণ হতাশায় ডুবে যান। আকারা তাঁর ফোনটি কোথা থেকে কোথায় যাচ্ছে, তা অনলাইনে অনুসরণ করতে পারছেন; কিন্তু সেটি ফেরত আনার ক্ষমতা তাঁর নেই। ফোন ছিনতাই হওয়ার এক ঘণ্টা বা তার কিছু পরে বাড়িতে ফিরে আকারা তাঁর আইফোন ১৩ হারিয়ে গেছে (লস্ট মুড) অপশনটি চালু করেন। এটা করা হলে চোর ওই ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। এরপর আকারা তাঁর ল্যাপটপের সাহায্যে ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ ফিচার চালু করেন। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আকারা তাঁর ফোনটি কোথায় আছে, সেটা দেখতে পারেন। ল্যাপটপের স্ক্রিনে লন্ডনের বিভিন্ন জায়গায় নিজের ফোন ঘুরে বেড়াতে দেখেন আকারা। ফোন উদ্ধারের আশায় ল্যাপটপে দেখানো দুই জায়গায় নিজেই গিয়েছিলেন আকারা। তিনি বলেন, ‘এটা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। উত্তেজনায়, রাগে আমি এটা করেছিলাম।’ আকারা অবশ্য কারও সঙ্গে কথা বলেননি। তবে বুঝতে পারছিলেন, তাঁকে কেউ অনুসরণ করছে। তিনি বাড়ি চলে যান। আকারা বলেন, ‘আমি খুবই ক্ষুব্ধ ছিলাম। ফোনটা দামি। ওই ফোন কিনতে আমি কঠোর পরিশ্রম করে অর্থ উপার্জন করি এবং কেউ একজন সব ঘেঁটে দিল।’ আকারার ফোনটি যখন চুরি যায়, তখন রাস্তায় তিনি পুলিশ দেখতে পেয়ে তাদের সবকিছু খুলে বলেছিলেন। যদিও তাঁর মনে হয়েছে, পুলিশ কর্মকর্তারা জানতেন, ফোন চুরি করতে চোররা ওই এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। পুলিশ তাকে অনলাইনে অভিযোগ করার পরামর্শ দেয় এবং তিনি সেটা করেন। কয়েক দিন পর ই–মেইল পাঠিয়ে পুলিশ আকারাকে জানায়, তাঁর ফোন চুরির মামলাটির তদন্তকাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বলেছে, ‘সম্ভবত আমরা দোষীদের শনাক্ত করতে পারব না।’ যেখান থেকে ফোন চুরি হয়েছিল, সেখানকার ছবি ও কিছু তথ্য আকারা পুলিশকে দিয়েছিলেন। পুলিশ সেটা গ্রহণ করেছে। কিন্তু ফোন উদ্ধারে আর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ফোন চুরির ঠিক এক মাস পর, মে মাসে আকারা তাঁর ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ আবার দেখেন। তখন সেটির অবস্থান দেখাচ্ছিল শেনজেন, চীন। আকারা এবার সব আশা ছেড়ে দেন। চুরি যাওয়া অনেক ফোনের শেষ গন্তব্য হয় শেনজেন। সেখানে যদি ফোনটি খোলা এবং নতুন করে ব্যবহার করা না যায়, তাঁরা সেটির যন্ত্রাংশ খুলে ফেলে এবং আলাদা আলাদা করে বিক্রি করে। ১ কোটি ৭৬ লাখ মানুষের শহর শেনজেন, বিশাল বড় একটি প্রযুক্তিনগরী। শেনজেনকে তাই চীনের সিলিকন ভ্যালি বলা হয়।

