• সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
রাজধানীসহ আশপাশের এলাকায় মৃদু ভূমিকম্প
রাজধানীসহ আশপাশের এলাকায় মৃদু ভূমিকম্প
রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) ভোর ৫টা ৩২ মিনিটের দিকে এ ভূকম্পন অনুভূত হয়। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ০। এর উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদীর শিবপুরে। ঢাকা ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র থেকে উৎপত্তিস্থলটির দূরত্ব ৪৭ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে। ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার। স্বল্পমাত্রার এ ভূমিকম্পে ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় কিছু সময়ের জন্য কম্পন অনুভূত হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এর আগে নরসিংদী ও আশপাশের এলাকায় একাধিকবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। গত বছরও নরসিংদীতে কয়েক দফা ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটে এবং এর মধ্যে হতাহতের ঘটনাও ছিল।

দেশে বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা, কতটুকু প্রস্তুত আমরা?

দেশে বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা, কতটুকু প্রস্তুত আমরা?

বাংলাদেশকে জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশকে জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

বিভ্রান্তকারীরা বিভ্রান্ত করতে এলে তাদের সমুচিত জবাব দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

বিভ্রান্তকারীরা বিভ্রান্ত করতে এলে তাদের সমুচিত জবাব দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

মৎসচাষিদের কৃষক কার্ডের আওতায় আনা হবে: প্রধানমন্ত্রী

মৎসচাষিদের কৃষক কার্ডের আওতায় আনা হবে: প্রধানমন্ত্রী

অনুকূল পরিবেশ না হ‌লে ভারত যাবেন না তারেক রহমান

অনুকূল পরিবেশ না হ‌লে ভারত যাবেন না তারেক রহমান

ভিন্নমাত্রা প্রকাশনীর লেখক সংবর্ধনা ও স্মৃতি পদক অনুষ্ঠিত

ভিন্নমাত্রা প্রকাশনীর লেখক সংবর্ধনা ও স্মৃতি পদক অনুষ্ঠিত
সরকার ব্যর্থতা আড়াল করতে বিরোধী দলের ওপর দায় চাপাচ্ছে: জামায়াত সেক্রেটারি
সরকার ব্যর্থতা আড়াল করতে বিরোধী দলের ওপর দায় চাপাচ্ছে: জামায়াত সেক্রেটারি
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটসহ জনদুর্ভোগের জন্য সরকারের ব্যর্থতাকে দায়ী করে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, সরকার নিজেদের ব্যর্থতা ও জনদুর্ভোগ আড়াল করতে বিরোধী দলের ওপর দায় চাপিয়ে অহেতুক বিতর্ক সৃষ্টি করছে। রোববার (১৬ আগস্ট) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, “প্রধানমন্ত্রী জনদুর্ভোগ ও সরকারের ব্যর্থতাকে আড়াল করতে বিরোধী দলের ওপর সব দায় চাপাতে গিয়ে অহেতুক বিতর্ক তৈরি করেছেন। সরকারের মূল বিষয়গুলো আড়াল করার একটি প্রবণতা আমরা দেখতে পাচ্ছি।” তিনি বলেন, “১৭ বছর যাদের আপনারা নেতারা খুঁজে পাননি, কারণ তারা মাঠ থেকে খোঁজেননি, বরং টেলিভিশনে খুঁজেছেন। প্রধানমন্ত্রীর মুখ থেকে নতুন করে এমন কথা শুনতে হচ্ছে। লন্ডন থেকে ফিরে এসে তিনি নতুন নজির স্থাপন করেছেন।” জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বিরোধী দলকে প্রধানমন্ত্রীর ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বানের প্রসঙ্গ তুলে জামায়াতের এই নেতা বলেন, “এই পরিকল্পনা আমরা গত ২১ মে সংসদে ১০ দফা প্রস্তাবের মাধ্যমে দিয়েছিলাম। সেখানে জ্বালানি সংকট সমাধানের বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছিল। দেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমগুলোতেও এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল।” সরকারের কাছে প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, “২১ মে দেওয়া ১০ দফা প্রস্তাবের কোনটি সরকার এখন পর্যন্ত বাস্তবায়ন করেছে? আমরা কথার চেয়ে কাজের বাস্তবায়ন দেখতে চাই।” বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে সরকারের বিভিন্ন বক্তব্যের সমালোচনা করে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, “হারিকেনের সঙ্গে ফ্যান চলছে—এটা কোনো যুক্তি হতে পারে না। যুক্তি হতে হবে তথ্যভিত্তিক। রাজনৈতিক ব্যঙ্গ দিয়ে গ্যাস, তেল বা বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান করা যাবে না। এর জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।” তিনি আরও বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট সমাধানে রাজনৈতিক বক্তব্য বা পরস্পরকে দোষারোপ না করে বাস্তবসম্মত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিক ছাড়াও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপতি পদে অলি আহমদের মনোনয়ন বৈধ

