• সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বাংলাদেশ-ভারতের গণতান্ত্রিক ইস্যু থাকবে, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হবে
বাংলাদেশ-ভারতের গণতান্ত্রিক ইস্যু থাকবে, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হবে
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে গণতান্ত্রিক বিভিন্ন ইস্যু থাকবে এবং সেগুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। সোমবার (১০ আগস্ট) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, গণতান্ত্রিক দেশে বিভিন্ন ধরনের ইস্যু থাকবে, ইস্যু আসবে। সেগুলো সমাধান করতে হবে। ভারতের জনগণ চায় দুই দেশের মধ্যে সুন্দর সম্পর্ক। আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রীও সুন্দর সম্পর্ক চান। ভবিষ্যতে ভালো কিছু হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তার খুব ভালো লেগেছে। তাদের সঙ্গে অত্যন্ত আন্তরিক পরিবেশে আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে কোনো নির্দিষ্ট ইস্যু রয়েছে কি না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ইস্যু না থাকলে তো গণতন্ত্র থাকবে না। ইস্যু তো বাড়িতেও থাকে। আমি যখন বাড়ি যাই, বাড়িতেও ইস্যু থাকে। কিন্তু কোনো ইস্যু আমরা সমাধান করতে পারি এটা আমি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি। তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে এমন কোনো ইস্যু নেই, যা বসে আলোচনা করে সমাধান করা সম্ভব নয়। বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশই প্রাণবন্ত গণতন্ত্র। দুই দেশের সাধারণ মানুষই ভালো সম্পর্ক চায়। ভারতের সাধারণ মানুষ এবং বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার মধ্যেও মিল রয়েছে। দুই দেশের সম্পর্কের ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক বাস্তবতার কথা তুলে ধরে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, আমাদের ইতিহাস তো আপনি বদলাতে পারবেন না। আমাদের প্রতিবেশীকেও বদলাতে পারবেন না। আমরা শুধু সীমান্ত ভাগ করি না, স্বপ্নও ভাগ করি। বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, তিনি গত দুই মাসে বাংলাদেশের মানুষের কাছ থেকে অনেক সম্মান, ভালোবাসা ও আন্তরিকতা পেয়েছেন। এতে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রথম সাক্ষাতে তার মনেই হয়নি যে এটি প্রথমবারের সাক্ষাৎ। অত্যন্ত আন্তরিক ও বিনয়ী পরিবেশে তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ ও আলোচনা আরও বাড়বে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘পিপল টু পিপল’ যোগাযোগের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। দুই দেশের নেতারা একসঙ্গে বসলে বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হবে এবং সেগুলোর সমাধানের পথও বের হবে। তিনি বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক ভালো রাখার বিষয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রীও আগ্রহী। দুই দেশের সরকার কবে বৈঠকে বসবে এবং আসন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলনে দুই দেশের নেতৃত্বের বৈঠক হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সবই ভালো হবে। তিনি আরও বলেন, ইস্যু থাকবে, বাংলাদেশের ইস্যু থাকবে, ভারতের ইস্যু থাকবে। কিন্তু মানুষের ইস্যু একটাই ভালো সম্পর্ক। আর ভালো সম্পর্ক হলে বিভিন্ন পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সহজ হবে। দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে নিজের আত্মবিশ্বাসের কথা জানিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, ইস্যুগুলো সমাধান করতেই হবে। আমি খুবই আত্মবিশ্বাসী, আগামী দিনগুলো ভালোই হবে।

বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সহায়ক পরিবেশ চায় ঢাকা

বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সহায়ক পরিবেশ চায় ঢাকা

হাসিনাকে এবং হা‌দির হত্যাকারীদের প্রত্যর্পণের অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ

হাসিনাকে এবং হা‌দির হত্যাকারীদের প্রত্যর্পণের অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দীনেশ ত্রিবেদীর সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দীনেশ ত্রিবেদীর সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত

মন খুলে গান গাওয়া যায়, নাম্বার দেওয়া যায় না: শিক্ষামন্ত্রী

মন খুলে গান গাওয়া যায়, নাম্বার দেওয়া যায় না: শিক্ষামন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক

পাসের হার ও জিপিএ-৫—দুটিতেই এগিয়ে মেয়েরা

পাসের হার ও জিপিএ-৫—দুটিতেই এগিয়ে মেয়েরা
‘যে পথে আপা হেঁটেছিল, সেই পথে আপনারা হাঁটছেন’
‘যে পথে আপা হেঁটেছিল, সেই পথে আপনারা হাঁটছেন’
বিএনপিকে উদ্দেশ করে জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, যে পথে আপা হেঁটেছিল, সেই পথে আপনারা হাঁটছেন। আপা যাওয়ার আগে বলতো- আমি পালাই না, অমুকের মেয়ে পালায় না। কী হইছে এখন? পালাইছে। তিনি বলেন, বাচ্চারা স্লোগান দিয়েছিল- পালাইছে রে পালাইছে। এই পথে যারাই হাঁটবেন, তাদেরকে পালাতে হবে। এই পথ পালানোর পথ। এই পথে হাঁটলে আপনি মক্কা যেতে পারবেন না, আপনি দিল্লি চলে যাবেন। এই পথের শেষ ঠিকানা দিল্লি। এ দেশের মানুষ দিল্লির খবরদারি বাংলাদেশের ওপর চায় না। কোনো আধিপত্যবাদ মানবো না। সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়ায় কাজী আজহার আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জনসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের আমির এসব কথা বলেন। শিবির নেতা সাইফুল্লাহ বারী ও জামায়াত কর্মী সালাউদ্দিন হত্যার বিচার এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রতিবাদে এ জনসমাবেশের আয়োজন করা হয়। শফিকুর রহমান বলেন, আমরা কোনো অপশক্তির কাছে মাথা নত করবো না। ইনশাআল্লাহ মজবুত কদমে মাথা উঁচু করে যতদিন বেঁচে থাকবো, মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকতে চাই। বিড়াল হিসেবে বাঁচতে চাই না। বিড়ালের জীবন আমাদের জীবন হবে না ইনশাশাল্লাহ। আপনারা প্রস্তুত আছেন তো? প্রস্তুত থাকবেন। লড়াই চলছে, লড়াই চলবে। ইনশাআল্লাহ হকের বিজয় হবে, ইনশাআল্লাহ ১৮ কোটি মানুষের বিজয় হবে। গণভোট প্রসঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, গণভোটে আপনারা রায় দিলেন। সরকারে এখন যারা আছে তারাও বলছিল রায় দেন। আমি পরিষ্কার বলছি, গণভোট না মানলে শুধু না হবেন না, একসময় নাই হয়ে যাবেন। জনতার রায়কে অগ্রাহ্য, অপমান করে অতীতে কেউ টিকে নাই, শান্তি পায় নাই, সম্মান পায় নাই, ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে পারে নাই। আপনারা মজলুম ছিলেন, আমরা চাই আপনারা ঠিক পথে ফিরে আসুন। জনগণের সংস্কার সাধন করুন, ফ্যাসিবাদের রাস্তা বন্ধ করুন, মানবিক এবং গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের রাস্তা খুলে দিন। যদি খুলে দেন, আমরা বিরোধী দল হিসেবে আপনাদেরকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবো। ক্ষমতার লোভ নিয়ে সতর্ক করে তিনি বলেন, ক্ষমতা কারও কোমরের নিচে চিরস্থায়ী নয়। আল্লাহ যাকে পছন্দ করেন ক্ষমতায় বসান, আর যখন উঠিয়ে নিতে চান তখন উঠিয়ে নেন। ফ্যাসিবাদকে ভাইরাসের সঙ্গে তুলনা করে শফিকুর রহমান বলেন, ফ্যাসিবাদ একটা রোগ। এটা নির্দিষ্ট কোনো দলের সাথে থাকে না, এটা একটা ভাইরাস। এটা যেখানেই ভর করে, তারাই ফ্যাসিবাদী। এক ফ্যাসিবাদীকে তাড়িয়ে বাংলাদেশের জনগণ আরেক ফ্যাসিবাদী চায় না। ২০২৪ সালের আন্দোলনের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ভাই-বোনেরা রাস্তায় নেমে এসেছিলেন, মা ১০ মাসের শিশুসন্তান নিয়ে রাস্তায় নেমে এসেছিলেন। হয়তো আবার আমাদেরকে রাস্তায় নামতে হবে। যাদের জন্য প্রয়োজনে একবার নয়, শতবার নামবো ইনশাআল্লাহ। যত সময় আল্লাহ জীবন দিয়ে রেখেছেন, যত সময় নামার শক্তি দিয়ে আল্লাহ রাখবেন, তত সময় জাতির প্রয়োজনে অবশ্যই নামবো। আমরা কাপুরুষ নই, আমরা দুর্বল নই। কাপুরুষ তারা- যারা অপরাধ করে, যারা দখল বাণিজ্য করে, যারা নিরীহ মানুষের কাছ থেকে চাঁদা তোলে, যারা মা-বোনদের ইজ্জত লুণ্ঠন করে। সে যেই হোক, আমার সন্তান হলেও ওটাও কাপুরুষ। সবার নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, আমরা দেখতে চাই আমাদের শিশুরা নিরাপদ, আমাদের মেয়েরা নিরাপদ, আমাদের মায়েরা নিরাপদ, আমাদের যুবকরা নিরাপদ, আমাদের বয়স্করা নিরাপদ। সকল ধর্মের মানুষ নিরাপদ, সকল বর্ণের মানুষ নিরাপদ, এ দেশের সকল ভাষার মানুষ নিরাপদ।

চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দায়িত্বশীলদের সতর্ক ও ধৈর্যশীল হতে বললেন জামায়াত আমির

চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দায়িত্বশীলদের সতর্ক ও ধৈর্যশীল হতে বললেন জামায়াত আমির

‘এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না, ব্যাপারটি আমার নলেজে নেই’

‘এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না, ব্যাপারটি আমার নলেজে নেই’