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
অক্টোবরে ১৬ দিনে ব্যয় ৬ হাজার কোটি টাকা। তহবিল সংগ্রহে ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে কমলা। কমলার পক্ষে ভোটের জন্য অর্থ সংগ্রহ ১৮০ কোটি ডলার। ট্রাম্পের ২০২২ সাল থেকে এ পর্যন্ত সংগ্রহ ১০০ কোটি। ডেমোক্রেটিক পার্টির সমাবেশে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ক্লার্কস্টন এলাকায়। ছবি: এএফপি অপতথ্যের ছড়াছড়ি বিগত কয়েক নির্বাচন থেকে দেখছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভোটাররা। এবার অর্থকড়ির ছড়াছড়িও দেখছেন তাঁরা। সর্বশেষ ১৬ দিনে মার্কিন নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী কমলা হ্যারিস, রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা ব্যয় করছেন আধা বিলিয়ন অর্থাৎ ৫০ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৬ হাজার কোটি টাকা (১২০ টাকা প্রতি ডলার)। অর্থাৎ প্রতিদিন ব্যয় হয়েছে ৩৭৫ কোটি টাকা। নিউইয়র্ক টাইমসের গতকাল শুক্রবারের এক খবরে বলা হয়েছে, ভোটারদের তথ্য পেতে এবং বিজ্ঞাপনের জন্য এই অর্থ ব্যয় করছেন তাঁরা। ট্রাম্প ও হ্যারিসের প্রচার শিবির এই ১৬ দিনে ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আর এই দুই নেতার পক্ষে অন্যরা ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম অনুসারে নির্বাচনী প্রচারের ব্যয়ের হিসাব দিতে হয় নির্বাচন কমিশনে। সেই হিসাব সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। কমলা হ্যারিস ১ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত ব্যয় করেছেন ১৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। নথি সূত্রে জানা গেছে, দিন দিন তাঁর এই খরচ বেড়েছে। কারণ, গত আগস্টে পুরো মাসে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় করেছেন ১৩ কোটি ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, অক্টোবরের শুরুতে কমলা হ্যারিসের প্রচার শিবিরের তহবিলে জমা পড়েছে ১৮ কোটি ২৬ লাখ ডলার। তিনি এবং প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মিলে তাঁদের দল ডেমোক্রেটিক পার্টির হয়ে তুলেছেন ১৮০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহে পিছিয়ে আছেন ট্রাম্প। অক্টোবরে তাঁর প্রচার তহবিলে জমা পড়েছে ৯ কোটি ২১ লাখ ডলার। এ ছাড়া পুরো নির্বাচনী প্রচারেও অর্থ সংগ্রহ হয়েছে কম। ২০২২ সালে তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন। এর পর থেকে চলতি অক্টোবর পর্যন্ত তিনি অর্থ সংগ্রহ করতে পেরেছেন ১০০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহ কম হওয়ায় খরচও কম করতে পেরেছেন ট্রাম্প। অক্টোবরের প্রথম ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ১০ কোটি ডলার। এর মধ্যে বিজ্ঞাপনে তিনি ব্যয় করেছেন ৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, জুন, জুলাই ও আগস্টের চেয়ে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় বাড়িয়েছেন। তবে তাঁর হাতে আর বেশি অর্থ নেই ব্যয় করার মতো। তিনি বাকি সময়টায় ৩ কোটি ৬২ লাখ ডলার ব্যয় করতে পারবেন। তবে এ তুলনায় কমলা হ্যারিসের হাতে অনেক বেশি অর্থ আছে। হিসাব অনুসারে, কমলার হাতে ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার আছে নির্বাচনের প্রচারে ব্যয় করার জন্য। নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, ডেমোক্রেটিক পার্টির তহবিলে কারা টাকা দিচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে কিছু মানুষের নাম জানা যাচ্ছে। তবে সিংহভাগ অর্থ কোথা থেকে আসছে, সেটা জানা যাচ্ছে না। কমলা হ্যারিসের প্রচারে যারা সহযোগী হিসেবে কাজ করছে, সেই সুপার পিএসির তহবিল এসেছে ৪ কোটি ডলার। এই অর্থ কোথা থেকে এসেছে, সেটা জানা যাচ্ছে না।  ট্রাম্পের পাশে ইলন মাস্ক ট্রাম্পের প্রচারের শুরু থেকেই আছেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধনকুবের ইলন মাস্ক। আর্থিক এই খরার মধ্যে তিনি ট্রাম্পের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ট্রাম্পের জন্য গত ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার। ট্রাম্পের জন্য তিনি বরাদ্দ রেখেছেন ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের হিসাব বলছে, আর্থিক খরা কাটাতে অতিরিক্ত ৪ কোটি ৩৬ লাখ ডলার ব্যয় করছেন তিনি।

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

ঈদে মিলাদুন্নবীতে কী আমল করবেন, কোরআন-হাদিসে যা বলা হয়েছে

ঈদে মিলাদুন্নবীতে কী আমল করবেন, কোরআন-হাদিসে যা বলা হয়েছে

নবীজি (স.)-এর জন্মের আগে আরব কেমন ছিল?

নবীজি (স.)-এর জন্মের আগে আরব কেমন ছিল?

কেন মহানবী (সা.) ‘রাহমাতুল্লিল আলামিন’

কেন মহানবী (সা.) ‘রাহমাতুল্লিল আলামিন’
শাকিব খান নয়, ব্যবসায়ীকে বিয়ে করেছেন মিষ্টি জান্নাত
শাকিব খান নয়, ব্যবসায়ীকে বিয়ে করেছেন মিষ্টি জান্নাত
আমেরিকায় ফোবানার সম্মেলনে পারফর্ম করবেন জায়েদ খান
আমেরিকায় ফোবানার সম্মেলনে পারফর্ম করবেন জায়েদ খান
নেপাল থেকে ফিরলেন আটকে পড়া খরাজ, জানালেন অভিজ্ঞতা
নেপাল থেকে ফিরলেন আটকে পড়া খরাজ, জানালেন অভিজ্ঞতা
মৃণাল সেন রূপে চঞ্চল, সেই সিনেমা এবার আসছে অন্তর্জালে
মৃণাল সেন রূপে চঞ্চল, সেই সিনেমা এবার আসছে অন্তর্জালে
সাদা শাড়িতেও মোহময়ী মিম
সাদা শাড়িতেও মোহময়ী মিম
হোটেল কক্ষ নোংরা করার অভিযোগ, যা বললেন জেমসের ম্যানেজার
হোটেল কক্ষ নোংরা করার অভিযোগ, যা বললেন জেমসের ম্যানেজার
‘গোলাপি বাস’ নিয়ে মুখ খুললেন সাদিয়া আয়মান
‘গোলাপি বাস’ নিয়ে মুখ খুললেন সাদিয়া আয়মান
ভেনিস ও টরন্টোর পর এবার লন্ডন উৎসবে বাংলাদেশের ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’
ভেনিস ও টরন্টোর পর এবার লন্ডন উৎসবে বাংলাদেশের ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’
পাকিস্তানকে ১৯৪ রানে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতল ইংল্যান্ড
পাকিস্তানকে ১৯৪ রানে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতল ইংল্যান্ড
লর্ডসে পাকিস্তানকে ১৯৪ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ এক ম্যাচ হাতে রেখেই নিজেদের করে নিয়েছে ইংল্যান্ড। ব্যাটিং ব্যর্থতায় আবারও ভুগেছে পাকিস্তান। চতুর্থ দিনের সকালে ইংল্যান্ড নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংস দ্রুত গুটিয়ে পাকিস্তানের সামনে ৩৮৯ রানের জয়ের লক্ষ্য দেয়। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে পাকিস্তান। প্রথম পাঁচ ওভারের মধ্যেই হারায় দুই গুরুত্বপূর্ণ উইকেট। এরপর জোফরা আর্চারের বলে বাবর আজমও স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফিরলে চাপে পড়ে যায় দলটি। পাকিস্তানের ইনিংসের শুরুতে দুর্দান্ত বোলিং করেন অলি রবিনসন। আজান আওয়াইসকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলার পর আবদুল্লাহ শাফিকের অফ স্টাম্প উড়িয়ে দেন তিনি। পরে বাবর আজমকে ফেরান আর্চার। লাঞ্চের আগে সৌদ শাকিল ও শান মাসুদ কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। বিরতির পরও দুজন বেশ কিছুক্ষণ ইংল্যান্ডের বোলারদের আটকে রাখেন। মাত্র ৫৪ বলে অর্ধশতক তুলে নেন শাকিল। তবে বৃষ্টির কারণে প্রায় ৪০ মিনিট খেলা বন্ধ থাকে। খেলা শুরু হলে আবারও পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ে ধস নামে। রবিনসনের বলে শান মাসুদের প্রতিরোধ ভাঙার পর মোহাম্মদ রিজওয়ানও লেগ বিফোরের শিকার হন। ইমাম-উল-হক ব্যাট করার মতো ফিট না থাকায় পাকিস্তানের পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়ে। একপর্যায়ে সৌদ শাকিল সেঞ্চুরির কাছাকাছি পৌঁছে যান। জশ টাংয়ের এক ওভারে দুটি ছক্কাও হাঁকান তিনি। কিন্তু শতক থেকে মাত্র তিন রান দূরে থাকতে আউট হয়ে যান শাকিল। তার বিদায়ের পর পাকিস্তানের শেষ দিকের ব্যাটারদের দ্রুত ফিরিয়ে দিয়ে ম্যাচের ইতি টানেন ইংল্যান্ডের বোলাররা। শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান ১৯৪ রানে অলআউট হলে ১৯৪ রানের জয় পায় ইংল্যান্ড। এই জয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই তিন টেস্টের সিরিজ নিশ্চিত করল স্বাগতিকরা।

রবিনসন-আর্চারের তোপে ১১০ রানেই অলআউট পাকিস্তান

রবিনসন-আর্চারের তোপে ১১০ রানেই অলআউট পাকিস্তান

রবিনসন-আর্চারের তোপে ১১০ রানেই অলআউট পাকিস্তান

রবিনসন-আর্চারের তোপে ১১০ রানেই অলআউট পাকিস্তান

ম্যাকাই টেস্টে রেকর্ডগড়া বোলিংয়ের পুরস্কার পেলেন শরিফুল-স্টার্ক

ম্যাকাই টেস্টে রেকর্ডগড়া বোলিংয়ের পুরস্কার পেলেন শরিফুল-স্টার্ক

ইলন মাস্কের এক্স নিষিদ্ধের প্রস্তাব

ইলন মাস্কের এক্স নিষিদ্ধের প্রস্তাব

চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী

চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা
নবম পে-স্কেলের অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর
নবম পে-স্কেলের অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর
সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধি সংক্রান্ত নবম পে-স্কেলের অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি জানিয়েছেন, নতুন বেতন স্কেলে বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রেখে মূল বেতন পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে ২০তম গ্রেডে সর্বনিম্ন প্রারম্ভিক মূল বেতন ২০ হাজার টাকা এবং ১ম গ্রেডে সর্বোচ্চ নির্ধারিত বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা করা হয়েছে। একইসঙ্গে নতুন বেতনস্কেলের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সশস্ত্র বাহিনীর জন্য ‘যৌথবাহিনী নির্দেশাবলী ২০২৬’ অনুমোদন করা হয়েছে। নতুন বেতনস্কেল ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে। জানা গেছে, সরকারের আর্থিক সক্ষমতা, দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, মূল্যস্ফীতি, জীবনযাত্রার ব্যয়, সরকারি কর্মচারীদের জীবনমান এবং ভারসাম্যপূর্ণ বেতন কাঠামোর প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় নিয়ে নতুন বেতনস্কেল অনুমোদন করা হয়েছে। নতুন কাঠামোতে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ গ্রেডের বেতনের অনুপাত বিদ্যমান ১:১.৯৪৫ থেকে কমিয়ে ১:১.৭৮ করা হয়েছে। এতে ২০তম গ্রেডের মূল বেতন ১৪২ শতাংশ এবং ১ম গ্রেডের নির্ধারিত বেতন ১০০ শতাংশ বাড়বে। বেতনস্কেলের আর্থিক প্রভাব ও মূল্যস্ফীতির বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সরকার একযোগে পুরো বেতনস্কেল বাস্তবায়ন না করে দুই অর্থবছরে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরে পর্যায়ক্রমে এটি বাস্তবায়ন করা হবে। স্বল্প আয়ের কর্মচারীদের অগ্রাধিকার দিয়ে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের আগে বেতনস্কেল বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হয়েছে। ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ১ জুলাই ২০২৭-এর মধ্যে মূল বেতন মোট তিনটি ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। ভাতাগুলো ১ জানুয়ারি ২০২৮ থেকে একযোগে কার্যকর হবে। পর্যায়ক্রমে বেতনস্কেল বাস্তবায়ন করা হলে জাতীয় পর্যায়ে মূল্যস্ফীতির চাপ প্রশমিত করা সম্ভব হবে। নতুন বেতনস্কেলে ‘এক গ্রেড এক পেনশন’ বা ওয়ান র‌্যাঙ্ক ওয়ান পেনশন (ওআরওপি) ব্যবস্থা চালুর প্রতিশ্রুতির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বিপুল আর্থিক সংশ্লেষ এবং অসামরিক কর্মচারীদের ক্ষেত্রে ২০১৯ সালের আগের অবসরগ্রহণকারীদের তথ্য না থাকায় ওআরওপি একবারে বাস্তবায়ন না করে ২০৩০ সালের মধ্যে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর পরিবর্তে বর্তমানে অবসরভোগী পেনশনধারীদের নিট পেনশন স্ল্যাবভিত্তিক উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। মাসিক ৯ হাজার টাকা বা তার কম নিট পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের পেনশন ১০০ শতাংশ বাড়বে। ৯ হাজার ১ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত নিট পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের ৭৫ শতাংশ, ২০ হাজার ১ টাকা থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত ৬৫ শতাংশ, ৩০ হাজার ১ টাকা থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত ৬০ শতাংশ এবং ৪০ হাজার ১ টাকা বা তার বেশি নিট পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের নিট পেনশন ৫৫ শতাংশ বাড়বে। এর ফলে দীর্ঘদিন আগে অবসরে যাওয়া এবং তুলনামূলক কম নিট পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে পেনশন বৃদ্ধির পরিমাণ বেশি হবে। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানের জন্য প্রথমবারের মতো ‘প্রতিবন্ধী সন্তান ভাতা’ চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রতি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানের জন্য মাসে ৩ হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়া হবে। এ ছাড়া ইন্টারনেট ও ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যয় বিবেচনায় মোবাইল ভাতার আওতা বাড়ানো হয়েছে। এত দিন শুধু ৫ম গ্রেডের কর্মচারীরা মোবাইল ভাতা পেতেন। নতুন বেতনস্কেল অনুযায়ী সব গ্রেডের কর্মচারী এই ভাতা পাবেন। নতুন বেতনস্কেল বাস্তবায়নের ফলে প্রায় ২৪ লাখ সামরিক ও অসামরিক কর্মচারী এবং সোয়া ৯ লাখ অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী ও অন্যান্য যোগ্য সুবিধাভোগী উপকৃত হবেন। এ জন্য সরকারের অতিরিক্ত বার্ষিক আর্থিক ব্যয় হবে আনুমানিক ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা। মিডিয়াম টার্ম বাজেট ফ্রেমওয়ার্কের (এমটিবিএফ) আওতায় সংশ্লিষ্ট অর্থবছরগুলোর বাজেটে এ অর্থের সংস্থান রাখা হয়েছে। এদিকে জুডিশিয়াল সার্ভিসের জন্য পৃথক কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস বেতনস্কেল অনুমোদন করা হবে। সেটিও ১ জুলাই ২০২৬ থেকে জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬-এর মতো ধাপে ধাপে কার্যকর হবে। নতুন বেতনস্কেল বাস্তবায়নের জন্য অর্থ বিভাগ প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন, আদেশ ও নির্দেশনা জারি করবে। এতে বেতন নির্ধারণের পদ্ধতি, বিভিন্ন ভাতা, পেনশন এবং অবসর-পরবর্তী অন্যান্য সুবিধার বিস্তারিত বিধান থাকবে।