রাষ্ট্রপতি পদে অলি আহমদের মনোনয়ন বৈধ

রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুলের মনোনয়ন বৈধ

রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুলের মনোনয়ন বৈধ

জনগণের প্রত্যাশা পূরণের বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান মির্জা ফখরুলের

জনগণের প্রত্যাশা পূরণের বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান মির্জা ফখরুলের

বগুড়ায় ১৯ মাসে এইচআইভি শনাক্ত ৯৩, আক্রান্তদের ৮৭ শতাংশ পুরুষ

বগুড়ায় ১৯ মাসে এইচআইভি শনাক্ত ৯৩, আক্রান্তদের ৮৭ শতাংশ পুরুষ

বেসরকারি হাসপাতালেও কম খরচে ডেঙ্গু পরীক্ষা করতে হবে

বেসরকারি হাসপাতালেও কম খরচে ডেঙ্গু পরীক্ষা করতে হবে

হামের উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যু ৭৪৫

হামের উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যু ৭৪৫
মধ্যপ্রাচ্য ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে, তারা নিজেদের ভালো সুরক্ষা দিতে পারবে: ট্রাম্প
মধ্যপ্রাচ্য ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে, তারা নিজেদের ভালো সুরক্ষা দিতে পারবে: ট্রাম্প
মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়াতে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে সাম্প্রতিক যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি মনে করেন, এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে ঐক্য আরও শক্তিশালী করবে। রোববার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশালে দেওয়া এক পোস্টে চুক্তি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে সই করার ঘটনায় তিনি অত্যন্ত আনন্দিত। ট্রাম্পের ভাষ্য, মধ্যপ্রাচ্য ধীরে ধীরে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে এবং দেশগুলো এখন নিজেদের আরও কার্যকরভাবে সুরক্ষা দিতে পারবে। তার মতে, এই চুক্তি একটি বড়, সাহসী ও গুরুত্বপূর্ণ প্রথম পদক্ষেপ। গত ৭ আগস্ট সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান পারস্পরিক নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারে ওই প্রতিরক্ষা চুক্তিতে সই করে। চুক্তির অন্যতম লক্ষ্য হলো সম্ভাব্য যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে তিন দেশের সম্মিলিত প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ানো। চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। পাশাপাশি প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্র আরও জোরদারের কথা রয়েছে। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যেই এই চুক্তি হয়েছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাত এবং ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের হামলাকে কেন্দ্র করে অঞ্চলটিতে উত্তেজনা বিরাজ করছে। একই সঙ্গে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত নিরসনের প্রচেষ্টায় অংশ নেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে তিন দেশ।

ইন্দোনেশিয়ায় ফের ৫.৯ মাত্রার ভূমিকম্প

ইন্দোনেশিয়ায় ফের ৫.৯ মাত্রার ভূমিকম্প

একদিনে দুই শক্তিশালী ভূমিকম্প, ইন্দোনেশিয়ায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭

একদিনে দুই শক্তিশালী ভূমিকম্প, ইন্দোনেশিয়ায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প, নিহত ২

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প, নিহত ২

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে: রণধীর জয়সওয়াল

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে: রণধীর জয়সওয়াল

২৩ বছর পর ইরাক থেকে সেনা প্রত্যাহার করছে যুক্তরাষ্ট্র

২৩ বছর পর ইরাক থেকে সেনা প্রত্যাহার করছে যুক্তরাষ্ট্র

রণতরিতে মার্কিন নৌ সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষে নিহত ৭, দাবি ইরানি মিডিয়ার

রণতরিতে মার্কিন নৌ সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষে নিহত ৭, দাবি ইরানি মিডিয়ার
টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা, বাড়ছে জনদুর্ভোগ
টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা, বাড়ছে জনদুর্ভোগ
টানা ভারী বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী ও অফিসগামী লোকজন। কোথাও হাঁটুসমান, আবার কোথাও কোমরসমান পানি জমেছে। রোববার (১৬ আগস্ট) রাত থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টি সোমবার (১৭ আগস্ট) সকালেও অব্যাহত থাকে। এতে রাহাত্তারপুল, বাকলিয়া, চকবাজার, নিউমার্কেট, রিয়াজউদ্দিন বাজার, কাপাসগোলা ও কাতালগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে যায়। ভারী বৃষ্টিতে আখতারুজ্জামান চৌধুরী ফ্লাইওভারেও জলজট তৈরি হয়েছে। পানি জমে থাকায় যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। নগরীর বিভিন্ন সড়কে কোথাও ধীরগতিতে গাড়ি চলছে, আবার কোথাও পানির মধ্য দিয়েই চলাচল করতে হচ্ছে পথচারীদের। পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস কর্মকর্তা মো. ইসমাইল ভূঁইয়া জানান, সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ১৮৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টায় ৮১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। লঘুচাপ ও মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আরও দুই থেকে তিন দিন বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানান তিনি। এদিকে নগরীতে চলমান গ্যাস সংকটের প্রভাবও পড়েছে গণপরিবহনে। গ্যাসের অভাবে অনেক সিএনজিচালিত অটোরিকশা সড়কে না নামায় যানবাহনের সংখ্যা কমে গেছে। ফলে জলাবদ্ধতার সঙ্গে পরিবহন সংকট যুক্ত হয়ে দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। রাহাত্তারপুল, বাকলিয়া ও বহদ্দারহাটসহ বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা জানান, পানি জমে থাকায় স্বাভাবিক চলাচল কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের পানি মাড়িয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে হচ্ছে। অফিসগামী মানুষও সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে সমস্যায় পড়ছেন। নগরীর বাইরে বোয়ালখালীর বিভিন্ন এলাকাতেও ভারী বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। চরখিজিরপুর-সাতগড়িয়াপাড়া এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বর্ষাকালে জলাবদ্ধতার কারণে স্থানীয়দের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সড়কে পানি জমে থাকায় শিক্ষার্থী ও পথচারীদের চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। নগরবাসীর অভিযোগ, সামান্য ভারী বৃষ্টিতেই চট্টগ্রামের বিভিন্ন সড়কে পানি জমে যায়। দ্রুত পানি নিষ্কাশনের পাশাপাশি জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

যুবলীগের মিছিল থেকে চবি কর্মকর্তা আটক

যুবলীগের মিছিল থেকে চবি কর্মকর্তা আটক

রাঙামাটিতে পিকআপ উল্টে নিহত ৪

রাঙামাটিতে পিকআপ উল্টে নিহত ৪

উৎপাদনে ফিরল বড়পুকুরিয়ার তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিট

উৎপাদনে ফিরল বড়পুকুরিয়ার তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিট
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
এপ্রিল মাস, শনিবারের এক ভোরে আকারা ইতেহ মধ্য লন্ডনের হোলবর্ন টিউব স্টেশনে হেঁটে হেঁটে আসার সময় নিজের ফোন ঘাঁটছিলেন। মুহূর্ত কয়েক পরই ইলেকট্রিক বাইকে আসা এক ছিনতাইকারী তাঁর হাত থেকে ফোন ছিনিয়ে নেয়। নিজের ফোন উদ্ধারে ছিনতাইকারীর পেছনে ছুট লাগিয়েছিলেন আকারা। কিন্তু ধরতে ব্যর্থ হন। আকারা একা এ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাননি; বরং এ বছর এখন পর্যন্ত ইংল্যান্ড ও ওয়ালসে প্রায় ‘৭৮ হাজার’ ফোন ছিনতাই হয়েছে। গত বছরের তুলনায় যা অনেক বেশি। এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে বিচার হওয়ার হার খুবই কম। পুলিশের বক্তব্য, তারা দায়ী অপরাধীদের খোঁজ করে। কিন্তু তারা যেভাবে গায়েব হয়ে যায় বা এত ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন করে যে তাদের গ্রেপ্তার করা কঠিন হয়ে যায়। এ ধরনের অপরাধের শিকার ব্যক্তিরা তাঁদের দুর্দশার কথা বিবিসিকে বলেছেন। বলেছেন, ফোন হারিয়ে গেলে এমন অনেক ছবি ও তথ্য হারিয়ে যায়, যেগুলো আর কখনো ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। সঙ্গে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি তো আছেই। তাঁদের মধ্যে আকারার মতো অনেকে আরও একটি কারণে নিদারুণ হতাশায় ডুবে যান। আকারা তাঁর ফোনটি কোথা থেকে কোথায় যাচ্ছে, তা অনলাইনে অনুসরণ করতে পারছেন; কিন্তু সেটি ফেরত আনার ক্ষমতা তাঁর নেই। ফোন ছিনতাই হওয়ার এক ঘণ্টা বা তার কিছু পরে বাড়িতে ফিরে আকারা তাঁর আইফোন ১৩ হারিয়ে গেছে (লস্ট মুড) অপশনটি চালু করেন। এটা করা হলে চোর ওই ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। এরপর আকারা তাঁর ল্যাপটপের সাহায্যে ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ ফিচার চালু করেন। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আকারা তাঁর ফোনটি কোথায় আছে, সেটা দেখতে পারেন। ল্যাপটপের স্ক্রিনে লন্ডনের বিভিন্ন জায়গায় নিজের ফোন ঘুরে বেড়াতে দেখেন আকারা। ফোন উদ্ধারের আশায় ল্যাপটপে দেখানো দুই জায়গায় নিজেই গিয়েছিলেন আকারা। তিনি বলেন, ‘এটা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। উত্তেজনায়, রাগে আমি এটা করেছিলাম।’ আকারা অবশ্য কারও সঙ্গে কথা বলেননি। তবে বুঝতে পারছিলেন, তাঁকে কেউ অনুসরণ করছে। তিনি বাড়ি চলে যান। আকারা বলেন, ‘আমি খুবই ক্ষুব্ধ ছিলাম। ফোনটা দামি। ওই ফোন কিনতে আমি কঠোর পরিশ্রম করে অর্থ উপার্জন করি এবং কেউ একজন সব ঘেঁটে দিল।’ আকারার ফোনটি যখন চুরি যায়, তখন রাস্তায় তিনি পুলিশ দেখতে পেয়ে তাদের সবকিছু খুলে বলেছিলেন। যদিও তাঁর মনে হয়েছে, পুলিশ কর্মকর্তারা জানতেন, ফোন চুরি করতে চোররা ওই এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। পুলিশ তাকে অনলাইনে অভিযোগ করার পরামর্শ দেয় এবং তিনি সেটা করেন। কয়েক দিন পর ই–মেইল পাঠিয়ে পুলিশ আকারাকে জানায়, তাঁর ফোন চুরির মামলাটির তদন্তকাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বলেছে, ‘সম্ভবত আমরা দোষীদের শনাক্ত করতে পারব না।’ যেখান থেকে ফোন চুরি হয়েছিল, সেখানকার ছবি ও কিছু তথ্য আকারা পুলিশকে দিয়েছিলেন। পুলিশ সেটা গ্রহণ করেছে। কিন্তু ফোন উদ্ধারে আর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ফোন চুরির ঠিক এক মাস পর, মে মাসে আকারা তাঁর ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ আবার দেখেন। তখন সেটির অবস্থান দেখাচ্ছিল শেনজেন, চীন। আকারা এবার সব আশা ছেড়ে দেন। চুরি যাওয়া অনেক ফোনের শেষ গন্তব্য হয় শেনজেন। সেখানে যদি ফোনটি খোলা এবং নতুন করে ব্যবহার করা না যায়, তাঁরা সেটির যন্ত্রাংশ খুলে ফেলে এবং আলাদা আলাদা করে বিক্রি করে। ১ কোটি ৭৬ লাখ মানুষের শহর শেনজেন, বিশাল বড় একটি প্রযুক্তিনগরী। শেনজেনকে তাই চীনের সিলিকন ভ্যালি বলা হয়।

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
অক্টোবরে ১৬ দিনে ব্যয় ৬ হাজার কোটি টাকা। তহবিল সংগ্রহে ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে কমলা। কমলার পক্ষে ভোটের জন্য অর্থ সংগ্রহ ১৮০ কোটি ডলার। ট্রাম্পের ২০২২ সাল থেকে এ পর্যন্ত সংগ্রহ ১০০ কোটি। ডেমোক্রেটিক পার্টির সমাবেশে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ক্লার্কস্টন এলাকায়। ছবি: এএফপি অপতথ্যের ছড়াছড়ি বিগত কয়েক নির্বাচন থেকে দেখছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভোটাররা। এবার অর্থকড়ির ছড়াছড়িও দেখছেন তাঁরা। সর্বশেষ ১৬ দিনে মার্কিন নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী কমলা হ্যারিস, রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা ব্যয় করছেন আধা বিলিয়ন অর্থাৎ ৫০ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৬ হাজার কোটি টাকা (১২০ টাকা প্রতি ডলার)। অর্থাৎ প্রতিদিন ব্যয় হয়েছে ৩৭৫ কোটি টাকা। নিউইয়র্ক টাইমসের গতকাল শুক্রবারের এক খবরে বলা হয়েছে, ভোটারদের তথ্য পেতে এবং বিজ্ঞাপনের জন্য এই অর্থ ব্যয় করছেন তাঁরা। ট্রাম্প ও হ্যারিসের প্রচার শিবির এই ১৬ দিনে ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আর এই দুই নেতার পক্ষে অন্যরা ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম অনুসারে নির্বাচনী প্রচারের ব্যয়ের হিসাব দিতে হয় নির্বাচন কমিশনে। সেই হিসাব সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। কমলা হ্যারিস ১ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত ব্যয় করেছেন ১৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। নথি সূত্রে জানা গেছে, দিন দিন তাঁর এই খরচ বেড়েছে। কারণ, গত আগস্টে পুরো মাসে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় করেছেন ১৩ কোটি ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, অক্টোবরের শুরুতে কমলা হ্যারিসের প্রচার শিবিরের তহবিলে জমা পড়েছে ১৮ কোটি ২৬ লাখ ডলার। তিনি এবং প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মিলে তাঁদের দল ডেমোক্রেটিক পার্টির হয়ে তুলেছেন ১৮০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহে পিছিয়ে আছেন ট্রাম্প। অক্টোবরে তাঁর প্রচার তহবিলে জমা পড়েছে ৯ কোটি ২১ লাখ ডলার। এ ছাড়া পুরো নির্বাচনী প্রচারেও অর্থ সংগ্রহ হয়েছে কম। ২০২২ সালে তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন। এর পর থেকে চলতি অক্টোবর পর্যন্ত তিনি অর্থ সংগ্রহ করতে পেরেছেন ১০০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহ কম হওয়ায় খরচও কম করতে পেরেছেন ট্রাম্প। অক্টোবরের প্রথম ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ১০ কোটি ডলার। এর মধ্যে বিজ্ঞাপনে তিনি ব্যয় করেছেন ৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, জুন, জুলাই ও আগস্টের চেয়ে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় বাড়িয়েছেন। তবে তাঁর হাতে আর বেশি অর্থ নেই ব্যয় করার মতো। তিনি বাকি সময়টায় ৩ কোটি ৬২ লাখ ডলার ব্যয় করতে পারবেন। তবে এ তুলনায় কমলা হ্যারিসের হাতে অনেক বেশি অর্থ আছে। হিসাব অনুসারে, কমলার হাতে ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার আছে নির্বাচনের প্রচারে ব্যয় করার জন্য। নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, ডেমোক্রেটিক পার্টির তহবিলে কারা টাকা দিচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে কিছু মানুষের নাম জানা যাচ্ছে। তবে সিংহভাগ অর্থ কোথা থেকে আসছে, সেটা জানা যাচ্ছে না। কমলা হ্যারিসের প্রচারে যারা সহযোগী হিসেবে কাজ করছে, সেই সুপার পিএসির তহবিল এসেছে ৪ কোটি ডলার। এই অর্থ কোথা থেকে এসেছে, সেটা জানা যাচ্ছে না।  ট্রাম্পের পাশে ইলন মাস্ক ট্রাম্পের প্রচারের শুরু থেকেই আছেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধনকুবের ইলন মাস্ক। আর্থিক এই খরার মধ্যে তিনি ট্রাম্পের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ট্রাম্পের জন্য গত ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার। ট্রাম্পের জন্য তিনি বরাদ্দ রেখেছেন ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের হিসাব বলছে, আর্থিক খরা কাটাতে অতিরিক্ত ৪ কোটি ৩৬ লাখ ডলার ব্যয় করছেন তিনি।

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

১৫ বছরের কমবয়সী ও দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্তরা হজে যেতে পারবে না

১৫ বছরের কমবয়সী ও দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্তরা হজে যেতে পারবে না