কর্নেল অলিকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা ১১ দলীয় জোটের

কর্নেল অলিকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা ১১ দলীয় জোটের

বগুড়ায় ১৯ মাসে এইচআইভি শনাক্ত ৯৩, আক্রান্তদের ৮৭ শতাংশ পুরুষ

বগুড়ায় ১৯ মাসে এইচআইভি শনাক্ত ৯৩, আক্রান্তদের ৮৭ শতাংশ পুরুষ

বেসরকারি হাসপাতালেও কম খরচে ডেঙ্গু পরীক্ষা করতে হবে

বেসরকারি হাসপাতালেও কম খরচে ডেঙ্গু পরীক্ষা করতে হবে

হামের উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যু ৭৪৫

হামের উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যু ৭৪৫
যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা নেই বলেই ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি’ করল সৌদি!
যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা নেই বলেই ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি’ করল সৌদি!
মধ্যপ্রাচ্যের পরিবর্তনশীল ভূরাজনীতি নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে নতুন যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের আগ্রাসনের পর মধ্যপ্রাচ্যের কিছু দেশ নিজেদের নিরাপত্তায় নতুন ব্যবস্থা গ্রহণে আগ্রহী হচ্ছে। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা। শুক্রবার (৭ আগস্ট) ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ নামে পরিচিত এই চুক্তিটি সৌদি আরবের মক্কা নগরে স্বাক্ষরিত হয়। বৈঠক শেষে দেয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ জোরদার করা। এই তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে তাদের সবার ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে।’ বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘চুক্তিটি তিনটি দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সব দিক উন্নত করার সুযোগ তৈরি করবে।’ তবে বাস্তবে এই চুক্তি কেমন রূপ নেবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই চুক্তি মার্কিন নিরাপত্তা নিশ্চয়তার দীর্ঘস্থায়িত্ব নিয়ে বাড়তে থাকা প্রশ্নগুলোর দিকেই ইঙ্গিত করছে। রাইস ইউনিভার্সিটির বেকার ইনস্টিটিউট ফর পাবলিক পলিসির মিডল ইস্ট ফেলো ক্রিস্টিয়ান কোটস উলরিচসেন আল-জাজিরাকে বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো এক দশকের বেশি সময় ধরে মার্কিন নিরাপত্তা অংশীদারত্বের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে দিন দিন সংশয় পোষণ করে আসছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক অভিযান শুরুর সিদ্ধান্ত, যুদ্ধের পরবর্তী পরিচালনা এবং সংকট সমাধানে ঘন ঘন অবস্থান বদলানোর চেষ্টা- এসবই সেই উদ্বেগগুলোকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এসবই নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সম্পর্ককে বহুমুখী করার প্রচেষ্টাকে ত্বরান্বিত করেছে।’ তবে নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তি গড়ে তোলার মূল উদ্দেশ্য সম্ভবত যুক্তরাষ্ট্রকে প্রতিস্থাপিত বা বাতিল করা নয়, বরং বাড়তি কৌশলগত ও নীতিগত বিকল্প তৈরি করা বলে জানান উলরিচসেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন এখনও এই চুক্তির বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চুক্তিটি ইরান যুদ্ধের বিশৃঙ্খলা শেষে এই তিন দেশের নিজেদের নতুন করে গুছিয়ে নেয়ার একটি প্রচেষ্টা। সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল পলিসির বিশ্লেষক সিনা তোসি আল-জাজিরাকে বলেন, এটিকে প্রথম বড় ভূরাজনৈতিক সংকেত বলা যেতে পারে। এতে বোঝা যাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে আগ্রাসনের কারণে আঞ্চলিক ব্যবস্থা নতুন রূপ নিচ্ছে। এই চুক্তির গুরুত্ব আনুষ্ঠানিক একটি সামরিক জোটের চেয়েও বেশি কিছু প্রকাশ করছে। আঞ্চলিক দেশগুলো কীভাবে নিজেদের নিরাপত্তা পুনর্মূল্যায়ন করছে, সে বিষয়টিও এই চুক্তির মাধ্যমে উঠে এসেছে বলে জানান তিনি। তোসি যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের দীর্ঘদিনের জোটের কথাও উল্লেখ করেন। বহু দশক ধরে যৌথ নিরাপত্তা স্বার্থের ওপর ভিত্তি করে এই দুই দেশের মধ্যে শক্তিশালী সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত। তবে এই চুক্তি এমনই ইঙ্গিত দিতে পারে যে সৌদি আরব তার নিরাপত্তা জোটের পরিধি বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা থেকে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন মিত্ররা ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর ক্ষুব্ধ ছিল। কারণ, কোনো আঞ্চলিক সহযোগীদের ওপর এর প্রভাব কেমন পড়বে, তা না ভেবেই গত ফেব্রুয়ারিতে ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে তারা ইরানে আগ্রাসন চালায়। ইরানি বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে, যার ফলে বেসামরিক নাগরিক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। ব্যাপক হুমকির মুখে পড়েছে উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তা। অঞ্চলের জ্বালানি রপ্তানির মূল পথ ‘হরমুজ প্রণালি’ বন্ধ করার তেহরানের সিদ্ধান্ত স্থানীয় অর্থনীতিতেও দিয়েছে বড় ধাক্কা। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ব্যাপক হামলা সত্ত্বেও ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা অনেকটাই বজায় রেখেছে। বিপরীতে ওয়াশিংটন তার মিত্রদের পর্যাপ্ত আকাশ প্রতিরক্ষা গোলাবারুদ জোগাতে হিমশিম খেয়েছে। কারণ, এই আকাশ প্রতিরক্ষার সিংহভাগই ইসরায়েলে পাঠানো হয়েছিল। যুদ্ধ লাগিয়ে দেয়ার পর সৃষ্ট পরিস্থিতির মধ্যে এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তায় দীর্ঘদিনের ওয়াশিংটন-নির্ভরতা আরও বেশি চাপের মুখে পড়েছে। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের অধীনে মধ্যপ্রাচ্য নীতির অন্যতম প্রধান পরিকল্পনাকারী ব্রেট ম্যাকগার্ক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘এটি মধ্যপ্রাচ্যে একটি পরিবর্তনশীল ও সম্পূর্ণ নতুন শুরুর অধ্যায়।’ তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই নিরাপত্তা চুক্তিকে অন্যান্য দেশের সঙ্গে আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করা এবং ইরানকে ঠেকানোর একটি প্রচেষ্টা হিসেবে দেখাই সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত। ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের বিশ্লেষক ইয়াসমিন ফারুক আল-জাজিরাকে বলেন, ‘এসব দেশ সবই যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র। তারা জানে, এমন কোনো কাঠামো নেই, যা যুক্তরাষ্ট্রকে পুরোপুরি প্রতিস্থাপন করতে পারে। ফেব্রুয়ারির শেষভাগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল প্রথম যখন ইরানে আগ্রাসন চালায়, এরপর থেকেই এই তিন দেশই সাধারণত মধ্যস্থতা ও উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানিয়ে এসেছে।

দিল্লিতে প্রেস কনফারেন্সে শেখ হাসিনার দেয়া বক্তব্যে সমর্থন নেই ভারতের: রণধীর জয়সওয়াল

দিল্লিতে প্রেস কনফারেন্সে শেখ হাসিনার দেয়া বক্তব্যে সমর্থন নেই ভারতের: রণধীর জয়সওয়াল

নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম, এবার উত্তাল ভারতের ঝাড়খণ্ড

নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম, এবার উত্তাল ভারতের ঝাড়খণ্ড

দিল্লিতে হাসিনার গণমাধ্যমে ভাষণ নিয়ে যা বলছে ভারত

দিল্লিতে হাসিনার গণমাধ্যমে ভাষণ নিয়ে যা বলছে ভারত

তসলিমার নিরাপত্তার দায়িত্ব আমার, বললেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

তসলিমার নিরাপত্তার দায়িত্ব আমার, বললেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

সেউতা অভিবাসন সংকট নিয়ে ইইউর জরুরি বৈঠক

সেউতা অভিবাসন সংকট নিয়ে ইইউর জরুরি বৈঠক

দেশ ছাড়তে প্রস্তুতি নিন, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নাগরিকদের জরুরি নির্দেশনা

দেশ ছাড়তে প্রস্তুতি নিন, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নাগরিকদের জরুরি নির্দেশনা
চট্টগ্রাম বোর্ডে ৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার
চট্টগ্রাম বোর্ডে ৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার
২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে পাস করেছে ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ শিক্ষার্থী। গত পাঁচ বছরের মধ্যে এবারই এ বোর্ডে সবচেয়ে কম পাসের হার। এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ হাজার ৩৯৮ জন শিক্ষার্থী। সোমবার (১০ আগস্ট) চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী এসব তথ্য জানান। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ২০২৫ সালে পাসের হার ছিল ৭২ দশমিক ০৭ শতাংশ। ২০২৪ সালে ছিল ৮২ দশমিক ৮০ শতাংশ, ২০২৩ সালে ৭৮ দশমিক ২৯ শতাংশ এবং ২০২২ সালে ৮৭ দশমিক ৫৩ শতাংশ। এবার চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ৩০ হাজার ৬৮২ জন। এর মধ্যে পরীক্ষায় উপস্থিত ছিল ১ লাখ ৩০ হাজার ২১৯ জন। তাদের মধ্যে ছাত্রদের পাসের হার ৫৮ দশমিক ৮৬ শতাংশ এবং ছাত্রীদের ৬০ দশমিক ০৩ শতাংশ। এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ হাজার ৩৯৮ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৪ হাজার ১২৩ জন এবং ছাত্রী ৫ হাজার ২৭৫ জন। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২১৮টি কেন্দ্রে ১ হাজার ২১৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ২১টি প্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। অন্যদিকে আটটি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। এ ছাড়া শূন্য থেকে ১০ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১০টি, ১১ থেকে ৫০ শতাংশ পাস করেছে ৪৬৮টি এবং ৫১ থেকে ৯৯ শতাংশ পাস করেছে ৬৯৩টি প্রতিষ্ঠান। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত পাঁচ বছরের মধ্যে এবার চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যাও সর্বনিম্ন। ২০২৫ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১১ হাজার ৮৪৩ জন, ২০২৪ সালে ১০ হাজার ৮২৩ জন, ২০২৩ সালে ১১ হাজার ৪৫০ জন এবং ২০২২ সালে ১৮ হাজার ৬৬৪ জন। এবার সেই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৩৯৮ জনে।

