• সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
চড়া মাছ–মাংসের বাজার, রোজার প্রথম শুক্রবারে বিপাকে ক্রেতা
চড়া মাছ–মাংসের বাজার, রোজার প্রথম শুক্রবারে বিপাকে ক্রেতা
রমজানের প্রথম শুক্রবারে রাজধানীর বাজারগুলোতে মাছ ও মাংসের দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। সাপ্তাহিক ছুটির বাজারের চাপ ও ইফতারের বাড়তি চাহিদা—দুই মিলিয়ে বেশির ভাগ বাজারেই দাম আগের সপ্তাহের তুলনায় কেজিতে ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। রাজধানীর রামপুরা ও বনশ্রী ‘এ’ ব্লক কাঁচাবাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র পাওয়া গেছে। সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৩০০ থেকে ৩৪০ টাকায়, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ২৭০–২৮০ টাকা। ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০০–২১০ টাকা, গত সপ্তাহে যা ছিল ১৮০ টাকা। লাল লেয়ার ৩৩০ টাকা ও দেশি মুরগি ৭৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা জানান, রমজানে ইফতার, দাওয়াত ও পারিবারিক আয়োজনে মুরগির চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় খামার পর্যায় থেকেই দাম বাড়ছে। গরুর মাংস কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকায়, যা রোজার আগে ছিল ৭৫০–৭৮০ টাকা। তবে খাসির মাংসের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে; প্রতি কেজি ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি আকারের রুই মাছ ৩৫০–৪২০ টাকা, কাতলা ৩৮০–৪৫০ টাকা, পাঙ্গাস ২০০–২২০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২২০–২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ইলিশ আকারভেদে ১ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শিং ৫০০–৬০০, মাগুর ৫৫০–৬৫০ এবং চিংড়ি ৮০০–১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মাছ ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশি মাছের সরবরাহ কম এবং পাইকারি বাজারে দাম বেশি হওয়ায় খুচরা বাজারেও প্রভাব পড়ছে। পরিবহন ও বরফের খরচও বেড়েছে। রামপুরা বাজারে বাজার করতে আসা এক বেসরকারি চাকরিজীবী বলেন, রোজা শুরু হতেই বাজারের খরচ বেড়ে গেছে। গত সপ্তাহে যে রুই ৩৬০ টাকায় কিনেছেন, এখন সেটি ৪০০ টাকার বেশি। সংসারের বাজেট সামলানো কঠিন হয়ে পড়ছে। বনশ্রী এলাকার এক গৃহিণী জানান, রোজায় মুরগির ব্যবহার বেশি থাকে। কিন্তু ব্রয়লারেই কেজিতে প্রায় ৪০ টাকা বেড়েছে। আয় না বাড়লেও প্রতি সপ্তাহে খরচ বাড়ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তবে ডিমের বাজার তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে। প্রতি ডজন ডিম ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহের সমান। সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় আপাতত দাম বাড়েনি বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, রমজানের শুরুতেই বাড়তি চাহিদার কারণে মাছ–মাংসের বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক না থাকলে মাসের মাঝামাঝি সময়ে দাম আরও বাড়তে পারে—এমন আশঙ্কা করছেন ক্রেতারা।

রমজানে বাজার স্থিতিশীল রাখতে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

রমজানে বাজার স্থিতিশীল রাখতে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশের আকাশে ভারতের স্পাইসজেটকে নিষেধাজ্ঞা

বাংলাদেশের আকাশে ভারতের স্পাইসজেটকে নিষেধাজ্ঞা

জুলাই সনদ কি বাংলাদেশের পরবর্তী বড় সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দু?

জুলাই সনদ কি বাংলাদেশের পরবর্তী বড় সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দু?