মিজানুর রহমান আজহারীর তাফসির মাহফিল স্থগিত

মিজানুর রহমান আজহারীর তাফসির মাহফিল স্থগিত

সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজের ইন্তেকাল

সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজের ইন্তেকাল
১৮ বছর পর ফিরছে ইমরান হাশমির ‘জান্নাত’
১৮ বছর পর ফিরছে ইমরান হাশমির ‘জান্নাত’
অভিনেত্রী রিধিকার মৃত্যুর রহস্যে প্রেমিক গ্রেপ্তার
অভিনেত্রী রিধিকার মৃত্যুর রহস্যে প্রেমিক গ্রেপ্তার
সামনে এলো অভিনেত্রী রিধির মৃত্যুর চাঞ্চল্যকর তথ্য
সামনে এলো অভিনেত্রী রিধির মৃত্যুর চাঞ্চল্যকর তথ্য
১০ গুণ বেশি পারিশ্রমিক ইমরান হাশমির, শাবানা আজমিকে ছাড়ালেন দিশা পাটানি
১০ গুণ বেশি পারিশ্রমিক ইমরান হাশমির, শাবানা আজমিকে ছাড়ালেন দিশা পাটানি
আদালত প্রাঙ্গনে তিশা : স্বামীর ক্ষমতা দেখিয়ে আমার সঙ্গে এটা করেছে
আদালত প্রাঙ্গনে তিশা : স্বামীর ক্ষমতা দেখিয়ে আমার সঙ্গে এটা করেছে
সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার খলনায়ক ডনের জামিন মেলেনি
সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার খলনায়ক ডনের জামিন মেলেনি
ঢাকায় আবারও হতে যাচ্ছে সেলিনা মনিরের ব্রাইডাল মেকআপ মাস্টারক্লাস
ঢাকায় আবারও হতে যাচ্ছে সেলিনা মনিরের ব্রাইডাল মেকআপ মাস্টারক্লাস
কেন বিয়ে করেননি সাইফ আলী খানের বোন সাবা
কেন বিয়ে করেননি সাইফ আলী খানের বোন সাবা
অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে র‍্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের বড় লাফ
অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে র‍্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের বড় লাফ
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ের পুরস্কার পেয়েছে বাংলাদেশ। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের শীর্ষ দল অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে আইসিসি টেস্ট র‍্যাংকিংয়ে তিন ধাপ এগিয়েছে টাইগাররা। নবম স্থান থেকে উঠে এখন বাংলাদেশের অবস্থান ষষ্ঠ। ডারউইন টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর আগে র‍্যাংকিংয়ে নবম স্থানে ছিল বাংলাদেশ। ঐতিহাসিক জয়ের পর পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কাকে পেছনে ফেলে ষষ্ঠ স্থানে উঠে এসেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। বাংলাদেশের ওপরে পঞ্চম স্থানে রয়েছে ইংল্যান্ড, যাদের রেটিং পয়েন্ট ৯৯। দ্বিতীয় টেস্টের ফল বাংলাদেশের রেটিং পয়েন্টে আরও প্রভাব ফেলতে পারে। ম্যাচটি ড্র হলে বাংলাদেশ ১-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতবে এবং রেটিং পয়েন্ট প্রায় ৮০-তে পৌঁছাতে পারে। আর দ্বিতীয় টেস্টেও জয় পেয়ে সিরিজ ২-০ ব্যবধানে শেষ করতে পারলে রেটিং পয়েন্ট প্রায় ৮২ হতে পারে। অন্যদিকে দ্বিতীয় টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারলেও বাংলাদেশের ষষ্ঠ স্থান ধরে রাখার সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে রেটিং পয়েন্ট প্রায় ৮০-এর কাছাকাছি থাকবে। বাংলাদেশের কাছে হারলেও অস্ট্রেলিয়া টেস্ট র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষস্থান ধরে রাখবে। তবে দ্বিতীয় স্থানে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে তাদের রেটিং পয়েন্টের ব্যবধান কমে প্রায় ৩ থেকে ৫ পয়েন্টে নেমে আসতে পারে।