কেউ যাচ্ছিলেন প্রিয়জনের কাছে, কেউ অন্য কাজে—রক্তভেজা সড়কে এখন শুধুই কান্না

কেউ যাচ্ছিলেন প্রিয়জনের কাছে, কেউ অন্য কাজে—রক্তভেজা সড়কে এখন শুধুই কান্না

সিলেটে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৯

সিলেটে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৯

বগুড়ায় নিহত বেড়ে ৭, স্পিডব্রেকার নির্মাণের আশ্বাসে সড়ক ছাড়লেন স্থানীয়রা

বগুড়ায় নিহত বেড়ে ৭, স্পিডব্রেকার নির্মাণের আশ্বাসে সড়ক ছাড়লেন স্থানীয়রা
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
এপ্রিল মাস, শনিবারের এক ভোরে আকারা ইতেহ মধ্য লন্ডনের হোলবর্ন টিউব স্টেশনে হেঁটে হেঁটে আসার সময় নিজের ফোন ঘাঁটছিলেন। মুহূর্ত কয়েক পরই ইলেকট্রিক বাইকে আসা এক ছিনতাইকারী তাঁর হাত থেকে ফোন ছিনিয়ে নেয়। নিজের ফোন উদ্ধারে ছিনতাইকারীর পেছনে ছুট লাগিয়েছিলেন আকারা। কিন্তু ধরতে ব্যর্থ হন। আকারা একা এ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাননি; বরং এ বছর এখন পর্যন্ত ইংল্যান্ড ও ওয়ালসে প্রায় ‘৭৮ হাজার’ ফোন ছিনতাই হয়েছে। গত বছরের তুলনায় যা অনেক বেশি। এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে বিচার হওয়ার হার খুবই কম। পুলিশের বক্তব্য, তারা দায়ী অপরাধীদের খোঁজ করে। কিন্তু তারা যেভাবে গায়েব হয়ে যায় বা এত ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন করে যে তাদের গ্রেপ্তার করা কঠিন হয়ে যায়। এ ধরনের অপরাধের শিকার ব্যক্তিরা তাঁদের দুর্দশার কথা বিবিসিকে বলেছেন। বলেছেন, ফোন হারিয়ে গেলে এমন অনেক ছবি ও তথ্য হারিয়ে যায়, যেগুলো আর কখনো ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। সঙ্গে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি তো আছেই। তাঁদের মধ্যে আকারার মতো অনেকে আরও একটি কারণে নিদারুণ হতাশায় ডুবে যান। আকারা তাঁর ফোনটি কোথা থেকে কোথায় যাচ্ছে, তা অনলাইনে অনুসরণ করতে পারছেন; কিন্তু সেটি ফেরত আনার ক্ষমতা তাঁর নেই। ফোন ছিনতাই হওয়ার এক ঘণ্টা বা তার কিছু পরে বাড়িতে ফিরে আকারা তাঁর আইফোন ১৩ হারিয়ে গেছে (লস্ট মুড) অপশনটি চালু করেন। এটা করা হলে চোর ওই ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। এরপর আকারা তাঁর ল্যাপটপের সাহায্যে ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ ফিচার চালু করেন। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আকারা তাঁর ফোনটি কোথায় আছে, সেটা দেখতে পারেন। ল্যাপটপের স্ক্রিনে লন্ডনের বিভিন্ন জায়গায় নিজের ফোন ঘুরে বেড়াতে দেখেন আকারা। ফোন উদ্ধারের আশায় ল্যাপটপে দেখানো দুই জায়গায় নিজেই গিয়েছিলেন আকারা। তিনি বলেন, ‘এটা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। উত্তেজনায়, রাগে আমি এটা করেছিলাম।’ আকারা অবশ্য কারও সঙ্গে কথা বলেননি। তবে বুঝতে পারছিলেন, তাঁকে কেউ অনুসরণ করছে। তিনি বাড়ি চলে যান। আকারা বলেন, ‘আমি খুবই ক্ষুব্ধ ছিলাম। ফোনটা দামি। ওই ফোন কিনতে আমি কঠোর পরিশ্রম করে অর্থ উপার্জন করি এবং কেউ একজন সব ঘেঁটে দিল।’ আকারার ফোনটি যখন চুরি যায়, তখন রাস্তায় তিনি পুলিশ দেখতে পেয়ে তাদের সবকিছু খুলে বলেছিলেন। যদিও তাঁর মনে হয়েছে, পুলিশ কর্মকর্তারা জানতেন, ফোন চুরি করতে চোররা ওই এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। পুলিশ তাকে অনলাইনে অভিযোগ করার পরামর্শ দেয় এবং তিনি সেটা করেন। কয়েক দিন পর ই–মেইল পাঠিয়ে পুলিশ আকারাকে জানায়, তাঁর ফোন চুরির মামলাটির তদন্তকাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বলেছে, ‘সম্ভবত আমরা দোষীদের শনাক্ত করতে পারব না।’ যেখান থেকে ফোন চুরি হয়েছিল, সেখানকার ছবি ও কিছু তথ্য আকারা পুলিশকে দিয়েছিলেন। পুলিশ সেটা গ্রহণ করেছে। কিন্তু ফোন উদ্ধারে আর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ফোন চুরির ঠিক এক মাস পর, মে মাসে আকারা তাঁর ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ আবার দেখেন। তখন সেটির অবস্থান দেখাচ্ছিল শেনজেন, চীন। আকারা এবার সব আশা ছেড়ে দেন। চুরি যাওয়া অনেক ফোনের শেষ গন্তব্য হয় শেনজেন। সেখানে যদি ফোনটি খোলা এবং নতুন করে ব্যবহার করা না যায়, তাঁরা সেটির যন্ত্রাংশ খুলে ফেলে এবং আলাদা আলাদা করে বিক্রি করে। ১ কোটি ৭৬ লাখ মানুষের শহর শেনজেন, বিশাল বড় একটি প্রযুক্তিনগরী। শেনজেনকে তাই চীনের সিলিকন ভ্যালি বলা হয়।

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
অক্টোবরে ১৬ দিনে ব্যয় ৬ হাজার কোটি টাকা। তহবিল সংগ্রহে ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে কমলা। কমলার পক্ষে ভোটের জন্য অর্থ সংগ্রহ ১৮০ কোটি ডলার। ট্রাম্পের ২০২২ সাল থেকে এ পর্যন্ত সংগ্রহ ১০০ কোটি। ডেমোক্রেটিক পার্টির সমাবেশে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ক্লার্কস্টন এলাকায়। ছবি: এএফপি অপতথ্যের ছড়াছড়ি বিগত কয়েক নির্বাচন থেকে দেখছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভোটাররা। এবার অর্থকড়ির ছড়াছড়িও দেখছেন তাঁরা। সর্বশেষ ১৬ দিনে মার্কিন নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী কমলা হ্যারিস, রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা ব্যয় করছেন আধা বিলিয়ন অর্থাৎ ৫০ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৬ হাজার কোটি টাকা (১২০ টাকা প্রতি ডলার)। অর্থাৎ প্রতিদিন ব্যয় হয়েছে ৩৭৫ কোটি টাকা। নিউইয়র্ক টাইমসের গতকাল শুক্রবারের এক খবরে বলা হয়েছে, ভোটারদের তথ্য পেতে এবং বিজ্ঞাপনের জন্য এই অর্থ ব্যয় করছেন তাঁরা। ট্রাম্প ও হ্যারিসের প্রচার শিবির এই ১৬ দিনে ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আর এই দুই নেতার পক্ষে অন্যরা ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম অনুসারে নির্বাচনী প্রচারের ব্যয়ের হিসাব দিতে হয় নির্বাচন কমিশনে। সেই হিসাব সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। কমলা হ্যারিস ১ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত ব্যয় করেছেন ১৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। নথি সূত্রে জানা গেছে, দিন দিন তাঁর এই খরচ বেড়েছে। কারণ, গত আগস্টে পুরো মাসে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় করেছেন ১৩ কোটি ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, অক্টোবরের শুরুতে কমলা হ্যারিসের প্রচার শিবিরের তহবিলে জমা পড়েছে ১৮ কোটি ২৬ লাখ ডলার। তিনি এবং প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মিলে তাঁদের দল ডেমোক্রেটিক পার্টির হয়ে তুলেছেন ১৮০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহে পিছিয়ে আছেন ট্রাম্প। অক্টোবরে তাঁর প্রচার তহবিলে জমা পড়েছে ৯ কোটি ২১ লাখ ডলার। এ ছাড়া পুরো নির্বাচনী প্রচারেও অর্থ সংগ্রহ হয়েছে কম। ২০২২ সালে তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন। এর পর থেকে চলতি অক্টোবর পর্যন্ত তিনি অর্থ সংগ্রহ করতে পেরেছেন ১০০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহ কম হওয়ায় খরচও কম করতে পেরেছেন ট্রাম্প। অক্টোবরের প্রথম ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ১০ কোটি ডলার। এর মধ্যে বিজ্ঞাপনে তিনি ব্যয় করেছেন ৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, জুন, জুলাই ও আগস্টের চেয়ে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় বাড়িয়েছেন। তবে তাঁর হাতে আর বেশি অর্থ নেই ব্যয় করার মতো। তিনি বাকি সময়টায় ৩ কোটি ৬২ লাখ ডলার ব্যয় করতে পারবেন। তবে এ তুলনায় কমলা হ্যারিসের হাতে অনেক বেশি অর্থ আছে। হিসাব অনুসারে, কমলার হাতে ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার আছে নির্বাচনের প্রচারে ব্যয় করার জন্য। নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, ডেমোক্রেটিক পার্টির তহবিলে কারা টাকা দিচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে কিছু মানুষের নাম জানা যাচ্ছে। তবে সিংহভাগ অর্থ কোথা থেকে আসছে, সেটা জানা যাচ্ছে না। কমলা হ্যারিসের প্রচারে যারা সহযোগী হিসেবে কাজ করছে, সেই সুপার পিএসির তহবিল এসেছে ৪ কোটি ডলার। এই অর্থ কোথা থেকে এসেছে, সেটা জানা যাচ্ছে না।  ট্রাম্পের পাশে ইলন মাস্ক ট্রাম্পের প্রচারের শুরু থেকেই আছেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধনকুবের ইলন মাস্ক। আর্থিক এই খরার মধ্যে তিনি ট্রাম্পের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ট্রাম্পের জন্য গত ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার। ট্রাম্পের জন্য তিনি বরাদ্দ রেখেছেন ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের হিসাব বলছে, আর্থিক খরা কাটাতে অতিরিক্ত ৪ কোটি ৩৬ লাখ ডলার ব্যয় করছেন তিনি।