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে ত্রুটি মাত্র ১.২ শতাংশ: অর্থমন্ত্রী

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে ত্রুটি মাত্র ১.২ শতাংশ: অর্থমন্ত্রী

ডাবসহ সব ফলের দাম চড়া, চাপে ক্রেতা

ডাবসহ সব ফলের দাম চড়া, চাপে ক্রেতা

বাজারে ইলিশের সরবরাহ আছে, দাম নাগালের বাইরে

বাজারে ইলিশের সরবরাহ আছে, দাম নাগালের বাইরে

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা
গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন
গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন
হেপাটাইটিস বি ভাইরাসটি মারাত্মক সংক্রমণ ঘটাতে পারে, যা লিভারের ক্ষতি করে। স্বাভাবিক বা সি-সেকশন ডেলিভারির আগে, ডেলিভারির সময় বা ডেলিভারির পরে উভয় ভাইরাসই মায়ের কাছ থেকে শিশুর মধ্যে ছড়াতে পারে। এটি শুধু রক্তের মাধ্যমেই ছড়ায় না, বরং বীর্য, যোনি স্রাব, লালা এবং অন্যান্য শারীরিক তরলের মাধ্যমেও ছড়ানোর সম্ভাবনা থাকে। টিকা HBV সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে পারে। চিকিৎসকেরা নিয়মিত গর্ভবতী নারীদের হেপাটাইটিস বি এর পরীক্ষা করেন। আপনি যদি সংক্রমিত হন, তবে আপনার শিশুর মধ্যে এটি ছড়ানোর সম্ভাবনা হেপাটাইটিস সি-এর চেয়ে অনেক বেশি। আপনি যদি গত ৬ মাসের মধ্যে হেপাটাইটিস বি-তে অসুস্থ হয়ে থাকেন, যাকে আপনার ডাক্তার তীব্র সংক্রমণ বলতে পারেন, তবে আপনার নবজাতকের এটিতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ৯০%। যদি আপনার সংক্রমণটি আরও বেশি সময় ধরে থাকে, যাকে দীর্ঘস্থায়ী হেপাটাইটিস বি বলা হয়, তবে সেই সম্ভাবনা কমে ১০-২০% হয়ে যায়। প্রসব পরবর্তী যত্ন হেপাটাইটিস বি-এর কোনো নিরাময় নেই। কিন্তু যদি আপনার নবজাতক শিশু ১২ ঘণ্টার মধ্যে হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ এবং হেপাটাইটিস বি ইমিউন গ্লোবুলিন নামক আরেকটি শট পায়, তাহলে তার এই ভাইরাসে আক্রান্ত না হওয়ার সম্ভাবনা ৯০%-এরও বেশি থাকে। শিশুদের সাধারণত প্রথম শটটি দেওয়া হয়। কিন্তু তারা ইমিউন গ্লোবুলিনটি কেবল তখনই পায়, যখন মায়ের HBV থাকে বা থাকার সন্দেহ করা হয়। সর্বোচ্চ সুরক্ষা পাওয়ার জন্য শিশুটির পরবর্তী ৬ মাসের মধ্যে ভ্যাকসিনের বাকি দুটি ডোজও প্রয়োজন হয়। সাধারণত, মায়ের হেপাটাইটিস বি থাকলেও শিশুকে নিরাপদে বুকের দুধ খাওয়াতে পারেন। যদি স্তনবৃন্ত ফেটে যায় বা রক্তপাত হয়, তবে স্তনবৃন্ত সেরে না ওঠা পর্যন্ত সাময়িকভাবে বুকের দুধ খাওয়ানো বন্ধ রাখা উচিত। আপনি যদি নিশ্চিত না হন তবে আপনার ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন। আমেরিকান একাডেমি অফ পেডিয়াট্রিক্স (AAP) সুপারিশ করে যে, সমস্ত শিশুকে জন্মের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিনের প্রথম শট, এরপর ১-২ মাস বয়সে একটি শট এবং ৬ থেকে ১৮ মাস বয়সের মধ্যে তৃতীয় শট দেওয়া উচিত। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, সিডিসি অভিভাবকদের এই টিকার সময়সূচী সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করার সুপারিশ করেছে।

ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী

ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

নামাজের সময়সূচি

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩
*স্থানভেদে সময়ের পার্থক্য হতে পারে
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
চাকরি আবদুল বাকীকে কখনোই টানেনি। অভাবের সংসারে পরিবারের হাল ধরতে কখনো ফ্রিল্যান্সিং, কখনোবা টিউশনি করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের এই শিক্ষার্থী। তাতেও মনের খেদ মিটছিল না। সব সময় উদ্যোগী হয়ে কিছু একটা করতে, উদ্যোক্তা হতে চেয়েছেন তিনি। গত ২১ সেপ্টেম্বর সেই স্বপ্নই পূরণ হয়েছে। তিন বন্ধু ও এক অনুজকে নিয়ে দিয়েছেন ‘আহার মেলা’। খাবারের এই দোকানে তাঁর সহযোগীরা হলেন রাজশাহী কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শাহাদাত হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামি স্টাডিজ বিভাগের আল-মুত্তাকিন, আরবি বিভাগের আমির হামজা ও ফারসি বিভাগের সামিউল ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসমাইল হোসেন সিরাজী একাডেমিক ভবনের উল্টো দিকে গেলেই চোখে পড়বে এই দোকান। আহার মেলায় ভাত, খিচুড়ি, ভর্তা, ডাল, মাছ, মাংস, সবজি ও ডিমের তরকারি পাওয়া যায়। এ ছাড়া ৬০ ও ৭০ টাকার দুটি প্যাকেজ আছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন (শুক্র ও শনিবার) ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দোকান খোলা থাকে। আবদুল বাকী বলেন, ‘যেহেতু ক্লাস-পরীক্ষার সময়ে দোকানটি চালু থাকে, আমাদের অনেকেরও ওই সময় ক্লাস থাকে। যার যেদিন ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সে সেদিন থাকে না। যদি সবারই একসঙ্গে ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সেদিন দোকান বন্ধ রাখতে হয়।’ পারিবারিকভাবে সচ্ছল ছিলেন না বাকী। কলেজজীবন থেকে এ কাজ-ও কাজ করেছেন। দুই বছর আগে বাবা মারা গেলে আর্থিক দৈন্য আরও বেশি জেঁকে বসে। মূলত সে সময়ই ব্যবসার কথা ভাবতে থাকেন। মাকে পরিকল্পনার কথা শোনান। মা রাজি হন, নিজের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকা তুলে দেন ছেলের হাতে। এই মূলধনের ওপরই দাঁড়িয়ে আছে আহার মেলা। আপাতত ব্যবসা গোছানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন এই উদ্যোক্তা। ভবিষ্যতে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় আহারমেলার শাখা চালু করতে চান।

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

এসএসসির ফলে জিপিএ-৫ নয়, মাঝারি ফলেই বেশি শিক্ষার্থী

এসএসসির ফলে জিপিএ-৫ নয়, মাঝারি ফলেই বেশি শিক্ষার্থী

গণিতে ৮৭%, ইংরেজিতে ৮৫% শিক্ষকই ভিন্ন বিষয়ের

গণিতে ৮৭%, ইংরেজিতে ৮৫% শিক্ষকই ভিন্ন বিষয়ের

মন খুলে গান গাওয়া যায়, নাম্বার দেওয়া যায় না: শিক্ষামন্ত্রী

মন খুলে গান গাওয়া যায়, নাম্বার দেওয়া যায় না: শিক্ষামন্ত্রী