• সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
ব্যাংক খাতে দুর্নীতি দমন, পুঁজিবাজারে কারসাজির বিরুদ্ধে কড়া বার্তা সংসদে
ব্যাংক খাতে দুর্নীতি দমন, পুঁজিবাজারে কারসাজির বিরুদ্ধে কড়া বার্তা সংসদে
ব্যাংক খাতে দুর্নীতি দমন, পুঁজিবাজারে কারসাজির বিরুদ্ধে কড়া বার্তা সংসদে
ব্যাংক খাতে দুর্নীতি দমন, পুঁজিবাজারে কারসাজির বিরুদ্ধে কড়া বার্তা সংসদে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের ২১তম দিনের কার্যক্রমে ব্যাংক খাতের দুর্নীতি দমন, শেয়ারবাজার কারসাজির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এবং জাতীয় নিরাপত্তার মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট ইস্যু নিয়ে মুখর ছিল সংসদ।  অধিবেশনে ব্যাংক লুটেরাদের সম্পত্তি নিলাম করে আমানতকারীদের সঞ্চয় ফিরিয়ে দেওয়ার জোর দাবি জানানো হলে, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আশ্বস্ত করেন যে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের সুদসহ টাকা ফেরত দেওয়া হবে এবং কোনো ‘হেয়ার কাট’ রাখা হবে না।  এছাড়া দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আগামী ১০ বছরে সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে ৮৬ হাজার কোটি টাকার মহাপরিকল্পনা, মিয়ানমারের জান্তাসহ সব পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন জোরদার, চীনে কাঁঠাল রপ্তানি এবং মেয়েদের ডিগ্রি বা অনার্স পর্যন্ত বিনা মূল্যে শিক্ষার সুযোগ দেওয়ার মতো সরকারের একাধিক দূরদর্শী ও যুগান্তকারী পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।  বুধবার (৮ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টায় বাজেট অধিবেশনের ২১তম দিনের কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথম অংশে সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সভাপতিত্ব করার পর, বাদ আসর পরবর্তী সেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। সংসদে ব্যাংক লুটেরা এবং ব্যাংক খেকো মালিকদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করে তাদের সমস্ত সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে গ্রাহকদের টাকা গ্রাহকদের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু। জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালী বিধির ৭১ বিধিতে জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন বিষয় সম্পর্কে মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশে তিনি এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।  নোটিশে সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু বলেন, দেশের কয়েকটি ব্যাংকের অনিয়ম, দুর্নীতি এবং মালিক পক্ষের অর্থ পাচারের কারণে আজ লক্ষ লক্ষ আমানতকারী তাদের টাকা তুলতে পারছে না। এই টাকা বিলাসিতার জন্য নয়। এটা একজন বাবার মেয়ের বিয়ের স্বপ্ন, একজন মায়ের চিকিৎসার শেষ ভরসা, একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যতের টিউশন ফি, একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর জীবন বাঁচানোর মূলধন, কষ্টে অর্জিত টাকা; কারও পেনশনের সঞ্চয়, কারও সারাজীবনের কষ্টার্জিত আয় বিশ্বাস করে ব্যাংকে রেখেছিল। সমস্ত লুটেরা এবং ব্যাংক খেকো মালিকদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করে তাদের সমস্ত সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে গ্রাহকদের টাকা গ্রাহকদের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য অর্থমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। নোটিশের জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, এটি একটি হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে। বাংলাদেশে একটি নির্বাচিত সরকার এ ব্যাপারে নীরব থাকতে পারে না। সরকার দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড আর্থিক খাত আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে একটি সুসংগঠিত বহুমাত্রিক রেজুলেশন কাঠামো প্রতিষ্ঠা করেছে। এই কাঠামোর আইনি ভিত্তি হিসেবে ‘ব্যাংক রেজুলেশন আইন ২০২৬’ প্রণীত হয়েছে। এর আওতায় সমস্যাগ্রস্ত পাঁচটি ব্যাংক তথা এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাংক অব বাংলাদেশ-পিএলসি (এক্সিম ব্যাংক), ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক-পিএলসি, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক-পিএলসি, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক-পিএলসি ও ইউনিয়ন ব্যাংককে একীভূত করে সম্মিলিত ‘ইসলামী ব্যাংক-পিএলসি’ গঠন করা হয়েছে। এটি রেজুলেশন কৌশলের অধীনে গৃহীত সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ। এই একীভূতকরণের ফলে পাঁচটি ব্যাংকের সব আমানতকারীর দাবি ও স্বার্থ নতুন ব্যাংকে সংরক্ষিত হয়েছে। এর পাশাপাশি আমানত সুরক্ষা তহবিলের বিধানের আওতায় নির্ধারিত সীমা পর্যন্ত আমানতকারীর ক্ষতিপূরণ পাওয়ার আইনি অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এক্ষেত্রে ‘আমানত সুরক্ষা আইন-২০২৬’ এর মাধ্যমে সুরক্ষিত আমানতের পরিমাণ সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা থেকে ২ লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। রেজুলেশনের আওতায় ব্যাংকগুলোর আমানতকারীরা বাংলাদেশ ব্যাংকের রেজুলেশন স্কিম মোতাবেক আমানতের অর্থ পর্যায়ক্রমে ফেরত পাচ্ছেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, ব্যাংক রেজুলেশন আইন ২০২৬ এর ৫৭ ধারায় রেজুলেশনের আওতাধীন ব্যাংকের পাওনা আদায়ের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে দায়ী ব্যক্তি কর্তৃক ব্যাংকের সম্পদ অথবা তহবিল হতে অর্জিত সকল আয়, সম্পত্তি, অধিকার এবং সম্পদের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এই আইনের প্রয়োগের মাধ্যমে দায়ী ব্যক্তিদের সম্পত্তির নিয়ন্ত্রণ গ্রহণপূর্বক বিক্রয় বা নিলামের মাধ্যমে গ্রাহকের টাকা পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হবে। এছাড়া ফৌজদারি ক্রিমিনাল মামলার পাশাপাশি দেওয়ানি সিভিল পদ্ধতি গ্রহণের মাধ্যমে ব্যাংকিং সেক্টরে অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে সৃষ্ট খেলাপি ঋণের টাকা এবং অবৈধভাবে বিদেশে পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।  অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যের পর রেহানা আক্তার রানু বলেন, যারা গ্রাহকের টাকা লুট করেছে, ওই সমস্ত ব্যাংক ডাকাত, ব্যাংক লুটেরাদের কোনো ক্ষমা হতে পারে না। তারা পৃথিবীর যেখানেই থাকুক না কেন, ফিরিয়ে এনে তাদেরকে ‘ডিম থেরাপি’ দিয়ে এই টাকা আদায় করতে হবে। মন্ত্রীর কাছে আমার প্রশ্ন, ‘হেয়ার কাট’ নামক ‘মরণ কাট’ প্রত্যাহার করে ৭৫ লাখ গ্রাহককে স্বস্তি দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা আপনার মন্ত্রণালয়ের আছে কি না? আমানত সুদসহ ফেরত দেওয়া হবে, হেয়ার কাট থাকবে না জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আমি ভীত ও সন্তুষ্ট বোধ করছি। অলমোস্ট ওয়ার্নিংয়ের মতো বক্তব্য এসেছে। আমি আগেই বলেছি, এটি একটি হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে এবং একটি নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব এটার সঠিক সমাধান দেওয়া। ইতোমধ্যে আমি আগেও বলেছি সংসদে, যারা আমানতকারী তাদের আমানত সুদসহ ফেরত দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ। তবে একটু ধৈর্য ধরতে হবে, কারণ এই ব্যাংকগুলো সবগুলোই লোকসানের মধ্যে আছে এবং লোকসান কিন্তু প্রতিদিন বাড়ছে। লোকসানি একটা ব্যাংক যেখানে তার আমানত ফিরিয়ে দিতে পারছে না, সেখানে তাকে সুদ দেওয়া যে