এখন টিভির ৪ সাংবাদিককে শোকজ, বাসস সম্পাদকের বিরুদ্ধে মব সৃষ্টির অভিযোগ

এখন টিভির ৪ সাংবাদিককে শোকজ, বাসস সম্পাদকের বিরুদ্ধে মব সৃষ্টির অভিযোগ

দলীয় প্রভাব নয়, আইনের শাসনই হবে শেষ কথা: প্রধানমন্ত্রী

দলীয় প্রভাব নয়, আইনের শাসনই হবে শেষ কথা: প্রধানমন্ত্রী

লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর করেছেন ড. ইউনূস

লাল পাসপোর্ট হস্তান্তর করেছেন ড. ইউনূস
সংসদ সদস্যদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দিলো জামায়াত
সংসদ সদস্যদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দিলো জামায়াত
শপথ গ্রহণ ও বিরোধীদলীয় নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শেষ করেই জাতীয় সংসদে নিজেদের সক্রিয় উপস্থিতি নিশ্চিত করতে জোর প্রস্তুতি শুরু করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলীয় সংসদ সদস্যদের, বিশেষ করে যারা প্রথমবার নির্বাচিত হয়েছেন, তাদের সংসদীয় কার্যপ্রণালি বিধি, বিল ও বাজেট প্রণয়ন এবং স্থায়ী কমিটির কাজ সম্পর্কে সম্যক ধারণা দিতে দুই দিনব্যাপী এক বিশেষ কর্মশালার আয়োজন করে দলটি।  ‘ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম’ শীর্ষক এই কর্মসূচিতে অভিজ্ঞ সাবেক আমলা, শিক্ষাবিদ এবং সাবেক সংসদ সদস্যদের মাধ্যমে সংসদীয় কলাকৌশল ও বিরোধী দলের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। জামায়াত নেতারা জানিয়েছেন, সংসদে একটি সৃজনশীল ও গ্রহণযোগ্য ভূমিকা পালনের লক্ষ্যেই এই প্রাথমিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয় সংলগ্ন আল ফালাহ মিলনায়তনে এই প্রশিক্ষণ শুরু হয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে শেষ হয়। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ৮০ শতাংশই এবার নতুন, যাদের আগে সংসদীয় কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতা নেই। এই বাস্তবতায় পাঁচটি পৃথক সেশনে বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে সংসদীয় প্রোটোকল, ব্যক্তিগত ও সম্মিলিত ভূমিকা এবং বিল পাসের ক্ষেত্রে বিরোধী দলের কৌশল সম্পর্কে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। এমনকি ভবিষ্যতে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ গঠন হলে সেখানে উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষের মধ্যকার সম্পর্ক কেমন হতে পারে, সে বিষয়েও ধারণা দেওয়া হয়েছে অংশগ্রহণকারীদের। কর্মশালায় সেশনগুলো পরিচালনা করেন সংসদ সচিবালয়ের অভিজ্ঞ কর্মকর্তা, সাবেক আমলা, নির্বাচন কমিশনের সাবেক দায়িত্বশীল ব্যক্তি এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। প্রতিটি সেশনে বিশেষজ্ঞরা তাত্ত্বিক আলোচনার পাশাপাশি প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন কৌতূহল ও আইনি জটিলতা নিরসন করেন।  জামায়াতের প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানান, সংসদ সদস্যদের দক্ষতা ও যোগ্যতা বাড়াতে প্রতিবছরই এ ধরনের একাধিক কর্মশালার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। বিশেষ করে বাজেট অধিবেশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সংসদ সদস্যরা যাতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন, সে লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও এমন আয়োজন অব্যাহত থাকবে। কর্মশালায় অংশ নেওয়া ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান (মিলন) ও পাবনা–১ আসনের নাজিবুর রহমান মোমেন এই প্রশিক্ষণকে অত্যন্ত জরুরি বলে অভিহিত করেছেন। তারা জানান, নতুন সংসদ সদস্য হিসেবে সংসদে গিয়ে দেশ ও জনগণের স্বার্থে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে, তার একটি স্পষ্ট রূপরেখা তারা এখান থেকে পেয়েছেন। ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম (আরমান) উল্লেখ করেন, বিরোধী দল হিসেবে সংসদে গঠনমূলক সমালোচনা ও আইনি বিতর্কে অংশ নিতে এই কর্মশালা তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। জামায়াতের এই উদ্যোগ ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, আসন্ন সংসদ অধিবেশনে দলটি একটি সুসংগঠিত ও তথ্যনির্ভর বিরোধী দল হিসেবে নিজেদের তুলে ধরতে চাইছে।

শপথের পরদিনই ঝাড়ু হাতে জামায়াত আমির

শপথের পরদিনই ঝাড়ু হাতে জামায়াত আমির

তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় নতুনত্বের চমক

তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় নতুনত্বের চমক

সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস‍্য হিসেবে শপথ নেননি বিএনপির এমপিরা

সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস‍্য হিসেবে শপথ নেননি বিএনপির এমপিরা

ডেঙ্গুতে একদিনে ২ মৃত্যু, হাসপাতালে ৭০৫

ডেঙ্গুতে একদিনে ২ মৃত্যু, হাসপাতালে ৭০৫

ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৩৯

ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৩৯

ডেঙ্গুতে আরো ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৯৫

ডেঙ্গুতে আরো ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৯৫
সিরিয়া থেকে সব সেনা প্রত্যাহার করছে যুক্তরাষ্ট্র
সিরিয়া থেকে সব সেনা প্রত্যাহার করছে যুক্তরাষ্ট্র
সিরিয়া থেকে নিজেদের সব সেনা প্রত্যাহার করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত সপ্তাহে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি খালি করে তা সিরিয়া সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা Reuters। সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। প্রায় এক যুগ আগে জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)-এর উত্থানের সময় এসব ঘাঁটি স্থাপন করা হয়। সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ-এর আমলে সিরিয়ায় শুরু হওয়া গৃহযুদ্ধের মধ্যে ২০১৪ সালে আইএসের উত্থান ঘটে। অল্প সময়ের মধ্যেই সংগঠনটি সিরিয়া ও ইরাক-এর বিস্তীর্ণ এলাকা দখল করে নিজেদের আলাদা রাষ্ট্র ঘোষণা করে। আইএসকে দমনে ২০১৪ সালে সিরিয়ায় প্রায় ২ হাজার সেনা পাঠায় যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে বিভিন্ন ঘাঁটিতে প্রায় ১ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। তাদের সবাইকে ধাপে ধাপে প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে বলেন, ‘আইএস বৈশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি। এই গোষ্ঠীকে নির্মূল করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিজ্ঞাবদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যে আইএসের যে কোনো হুমকির জবাব দিতে মার্কিন বাহিনী প্রস্তুত।’ তিনি আরও বলেন, ‘সিরিয়ায় যখন আইএসের উত্থান হয়েছিল, সে সময় গোষ্ঠীটিকে দমনে সিরীয় সরকারকে সহযোগিতা করতে দেশটিতে সেনা পাঠানো হয়। এখন পরিস্থিতি বদলেছে। সিরিয়ায় একটি স্থিতিশীল সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং আইএসের হুমকি আগের তুলনায় দুর্বল। তাই সেখান থেকে সেনা ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে একটি গ্রুপকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট ঘাঁটি সিরিয়ার সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’ সূত্র: রয়টার্স

ইরানের রেভোল্যুশনারি গার্ডকে ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ আখ্যা দিলো ইইউ

ইরানের রেভোল্যুশনারি গার্ডকে ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ আখ্যা দিলো ইইউ

পশ্চিমবঙ্গে নিপাহ্ ভাইরাস: সংক্রমণ কি আদৌ ছড়িয়েছে?

পশ্চিমবঙ্গে নিপাহ্ ভাইরাস: সংক্রমণ কি আদৌ ছড়িয়েছে?

ভারতে বিমান বিধ্বস্ত, মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার নিহত

ভারতে বিমান বিধ্বস্ত, মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার নিহত

কানাডাকে গিলে খাবে চীন, বললেন ট্রাম্প

কানাডাকে গিলে খাবে চীন, বললেন ট্রাম্প

যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ইরান

যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ইরান

ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা সব দেশের ওপর ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা ট্রাম্পের

ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা সব দেশের ওপর ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা ট্রাম্পের
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ককটেল তৈরির সময় বিস্ফোরণ, নিহত ২
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ককটেল তৈরির সময় বিস্ফোরণ, নিহত ২
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ককটেল তৈরির সময় বিস্ফোরণে দুজন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় আহত হয়েছেন তিনজন।  শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ভোরে সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।    চাঁপাইনবাবগঞ্জে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) এ.এন.এম ওয়াসিম ফিরোজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  নিহত দুইজনের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। তবে আহতরা হলেন- চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের  ফাঁটাপাড়া গ্রামের মো. বজলুর রহমান (২০) ও মো. মিনহাজ (২২) এবং একই উপজেলার রাণিহাটি ইউনিয়নের উপরধুমি এলাকার মো. শুভ (২০)। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ.এন.এম ওয়াসিম ফিরোজ বলেন, ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে ফাঁটাপাড়া গ্রামের মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে মো. কালামের বসতবাড়িতে একদল দুষ্কৃতকারী ককটেল তৈরির সরঞ্জামসহ অবস্থান করছিল। সেখানে তারা ককটেল তৈরি করার সময় হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে ঘটনাস্থলেই অজ্ঞাতপরিচয় দুজন প্রাণ হারান। নিহতদের মুখমণ্ডল বিকৃত হয়ে যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, বিস্ফোরণে গুরুতর জখম হওয়া তিন জনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে দ্রুত চাঁপাইনবাবগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। তিনি আরও বলেন, চরবাগডাঙ্গায় অতিরিক্ত পুলিশ ও বিজিবি মোতায়েন করা আছে এবং এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।

খুলনায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে যুবক নিহত

খুলনায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে যুবক নিহত

মধ্যরাতে বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে টাকা বিতরণ, ৬ জনের কারাদণ্ড

মধ্যরাতে বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে টাকা বিতরণ, ৬ জনের কারাদণ্ড

নওগাঁয় ডাম্পট্রাকের চাপায় ভ্যানের ৫ যাত্রী নিহত

নওগাঁয় ডাম্পট্রাকের চাপায় ভ্যানের ৫ যাত্রী নিহত
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
এপ্রিল মাস, শনিবারের এক ভোরে আকারা ইতেহ মধ্য লন্ডনের হোলবর্ন টিউব স্টেশনে হেঁটে হেঁটে আসার সময় নিজের ফোন ঘাঁটছিলেন। মুহূর্ত কয়েক পরই ইলেকট্রিক বাইকে আসা এক ছিনতাইকারী তাঁর হাত থেকে ফোন ছিনিয়ে নেয়। নিজের ফোন উদ্ধারে ছিনতাইকারীর পেছনে ছুট লাগিয়েছিলেন আকারা। কিন্তু ধরতে ব্যর্থ হন। আকারা একা এ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাননি; বরং এ বছর এখন পর্যন্ত ইংল্যান্ড ও ওয়ালসে প্রায় ‘৭৮ হাজার’ ফোন ছিনতাই হয়েছে। গত বছরের তুলনায় যা অনেক বেশি। এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে বিচার হওয়ার হার খুবই কম। পুলিশের বক্তব্য, তারা দায়ী অপরাধীদের খোঁজ করে। কিন্তু তারা যেভাবে গায়েব হয়ে যায় বা এত ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন করে যে তাদের গ্রেপ্তার করা কঠিন হয়ে যায়। এ ধরনের অপরাধের শিকার ব্যক্তিরা তাঁদের দুর্দশার কথা বিবিসিকে বলেছেন। বলেছেন, ফোন হারিয়ে গেলে এমন অনেক ছবি ও তথ্য হারিয়ে যায়, যেগুলো আর কখনো ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। সঙ্গে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি তো আছেই। তাঁদের মধ্যে আকারার মতো অনেকে আরও একটি কারণে নিদারুণ হতাশায় ডুবে যান। আকারা তাঁর ফোনটি কোথা থেকে কোথায় যাচ্ছে, তা অনলাইনে অনুসরণ করতে পারছেন; কিন্তু সেটি ফেরত আনার ক্ষমতা তাঁর নেই। ফোন ছিনতাই হওয়ার এক ঘণ্টা বা তার কিছু পরে বাড়িতে ফিরে আকারা তাঁর আইফোন ১৩ হারিয়ে গেছে (লস্ট মুড) অপশনটি চালু করেন। এটা করা হলে চোর ওই ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। এরপর আকারা তাঁর ল্যাপটপের সাহায্যে ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ ফিচার চালু করেন। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আকারা তাঁর ফোনটি কোথায় আছে, সেটা দেখতে পারেন। ল্যাপটপের স্ক্রিনে লন্ডনের বিভিন্ন জায়গায় নিজের ফোন ঘুরে বেড়াতে দেখেন আকারা। ফোন উদ্ধারের আশায় ল্যাপটপে দেখানো দুই জায়গায় নিজেই গিয়েছিলেন আকারা। তিনি বলেন, ‘এটা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। উত্তেজনায়, রাগে আমি এটা করেছিলাম।’ আকারা অবশ্য কারও সঙ্গে কথা বলেননি। তবে বুঝতে পারছিলেন, তাঁকে কেউ অনুসরণ করছে। তিনি বাড়ি চলে যান। আকারা বলেন, ‘আমি খুবই ক্ষুব্ধ ছিলাম। ফোনটা দামি। ওই ফোন কিনতে আমি কঠোর পরিশ্রম করে অর্থ উপার্জন করি এবং কেউ একজন সব ঘেঁটে দিল।’ আকারার ফোনটি যখন চুরি যায়, তখন রাস্তায় তিনি পুলিশ দেখতে পেয়ে তাদের সবকিছু খুলে বলেছিলেন। যদিও তাঁর মনে হয়েছে, পুলিশ কর্মকর্তারা জানতেন, ফোন চুরি করতে চোররা ওই এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। পুলিশ তাকে অনলাইনে অভিযোগ করার পরামর্শ দেয় এবং তিনি সেটা করেন। কয়েক দিন পর ই–মেইল পাঠিয়ে পুলিশ আকারাকে জানায়, তাঁর ফোন চুরির মামলাটির তদন্তকাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বলেছে, ‘সম্ভবত আমরা দোষীদের শনাক্ত করতে পারব না।’ যেখান থেকে ফোন চুরি হয়েছিল, সেখানকার ছবি ও কিছু তথ্য আকারা পুলিশকে দিয়েছিলেন। পুলিশ সেটা গ্রহণ করেছে। কিন্তু ফোন উদ্ধারে আর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ফোন চুরির ঠিক এক মাস পর, মে মাসে আকারা তাঁর ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ আবার দেখেন। তখন সেটির অবস্থান দেখাচ্ছিল শেনজেন, চীন। আকারা এবার সব আশা ছেড়ে দেন। চুরি যাওয়া অনেক ফোনের শেষ গন্তব্য হয় শেনজেন। সেখানে যদি ফোনটি খোলা এবং নতুন করে ব্যবহার করা না যায়, তাঁরা সেটির যন্ত্রাংশ খুলে ফেলে এবং আলাদা আলাদা করে বিক্রি করে। ১ কোটি ৭৬ লাখ মানুষের শহর শেনজেন, বিশাল বড় একটি প্রযুক্তিনগরী। শেনজেনকে তাই চীনের সিলিকন ভ্যালি বলা হয়।

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
অক্টোবরে ১৬ দিনে ব্যয় ৬ হাজার কোটি টাকা। তহবিল সংগ্রহে ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে কমলা। কমলার পক্ষে ভোটের জন্য অর্থ সংগ্রহ ১৮০ কোটি ডলার। ট্রাম্পের ২০২২ সাল থেকে এ পর্যন্ত সংগ্রহ ১০০ কোটি। ডেমোক্রেটিক পার্টির সমাবেশে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ক্লার্কস্টন এলাকায়। ছবি: এএফপি অপতথ্যের ছড়াছড়ি বিগত কয়েক নির্বাচন থেকে দেখছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভোটাররা। এবার অর্থকড়ির ছড়াছড়িও দেখছেন তাঁরা। সর্বশেষ ১৬ দিনে মার্কিন নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী কমলা হ্যারিস, রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা ব্যয় করছেন আধা বিলিয়ন অর্থাৎ ৫০ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৬ হাজার কোটি টাকা (১২০ টাকা প্রতি ডলার)। অর্থাৎ প্রতিদিন ব্যয় হয়েছে ৩৭৫ কোটি টাকা। নিউইয়র্ক টাইমসের গতকাল শুক্রবারের এক খবরে বলা হয়েছে, ভোটারদের তথ্য পেতে এবং বিজ্ঞাপনের জন্য এই অর্থ ব্যয় করছেন তাঁরা। ট্রাম্প ও হ্যারিসের প্রচার শিবির এই ১৬ দিনে ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আর এই দুই নেতার পক্ষে অন্যরা ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম অনুসারে নির্বাচনী প্রচারের ব্যয়ের হিসাব দিতে হয় নির্বাচন কমিশনে। সেই হিসাব সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। কমলা হ্যারিস ১ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত ব্যয় করেছেন ১৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। নথি সূত্রে জানা গেছে, দিন দিন তাঁর এই খরচ বেড়েছে। কারণ, গত আগস্টে পুরো মাসে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় করেছেন ১৩ কোটি ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, অক্টোবরের শুরুতে কমলা হ্যারিসের প্রচার শিবিরের তহবিলে জমা পড়েছে ১৮ কোটি ২৬ লাখ ডলার। তিনি এবং প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মিলে তাঁদের দল ডেমোক্রেটিক পার্টির হয়ে তুলেছেন ১৮০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহে পিছিয়ে আছেন ট্রাম্প। অক্টোবরে তাঁর প্রচার তহবিলে জমা পড়েছে ৯ কোটি ২১ লাখ ডলার। এ ছাড়া পুরো নির্বাচনী প্রচারেও অর্থ সংগ্রহ হয়েছে কম। ২০২২ সালে তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন। এর পর থেকে চলতি অক্টোবর পর্যন্ত তিনি অর্থ সংগ্রহ করতে পেরেছেন ১০০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহ কম হওয়ায় খরচও কম করতে পেরেছেন ট্রাম্প। অক্টোবরের প্রথম ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ১০ কোটি ডলার। এর মধ্যে বিজ্ঞাপনে তিনি ব্যয় করেছেন ৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, জুন, জুলাই ও আগস্টের চেয়ে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় বাড়িয়েছেন। তবে তাঁর হাতে আর বেশি অর্থ নেই ব্যয় করার মতো। তিনি বাকি সময়টায় ৩ কোটি ৬২ লাখ ডলার ব্যয় করতে পারবেন। তবে এ তুলনায় কমলা হ্যারিসের হাতে অনেক বেশি অর্থ আছে। হিসাব অনুসারে, কমলার হাতে ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার আছে নির্বাচনের প্রচারে ব্যয় করার জন্য। নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, ডেমোক্রেটিক পার্টির তহবিলে কারা টাকা দিচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে কিছু মানুষের নাম জানা যাচ্ছে। তবে সিংহভাগ অর্থ কোথা থেকে আসছে, সেটা জানা যাচ্ছে না। কমলা হ্যারিসের প্রচারে যারা সহযোগী হিসেবে কাজ করছে, সেই সুপার পিএসির তহবিল এসেছে ৪ কোটি ডলার। এই অর্থ কোথা থেকে এসেছে, সেটা জানা যাচ্ছে না।  ট্রাম্পের পাশে ইলন মাস্ক ট্রাম্পের প্রচারের শুরু থেকেই আছেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধনকুবের ইলন মাস্ক। আর্থিক এই খরার মধ্যে তিনি ট্রাম্পের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ট্রাম্পের জন্য গত ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার। ট্রাম্পের জন্য তিনি বরাদ্দ রেখেছেন ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের হিসাব বলছে, আর্থিক খরা কাটাতে অতিরিক্ত ৪ কোটি ৩৬ লাখ ডলার ব্যয় করছেন তিনি।

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

মিজানুর রহমান আজহারীর তাফসির মাহফিল স্থগিত

মিজানুর রহমান আজহারীর তাফসির মাহফিল স্থগিত

সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজের ইন্তেকাল

সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজের ইন্তেকাল

ওমরাহ ও হজযাত্রীদের জন্য বড় সুখবর

ওমরাহ ও হজযাত্রীদের জন্য বড় সুখবর
বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই
বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই
অভিনেত্রী মেহজাবীনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
অভিনেত্রী মেহজাবীনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
পুথির সাজে ধরা দিলেন মিম
পুথির সাজে ধরা দিলেন মিম
কাছের মানুষ হারালেন হৃতিকের প্রাক্তন স্ত্রী
কাছের মানুষ হারালেন হৃতিকের প্রাক্তন স্ত্রী
ফিটব্যাক রিসেট-এর তৃতীয় বর্ষ উদযাপন
ফিটব্যাক রিসেট-এর তৃতীয় বর্ষ উদযাপন
রোমিও ব্রাদার্স'র জমজমাট প্রথম পাবলিক কনসার্ট
রোমিও ব্রাদার্স'র জমজমাট প্রথম পাবলিক কনসার্ট
‘নারীকে সম্মান দেওয়ার পরিবর্তে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার হাতিয়ার বানানো হলো’
‘নারীকে সম্মান দেওয়ার পরিবর্তে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার হাতিয়ার বানানো হলো’
ব্যাচেলর পয়েন্টে আর দেখা যাবে না শিমুলকে!
ব্যাচেলর পয়েন্টে আর দেখা যাবে না শিমুলকে!
অতিরিক্ত সময়ের গোলে চেলসিকে হারিয়ে লিগ কাপের ফাইনালে আর্সেনাল
অতিরিক্ত সময়ের গোলে চেলসিকে হারিয়ে লিগ কাপের ফাইনালে আর্সেনাল
ম্যাচজুড়ে খুব একটা উত্তেজনা না থাকলেও শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত সময়ের একমাত্র গোলেই চেলসিকে হারিয়ে লিগ কাপের ফাইনালে উঠেছে আর্সেনাল। নির্ধারিত সময় গোলশূন্য থাকার পর ৯৭ মিনিটে কাই হাভার্টজের করা গোল ১-০ ব্যবধানের জয় এনে দেয় মিকেল আর্তেতার দলকে। ঘরের মাঠ এমিরেটস স্টেডিয়ামে এই জয়ের মধ্য দিয়ে চেলসির বিপক্ষে টানা অপরাজেয় থাকার রেকর্ডও ধরে রাখল গানাররা। দুই দলের সর্বশেষ ১০ দেখায় এখনো জয় পায়নি স্টামফোর্ড ব্রিজের দলটি। অথচ ম্যাচটির আগে প্রিমিয়ার লিগ ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ মিলিয়ে টানা পাঁচ ম্যাচে জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়েই মাঠে নেমেছিল লিয়াম রোজেনিয়রের শিষ্যরা। পরিসংখ্যানে চেলসি এগিয়ে থাকলেও ফলের পার্থক্য গড়ে দেয় আর্সেনালের কার্যকর আক্রমণ। ম্যাচে ৫৫ শতাংশ বল দখলে রেখে চেলসি নেয় ১১টি শট, যার মধ্যে দুটি ছিল লক্ষ্যে। বিপরীতে আর্সেনাল ৬টি শটের দুটি লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয়। প্রথমার্ধে দুই দলের খেলাই ছিল অনেকটা ম্যাড়ম্যাড়ে। ১৮ মিনিটে আর্সেনাল একটি ভালো সুযোগ পেলেও গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় তা নষ্ট হয়। বিরতির ঠিক আগে এনজো ফার্নান্দেজের দূরপাল্লার শট দারুণভাবে ঠেকান কেপা আরিজাবালাগা। দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের গতি বাড়লেও কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পাচ্ছিল না কোনো দলই। গোলশূন্য অবস্থায় শেষ হয় নির্ধারিত ৯০ মিনিট। যোগ করা ছয় মিনিটের শুরুতেই হতাশ হয়ে চেলসি সমর্থকদের একটি অংশ মাঠ ছাড়তে শুরু করে। আর সেই হতাশা আরও বাড়িয়ে দেন কাই হাভার্টজ। ৯৭ মিনিটে ডেকলান রাইসের লম্বা পাস ধরে বক্সে ঢুকে ওয়ান-অন-ওয়ানে গোলরক্ষককে কাটিয়ে জাল খুঁজে নেন জার্মান মিডফিল্ডার। প্রথম লেগের ৩-২ জয়ের সঙ্গে এই ফল যোগ করে ৪-২ অ্যাগ্রিগেটে লিগ কাপের ফাইনালে পৌঁছে গেল আর্সেনাল।

পাকিস্তানের ম্যাচ বয়কট, ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারত কী করবে

পাকিস্তানের ম্যাচ বয়কট, ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারত কী করবে

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নেই বাংলাদেশ, নেপথ্যে যা যা ঘটেছে

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নেই বাংলাদেশ, নেপথ্যে যা যা ঘটেছে

বিশ্বকাপ ভেন্যু ইস্যুতে শেষ চেষ্টা, আন্তর্জাতিক আদালতে যাবে বাংলাদেশ

বিশ্বকাপ ভেন্যু ইস্যুতে শেষ চেষ্টা, আন্তর্জাতিক আদালতে যাবে বাংলাদেশ

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে চাহিদা পূরণে দক্ষতার প্রামাণ দিচ্ছেন ইমরান 

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে চাহিদা পূরণে দক্ষতার প্রামাণ দিচ্ছেন ইমরান 

অ্যানোনিমাস পেজ থেকে রহস্যময় পোস্ট, পেছনে বেটিং চক্র!

অ্যানোনিমাস পেজ থেকে রহস্যময় পোস্ট, পেছনে বেটিং চক্র!
চড়া মাছ–মাংসের বাজার, রোজার প্রথম শুক্রবারে বিপাকে ক্রেতা
চড়া মাছ–মাংসের বাজার, রোজার প্রথম শুক্রবারে বিপাকে ক্রেতা
রমজানের প্রথম শুক্রবারে রাজধানীর বাজারগুলোতে মাছ ও মাংসের দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। সাপ্তাহিক ছুটির বাজারের চাপ ও ইফতারের বাড়তি চাহিদা—দুই মিলিয়ে বেশির ভাগ বাজারেই দাম আগের সপ্তাহের তুলনায় কেজিতে ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। রাজধানীর রামপুরা ও বনশ্রী ‘এ’ ব্লক কাঁচাবাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র পাওয়া গেছে। সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৩০০ থেকে ৩৪০ টাকায়, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ২৭০–২৮০ টাকা। ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০০–২১০ টাকা, গত সপ্তাহে যা ছিল ১৮০ টাকা। লাল লেয়ার ৩৩০ টাকা ও দেশি মুরগি ৭৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা জানান, রমজানে ইফতার, দাওয়াত ও পারিবারিক আয়োজনে মুরগির চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় খামার পর্যায় থেকেই দাম বাড়ছে। গরুর মাংস কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকায়, যা রোজার আগে ছিল ৭৫০–৭৮০ টাকা। তবে খাসির মাংসের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে; প্রতি কেজি ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি আকারের রুই মাছ ৩৫০–৪২০ টাকা, কাতলা ৩৮০–৪৫০ টাকা, পাঙ্গাস ২০০–২২০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২২০–২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ইলিশ আকারভেদে ১ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শিং ৫০০–৬০০, মাগুর ৫৫০–৬৫০ এবং চিংড়ি ৮০০–১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মাছ ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশি মাছের সরবরাহ কম এবং পাইকারি বাজারে দাম বেশি হওয়ায় খুচরা বাজারেও প্রভাব পড়ছে। পরিবহন ও বরফের খরচও বেড়েছে। রামপুরা বাজারে বাজার করতে আসা এক বেসরকারি চাকরিজীবী বলেন, রোজা শুরু হতেই বাজারের খরচ বেড়ে গেছে। গত সপ্তাহে যে রুই ৩৬০ টাকায় কিনেছেন, এখন সেটি ৪০০ টাকার বেশি। সংসারের বাজেট সামলানো কঠিন হয়ে পড়ছে। বনশ্রী এলাকার এক গৃহিণী জানান, রোজায় মুরগির ব্যবহার বেশি থাকে। কিন্তু ব্রয়লারেই কেজিতে প্রায় ৪০ টাকা বেড়েছে। আয় না বাড়লেও প্রতি সপ্তাহে খরচ বাড়ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তবে ডিমের বাজার তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে। প্রতি ডজন ডিম ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহের সমান। সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় আপাতত দাম বাড়েনি বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, রমজানের শুরুতেই বাড়তি চাহিদার কারণে মাছ–মাংসের বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক না থাকলে মাসের মাঝামাঝি সময়ে দাম আরও বাড়তে পারে—এমন আশঙ্কা করছেন ক্রেতারা।

রমজানে বাজার স্থিতিশীল রাখতে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

রমজানে বাজার স্থিতিশীল রাখতে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

বহুমাত্রিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ, জটিল সন্ধিক্ষণে বাংলাদেশ

বহুমাত্রিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ, জটিল সন্ধিক্ষণে বাংলাদেশ

সোনার দাম বাড়লো ভরিতে ৫৪২৪ টাকা

সোনার দাম বাড়লো ভরিতে ৫৪২৪ টাকা

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা
ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী
ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী
শুধু শারীরিক স্বাস্থ্য নয়, মানসিক সুস্থতার ওপরও হরমোনের বড় প্রভাব রয়েছে। হরমোনের মাত্রায় পরিবর্তন হলে উদ্বেগ, বিষণ্নতা, ঘন ঘন মেজাজ খারাপসহ নানা মানসিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। কর্টিসল বা স্ট্রেস হরমোন কর্টিসলের মাত্রা কমে গেলে রক্তের শর্করা ও ইনসুলিনের ভারসাম্য নষ্ট হয়, ফলে সুখের অনুভূতির জন্য জরুরি সেরোটোনিন কমে যায়। একইভাবে ইস্ট্রোজেনের প্রভাবেও মানসিক স্থিরতা কমে যেতে পারে। থাইরয়েড ও অন্যান্য হরমোনজনিত রোগ থাইরয়েড হরমোন শক্তি ও বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে। এর অস্বাভাবিকতা উদ্বেগ, অস্থিরতা ও মেজাজ পরিবর্তনের কারণ হতে পারে। পিসিওএস, পিসিওডি, মেনোপজ বা দীর্ঘমেয়াদি মানসিক চাপও একই প্রভাব ফেলে। ঘুমের সমস্যা হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হলে মেলাটোনিনসহ ঘুম নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন ঠিকভাবে কাজ করে না। ঘুমের ঘাটতি বিষণ্নতা ও রাগ বাড়ায়। সন্তান জন্মের পর পরিবর্তন প্রসবের পর মায়ের ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন হরমোন হঠাৎ কমে যায়। এতে অনেক মায়ের মধ্যে প্রসব-পরবর্তী বিষণ্নতা দেখা দেয়। খাদ্যাভ্যাসের গুরুত্ব হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে খাদ্যতালিকায় রঙিন ফল, শাকসবজি, অ্যাভোকাডো তেল, বাদাম, ডিমের কুসুম এবং প্রো-বায়োটিক খাবার (দই, বাটারমিল্ক, ভাতের ফ্যান) রাখুন। চিনি কমিয়ে তুলসি ও ভেষজ চা পান করলে স্ট্রেস কমে। কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন যদি দীর্ঘদিন ধরে মেজাজ পরিবর্তন, ক্লান্তি, মনোযোগের ঘাটতি, ওজনের অস্বাভাবিক পরিবর্তনসহ মানসিক অস্থিরতা দেখা দেয়, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

রমজানে সুস্থ থাকতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষ পরামর্শ

রমজানে সুস্থ থাকতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষ পরামর্শ

নামাজের সময়সূচি

শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
*স্থানভেদে সময়ের পার্থক্য হতে পারে
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
চাকরি আবদুল বাকীকে কখনোই টানেনি। অভাবের সংসারে পরিবারের হাল ধরতে কখনো ফ্রিল্যান্সিং, কখনোবা টিউশনি করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের এই শিক্ষার্থী। তাতেও মনের খেদ মিটছিল না। সব সময় উদ্যোগী হয়ে কিছু একটা করতে, উদ্যোক্তা হতে চেয়েছেন তিনি। গত ২১ সেপ্টেম্বর সেই স্বপ্নই পূরণ হয়েছে। তিন বন্ধু ও এক অনুজকে নিয়ে দিয়েছেন ‘আহার মেলা’। খাবারের এই দোকানে তাঁর সহযোগীরা হলেন রাজশাহী কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শাহাদাত হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামি স্টাডিজ বিভাগের আল-মুত্তাকিন, আরবি বিভাগের আমির হামজা ও ফারসি বিভাগের সামিউল ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসমাইল হোসেন সিরাজী একাডেমিক ভবনের উল্টো দিকে গেলেই চোখে পড়বে এই দোকান। আহার মেলায় ভাত, খিচুড়ি, ভর্তা, ডাল, মাছ, মাংস, সবজি ও ডিমের তরকারি পাওয়া যায়। এ ছাড়া ৬০ ও ৭০ টাকার দুটি প্যাকেজ আছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন (শুক্র ও শনিবার) ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দোকান খোলা থাকে। আবদুল বাকী বলেন, ‘যেহেতু ক্লাস-পরীক্ষার সময়ে দোকানটি চালু থাকে, আমাদের অনেকেরও ওই সময় ক্লাস থাকে। যার যেদিন ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সে সেদিন থাকে না। যদি সবারই একসঙ্গে ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সেদিন দোকান বন্ধ রাখতে হয়।’ পারিবারিকভাবে সচ্ছল ছিলেন না বাকী। কলেজজীবন থেকে এ কাজ-ও কাজ করেছেন। দুই বছর আগে বাবা মারা গেলে আর্থিক দৈন্য আরও বেশি জেঁকে বসে। মূলত সে সময়ই ব্যবসার কথা ভাবতে থাকেন। মাকে পরিকল্পনার কথা শোনান। মা রাজি হন, নিজের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকা তুলে দেন ছেলের হাতে। এই মূলধনের ওপরই দাঁড়িয়ে আছে আহার মেলা। আপাতত ব্যবসা গোছানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন এই উদ্যোক্তা। ভবিষ্যতে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় আহারমেলার শাখা চালু করতে চান।

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

শিক্ষা শুধু চাকরির জন্য নয়, সৃজনশীল মানুষ গড়ার জন্যও : প্রধান উপদেষ্টা

শিক্ষা শুধু চাকরির জন্য নয়, সৃজনশীল মানুষ গড়ার জন্যও : প্রধান উপদেষ্টা

ডাকসু নির্বাচনের ব্যালট পেপার ছাপানো নিয়ে যা বললেন ঢাবি উপাচার্য

ডাকসু নির্বাচনের ব্যালট পেপার ছাপানো নিয়ে যা বললেন ঢাবি উপাচার্য

রাকসুর পর পেছালো চাকসু নির্বাচনও

রাকসুর পর পেছালো চাকসু নির্বাচনও