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

১৫ বছরের কমবয়সী ও দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্তরা হজে যেতে পারবে না

১৫ বছরের কমবয়সী ও দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্তরা হজে যেতে পারবে না

মিজানুর রহমান আজহারীর তাফসির মাহফিল স্থগিত

মিজানুর রহমান আজহারীর তাফসির মাহফিল স্থগিত

সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজের ইন্তেকাল

সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজের ইন্তেকাল
ঢাকায় আবারও হতে যাচ্ছে সেলিনা মনিরের ব্রাইডাল মেকআপ মাস্টারক্লাস
ঢাকায় আবারও হতে যাচ্ছে সেলিনা মনিরের ব্রাইডাল মেকআপ মাস্টারক্লাস
কেন বিয়ে করেননি সাইফ আলী খানের বোন সাবা
কেন বিয়ে করেননি সাইফ আলী খানের বোন সাবা
মালাইকার হাতে জ্যান্ত সাপ, ব্যাপার কী?
মালাইকার হাতে জ্যান্ত সাপ, ব্যাপার কী?
আট বছর পর ফিরছেন প্রীতি, জানালেন বিরতির কারণ
আট বছর পর ফিরছেন প্রীতি, জানালেন বিরতির কারণ
৪ হাজার কোটি রুপির সিনেমা, কেমন হলো প্রথম পর্বের ট্রেলার?
৪ হাজার কোটি রুপির সিনেমা, কেমন হলো প্রথম পর্বের ট্রেলার?
শুটিংয়ের ব্যস্ততার মাঝেও বন্যাদুর্গতদের পাশে সালমান খান
শুটিংয়ের ব্যস্ততার মাঝেও বন্যাদুর্গতদের পাশে সালমান খান
বাংলাদেশে থাকতে পেরে, গাইতে পেরে আমি গর্বিত : রুনা লায়লা
বাংলাদেশে থাকতে পেরে, গাইতে পেরে আমি গর্বিত : রুনা লায়লা
এক মাসে ১২ হাজার কোটি টাকা আয়, রেকর্ড গড়ল এই অ্যানিমেটেড ছবি
এক মাসে ১২ হাজার কোটি টাকা আয়, রেকর্ড গড়ল এই অ্যানিমেটেড ছবি
দুঃসংবাদ পেল ভারত, শ্রীলঙ্কা সিরিজে নেই সুদর্শন
দুঃসংবাদ পেল ভারত, শ্রীলঙ্কা সিরিজে নেই সুদর্শন
শঙ্কাটাই শেষ পর্যন্ত সত্যি হলো। গোড়ালির চোট পুরোপুরি সেরে না ওঠায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই টেস্টের সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন ভারতের বাঁহাতি ব্যাটার সাই সুদর্শন। তাঁর ছিটকে যাওয়া ভারতীয় শিবিরে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। গত ৪ আগস্ট দলের অন্য সদস্যরা শ্রীলঙ্কার উদ্দেশে রওনা দিলেও সুদর্শন বেঙ্গালুরুর ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সেন্টার অব এক্সিলেন্সে থেকে যান। পরিকল্পনা ছিল, ফিটনেস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে প্রথম টেস্টের আগে দলের সঙ্গে যোগ দেবেন তিনি। তবে চোট পুরোপুরি সেরে না ওঠায় সেই সম্ভাবনাও শেষ হয়ে যায়। শনিবার সুদর্শনের সিরিজ থেকে ছিটকে যাওয়ার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানায় বিসিসিআই। সুদর্শনের অনুপস্থিতিতে ভারতের ব্যাটিং অর্ডারেও পরিবর্তন আনতে হবে। টেস্ট দলে কোচ গৌতম গম্ভীর সাধারণত তাঁকে তিন নম্বরে খেলান। ফলে তাঁর জায়গায় কে খেলবেন, তা নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে কোচ গম্ভীর ও অধিনায়ক শুবমান গিলকে। এদিকে সুদর্শনের বদলি হিসেবে কাউকে শ্রীলঙ্কায় পাঠানো হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি বিসিসিআই। তবে সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে আলোচনায় রয়েছে সরফরাজ খান ও শেখ রশিদের নাম। সরফরাজ গত এক সপ্তাহ ধরে বেঙ্গালুরুর সেন্টার অব এক্সিলেন্সে রয়েছেন। দলে নিয়মিত সুযোগ না পাওয়ার হতাশার কথাও শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন তিনি। অন্যদিকে ভারত ‘এ’ দলের হয়ে শ্রীলঙ্কা সফরে থাকা শেখ রশিদকেও সেন্টার অব এক্সিলেন্সে ডেকে পাঠানো হয়েছে। ফলে সুদর্শনের বিকল্প হিসেবে এই দুজনের যেকোনো একজনকে মূল দলে অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে। সুদর্শনের পর চোটের কারণে জসপ্রিত বুমরাহর অনুপস্থিতিও ভারতের জন্য বড় ধাক্কা। গুরুত্বপূর্ণ দুই ক্রিকেটারকে না পাওয়ায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজে ভারতের একাদশ সাজানোয় নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে দলটি।

নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পেলে দেশে ফিরতে ও বিচারের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত সাকিব

নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পেলে দেশে ফিরতে ও বিচারের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত সাকিব

বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্তে অনড় উয়েফা

বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্তে অনড় উয়েফা

অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে ব্যাটারদের চ্যালেঞ্জ দেখছেন শান্ত

অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে ব্যাটারদের চ্যালেঞ্জ দেখছেন শান্ত

ইলন মাস্কের এক্স নিষিদ্ধের প্রস্তাব

ইলন মাস্কের এক্স নিষিদ্ধের প্রস্তাব

চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী

চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা
বাজার সিন্ডিকেট ও মজুতদারি করলেই কঠোর ব্যবস্থা
বাজার সিন্ডিকেট ও মজুতদারি করলেই কঠোর ব্যবস্থা
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বাজারগুলোতে ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে কৃষকদের জিম্মি করে ফেলেছে। এসব সিন্ডিকেট ভেঙে প্রান্তিক কৃষকদের লাভবান করতে আমরা কাজ করছি। তিনি বলেন, ‘বাজার সিন্ডিকেট ও মজুতদারির বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন প্রয়োগ করা হবে। ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে মজুতদারির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। সুতরাং যারা মজুতদারি করবেন, তারা ভেবেচিন্তে করবেন।’ শনিবার ঝিনাইদহের শৈলকূপায় পাট ও পেঁয়াজের পাইকারি হাট ও আড়ত পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের কৃষকরা ঘাম ঝরিয়ে ফসল ফলিয়ে ন্যায্য দাম পান না। বাজারে আসার পর কৃষকরা সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েন। এক মণ পাট বা পেঁয়াজে অতিরিক্ত ২ কেজি করে তোলা দিতে হতো। এরপরে আবার বাজারের পরিচ্ছন্নতা কর্মী ও হিজড়ারা কৃষকের কাছ থেকে তোলা নেয়। ফলে দেখা গেছে, এক মণে কৃষক দিচ্ছে ৪৫ কেজি। এটা অন্যায্য।’ তিনি বলেন, ‘বাজারের এই সিন্ডিকেট আমরা ভেঙে দেব। এরই মধ্যে সব হাট ও বাজারে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নিয়ম লঙ্ঘন করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। যেসব ব্যবসায়ী তোলা না পেলে মালামাল কিনবেন না বলে হুমকি দিচ্ছেন, তাদের বলব- বাজার ছেড়ে চলে যান। বিকল্প ব্যবসায়ী এমনিতেই তৈরি হয়ে যাবে।’ বাজার পরিদর্শনকালে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে ডিবিএল গ্রুপের সব পোশাক কারখানা বন্ধ, ঝুঁকিতে ২৫ হাজার শ্রমিকের চাকরি

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে ডিবিএল গ্রুপের সব পোশাক কারখানা বন্ধ, ঝুঁকিতে ২৫ হাজার শ্রমিকের চাকরি