কত কঠিন, সেটা আপনাদের বুঝতে হবে। জনগণের স্বার্থ সংরক্ষণে আমরা নিশ্চিতভাবে তাদের আমানত এবং সুদ ফেরত দেব। কিন্তু এটার জন্য একটা সময়ের প্রয়োজন। এই ব্যাংকগুলোতে ‘হেয়ার কাট’ থাকবে না। বিদ্যুৎ ইস্যুতে বিব্রত গ্রামে-গঞ্জে বিদ্যুৎ এখন বড় ইস্যু উল্লেখ করে জামালপুর-৩ আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল সম্পূরক প্রশ্নে বলেন, আমরা যখন গ্রামে যাই, এই ইস্যু আমাদেরকে বিব্রত করে, অস্বস্তিতে ফেলে। মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল বলেন, আমার নির্বাচনি এলাকা মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ- এই দুই উপজেলায় পিক আওয়ারে বিদ্যুতের চাহিদা ৪৩ মেগাওয়াট, বর্তমানে প্রাপ্তি হচ্ছে ২৭ মেগাওয়াট। অফ-পিক আওয়ারে চাহিদা ৩৮ মেগাওয়াট, সেখানে সরবরাহ করা হচ্ছে ২৫ মেগাওয়াট। ফলে গড়ে ৩৪-৩৮ শতাংশ লোডশেডিং হচ্ছে। এই পরিস্থিতি থেকে কবে নাগাদ উত্তরণ সম্ভবপর হবে এবং কবে নাগাদ আমরা আমাদের নির্বাচনি এলাকায় বিদ্যুতের গ্রাহকদের আশ্বস্ত করতে পারব ও লোডশেডিংয়ের হাত থেকে পরিত্রাণ দিতে পারব? জবাবে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ময়মনসিংহ এলাকায় ট্রান্সমিশন লাইনে সমস্যা রয়েছে। এজন্য আমরা ট্রান্সমিশন লাইনের প্রকল্প গ্রহণ করেছি। ট্রান্সমিশনের জন্য বড় বড় টাওয়ার করতে হয়। কিন্তু জমির মালিকরা মামলা করে স্থগিতাদেশ নিয়ে আসেন। এজন্য এতদিন ট্রান্সমিশন লাইন স্থাপন করা যায়নি। খাসজমি উদ্ধার ও ভূমিহীনদের মধ্যে বিতরণ সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নুরুল ইসলামের উত্থাপিত জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেন, সরকারি খাসজমি অবৈধ দখলমুক্ত করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। তিনি বলেন, ভূমিদস্যুমুক্ত সরকারি খাসজমি নিশ্চিত করা এবং প্রকৃত ভূমিহীন মানুষের মধ্যে এসব জমি বিতরণে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ লক্ষ্যেই সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচিতে খাসজমি উদ্ধারকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী জানান, দীর্ঘদিন ধরে কোনো এলাকায় বসবাসরত দরিদ্র পরিবারগুলোর মধ্যে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সরকারি খাসজমি বন্দোবস্ত দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রয়োজন হলে প্রতিটি পরিবারকে এক থেকে দুই কাঠা পর্যন্ত জমি দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে। অতীতে দায়িত্বে থাকা কিছু কর্মকর্তার ব্যর্থতা এবং স্থানীয় ভূমিদস্যুদের দখলের কারণে অনেক সরকারি জমি বেহাত হয়েছে। বর্তমান সরকার সেসব জমি উদ্ধার করে প্রকৃত উপকারভোগীদের মধ্যে বিতরণে কাজ করছে।  শেয়ারমার্কেট কেলেঙ্কারির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান বলেছেন, শেয়ারমার্কেটের ধারাবাহিক পতন ঘটিয়ে হাজারো বিনিয়োগকারীকে নিঃস্ব করার জন্য যারা দায়ী, তাদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে। খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এস কে আজিজুল বারীর প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, শেয়ারমার্কেট কেলেঙ্কারির অভিযোগ দুদকের মাধ্যমে অনুসন্ধান করে কিছু ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে মামলাসহ তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শেয়ারমার্কেট কেলেঙ্কারির সঙ্গে আরও অন্যান্য ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান জড়িত কি না, তা উদ্ঘাটনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দেশের শেয়ারবাজারের ধারাবাহিক পতনের কারণ উদ্ঘাটনে বিভিন্ন সময় বিশেষজ্ঞ, বিনিয়োগকারী সংগঠন এবং বিভিন্ন তদন্ত সংস্থা কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।  তিনি বলেন, বাজার কারসাজি ও কৃত্রিমভাবে শেয়ারের দাম বাড়ানো-কমানো, কিছু কোম্পানির আইপিও, বন্ড ও অন্যান্য ইস্যুতে অনিয়ম, নিয়ন্ত্রক সংস্থার দীর্ঘমেয়াদি দুর্বল তদারকি এবং সময়মতো ব্যবস্থা না নেওয়া, করপোরেট সুশাসনের ঘাটতি ও আর্থিক তথ্যের স্বচ্ছতার অভাব, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সীমিত অংশগ্রহণ ও বাজারে আস্থার সংকট, নীতিগত অসঙ্গতি এবং বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা ও পুঁজিবাজারবান্ধব করনীতির অভাব কারণ হিসেবে রয়েছে। সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে ৮৬ হাজার কোটি টাকার পরিকল্পনা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত দুটি পৃথক প্রশ্নের লিখিত জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, দেশের সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা ও জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগামী ১০ বছরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে প্রায় ৮৬ হাজার কোটি টাকার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে নৌবাহিনীতে আধুনিক ফ্রিগেট, করভেট, অফশোর প্যাট্রোল ভেসেল ও সাবমেরিন সংযোজন এবং বিমান বাহিনীতে চতুর্থ প্রজন্মের মাল্টি রোল কমব্যাট এয়ারক্রাফট (এমআরসিএ), অ্যাটাক হেলিকপ্টার, মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, অ্যান্টি-ড্রোন প্রযুক্তি ও ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম যুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে সরকার। পাশাপাশি ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তুলতে দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পনীতি, ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন (ডিআইজেড) এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের (টিওটি) মাধ্যমে সামরিক উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। লিখিত জবাবে তিনি আরও জানিয়েছেন, সেনাবাহিনীতে আনম্যানড এরিয়াল ভেহিকল (ইউএভি), কাউন্টার ইউএভি এবং আধুনিক নজরদারি প্রযুক্তি সংযোজনের মাধ্যমে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, পর্যবেক্ষণ ও পরিস্থিতি অনুধাবনের সক্ষমতা বাড়ানো হবে। পাশাপাশি বিমানযোগে অভিযান পরিচালনা, আকাশপথে সৈন্য ও সরঞ্জাম স্থানান্তর এবং নদীপথে পরিবহন সক্ষমতা বৃদ্ধি করে বাহিনীর কৌশলগত ও অপারেশনাল গতিশীলতা আরও সুসংহত করা হবে। প্রধানমন্ত্রী জানান, এসব লক্ষ্য বাস্তবায়নে আগামী ১০ বছরে প্রায় ৮৬ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হবে। পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আরও প্রযুক্তিনির্ভর, বহুমাত্রিক, আত্মনির্ভর ও যুদ্ধোপযোগী বাহিনীতে পরিণত হবে। নৌবাহিনী প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব, জাতীয় নিরাপত্তা এবং সমুদ্রে নজরদারি জোরদারে বর্তমানে নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ও আকাশযান সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে এবং ভবিষ্যতেও এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। বিমান বাহিনী সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী জানান, ‘ফোর্সেস গোল-২০৩০’-এর আওতায় বিমান বাহিনীতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির চতুর্থ প্রজন্মের মাল্টি রোল কমব্যাট এয়ারক্রাফট (এমআরসিএ), ফাইটার এয়ারক্রাফট, অ্যাটাক হেলিকপ্টার, ভিআইপি হেলিকপ্টার, অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম, ইউএভি সিস্টেম, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম, প্যাসিভ ডিটেকশন সিস্টেম, মিডিয়াম রেঞ্জ সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল সিস্টেম এবং লং রেঞ্জ রাডার ও এয়ার ট্রাফিক সার্ভেইলেন্স রাডার সংযোজনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে বৃহত্তর বগুড়ায় একটি ইউএভি ম্যানুফ্যাকচারিং প্ল্যান্ট স্থাপনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও অত্যাধুনিক নজরদারি প্রযুক্তি দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সব পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগে যাচ্ছে সরকার সংসদ সদস্য মো. সেলিম রেজার প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে মিয়ানমারের জান্তা সরকারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে সম্ভাব্য যোগাযোগ ও আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে প্রত্যাবাসনের ভিত্তি হিসেবে রোহিঙ্গাদের তথ্য যাচাই (ভেরিফিকেশন) কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া, আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানো এবং বিকল্প কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণের কথাও জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা বলেন, সরকার রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ ও দ্রুততম সমাধানে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। বিএনপি সরকার রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানের লক্ষ্যে দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক ও বহুপাক্ষিক, সব ফ্রন্টেই জোরালো কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী জানান, রোহিঙ্গা সংকটকে বৈচ্ছিক মানবিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রাখতে সরকার জাতিসংঘসহ বিভিন্ন দেশ ও দাতা সংস্থার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখছে। দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই ইউএনএইচসিআর, ইউএন উইমেন এবং ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের (ডব্লিউএফপি) উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করে এবং মানবিক সহায়তা আরও জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করে।  চীনে কাঁঠাল রপ্তানির পরিকল্পনা  মালয়েশিয়া প্রতি বছর চায়নাতে বিলিয়ন ডলারের ডুরিয়ান রপ্তানি করছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, তারা যদি পারে, নিশ্চয়ই আমরা কাঁঠালও এক্সপোর্ট করতে পারব এবং এর মাধ্যমে আমরা নিশ্চয়ই বড় বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে সক্ষম হব। ময়মনসিংহ-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুল হাসানের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বেশ কয়েক বছর আগে আপনার ওখানে (ফুলবাড়িয়া) আনারসের ইন্ডাস্ট্রি করা হয়েছিল। কিন্তু বিভিন্ন কারণে সেটি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। আমরা উদ্যোগ গ্রহণ করছি, বিভিন্ন কারখানা যেগুলো বন্ধ আছে সেগুলো চালু করার জন্য। কৃষি খাতের মিল-ফ্যাক্টরিগুলো আমরা চেষ্টা করছি আবার চালু করার জন্য। এটি গেল একটি। দ্বিতীয়টি হচ্ছে— আলাদাভাবে আপনার ওখানে ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন করার পরিকল্পনা নেই আমাদের। কিন্তু যেটা বন্ধ হয়ে গেছে সেটাকে কীভাবে চালানো যায়, সেই চেষ্টা আমরা করছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, চীন সফরে আমরা তাদের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছি। আমাদের দেশের কাঁঠাল অত্যন্ত পপুলার, চীনের মানুষরা খুব পছন্দ করেন। এই দেশ থেকে চীনে আমরা কাঁঠাল রপ্তানি করব ইনশাআল্লাহ। চীনের আগে মালয়েশিয়াতে গিয়েছিলাম; মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম কথা প্রসঙ্গে আমাকে জানিয়েছেন, তাদের ওখানে একটি ফল হয় ডুরিয়ান, দেখতে অনেকটা কাঁঠালের মতো। উনি আমাকে জানিয়েছেন, মালয়েশিয়া প্রতি বছর চায়নাতে বিলিয়ন ডলারের ডুরিয়ান এক্সপোর্ট করে। তারা যদি পারে, নিশ্চয়ই আমরা কাঁঠালও এক্সপোর্ট করতে পারব। এর মাধ্যমে আমরা নিশ্চয়ই বড় বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে সক্ষম হব। অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা ফ্রি বেগম খালেদা জিয়ার সরকার মেয়েদের শিক্ষার ব্যবস্থা ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত ফ্রি করেছিলেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আমরা এবার অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা ফ্রি করতে চাই।  সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খানের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান বিএনপি সরকার নারী শিক্ষার পাশাপাশি নারীদের এমপাওয়ারমেন্ট অর্থাৎ অর্থনৈতিকভাবেও যাতে তারা শক্তিশালী হতে পারে, এমপাওয়ার হতে পারে, সেজন্য ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছেন। আমরা একই সঙ্গে আরেকটি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি; বেগম খালেদা জিয়ার সরকার মেয়েদের শিক্ষার ব্যবস্থা ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত ফ্রি করেছিলেন। আমরা এবার অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষার ব্যবস্থা ডিগ্রি বা অনার্স পর্যন্ত ফ্রি করতে চাই। অনেক শিক্ষক সংসার চালাতে দ্বিতীয় কাজে বাধ্য হন প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের অনেক শিক্ষক সংসার চালাতে ক্লাস শেষে কৃষিকাজের মতো দ্বিতীয় কাজে যেতে বাধ্য হন, জাতীয় সংসদে এমন বাস্তবতা তুলে ধরে তাদের সম্মানী বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, এবারের বাজেটে শিক্ষা খাতে জিডিপির ২ শতাংশ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী পাঁচ বছরের মধ্যে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ জিডিপির ৫ শতাংশে নেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আরও বলেন, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের অনেক শিক্ষক সংসার চালাতে ক্লাস শেষে কৃষিকাজের মতো দ্বিতীয় কোনো কাজ করতে বাধ্য হন। এই কাজ যাতে শিক্ষকদের করতে না হয় এবং তারা যাতে সঠিকভাবে তাঁদের সময় ও মেধা শিক্ষার্থীদের পেছনে ব্যয় করতে পারেন, সে জন্য শিক্ষকদের সম্মানী বাড়ানো প্রয়োজন বলে সরকার মনে করে। পর্যায়ক্রমিকভাবে কাজটি করা হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা যদি আমাদের প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি শিক্ষকদের সঠিকভাবে ট্রেনিং দিতে না পারি, তাদের সম্মানী যদি বৃদ্ধি করতে না পারি, তাহলে অবশ্যই আমরা প্রত্যাশা করি না যে তাঁরা ভালো কিছু করতে পারবেন। সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন কুমিল্লা-১১ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। বুধবার জাতীয় সংসদে সংসদ নেতার পক্ষে চিফ হুইপ মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম এই কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। পরে কণ্ঠভোটের মাধ্যমে প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।   কমিটির সদস্যরা হলেন, সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আমান উল্লাহ আমান (ঢাকা-২), এ বি এম আশরাফউদ্দিন নিজান (লক্ষ্মীপুর-৪), এ কে এম ফজলুল হক মিলন (গাজীপুর-৫), মোহাম্মদ হাফিজ ইব্রাহিম (ভোলা-২), এ এম মাহবুবউদ্দিন (নোয়াখালী-১), মোহাম্মদ জালালউদ্দিন (চাঁদপুর-২), ডক্টর মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান (ময়মনসিংহ-৭), এস কে আজিজুল বারি হেলাল (খুলনা-৪), মো. মনজুরুল ইসলাম (দিনাজপুর-১), মোহাম্মদ ফজলে হুদা (নওগাঁ-৩), মোহাম্মদ জাকির হোসেন (ময়মনসিংহ-৫), সৈয়দ জয়নুল আবেদিন (ঢাকা-৪), মোহাম্মদ রুহুল আমিন (চুয়াডাঙ্গা-২) এবং মোহাম্মদ আনারুল ইসলাম (কুড়িগ্রাম-১)।

উখিয়ায় পাহাড়ধসের ঘটনায় নিহত বেড়ে ৮, জীবিত উদ্ধার ১৪

উখিয়ায় পাহাড়ধসের ঘটনায় নিহত বেড়ে ৮, জীবিত উদ্ধার ১৪

হামের উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যু ৭৪৫

হামের উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যু ৭৪৫

‘শাপলা চত্বর’ মামলার তদন্ত শেষ, শিগগিরই প্রতিবেদন

‘শাপলা চত্বর’ মামলার তদন্ত শেষ, শিগগিরই প্রতিবেদন

মহীয়সী নারী মিসেস মনোয়ারা খানমের ৯ম মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া মাহফিল

মহীয়সী নারী মিসেস মনোয়ারা খানমের ৯ম মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া মাহফিল

মহীয়সী নারী মিসেস মনোয়ারা খানমের ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

মহীয়সী নারী মিসেস মনোয়ারা খানমের ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরজুড়ে জলাবদ্ধতা, বাসাবাড়িতে পানি

টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরজুড়ে জলাবদ্ধতা, বাসাবাড়িতে পানি
নিজেদের করা আইনেই আওয়ামী লীগের বিচার হবে : চিফ প্রসিকিউটর
নিজেদের করা আইনেই আওয়ামী লীগের বিচার হবে : চিফ প্রসিকিউটর
আওয়ামী লীগের করা আইনেই দলটির বিচার করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।  তিনি বলেন, টানা শাসনামলে দল হিসেবে নানান অপরাধ সংগঠন করেছে আওয়ামী লীগ। সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটির দায় থেকেও বহু কর্মকাণ্ড ঘটিয়েছেন দলটির শীর্ষ নেতারা। আইন অনুযায়ী এসবের বিচারের ব্যবস্থা রয়েছে। এর মধ্যে আওয়ামী লীগই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন-১৯৭৩ ও সন্ত্রাসবিরোধী আইন-২০০৯ প্রণয়ন করেছিল। আর এই দুটি আইনেই এ ধরনের অপরাধের বিচারের ব্যবস্থা রয়েছে। রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে নিজ কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর এসব কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর একটি বক্তব্য প্রসঙ্গে আমিনুল ইসলাম বলেন, ৪ জুলাই একটি স্মরণ সভায় দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচারের কথা বলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বক্তব্যটি আপনারা (সাংবাদিক) যেভাবে শুনেছেন, আমিও একইভাবে শুনেছি। তবে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৭৩ সালে প্রথম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন প্রণয়ন করেছিল তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। পরে সরকারে এসে ২০১০ সালে একই আইনে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। এরপর মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার শুরু হয়। ২০১৩ সালে এ আইনে সংশোধন এনে ‘অর্গানাইজেশন’ শব্দটি যোগ করে শেখ হাসিনার সরকার। এছাড়া ২০০৯ সালে সন্ত্রাসবিরোধী আইন প্রণয়ন করে তারা। ওই আইনের এক জায়গায় সত্তাকে ব্যক্তির সঙ্গে সঙ্গে সত্তাকেও সত্তার বিচারের ব্যবস্থা করা হয়। এছাড়া কোনো সংগঠন যদি কোনো অপরাধ করে, তাহলে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে বিচার করা যাবে বলেও উল্লেখ করা হয়। জামায়াতকে নিষিদ্ধের বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ২০২৪ সালের ১ আগস্ট সন্ত্রাসবিরোধী আইন-২০০৯ এর ১৮-র ১৮ ধারা ব্যবহার করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করেছিল আওয়ামী লীগ সরকার। এসব কিছুই দলটি প্রণয়ন করে রেখেছিল। অন্য কোনো সরকার এমন আইন প্রণয়ন করেনি। অর্থাৎ দল নিষিদ্ধ করার প্রক্রিয়াসহ সব ধরনের আইনই বিভিন্ন সময় শাসনব্যবস্থায় এসে সংশোধন বা প্রণয়ন করেছিল আওয়ামী লীগ। সংবিধানও সংযোজন করেছে দলটি। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন ১৯৭৩ অনুযায়ী বর্তমানে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার চলছে। তাদের আইনটি ব্যবহার করা হচ্ছে। অতএব দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচারও এসব আইনে হবে। তিনি বলেন, ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশে একটা ফ্যাসিজম রাষ্ট্র কায়েম করল আওয়ামী লীগ সরকার। সেই ফ্যাসিজমের মধ্য দিয়ে জনগণের স্বাধীনতা, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড সব কিছু কেড়ে নিয়েছিল তারা। দেশের সব প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল। রাজনৈতিক দল হিসেবে ছাত্রলীগ, যুবলীগসহ অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা রাজত্ব কায়েম করেছিলেন। ১৬ বছর মানুষের কোনো স্বাভাবিক জীবনব্যবস্থা ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা ছিল না। তিনটি নির্বাচনের কোনোটি রাতের, কোনোটি একদলীয়, কখনো আমি-ডামি নির্বাচন আয়োজন করা হয়েছে। সবচেয়ে বড় হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে চব্বিশের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে। নির্বিচারে ছাত্র-জনতার ওপর তাদের সরকারের বিভিন্ন বাহিনীকে লেলিয়ে দেওয়া হয়েছে।  সাংগঠনিকভাবে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরাও হতাহতের ঘটনা ঘটিয়েছেন। তাদের এসব কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আসা অভিযোগটি যথাযথভাবে তদন্ত করছে আমাদের তদন্ত সংস্থা। পাশাপাশি সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অপরাধও আলাদাভাবে তদন্ত করার সুযোগ রয়েছে। এসব তদন্তের পর আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে প্রাথমিক অভিযোগের প্রতিবেদন পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ আছে।

সংসদ তোষামোদের জায়গা নয়, ট্যাক্সের টাকায় যেন চরিত্র হনন না হয়

সংসদ তোষামোদের জায়গা নয়, ট্যাক্সের টাকায় যেন চরিত্র হনন না হয়

চুক্তি হতে হবে সমতার ভিত্তিতে, সংসদকে পাশ কাটিয়ে কিছু নয়

চুক্তি হতে হবে সমতার ভিত্তিতে, সংসদকে পাশ কাটিয়ে কিছু নয়

সরকার মৌলিক পরিবর্তনের দাবিকে অগ্রাহ্য করছে : শফিকুর রহমান

সরকার মৌলিক পরিবর্তনের দাবিকে অগ্রাহ্য করছে : শফিকুর রহমান

হামের উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যু ৭৪৫

হামের উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যু ৭৪৫

হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু

হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু

দেশজুড়ে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী ও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেওয়া হবে

দেশজুড়ে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী ও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেওয়া হবে
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি শেষ : ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি শেষ : ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতি ‘শেষ’ হয়ে গেছে বলে ঘোষণা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে ক্ষমতাসীন ইসলামি প্রজাতন্ত্রী সরকারকে ‘অসুস্থ’ বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোর সম্মেলন উপলক্ষে বর্তমানে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় আছেন ট্রাম্প। বুধবার সম্মেলনের অবসরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময়কালে ট্রাম্প বলেন, “ইরানের সঙ্গে আমাদের যুদ্ধবিরতি শেষ হয়ে গেছে। সম্প্রতি তারা হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইরান, যা ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক চুক্তির স্পষ্ট লঙ্ঘণ। ইরানে ক্ষমতাসীন সরকারের নেতারা অসুস্থ এবং নোংরা এবং আমি মনে করি, হরমুজে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার পর তাদের সঙ্গে শান্তিচুক্তির জন্য আলোচনা করা সময় নষ্ট করা ছাড়া আর কিছু নয়।” গত ১৮ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক চুক্তি স্বাক্ষর করে ইরান। ১৪ ধারার এই চুক্তিতে উল্লেখ ছিল—আন্তর্জাতিক বাণিজ্যপথ হরমুজ প্রণালি থেকে অবরোধ তুলে নেবে ইরান এবং বেসামরিক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে কোনো বাধা দেওয়া হবে না। তার বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেলের ওপর থেকে রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে এবং ইরানি বন্দরগুলো থেকে অবরোধ প্রত্যাহার করবে। চুক্তি স্বাক্ষরের পরবর্তী ৬০ দিন এই ব্যবস্থা বলবৎ থাকবে বলেও উল্লেখ ছিল সেখানে। কিন্তু সেই শর্ত ভঙ্গ করে গত ৫ জুলাই হরমুজে ৩টি বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজ লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। হামলার শিকার জাহাজগুলো হল- মার্শাল আইল্যান্ডসের পতাকাবাহী কাতারি জাহাজ ‘এমটি আল আল-রেকাইয়াত’, সৌদি আরবের পতাকাবাহী ‘এমটি ওয়াদিয়ান’ এবং লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী ‘এমটি সাইপ্রাস প্রসপারিটি’। বাণিজ্যিক জাহাজ লক্ষ্য করে আইআরজিসির এই হামলার পর গতকাল মঙ্গলবার ইরানের ৮০টি স্থাপনা ও লক্ষ্যবস্তুতে হামলা করে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকোম)। হামলার পর এক বার্তায় সেন্টকমের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নির্ভুল নিশানায় আঘাত হানতে সক্ষম এমন অস্ত্র দিয়ে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, কমান্ড ও কন্ট্রোল নেটওয়ার্ক, উপকূলীয় রাডার সাইট এবং জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থায় এই হামলা চালানো হয়েছে। অবশ্য সেন্টকোমের এই হামলার জবাব দিতে কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৮৫টি স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে ইরান। সূত্র : ব্লুমবার্গ

তেহরানে খামেনির প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত

তেহরানে খামেনির প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত

খামেনির শেষযাত্রা : বাংলাদেশের পক্ষে শ্রদ্ধা জানালেন স্পিকার

খামেনির শেষযাত্রা : বাংলাদেশের পক্ষে শ্রদ্ধা জানালেন স্পিকার

ট্রাম্পের জন্মগত নাগরিকত্ব আদেশ বাতিল করে দিলো সুপ্রিম কোর্ট

ট্রাম্পের জন্মগত নাগরিকত্ব আদেশ বাতিল করে দিলো সুপ্রিম কোর্ট

আফগান সীমান্তে পাকিস্তানি বাহিনীর অভিযান, নিহত ২৯

আফগান সীমান্তে পাকিস্তানি বাহিনীর অভিযান, নিহত ২৯

আফগানিস্তানে শক্তিশালী ভূমিকম্প, কাঁপল ভারতও

আফগানিস্তানে শক্তিশালী ভূমিকম্প, কাঁপল ভারতও

দেশজুড়ে আজান নিষিদ্ধের পরিকল্পনা নিয়েছে ডেনমার্ক

দেশজুড়ে আজান নিষিদ্ধের পরিকল্পনা নিয়েছে ডেনমার্ক
উখিয়ায় পাহাড়ধসের ঘটনায় নিহত বেড়ে ৮, জীবিত উদ্ধার ১৪
উখিয়ায় পাহাড়ধসের ঘটনায় নিহত বেড়ে ৮, জীবিত উদ্ধার ১৪
টানা ভারী বৃষ্টির কারণে কক্সবাজারের উখিয়ার ৫ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মসজিদুল কুবা মহিলা মাদরাসা ও হেফজখানায় পাহাড়ধসের ঘটনায় নিহেতের সংখ্যা বেড়ে ৮ জনে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের সবাই ১২-১৩ বছর বয়সী কিশোরী। বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে ক্যাম্পের এ-৩ ব্লকে পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে।  এর আগে ঘটনার পরপর তিনজনের মরদেহ উদ্ধারের খবর জানিয়েছিল ফায়ার সার্ভিস। ফায়ার সার্ভিস ও ক্যাম্প প্রশাসনের সমন্বিত তৎপরতায় চলা উদ্ধার অভিযানে এখন পর্যন্ত ১৪ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। যাদের মধ্যে ৬ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত ৮ জনের মধ্যে এখন পর্যন্ত চারজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলো—রাশিদা বেগম (১৩), উম্মে নেজাতুল (১৩), উম্মে সালমা (১২) ও উমাইসা বিবি (১৩)। উম্মে নেজাতুল ও উম্মে সালমা সহোদর বোন, তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৩ এর বাসিন্দা। অপর দুজন ক্যাম্প-৫ এর বাসিন্দা। নিহত বাকি চারজনের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে ক্যাম্প প্রশাসন। হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, ফায়ার সার্ভিস এবং ক্যাম্প প্রশাসনের আওতাধীন সিসিসিএম স্বেচ্ছাসেবকদের সহযোগিতায় পরিচালিত উদ্ধার অভিযান বিকেল ৫টার দিকে শেষ হয়েছে। ঘটনাস্থলে এপিবিএন সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন এবং শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কার্যালয় পুরো উদ্ধার কার্যক্রম ও দুর্ঘটনা-পরবর্তী ব্যবস্থাপনা তদারকি করছে। স্থানীয় সূত্র ও প্রশাসন বলছে, ওই মাদরাসায় অন্তত ৫০ জন শিক্ষার্থী ছিল। ভারী বৃষ্টির সময় পাহাড় ধসের আশঙ্কায় অনেকে বেরিয়ে যায়। তবে একেবারেই পাহাড়-লাগোয়া একটি কক্ষে হঠাৎ মাটি এসে পড়ে। ফলে ওই কক্ষে থাকা শিক্ষার্থীরা আটকা পড়ে এবং মাটিচাপা পড়ে। যাদের অধিকাংশই মারা গেছে। ক্যাম্প-৫ এর বাসিন্দা মৌলভি ইউনুস জানান, মাদরাসা ছুটি হওয়ার সময় বাকি ছিল আর কয়েক মিনিট, এর মধ্যেই দুর্ঘটনাটি ঘটে যায়। মাটি ভরাট করে মাদরাসাটি নির্মাণ করা হয়েছিল। এর আগে গত সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাতে ভারী বর্ষণের কারণে উখিয়ার তিনটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পৃথক পাহাড় ধসের ঘটনায় নারী শিশুসহ প্রাণ হারান ৮ জন। সবমিলিয়ে এখন পর্যন্ত গত তিন দিনে কক্সবাজারে ভারী বর্ষণের ফলে ২১ জনের প্রাণহানি ঘটেছে।

ভারী বৃষ্টিতে রেললাইন তলিয়ে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ

ভারী বৃষ্টিতে রেললাইন তলিয়ে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ

গাজীপুরে শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় বিক্ষোভ, পুলিশের টিয়ারশেল নিক্ষেপ

গাজীপুরে শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় বিক্ষোভ, পুলিশের টিয়ারশেল নিক্ষেপ

একসঙ্গে মা ও তিন বোনকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ একমাত্র ছেলে সিফাত

একসঙ্গে মা ও তিন বোনকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ একমাত্র ছেলে সিফাত
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
এপ্রিল মাস, শনিবারের এক ভোরে আকারা ইতেহ মধ্য লন্ডনের হোলবর্ন টিউব স্টেশনে হেঁটে হেঁটে আসার সময় নিজের ফোন ঘাঁটছিলেন। মুহূর্ত কয়েক পরই ইলেকট্রিক বাইকে আসা এক ছিনতাইকারী তাঁর হাত থেকে ফোন ছিনিয়ে নেয়। নিজের ফোন উদ্ধারে ছিনতাইকারীর পেছনে ছুট লাগিয়েছিলেন আকারা। কিন্তু ধরতে ব্যর্থ হন। আকারা একা এ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাননি; বরং এ বছর এখন পর্যন্ত ইংল্যান্ড ও ওয়ালসে প্রায় ‘৭৮ হাজার’ ফোন ছিনতাই হয়েছে। গত বছরের তুলনায় যা অনেক বেশি। এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে বিচার হওয়ার হার খুবই কম। পুলিশের বক্তব্য, তারা দায়ী অপরাধীদের খোঁজ করে। কিন্তু তারা যেভাবে গায়েব হয়ে যায় বা এত ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন করে যে তাদের গ্রেপ্তার করা কঠিন হয়ে যায়। এ ধরনের অপরাধের শিকার ব্যক্তিরা তাঁদের দুর্দশার কথা বিবিসিকে বলেছেন। বলেছেন, ফোন হারিয়ে গেলে এমন অনেক ছবি ও তথ্য হারিয়ে যায়, যেগুলো আর কখনো ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। সঙ্গে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি তো আছেই। তাঁদের মধ্যে আকারার মতো অনেকে আরও একটি কারণে নিদারুণ হতাশায় ডুবে যান। আকারা তাঁর ফোনটি কোথা থেকে কোথায় যাচ্ছে, তা অনলাইনে অনুসরণ করতে পারছেন; কিন্তু সেটি ফেরত আনার ক্ষমতা তাঁর নেই। ফোন ছিনতাই হওয়ার এক ঘণ্টা বা তার কিছু পরে বাড়িতে ফিরে আকারা তাঁর আইফোন ১৩ হারিয়ে গেছে (লস্ট মুড) অপশনটি চালু করেন। এটা করা হলে চোর ওই ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। এরপর আকারা তাঁর ল্যাপটপের সাহায্যে ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ ফিচার চালু করেন। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আকারা তাঁর ফোনটি কোথায় আছে, সেটা দেখতে পারেন। ল্যাপটপের স্ক্রিনে লন্ডনের বিভিন্ন জায়গায় নিজের ফোন ঘুরে বেড়াতে দেখেন আকারা। ফোন উদ্ধারের আশায় ল্যাপটপে দেখানো দুই জায়গায় নিজেই গিয়েছিলেন আকারা। তিনি বলেন, ‘এটা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। উত্তেজনায়, রাগে আমি এটা করেছিলাম।’ আকারা অবশ্য কারও সঙ্গে কথা বলেননি। তবে বুঝতে পারছিলেন, তাঁকে কেউ অনুসরণ করছে। তিনি বাড়ি চলে যান। আকারা বলেন, ‘আমি খুবই ক্ষুব্ধ ছিলাম। ফোনটা দামি। ওই ফোন কিনতে আমি কঠোর পরিশ্রম করে অর্থ উপার্জন করি এবং কেউ একজন সব ঘেঁটে দিল।’ আকারার ফোনটি যখন চুরি যায়, তখন রাস্তায় তিনি পুলিশ দেখতে পেয়ে তাদের সবকিছু খুলে বলেছিলেন। যদিও তাঁর মনে হয়েছে, পুলিশ কর্মকর্তারা জানতেন, ফোন চুরি করতে চোররা ওই এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। পুলিশ তাকে অনলাইনে অভিযোগ করার পরামর্শ দেয় এবং তিনি সেটা করেন। কয়েক দিন পর ই–মেইল পাঠিয়ে পুলিশ আকারাকে জানায়, তাঁর ফোন চুরির মামলাটির তদন্তকাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বলেছে, ‘সম্ভবত আমরা দোষীদের শনাক্ত করতে পারব না।’ যেখান থেকে ফোন চুরি হয়েছিল, সেখানকার ছবি ও কিছু তথ্য আকারা পুলিশকে দিয়েছিলেন। পুলিশ সেটা গ্রহণ করেছে। কিন্তু ফোন উদ্ধারে আর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ফোন চুরির ঠিক এক মাস পর, মে মাসে আকারা তাঁর ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ আবার দেখেন। তখন সেটির অবস্থান দেখাচ্ছিল শেনজেন, চীন। আকারা এবার সব আশা ছেড়ে দেন। চুরি যাওয়া অনেক ফোনের শেষ গন্তব্য হয় শেনজেন। সেখানে যদি ফোনটি খোলা এবং নতুন করে ব্যবহার করা না যায়, তাঁরা সেটির যন্ত্রাংশ খুলে ফেলে এবং আলাদা আলাদা করে বিক্রি করে। ১ কোটি ৭৬ লাখ মানুষের শহর শেনজেন, বিশাল বড় একটি প্রযুক্তিনগরী। শেনজেনকে তাই চীনের সিলিকন ভ্যালি বলা হয়।

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
অক্টোবরে ১৬ দিনে ব্যয় ৬ হাজার কোটি টাকা। তহবিল সংগ্রহে ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে কমলা। কমলার পক্ষে ভোটের জন্য অর্থ সংগ্রহ ১৮০ কোটি ডলার। ট্রাম্পের ২০২২ সাল থেকে এ পর্যন্ত সংগ্রহ ১০০ কোটি। ডেমোক্রেটিক পার্টির সমাবেশে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ক্লার্কস্টন এলাকায়। ছবি: এএফপি অপতথ্যের ছড়াছড়ি বিগত কয়েক নির্বাচন থেকে দেখছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভোটাররা। এবার অর্থকড়ির ছড়াছড়িও দেখছেন তাঁরা। সর্বশেষ ১৬ দিনে মার্কিন নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী কমলা হ্যারিস, রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা ব্যয় করছেন আধা বিলিয়ন অর্থাৎ ৫০ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৬ হাজার কোটি টাকা (১২০ টাকা প্রতি ডলার)। অর্থাৎ প্রতিদিন ব্যয় হয়েছে ৩৭৫ কোটি টাকা। নিউইয়র্ক টাইমসের গতকাল শুক্রবারের এক খবরে বলা হয়েছে, ভোটারদের তথ্য পেতে এবং বিজ্ঞাপনের জন্য এই অর্থ ব্যয় করছেন তাঁরা। ট্রাম্প ও হ্যারিসের প্রচার শিবির এই ১৬ দিনে ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আর এই দুই নেতার পক্ষে অন্যরা ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম অনুসারে নির্বাচনী প্রচারের ব্যয়ের হিসাব দিতে হয় নির্বাচন কমিশনে। সেই হিসাব সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। কমলা হ্যারিস ১ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত ব্যয় করেছেন ১৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। নথি সূত্রে জানা গেছে, দিন দিন তাঁর এই খরচ বেড়েছে। কারণ, গত আগস্টে পুরো মাসে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় করেছেন ১৩ কোটি ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, অক্টোবরের শুরুতে কমলা হ্যারিসের প্রচার শিবিরের তহবিলে জমা পড়েছে ১৮ কোটি ২৬ লাখ ডলার। তিনি এবং প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মিলে তাঁদের দল ডেমোক্রেটিক পার্টির হয়ে তুলেছেন ১৮০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহে পিছিয়ে আছেন ট্রাম্প। অক্টোবরে তাঁর প্রচার তহবিলে জমা পড়েছে ৯ কোটি ২১ লাখ ডলার। এ ছাড়া পুরো নির্বাচনী প্রচারেও অর্থ সংগ্রহ হয়েছে কম। ২০২২ সালে তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন। এর পর থেকে চলতি অক্টোবর পর্যন্ত তিনি অর্থ সংগ্রহ করতে পেরেছেন ১০০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহ কম হওয়ায় খরচও কম করতে পেরেছেন ট্রাম্প। অক্টোবরের প্রথম ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ১০ কোটি ডলার। এর মধ্যে বিজ্ঞাপনে তিনি ব্যয় করেছেন ৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, জুন, জুলাই ও আগস্টের চেয়ে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় বাড়িয়েছেন। তবে তাঁর হাতে আর বেশি অর্থ নেই ব্যয় করার মতো। তিনি বাকি সময়টায় ৩ কোটি ৬২ লাখ ডলার ব্যয় করতে পারবেন। তবে এ তুলনায় কমলা হ্যারিসের হাতে অনেক বেশি অর্থ আছে। হিসাব অনুসারে, কমলার হাতে ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার আছে নির্বাচনের প্রচারে ব্যয় করার জন্য। নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, ডেমোক্রেটিক পার্টির তহবিলে কারা টাকা দিচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে কিছু মানুষের নাম জানা যাচ্ছে। তবে সিংহভাগ অর্থ কোথা থেকে আসছে, সেটা জানা যাচ্ছে না। কমলা হ্যারিসের প্রচারে যারা সহযোগী হিসেবে কাজ করছে, সেই সুপার পিএসির তহবিল এসেছে ৪ কোটি ডলার। এই অর্থ কোথা থেকে এসেছে, সেটা জানা যাচ্ছে না।  ট্রাম্পের পাশে ইলন মাস্ক ট্রাম্পের প্রচারের শুরু থেকেই আছেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধনকুবের ইলন মাস্ক। আর্থিক এই খরার মধ্যে তিনি ট্রাম্পের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ট্রাম্পের জন্য গত ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার। ট্রাম্পের জন্য তিনি বরাদ্দ রেখেছেন ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের হিসাব বলছে, আর্থিক খরা কাটাতে অতিরিক্ত ৪ কোটি ৩৬ লাখ ডলার ব্যয় করছেন তিনি।

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

মিজানুর রহমান আজহারীর তাফসির মাহফিল স্থগিত

মিজানুর রহমান আজহারীর তাফসির মাহফিল স্থগিত

সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজের ইন্তেকাল

সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজের ইন্তেকাল

ওমরাহ ও হজযাত্রীদের জন্য বড় সুখবর

ওমরাহ ও হজযাত্রীদের জন্য বড় সুখবর
ব্রাজিলকে নিয়ে নিশ্চিন্তে হিমি, সংশয়ে পড়শী
ব্রাজিলকে নিয়ে নিশ্চিন্তে হিমি, সংশয়ে পড়শী
নজর কাড়লেন অলংকার, চমকে দিলেন সিঁথি
নজর কাড়লেন অলংকার, চমকে দিলেন সিঁথি
নৃত্য পরিচালক জাকির হোসেন মারা গেছেন
নৃত্য পরিচালক জাকির হোসেন মারা গেছেন
তিন দিনেই ৩ হাজার ৭০০ কোটি টাকা আয় করেছে এই ছবি
তিন দিনেই ৩ হাজার ৭০০ কোটি টাকা আয় করেছে এই ছবি
বিয়ে করছেন সেই শেখ সাদী
বিয়ে করছেন সেই শেখ সাদী
নিজের গানে প্রিয় দলের জন্য পড়শীর উচ্ছ্বাস
নিজের গানে প্রিয় দলের জন্য পড়শীর উচ্ছ্বাস
মারা গেছেন কিংবদন্তী সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে
মারা গেছেন কিংবদন্তী সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে
বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই
বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই
অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে মিশরকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা
অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে মিশরকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা
দুই গোল হজম করেও আর্জেন্টিনা অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখল। মিশরকে ৩-২ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে তারা। ১৫ মিনিটের ব্যবধানে তিন গোল দিয়ে শেষ ষোলোতে চমৎকার এক জয় পেল তিনবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। চলতি আসরে প্রথমবার আর্জেন্টিনা পিছিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে। শুরুতেই তারা গোল হজম করে। পেনাল্টি মিস করার কারণে গোল শোধ দিতে পারেনি তারা। মিশর ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয়ার্ধে খেলা শুরু করে। শুরুতেই আর্জেন্টিনার জাল কাঁপায় মিশর। ১৫ মিনিটে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা ১-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে।  মিশরীয় ডিফেন্ডার ইয়াসির ইব্রাহিম ডি-বক্সের মাঝখান থেকে দুর্দান্ত এক হেড করেন। বলটিকে পোস্টের ডানদিকের নিচের কোণ দিয়ে জালের ভেতরে পাঠান তিনি। কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে ক্রস বাড়িয়ে এই গোলটিতে অ্যাসিস্ট করেন মারওয়ান আতিয়া। ১৫ মিনিটে গোল খাওয়ার পর পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে গোল শোধ দেওয়ার সুযোগ পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। কিন্তু পেনাল্টি থেকে গোল করতে পারেননি মেসি। তাগলিয়াফিকো মিশরের বক্সের মধ্যে ফাউলের শিকার হন। ২১ মিনিটে মেসি পেনাল্টি কিক নেন। তার বাম পায়ের শট বাঁ দিকে ডাইভ দিয়ে ফিরিয়ে দেন মোস্তফা শোবেইর। বিশ্বকাপে নেওয়া মোট ৮টি পেনাল্টির মধ্যে ৪টিই মিস করলেন মেসি। চলতি বিশ্বকাপে এটি তার দ্বিতীয় পেনাল্টি মিস। এর আগে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে পেনাল্টি গোল করতে পারেননি তিনি। মেসি শটটি গোলরক্ষকের বাঁ দিক ঘেঁষে নিলেও তাতে যথেষ্ট গতি ছিল না। মিশরের গোলরক্ষক মোস্তফা সঠিক উচ্চতায় থাকা বলটিকে দারুণভাবে প্রতিহত করেন। গোলরক্ষক মোস্তফার জন্যও এটি এই টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় পেনাল্টি সেভ। এর আগে গ্রুপ পর্বে ইরানের তারেমির পেনাল্টিও তিনি একইভাবে আটকে দিয়েছিলেন। ২৮ মিনিটে আরেকবার আর্জেন্টিনাকে ফিরিয়ে দেন মোস্তফা। রদ্রিগো ডি পলের ক্রসে ম্যাক অ্যালিস্টারের হেড ডানদিকে ঝুঁকে রুখে দেন তিনি। ১০ মিনিট পর মেসির বাঁ পায়ের শট গোলবারের অনেক উপর দিয়ে যায়। পরের মিনিটেই তাগলিয়াফিকোর কাটব্যাক থেকে বল পেয়ে আলভারেজ শট নেন। বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে বল রুখে দেন মোস্তফা। আর্জেন্টিনা দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আক্রমণাত্মক খেলে। তবে মিসরের রক্ষণভাগে ৯ জন খেলোয়াড় একদম জমাট বেঁধে দাঁড়িয়ে ছিল। মেসি শেষ পর্যন্ত কিছুটা জায়গা তৈরি করে রদ্রিগো ডি পলকে বল বাড়িয়ে দেন। কিন্তু ২০ গজ দূর থেকে নেওয়া ডি পলের নিচু শটটি মিসরীয় গোলরক্ষক মোস্তফা সহজেই গ্লাভসবন্দী করেন। পাল্টা আক্রমণ থেকে হাসানের বাড়ানো পাস ধরে মার্টিনেজকে পরাস্ত করে বল জালে জড়ান জিকো। এক দুর্দান্ত কাউন্টার অ্যাটাকে গোল করে মিশর। জিকোর কাছ থেকে আসা একটি চমৎকার ফিনিশিংয়ে এগিয়ে গিয়েছিল তারা। কিন্তু আক্রমণের শুরুর দিকে ফাউল হওয়ার কারণে গোলটি বাতিল করা হলো। হাসানের চমৎকার দৌড়ে সালাহর পাস এবং জিকোর ফিনিশিং মিলিয়ে এটি বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা গোল হতে পারতো। অন্য প্রান্তে ফাউলের জন্য ফ্রি কিক দেওয়া হয়। ৬৭ মিনিটে দুই গোল হজম করার পর আর্জেন্টিনা দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায়। চার মিনিটের ব্যবধানে দুটি গোলে সমতা ফেরায় তারা।  ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো রক্ষণভাগের খেলোয়াড়দের ফাঁকি দিয়ে ভেতরে ঢুকে পড়েন। তারপর ডান দিক থেকে বাড়ানো মেসির একটি ক্রসে চমৎকার হেডে বল জালে জড়ান। মিশরীয় গোলরক্ষক মোস্তফা শোবের তার বাঁ হাত দিয়ে বলটি ঠেকানোর চেষ্টা করেছিলেন। পোস্টের ভেতরের কোণ দিয়ে বল লাইনের ভেতরে ঢুকে পড়া আটকাতে পারেননি। মিশরীয় ডিফেন্ডাররা অফসাইডের জন্য আবেদন করলেও তা বৃথাই যায়। ৭৯ মিনিটে গোল ব্যবধান কমায় তারা। মেসি ম্যাচের ৮৪ মিনিটে গোল করে সমতা ফেরান। এই বিশ্বকাপে এটি তার অষ্টম গোল। গোলরক্ষকের গায়ে লেগে বারের নিচের অংশে লেগে বলটি জোরালো শটে জালে জড়ায়। এর মাধ্যমে মাত্র চার মিনিটের ব্যবধানে দুটি গোল করল আর্জেন্টিনা। মেসি এই নিয়ে টানা নয়টি বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল করার কৃতিত্ব অর্জন করলেন। তারপর আর্জেন্টিনার একটি দ্রুত পাল্টা আক্রমণ থেকে বক্সের মাঝখান থেকে চমৎকার হেডে গোল করেন এনজো ফার্নান্দেজ। ৯২তম মিনিটে লাউতারো মার্টিনেজের অ্যাসিস্টে ফার্নান্দেজ তৃতীয়বার জাল কাঁপান।

বিশ্বকাপে টিকিটের দামে হঠাৎ বড় ধস

বিশ্বকাপে টিকিটের দামে হঠাৎ বড় ধস

কেপ ভার্দের কঠিন পরীক্ষায় পাস করে শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনা

কেপ ভার্দের কঠিন পরীক্ষায় পাস করে শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনা

ড্রেসিংরুমে ‘হাল না ছাড়ার’ এক বার্তায় বদলে যায় ব্রাজিল

ড্রেসিংরুমে ‘হাল না ছাড়ার’ এক বার্তায় বদলে যায় ব্রাজিল

চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী

চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে চাহিদা পূরণে দক্ষতার প্রামাণ দিচ্ছেন ইমরান 

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে চাহিদা পূরণে দক্ষতার প্রামাণ দিচ্ছেন ইমরান 
প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা জোরদারে এক লাখ কর্মী নিয়োগ দিচ্ছে সরকার
প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা জোরদারে এক লাখ কর্মী নিয়োগ দিচ্ছে সরকার
প্রাথমিক ও প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করতে সরকার এক লাখ কর্মী নিয়োগ দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা কার্যকর হলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালসহ দেশের বড় হাসপাতালগুলোর ওপর রোগীর চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, শুধু বাজেট বরাদ্দ বা বিনিয়োগ বাড়ালেই স্বাস্থ্যসেবার কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হবে না। পুরো স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে নতুনভাবে সাজিয়ে গুণগত পরিবর্তন আনতে হবে। চিকিৎসক, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের নিজ নিজ দায়িত্ব ও পেশাদারিত্বের জায়গা থেকে পরিবর্তনের উদ্যোগ নিতে হবে। তিনি বলেন, সরকার প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয়তা, অগ্রাধিকার, কার্যকারিতা ও পরিবেশগত বিষয়কে গুরুত্ব দিচ্ছে। স্বাস্থ্যখাতেও একই নীতি অনুসরণ করা হবে। সরকার প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দিতে প্রস্তুত। তবে সেই অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে এবং বৈশ্বিক সেরা চর্চা অনুসরণ করে স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন করতে হবে। সভায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তসলিম উদ্দিনসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফর পররাষ্ট্রনীতির মানদণ্ড নিশ্চিত করেছে

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফর পররাষ্ট্রনীতির মানদণ্ড নিশ্চিত করেছে

ধীরে ধীরে ব্যাংক নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প অর্থায়নে নজর দিচ্ছি : অর্থমন্ত্রী

ধীরে ধীরে ব্যাংক নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প অর্থায়নে নজর দিচ্ছি : অর্থমন্ত্রী

মাছ-মুরগি আগের দামে, সবজিতে কিছুটা স্বস্তি

মাছ-মুরগি আগের দামে, সবজিতে কিছুটা স্বস্তি

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা
ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী
ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী
শুধু শারীরিক স্বাস্থ্য নয়, মানসিক সুস্থতার ওপরও হরমোনের বড় প্রভাব রয়েছে। হরমোনের মাত্রায় পরিবর্তন হলে উদ্বেগ, বিষণ্নতা, ঘন ঘন মেজাজ খারাপসহ নানা মানসিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। কর্টিসল বা স্ট্রেস হরমোন কর্টিসলের মাত্রা কমে গেলে রক্তের শর্করা ও ইনসুলিনের ভারসাম্য নষ্ট হয়, ফলে সুখের অনুভূতির জন্য জরুরি সেরোটোনিন কমে যায়। একইভাবে ইস্ট্রোজেনের প্রভাবেও মানসিক স্থিরতা কমে যেতে পারে। থাইরয়েড ও অন্যান্য হরমোনজনিত রোগ থাইরয়েড হরমোন শক্তি ও বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে। এর অস্বাভাবিকতা উদ্বেগ, অস্থিরতা ও মেজাজ পরিবর্তনের কারণ হতে পারে। পিসিওএস, পিসিওডি, মেনোপজ বা দীর্ঘমেয়াদি মানসিক চাপও একই প্রভাব ফেলে। ঘুমের সমস্যা হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হলে মেলাটোনিনসহ ঘুম নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন ঠিকভাবে কাজ করে না। ঘুমের ঘাটতি বিষণ্নতা ও রাগ বাড়ায়। সন্তান জন্মের পর পরিবর্তন প্রসবের পর মায়ের ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন হরমোন হঠাৎ কমে যায়। এতে অনেক মায়ের মধ্যে প্রসব-পরবর্তী বিষণ্নতা দেখা দেয়। খাদ্যাভ্যাসের গুরুত্ব হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে খাদ্যতালিকায় রঙিন ফল, শাকসবজি, অ্যাভোকাডো তেল, বাদাম, ডিমের কুসুম এবং প্রো-বায়োটিক খাবার (দই, বাটারমিল্ক, ভাতের ফ্যান) রাখুন। চিনি কমিয়ে তুলসি ও ভেষজ চা পান করলে স্ট্রেস কমে। কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন যদি দীর্ঘদিন ধরে মেজাজ পরিবর্তন, ক্লান্তি, মনোযোগের ঘাটতি, ওজনের অস্বাভাবিক পরিবর্তনসহ মানসিক অস্থিরতা দেখা দেয়, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

রমজানে সুস্থ থাকতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষ পরামর্শ

রমজানে সুস্থ থাকতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষ পরামর্শ

নামাজের সময়সূচি

বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
*স্থানভেদে সময়ের পার্থক্য হতে পারে
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
চাকরি আবদুল বাকীকে কখনোই টানেনি। অভাবের সংসারে পরিবারের হাল ধরতে কখনো ফ্রিল্যান্সিং, কখনোবা টিউশনি করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের এই শিক্ষার্থী। তাতেও মনের খেদ মিটছিল না। সব সময় উদ্যোগী হয়ে কিছু একটা করতে, উদ্যোক্তা হতে চেয়েছেন তিনি। গত ২১ সেপ্টেম্বর সেই স্বপ্নই পূরণ হয়েছে। তিন বন্ধু ও এক অনুজকে নিয়ে দিয়েছেন ‘আহার মেলা’। খাবারের এই দোকানে তাঁর সহযোগীরা হলেন রাজশাহী কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শাহাদাত হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামি স্টাডিজ বিভাগের আল-মুত্তাকিন, আরবি বিভাগের আমির হামজা ও ফারসি বিভাগের সামিউল ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসমাইল হোসেন সিরাজী একাডেমিক ভবনের উল্টো দিকে গেলেই চোখে পড়বে এই দোকান। আহার মেলায় ভাত, খিচুড়ি, ভর্তা, ডাল, মাছ, মাংস, সবজি ও ডিমের তরকারি পাওয়া যায়। এ ছাড়া ৬০ ও ৭০ টাকার দুটি প্যাকেজ আছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন (শুক্র ও শনিবার) ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দোকান খোলা থাকে। আবদুল বাকী বলেন, ‘যেহেতু ক্লাস-পরীক্ষার সময়ে দোকানটি চালু থাকে, আমাদের অনেকেরও ওই সময় ক্লাস থাকে। যার যেদিন ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সে সেদিন থাকে না। যদি সবারই একসঙ্গে ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সেদিন দোকান বন্ধ রাখতে হয়।’ পারিবারিকভাবে সচ্ছল ছিলেন না বাকী। কলেজজীবন থেকে এ কাজ-ও কাজ করেছেন। দুই বছর আগে বাবা মারা গেলে আর্থিক দৈন্য আরও বেশি জেঁকে বসে। মূলত সে সময়ই ব্যবসার কথা ভাবতে থাকেন। মাকে পরিকল্পনার কথা শোনান। মা রাজি হন, নিজের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকা তুলে দেন ছেলের হাতে। এই মূলধনের ওপরই দাঁড়িয়ে আছে আহার মেলা। আপাতত ব্যবসা গোছানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন এই উদ্যোক্তা। ভবিষ্যতে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় আহারমেলার শাখা চালু করতে চান।

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

নকল পেলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আইনের আওতায় আনা হবে : শিক্ষামন্ত্রী

নকল পেলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আইনের আওতায় আনা হবে : শিক্ষামন্ত্রী

একসঙ্গে ৯ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ দিলো সরকার

একসঙ্গে ৯ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ দিলো সরকার

শিক্ষা শুধু চাকরির জন্য নয়, সৃজনশীল মানুষ গড়ার জন্যও : প্রধান উপদেষ্টা

শিক্ষা শুধু চাকরির জন্য নয়, সৃজনশীল মানুষ গড়ার জন্যও : প্রধান উপদেষ্টা