কিংবদন্তিদের প্রশংসায় উচ্ছ্বসিত মিরাজ

কিংবদন্তিদের প্রশংসায় উচ্ছ্বসিত মিরাজ

গুচির শোরুমে কাজ করতেন জর্জিনা, বিয়েতেও গুচির পোশাক

গুচির শোরুমে কাজ করতেন জর্জিনা, বিয়েতেও গুচির পোশাক

‘বাংলাদেশে অপেক্ষা করছি আপনাদের স্বাগত জানাতে’: টাইগারদের প্রধানমন্ত্রী

‘বাংলাদেশে অপেক্ষা করছি আপনাদের স্বাগত জানাতে’: টাইগারদের প্রধানমন্ত্রী

ইলন মাস্কের এক্স নিষিদ্ধের প্রস্তাব

ইলন মাস্কের এক্স নিষিদ্ধের প্রস্তাব

চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী

চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা
অটোরিকশার কারণে বিদ্যুতের চাহিদা হঠাৎ বেড়ে গেছে: জ্বালানিমন্ত্রী
অটোরিকশার কারণে বিদ্যুতের চাহিদা হঠাৎ বেড়ে গেছে: জ্বালানিমন্ত্রী
অবৈধ অটোরিকশার কারণে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা হঠাৎ বেড়ে গেছে বলে দাবি করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, যে পরিমাণে ব্যাটারি রিকশা এসেছে, এগুলো সব রাতে চার্জে বসিয়ে দেয়। এরা যে চার্জে বসায় সেগুলো বেশিরভাগই অবৈধ সংযোগ। আমরা এই অবৈধ সংযোগ ধরার চেষ্টা করছি। এ ধরনের কাজে গেলে আন্দোলন হয়, আমাদের লোকজন মারও খায়। দেশে এলএনজি সরবরাহ বাড়াতে আরও তিনটি টার্মিনাল স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আরও ৩টা এলএনজি টার্মিনাল বসানোর পরিকল্পনা আছে। ১০-১২ দিন আগে একটা টার্মিনালের জন্য অর্ডার দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, মোংলা-হিরন পয়েন্ট এলাকায় আরও একটি এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন করা হবে। এ সময় তেল নিয়ে গুজব না ছড়ানোর আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, তেল নিয়ে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। আমার কিছু করার নাই এখন, দিন গোনা ছাড়া। বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট প্রসঙ্গে ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, বিদ্যুৎ-গ্যাস সমস্যা সমাধানে সরকার আপ্রাণ চেষ্টা করছে। বিগত আওয়ামী সরকার ১৭ বছরে জ্বালানি খাতকে এই সংকটময় অবস্থায় নিয়ে এসেছে।

বাজার সিন্ডিকেট ও মজুতদারি করলেই কঠোর ব্যবস্থা

বাজার সিন্ডিকেট ও মজুতদারি করলেই কঠোর ব্যবস্থা

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে ডিবিএল গ্রুপের সব পোশাক কারখানা বন্ধ, ঝুঁকিতে ২৫ হাজার শ্রমিকের চাকরি

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে ডিবিএল গ্রুপের সব পোশাক কারখানা বন্ধ, ঝুঁকিতে ২৫ হাজার শ্রমিকের চাকরি

জুলাইয়ে রেমিট্যান্স ৩৫ হাজার কোটি টাকা ছাড়াল, বেড়েছে ১৫.৪ শতাংশ

জুলাইয়ে রেমিট্যান্স ৩৫ হাজার কোটি টাকা ছাড়াল, বেড়েছে ১৫.৪ শতাংশ

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা
গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন
গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন
হেপাটাইটিস বি ভাইরাসটি মারাত্মক সংক্রমণ ঘটাতে পারে, যা লিভারের ক্ষতি করে। স্বাভাবিক বা সি-সেকশন ডেলিভারির আগে, ডেলিভারির সময় বা ডেলিভারির পরে উভয় ভাইরাসই মায়ের কাছ থেকে শিশুর মধ্যে ছড়াতে পারে। এটি শুধু রক্তের মাধ্যমেই ছড়ায় না, বরং বীর্য, যোনি স্রাব, লালা এবং অন্যান্য শারীরিক তরলের মাধ্যমেও ছড়ানোর সম্ভাবনা থাকে। টিকা HBV সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে পারে। চিকিৎসকেরা নিয়মিত গর্ভবতী নারীদের হেপাটাইটিস বি এর পরীক্ষা করেন। আপনি যদি সংক্রমিত হন, তবে আপনার শিশুর মধ্যে এটি ছড়ানোর সম্ভাবনা হেপাটাইটিস সি-এর চেয়ে অনেক বেশি। আপনি যদি গত ৬ মাসের মধ্যে হেপাটাইটিস বি-তে অসুস্থ হয়ে থাকেন, যাকে আপনার ডাক্তার তীব্র সংক্রমণ বলতে পারেন, তবে আপনার নবজাতকের এটিতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ৯০%। যদি আপনার সংক্রমণটি আরও বেশি সময় ধরে থাকে, যাকে দীর্ঘস্থায়ী হেপাটাইটিস বি বলা হয়, তবে সেই সম্ভাবনা কমে ১০-২০% হয়ে যায়। প্রসব পরবর্তী যত্ন হেপাটাইটিস বি-এর কোনো নিরাময় নেই। কিন্তু যদি আপনার নবজাতক শিশু ১২ ঘণ্টার মধ্যে হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ এবং হেপাটাইটিস বি ইমিউন গ্লোবুলিন নামক আরেকটি শট পায়, তাহলে তার এই ভাইরাসে আক্রান্ত না হওয়ার সম্ভাবনা ৯০%-এরও বেশি থাকে। শিশুদের সাধারণত প্রথম শটটি দেওয়া হয়। কিন্তু তারা ইমিউন গ্লোবুলিনটি কেবল তখনই পায়, যখন মায়ের HBV থাকে বা থাকার সন্দেহ করা হয়। সর্বোচ্চ সুরক্ষা পাওয়ার জন্য শিশুটির পরবর্তী ৬ মাসের মধ্যে ভ্যাকসিনের বাকি দুটি ডোজও প্রয়োজন হয়। সাধারণত, মায়ের হেপাটাইটিস বি থাকলেও শিশুকে নিরাপদে বুকের দুধ খাওয়াতে পারেন। যদি স্তনবৃন্ত ফেটে যায় বা রক্তপাত হয়, তবে স্তনবৃন্ত সেরে না ওঠা পর্যন্ত সাময়িকভাবে বুকের দুধ খাওয়ানো বন্ধ রাখা উচিত। আপনি যদি নিশ্চিত না হন তবে আপনার ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন। আমেরিকান একাডেমি অফ পেডিয়াট্রিক্স (AAP) সুপারিশ করে যে, সমস্ত শিশুকে জন্মের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিনের প্রথম শট, এরপর ১-২ মাস বয়সে একটি শট এবং ৬ থেকে ১৮ মাস বয়সের মধ্যে তৃতীয় শট দেওয়া উচিত। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, সিডিসি অভিভাবকদের এই টিকার সময়সূচী সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করার সুপারিশ করেছে।

ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী

ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

নামাজের সময়সূচি

সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩
*স্থানভেদে সময়ের পার্থক্য হতে পারে
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
চাকরি আবদুল বাকীকে কখনোই টানেনি। অভাবের সংসারে পরিবারের হাল ধরতে কখনো ফ্রিল্যান্সিং, কখনোবা টিউশনি করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের এই শিক্ষার্থী। তাতেও মনের খেদ মিটছিল না। সব সময় উদ্যোগী হয়ে কিছু একটা করতে, উদ্যোক্তা হতে চেয়েছেন তিনি। গত ২১ সেপ্টেম্বর সেই স্বপ্নই পূরণ হয়েছে। তিন বন্ধু ও এক অনুজকে নিয়ে দিয়েছেন ‘আহার মেলা’। খাবারের এই দোকানে তাঁর সহযোগীরা হলেন রাজশাহী কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শাহাদাত হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামি স্টাডিজ বিভাগের আল-মুত্তাকিন, আরবি বিভাগের আমির হামজা ও ফারসি বিভাগের সামিউল ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসমাইল হোসেন সিরাজী একাডেমিক ভবনের উল্টো দিকে গেলেই চোখে পড়বে এই দোকান। আহার মেলায় ভাত, খিচুড়ি, ভর্তা, ডাল, মাছ, মাংস, সবজি ও ডিমের তরকারি পাওয়া যায়। এ ছাড়া ৬০ ও ৭০ টাকার দুটি প্যাকেজ আছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন (শুক্র ও শনিবার) ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দোকান খোলা থাকে। আবদুল বাকী বলেন, ‘যেহেতু ক্লাস-পরীক্ষার সময়ে দোকানটি চালু থাকে, আমাদের অনেকেরও ওই সময় ক্লাস থাকে। যার যেদিন ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সে সেদিন থাকে না। যদি সবারই একসঙ্গে ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সেদিন দোকান বন্ধ রাখতে হয়।’ পারিবারিকভাবে সচ্ছল ছিলেন না বাকী। কলেজজীবন থেকে এ কাজ-ও কাজ করেছেন। দুই বছর আগে বাবা মারা গেলে আর্থিক দৈন্য আরও বেশি জেঁকে বসে। মূলত সে সময়ই ব্যবসার কথা ভাবতে থাকেন। মাকে পরিকল্পনার কথা শোনান। মা রাজি হন, নিজের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকা তুলে দেন ছেলের হাতে। এই মূলধনের ওপরই দাঁড়িয়ে আছে আহার মেলা। আপাতত ব্যবসা গোছানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন এই উদ্যোক্তা। ভবিষ্যতে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় আহারমেলার শাখা চালু করতে চান।

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

এসএসসির ফলে জিপিএ-৫ নয়, মাঝারি ফলেই বেশি শিক্ষার্থী

এসএসসির ফলে জিপিএ-৫ নয়, মাঝারি ফলেই বেশি শিক্ষার্থী

গণিতে ৮৭%, ইংরেজিতে ৮৫% শিক্ষকই ভিন্ন বিষয়ের

গণিতে ৮৭%, ইংরেজিতে ৮৫% শিক্ষকই ভিন্ন বিষয়ের

মন খুলে গান গাওয়া যায়, নাম্বার দেওয়া যায় না: শিক্ষামন্ত্রী

মন খুলে গান গাওয়া যায়, নাম্বার দেওয়া যায় না: শিক্ষামন্ত্রী