জুলাইয়ে রেমিট্যান্স ৩৫ হাজার কোটি টাকা ছাড়াল, বেড়েছে ১৫.৪ শতাংশ

জুলাইয়ে রেমিট্যান্স ৩৫ হাজার কোটি টাকা ছাড়াল, বেড়েছে ১৫.৪ শতাংশ

আরও বেড়েছে মাছ-মুরগি-ডিমের দাম

আরও বেড়েছে মাছ-মুরগি-ডিমের দাম

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা
গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন
গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন
হেপাটাইটিস বি ভাইরাসটি মারাত্মক সংক্রমণ ঘটাতে পারে, যা লিভারের ক্ষতি করে। স্বাভাবিক বা সি-সেকশন ডেলিভারির আগে, ডেলিভারির সময় বা ডেলিভারির পরে উভয় ভাইরাসই মায়ের কাছ থেকে শিশুর মধ্যে ছড়াতে পারে। এটি শুধু রক্তের মাধ্যমেই ছড়ায় না, বরং বীর্য, যোনি স্রাব, লালা এবং অন্যান্য শারীরিক তরলের মাধ্যমেও ছড়ানোর সম্ভাবনা থাকে। টিকা HBV সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে পারে। চিকিৎসকেরা নিয়মিত গর্ভবতী নারীদের হেপাটাইটিস বি এর পরীক্ষা করেন। আপনি যদি সংক্রমিত হন, তবে আপনার শিশুর মধ্যে এটি ছড়ানোর সম্ভাবনা হেপাটাইটিস সি-এর চেয়ে অনেক বেশি। আপনি যদি গত ৬ মাসের মধ্যে হেপাটাইটিস বি-তে অসুস্থ হয়ে থাকেন, যাকে আপনার ডাক্তার তীব্র সংক্রমণ বলতে পারেন, তবে আপনার নবজাতকের এটিতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ৯০%। যদি আপনার সংক্রমণটি আরও বেশি সময় ধরে থাকে, যাকে দীর্ঘস্থায়ী হেপাটাইটিস বি বলা হয়, তবে সেই সম্ভাবনা কমে ১০-২০% হয়ে যায়। প্রসব পরবর্তী যত্ন হেপাটাইটিস বি-এর কোনো নিরাময় নেই। কিন্তু যদি আপনার নবজাতক শিশু ১২ ঘণ্টার মধ্যে হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ এবং হেপাটাইটিস বি ইমিউন গ্লোবুলিন নামক আরেকটি শট পায়, তাহলে তার এই ভাইরাসে আক্রান্ত না হওয়ার সম্ভাবনা ৯০%-এরও বেশি থাকে। শিশুদের সাধারণত প্রথম শটটি দেওয়া হয়। কিন্তু তারা ইমিউন গ্লোবুলিনটি কেবল তখনই পায়, যখন মায়ের HBV থাকে বা থাকার সন্দেহ করা হয়। সর্বোচ্চ সুরক্ষা পাওয়ার জন্য শিশুটির পরবর্তী ৬ মাসের মধ্যে ভ্যাকসিনের বাকি দুটি ডোজও প্রয়োজন হয়। সাধারণত, মায়ের হেপাটাইটিস বি থাকলেও শিশুকে নিরাপদে বুকের দুধ খাওয়াতে পারেন। যদি স্তনবৃন্ত ফেটে যায় বা রক্তপাত হয়, তবে স্তনবৃন্ত সেরে না ওঠা পর্যন্ত সাময়িকভাবে বুকের দুধ খাওয়ানো বন্ধ রাখা উচিত। আপনি যদি নিশ্চিত না হন তবে আপনার ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন। আমেরিকান একাডেমি অফ পেডিয়াট্রিক্স (AAP) সুপারিশ করে যে, সমস্ত শিশুকে জন্মের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিনের প্রথম শট, এরপর ১-২ মাস বয়সে একটি শট এবং ৬ থেকে ১৮ মাস বয়সের মধ্যে তৃতীয় শট দেওয়া উচিত। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, সিডিসি অভিভাবকদের এই টিকার সময়সূচী সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করার সুপারিশ করেছে।

ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী

ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

নামাজের সময়সূচি

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
*স্থানভেদে সময়ের পার্থক্য হতে পারে
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
চাকরি আবদুল বাকীকে কখনোই টানেনি। অভাবের সংসারে পরিবারের হাল ধরতে কখনো ফ্রিল্যান্সিং, কখনোবা টিউশনি করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের এই শিক্ষার্থী। তাতেও মনের খেদ মিটছিল না। সব সময় উদ্যোগী হয়ে কিছু একটা করতে, উদ্যোক্তা হতে চেয়েছেন তিনি। গত ২১ সেপ্টেম্বর সেই স্বপ্নই পূরণ হয়েছে। তিন বন্ধু ও এক অনুজকে নিয়ে দিয়েছেন ‘আহার মেলা’। খাবারের এই দোকানে তাঁর সহযোগীরা হলেন রাজশাহী কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শাহাদাত হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামি স্টাডিজ বিভাগের আল-মুত্তাকিন, আরবি বিভাগের আমির হামজা ও ফারসি বিভাগের সামিউল ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসমাইল হোসেন সিরাজী একাডেমিক ভবনের উল্টো দিকে গেলেই চোখে পড়বে এই দোকান। আহার মেলায় ভাত, খিচুড়ি, ভর্তা, ডাল, মাছ, মাংস, সবজি ও ডিমের তরকারি পাওয়া যায়। এ ছাড়া ৬০ ও ৭০ টাকার দুটি প্যাকেজ আছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন (শুক্র ও শনিবার) ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দোকান খোলা থাকে। আবদুল বাকী বলেন, ‘যেহেতু ক্লাস-পরীক্ষার সময়ে দোকানটি চালু থাকে, আমাদের অনেকেরও ওই সময় ক্লাস থাকে। যার যেদিন ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সে সেদিন থাকে না। যদি সবারই একসঙ্গে ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সেদিন দোকান বন্ধ রাখতে হয়।’ পারিবারিকভাবে সচ্ছল ছিলেন না বাকী। কলেজজীবন থেকে এ কাজ-ও কাজ করেছেন। দুই বছর আগে বাবা মারা গেলে আর্থিক দৈন্য আরও বেশি জেঁকে বসে। মূলত সে সময়ই ব্যবসার কথা ভাবতে থাকেন। মাকে পরিকল্পনার কথা শোনান। মা রাজি হন, নিজের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকা তুলে দেন ছেলের হাতে। এই মূলধনের ওপরই দাঁড়িয়ে আছে আহার মেলা। আপাতত ব্যবসা গোছানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন এই উদ্যোক্তা। ভবিষ্যতে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় আহারমেলার শাখা চালু করতে চান।

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

মন খুলে গান গাওয়া যায়, নাম্বার দেওয়া যায় না: শিক্ষামন্ত্রী

মন খুলে গান গাওয়া যায়, নাম্বার দেওয়া যায় না: শিক্ষামন্ত্রী

পাসের হার ও জিপিএ-৫—দুটিতেই এগিয়ে মেয়েরা

পাসের হার ও জিপিএ-৫—দুটিতেই এগিয়ে মেয়েরা

চট্টগ্রাম বোর্ডে ৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার

চট্টগ্রাম বোর্ডে ৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার